Success Stories
সফল শিক্ষার্থীদের গল্প
A brief or detailed account of your success in your own words
ছোটবেলা থেকেই মোবাইল ফোন আর প্রযুক্তির প্রতি আমার এক অন্যরকম কৌতূহল ছিল। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের ভেতরে কী আছে, কীভাবে এগুলো কাজ করে—এসব জানার প্রতি আগ্রহ ছিল প্রবল। ধীরে ধীরে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজটার প্রতি একটা আলাদা ভালোবাসা তৈরি হয়ে যায়। একসময় মনে হলো, যে কাজটা আমি মন থেকে এত পছন্দ করি, সেটাকে যদি নিজের প্রধান পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে পারি—তবে কেমন হয়? এই চিন্তাই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর থেকেই শুরু হয় সঠিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের খোঁজ, যেখানে নিখুঁত ও আধুনিক কাজ শেখা যাবে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সন্ধান পাই iFixFast Training Institute-এর। আইফিক্সফাস্টে ভর্তি হওয়ার পর আমার সেই ছোটবেলার ভালোলাগা এক পেশাদার দক্ষতায় রূপ নিতে শুরু করে। তাদের অভিজ্ঞ ট্রেইনারদের আন্তরিক দিকনির্দেশনায় অ্যাডভান্স লেভেলের মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস, মাইক্রো-সোল্ডারিং এবং সার্কিটের জটিল কাজগুলো হাতে-কলমে শিখে ফেলি। প্রশিক্ষণ শেষ করে নিজের দক্ষতা আর আত্মবিশ্বাসকে সম্বল করে অবশেষে চালু করি আমার স্বপ্নের নিজের মোবাইল সার্ভিসিং শপ। আজ আমি গর্বের সাথে বলতে পারি, আমি আমার স্বপ্নের পথেই হাঁটছি। প্রতিদিন কাস্টমারদের সার্ভিস দিচ্ছি এবং একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করতে পেরেছি। মনের ভেতর যে কাজের প্রতি ভালোবাসা থাকে, সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে সেই কাজ দিয়েই জীবনে সফল হওয়া সম্ভব—আমার এই পথচলাই তার বাস্তব উদাহরণ
নোয়াখালীর ছেলে, থাকি ঢাকার হাতিরপুলে পুকুরপাড় জামে মসজিদ রোডে। আমি মোঃ শাজ্জাদুর রহমান, কাজ করি মোতালেব প্লাজা শপিং কমপ্লেক্সের ২০৭ নম্বর দোকান "IFixFast Mobile Service Center"-এ, টেকনিশিয়ান হিসেবে। মোবাইল প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে, নতুন নতুন মডেল আসছে, সমস্যাগুলোও জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে থেমে থাকলে চলবে না—এই উপলব্ধি থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের পুরো কোর্সে ভর্তি হই। আলহামদুলিল্লাহ, প্রশিক্ষণের প্রতিটা ধাপে নিজেকে নিয়ত তৈরি করে চলেছি। শুধু কোর্স শেষ করাটাই লক্ষ্য না, বরং প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার এই প্রক্রিয়াটাকেই জীবনের একটা অংশ বানিয়ে নিয়েছি। কোর্স শেষে যেখানে প্রশিক্ষণ নিয়েছি, সেই একই প্রতিষ্ঠান "IFixFast"-এই কাজের সুযোগ পাই। আজ হাতিরপুলের এই পরিচিত মার্কেটে কাজ করতে করতে বুঝি, আল্লাহর রহমতে নিজেকে ক্রমাগত গড়ে তোলার এই যাত্রাটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য। প্রতিদিন কিছু না কিছু নতুন শিখে নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলার এই প্রচেষ্টা কখনো থামতে দিতে চাই না
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার সিলুনিয়া বাজারে নিজের প্রতিষ্ঠান "Efaz Telecom" গড়ে তুলেছি। আমি মোঃ ইস্তিয়াক, ১০ম ব্যাচের একজন প্রশিক্ষণার্থী, এই বাজারেই আমার ব্যবসার শুরু। সিলুনিয়া বাজারের মতো একটা এলাকায় ব্যবসা দাঁড় করাতে হলে শুধু আগ্রহ থাকলেই হবে না, দরকার প্রকৃত দক্ষতা—এই বিশ্বাস থেকেই ২০২৩ সালের ৫ই জুলাই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রায় তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা কৌশল মনোযোগ দিয়ে আয়ত্ত করেছি, আল্লাহর রহমতে প্রতিটা ধাপেই দক্ষতা বাড়তে দেখেছি নিজের মধ্যে। ১০ই অক্টোবর কোর্স শেষ করে সিলুনিয়া বাজারে নিজের এই দোকানটা দাঁড় করাই। আজ সেনবাগের মানুষ যখন তাদের মোবাইল সমস্যা নিয়ে "Efaz Telecom"-এ আসেন, তখন বুঝি আল্লাহর রহমতেই এই ছোট্ট প্রতিষ্ঠানটা আজ এলাকার মানুষের একটা ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে।
