
Bahar Ali
owner
Success Story
হাত-পা গুটিয়ে অলস বসে থাকা যে মানুষের মনকে কতটা বিষিয়ে তোলে, তা আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। হাতে কোনো কাজ ছিল না, রোজগারের সুনির্দিষ্ট উপায় ছিল না—দিনগুলো যেন এক জায়গায় থমকে গিয়েছিল। পরিবার আর সমাজের সামনে নিজেকে বড্ড অপ্রয়োজনীয় ও অসহায় মনে হতো। কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছিলাম, শুধু আফসোস করে বা ঘরে বসে থেকে বেকারত্ব দূর হবে না। একটা স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন আধুনিক যুগের উপযোগী কার্যকর টেকনিক্যাল স্কিল। স্মার্টফোনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা চিন্তা করে অলসতা ঝেড়ে ফেলে ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে এসে জীবনের নতুন এক লড়াই শুরু হলো। নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দিলাম কাজ শেখার পেছনে। মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট গাইডলাইনে মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম আইসি (IC) থেকে শুরু করে ফোনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের জটিল সব মেকানিজম ধরে ধরে প্র্যাকটিক্যালি রপ্ত করলাম। দিনের পর দিন কঠিন অনুশীলনের পর যখন একটি পুরো মরা ফোনকে নিজ হাতে সচল করতে সক্ষম হলাম, তখন প্রথম বুঝতে পারলাম—আমার হাতেই তৈরি হয়ে গেছে আমার ভবিষ্যৎ! কঠিন অনুশীলনে তৈরি হওয়া সেই অদম্য আত্মবিশ্বাস থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। অর্জিত বিদ্যা আর অদম্য সাহসকে পুঁজি করে অবশেষে চালু করলাম আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং ও গ্যাজেট শপ। অলস বসে থাকা সেই অন্ধকার দিনগুলো আজ শুধুই অতীত। এখন প্রতিদিন নিজের দোকানে বসে শত শত কাস্টমারের জটিল সার্ভিসিং সমস্যার সমাধান করছি, নিজের উপার্জনে নিজের মতো করে মাথা উঁচু করে বাঁচছি। হতাশা ভুলে iFixFast-এ ভর্তি হওয়ার সেই একটি সিদ্ধান্তই আজ আমাকে বেকারত্ব থেকে মুক্ত করে নিজের প্রতিষ্ঠানের এক সফল ও স্বাবলম্বী মালিক বানিয়ে দিয়েছে