বরিশালের ছেলে হয়েও এখন থাকি ঢাকার হাতিরপুলে, পুকুরপাড় জামে মসজিদ গলিতে। আমি মিজানুর রহমান, কাজ করি একটু দূরে মোতালেব প্লাজা শপিং কমপ্লেক্সে অবস্থিত "IFixFast Mobile Service Center"-এ, টেকনিশিয়ান হিসেবে। বরিশাল থেকে ঢাকায় এসে থিতু হওয়াটা প্রথমদিকে সহজ ছিল না, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে সময় লেগেছে। কিন্তু জানতাম, একটা ভালো দক্ষতা অর্জন করতে পারলে এই শহরেই নিজের একটা জায়গা তৈরি করা সম্ভব। এই বিশ্বাস থেকেই ২০২৩ সালের ৫ই জুলাই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রায় তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা বিষয় মনোযোগ দিয়ে শিখেছি, আল্লাহর রহমতে প্রতিদিনই নিজের মধ্যে একটু একটু করে দক্ষতা বাড়তে দেখেছি। ১০ই অক্টোবর কোর্স শেষ করে যেখানে প্রশিক্ষণ নিয়েছি, সেই একই প্রতিষ্ঠান "IFixFast"-এই কাজের সুযোগ পাই। আজ পুকুরপাড় থেকে মোতালেব প্লাজা পর্যন্ত প্রতিদিনের এই ছোট্ট যাত্রাটা আমার কাছে একটা গর্বের বিষয়। বরিশাল থেকে দূরে এসেও ঢাকার এই পরিচিত মার্কেটে নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি, আর এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
নওগাঁর ছেলে হয়েও এখন থাকি ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশে, নর্দা উত্তর জগন্নাথপুরে। আমি কামাল সরেন, ভাটারা এলাকার "BH Enterprise"-এ কাজ করি টেকনিশিয়ান হিসেবে। নওগাঁ থেকে ঢাকার মতো একটা বড় শহরে এসে বসুন্ধরার পাশের এই এলাকায় থিতু হওয়ার সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ—তবুও নিজের একটা লক্ষ্য ছিল, কিছু একটা শিখে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। এই ভাবনা থেকেই ২০২৩ সালের ৬ই এপ্রিল বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রায় তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়েছি, কারণ জানতাম বসুন্ধরার মতো একটা অভিজাত এলাকার কাছাকাছি কাজ করতে হলে দক্ষতার মান উঁচু রাখতে হবে। ১০ই জুলাই কোর্স শেষ করে "BH Enterprise"-এ যোগ দিই। আজ নওগাঁ থেকে দূরে এসে নর্দার এই পরিচিত এলাকায় নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি। আল্লাহর রহমতে প্রতিদিন কাজ করতে করতে বুঝি, নিজের এলাকা থেকে দূরে গিয়েও পরিশ্রম আর দক্ষতা দিয়ে একটা সম্মানজনক পরিচয় গড়ে তোলা সম্ভব।
নোয়াখালী সদরের মাইজদীতে, নোয়াখালী সুপার মার্কেটে নিজের প্রতিষ্ঠান "Famous Telecom" গড়ে তুলেছি। আমি মোঃ শাহরিয়ার আমিন ইমন, লক্ষ্মীপুরের ছেলে, ১০ম ব্যাচের একজন প্রশিক্ষণার্থী। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে যখন বেসিক কোর্সে ভর্তি হই, তখন এই সেক্টরটা সম্পর্কে তেমন গভীর ধারণা ছিল না আমার। কিন্তু ধীরে ধীরে হাতে-কলমে কাজ শিখতে শিখতে বুঝলাম, মোবাইল সার্ভিসিং শুধু একটা কারিগরি কাজ না, এটা একটা সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। প্রায় তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে সৃষ্টিকর্তার কৃপায় প্রতিটা ধাপেই কিছু না কিছু নতুন শিখেছি। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে কোর্স শেষ করে মাইজদীর নোয়াখালী সুপার মার্কেটে নিজের এই প্রতিষ্ঠানটা দাঁড় করাই। আজ কয়েক বছর পেরিয়ে এসেও যখন দেখি "Famous Telecom" এলাকার মানুষের কাছে একটা পরিচিত নাম হয়ে উঠেছে, তখন বুঝি সেই প্রথম পদক্ষেপটা ভুল ছিল না। লক্ষ্মীপুর থেকে নোয়াখালীতে এসে এই দীর্ঘ পথচলাটাই আজ আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।
আসসালামু আলাইকুম, আমি আগে আমার আব্বুর সাথে ব্যবসা করতাম, তারপর চিন্তা করছেন আমি এমন একটি কাজ করবো যা দিয়ে নিজের পায়ে দারাতে পারি। এমন কি অন্য কে শিখাতে পারি আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে আমি একজন টেকনিশিয়ান আমার নিজের একটা দোকান আছে।
আমি সাভারের পল্লি বিদ্যুতের বাসিন্দা। দীর্ঘ সাত বছর জামাকাপড়ের ব্যবসা এবং ফার্মেসির পর, আমি বর্তমানে মোবাইল ফোন সার্ভিসিংয়ের সাথে যুক্ত আছি। কম্পিউটারের প্রতি ছোটবেলার ভালোলাগা থাকলেও, পারিবারিক ব্যবসার কারণে আমি বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ি। তবে প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ আমাকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দিকে টেনে আনে, যা এখন আমার সাফল্যের পথ। IFIXFAS হাত ধরে আমার এই নতুন অধ্যায়ের শুরু। সেখানে প্রথমে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স এবং পরবর্তীতে অ্যাডভান্স কোর্স সম্পন্ন করে আমি এখন সাভার সিটি সেন্টারের একটি শপে অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। আমার ভবিষ্যৎ লক্ষ্য হলো নিজের দোকান দেওয়া এবং প্রয়োজনে চীন থেকে আরও ডিগ্রি এনে বাংলাদেশে IFIXFAST এরমতো একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যেখানে আমার মতো আগ্রহীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হবে।
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বাংলাহিলি বাজারে নিজের প্রতিষ্ঠান "Fahiz Mobile & Accessories Gallery" গড়ে তুলেছি। আমি মোঃ নূর আমিন বাবু হোসেন, ১০ম ব্যাচের একজন প্রশিক্ষণার্থী। টেকনিক্যাল কাজের প্রতি ছোটবেলা থেকেই একটা ভালোলাগা কাজ করতো আমার মধ্যে। এই ভালোলাগা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নিই, আর বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। আলহামদুলিল্লাহ, IFixFast আমাদের খুব ভালোভাবেই শিখিয়েছে—প্রতিটা বিষয় সহজভাবে বোঝানো হয়েছে, যা শিখতে আমার কোনো অসুবিধা হয়নি। প্রশিক্ষণ শেষে বাংলাহিলি বাজারে নিজের এই দোকানটা দাঁড় করাই। শুরুর দিকে টুকটাক চ্যালেঞ্জ থাকলেও, আল্লাহর সাহায্য সবসময় সাথে ছিল বলেই বিশ্বাস করি এগিয়ে যেতে পেরেছি। আজ আল্লাহর রহমতে পরিবার নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালোই আছি। ছোটবেলার সেই ভালোলাগাটাই আজ আমার জীবিকা আর পরিবারের ভরণপোষণের মাধ্যম হয়ে উঠেছে, আর এই তৃপ্তির জন্য সবসময় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার আমতলী বাজারে নিজের দোকান দিয়ে বসেছি। আমি জিসানুর রহমান, ৪৬তম ব্যাচের একজন প্রশিক্ষণার্থী, আর আজ যখন নিজের এই ছোট্ট প্রতিষ্ঠানটার দিকে তাকাই, মুখে একটাই কথা আসে—আল্লাহর রহমতে দোকান দিয়ে ভালোই আছি। দোকান খোলার আগে ভেবেছিলাম, শুধু ইচ্ছা থাকলেই হবে না, দরকার আসল দক্ষতা। এই বিশ্বাস থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সে ভর্তি হয়ে সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যা সমাধানের কৌশল শিখেছি। আল্লাহর রহমতে প্রশিক্ষণের প্রতিটা ধাপ সফলভাবে পার করে আমতলী বাজারে নিজের দোকানটা দাঁড় করাতে পেরেছি। শুরুর দিকে যতটা অনিশ্চয়তা ছিল, আজ ততটাই স্বস্তি অনুভব করি যখন দেখি এলাকার মানুষ আমার কাজের উপর আস্থা রাখছেন। আজ আমতলী বাজারের এই ছোট্ট প্রতিষ্ঠানটা নিয়ে আল্লাহর রহমতে বেশ ভালোই আছি। আপনাদের সবার কাছে দোয়া চাই, যেন এই পথচলাটা আরও সামনে এগিয়ে যেতে পারি, আর আল্লাহ যেন আমার এই ছোট্ট উদ্যোগে বরকত দান করেন।
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার কলেজ রোডে, আলফাডাঙ্গা বাজারে "Dipto Telecom & Mobile Servicing"-এ কাজ করি। আমি দীপ্ত মন্ডল, ৪৬তম ব্যাচের একজন প্রশিক্ষণার্থী, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। কলেজ রোডের এই বাজারে কাজ শুরু করার আগে ভেবেছিলাম, শুধু ইচ্ছা থাকলেই হবে না, দরকার প্রকৃত দক্ষতা। এই বিশ্বাস থেকেই ২০২৬ সালের মার্চে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের কোর্সে ভর্তি হই। প্রায় তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যা সমাধানের কৌশল শিখেছি। সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় প্রতিটা ধাপেই কিছু না কিছু নতুন আয়ত্ত করেছি। জুন মাসে কোর্স শেষ করে আলফাডাঙ্গা বাজারের এই দোকানে টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিই। আজ যখন পেছনে ফিরে তাকাই, সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় ভালোই আছি। তবে এখানেই থেমে থাকতে চাই না—সামনে বড় কিছু করার আগ্রহ মনের মধ্যে সবসময় জাগ্রত থাকে, হয়তো একদিন নিজের একটা প্রতিষ্ঠানও দাঁড় করাবো। সৃষ্টিকর্তা যেন সেই পথটা সহজ করে দেন, এই প্রার্থনাই করি প্রতিনিয়ত।
"হেরে যাওয়ার আগে কখনো হেরে যেতে নেই, কারণ চেষ্টা থামিয়ে দিলে সমাজ আপনাকে পেছনে ফেলে দেবে। কিন্তু ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে সফলতা আসবেই।" ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে যখন নিজের স্বপ্নগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় আসি, তখন অনেক অনিশ্চয়তা ছিল। কী করব, কীভাবে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করব—তা নিয়ে অনেক চিন্তা হতো। কিন্তু আমি দমে যাইনি। নিজের প্রতি বিশ্বাস ছিল এবং সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই ভর্তি হই iFixFast Training Center-এ। iFixFast-এ আসার পর অভিজ্ঞ ট্রেইনারদের হাত ধরে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের আধুনিক ও জটিল কাজগুলো হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাই। হার্ডওয়্যার থেকে শুরু করে মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম কাজ—সবকিছুই প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের মাধ্যমে খুব সহজে আয়ত্ত করি। প্রশিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনা আমার আত্মবিশ্বাসকে বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়। আজ সেই চেষ্টা আর প্রশিক্ষণের ফল পাচ্ছি। যে স্বপ্ন নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে পথচলা শুরু করেছিলাম, তা আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। আমি সফলভাবে মোবাইল সার্ভিসিং সেক্টরে নিজের অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি। জীবনের খেলায় হঠাৎ দু-একদিনে কেউ অল-আউট হয় না, যদি না সে নিজে হার মেনে নেয়। সঠিক স্কিল বা দক্ষতা অর্জন করতে পারলে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব—আমার এই পথচলাই তার প্রমাণ
একসময় জীবন নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলাম—কী করব, কীভাবে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করব, বুঝতে পারছিলাম না। মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল, কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনা ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার অভাবে এগোতে পারছিলাম না। তখনই খোঁজ পাই iFixFast Training Institute-এর। iFixFast-এ ভর্তি হওয়াটাই ছিল আমার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। সেখানকার অভিজ্ঞ ট্রেইনারদের কাছে হাতে-কলমে ড্রাই সোল্ডারিং, সার্কিট ডায়াগনসিসের আধুনিক কৌশলগুলো খুব সহজে শিখে ফেলি। শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে প্রতিনিয়ত জটিল মাদারবোর্ডের সমস্যা সমাধানের অভিজ্ঞতা আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেয়। কোর্স শেষ করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ইনস্টিটিউট থেকে পাওয়া সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিজের আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে অবশেষে আমার স্বপ্নের নিজের মোবাইল সার্ভিসিং শপ চালু করি। শুরুতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ থাকলেও কাজের দক্ষতার কারণে খুব দ্রুত গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হই। আজ আমার দোকানে প্রতিদিন অনেক কাস্টমার আসছেন এবং আমি সফলভাবে তাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। একসময় যা ছিল শুধুই একটি স্বপ্ন, iFixFast-এর সঠিক প্রশিক্ষণ ও নিজের চেষ্টায় আজ তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। আমি আজ একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পেরে গর্বিত। সঠিক কাজের দক্ষতা ও পরিশ্রম থাকলে যে কেউ নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে—আমার এই যাত্রাই তার প্রমাণ
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় নিজের প্রতিষ্ঠান "Urmi Telecom" গড়ে তুলেছি। আমি মোহাম্মদ রেদোয়ান খান, এই এলাকাতেই বেড়ে ওঠা, এখানেই স্বপ্ন বুনেছি নিজের একটা ব্যবসা দাঁড় করানোর। শ্রীনগরের মতো একটা উপজেলায় ব্যবসা শুরু করার আগে ভেবেছিলাম, শুধু আগ্রহ থাকলেই হবে না, দরকার প্রকৃত টেকনিক্যাল দক্ষতা। এই বিশ্বাস থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সটা সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিই, যেন সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যাই আত্মবিশ্বাসের সাথে সামলাতে পারি। আল্লাহর রহমতে দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণের প্রতিটা ধাপে নিজেকে প্রস্তুত করেছি একটা পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানোর জন্য। কোর্স শেষে নিজের এলাকা শ্রীনগরেই "Urmi Telecom" নাম দিয়ে দোকান খুলে বসি। আজ শ্রীনগরের মানুষ যখন তাদের মোবাইল সমস্যা নিয়ে নিশ্চিন্তে আমার দোকানে আসেন, তখন বুঝি আল্লাহর রহমতেই এই ছোট্ট প্রতিষ্ঠানটা আজ এলাকার মানুষের একটা ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে।
আসসালামু আলাইকুম, আমি তাহিদুল ইসলাম অন্তর, আমি একজন স্টুডেন্ট SSC 2025 Batch, ssc রেজাল্টে এর পর ভাবলাম ভবিষ্যতের জন্য হ্যান্ড স্ক্রিল জানা অনেক প্রয়োজন, আমি আমার আব্বু আম্মুকে বললাম যে আমি হ্যান্ড স্কেল শিখতে চাই, তখন আমার আব্বু ফেইসবুকে IfixFast ট্রেনিং সেন্টার অ্যাড দেখলো আমার আব্বুর কাছে এই সেন্টার ভালো লাগায় আমাকে সাজেস্ট করল, তারপর আমি ifixfast এ ভর্তি হলাম 44 batch, ওইখানে ভর্তি হয়ে আমি আমার হ্যান্ড স্কিল বাড়ালাম এবং কি ওইখান থেকে আমি সার্টিফিকেট পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি একজন বেসিক ফোন সার্ভিসিং এর টেকনিশিয়ান।
আমার টেকনিক্যাল ক্যারিয়ারে কাজের মান ও আত্মবিশ্বাসের যে বিশাল পরিবর্তন এসেছে, তা ভাবলে আজও আমার অবাক লাগে। আগে কোনো ফোনে চার্জিং সমস্যা নিয়ে কাস্টমার আসলে আমি নিজে মূল কারণ ও রিপেয়ারের সঠিক কৌশল না জেনে কেবল চার্জিং রিবন বা বোর্ড চেঞ্জ করে দিতাম। কিন্তু এখন চার্জিং ইস্যুর এমন কোনো সেট নেই, যা আমার হাত থেকে সমাধান ছাড়া ফেরত যায়! ডিসপ্লের লাইট ও গ্রাফিক্সের জটিল ট্রাবলশুটিং আগে আমার সাধ্যের বাইরে ছিল, এখন তা অনায়াসে সমাধান করতে পারি। ব্যাটারির সমস্যা হলে আগে শুধু নতুন ব্যাটারি চেঞ্জ করার পরামর্শ দিতাম, অথচ এখন ব্যাটারি সার্ভিসিং ও রিপেয়ার করেই ফোন সচল করতে সক্ষম। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আগে কাজ করতে গিয়ে মাদারবোর্ড থেকে আইসি (IC) তুললে ভুলবশত সার্কিটের ট্র্যাক বা লাইন মিস হয়ে যেত! বাধ্য হয়ে ফোনটি ডেড ঘোষণা করে কাস্টমারকে ফেরত দিতাম। আর আজ সেই আইসির নিচের অতি সূক্ষ্ম আন্ডার-লেয়ার জাম্পারিং করে মাদারবোর্ড সচল করার মতো নিখুঁত দক্ষতা আমার আয়ত্তে এসেছে! আমার এই প্রফেশনাল পরিবর্তনটি এসেছে IFixFast Training Institute থেকে প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে অ্যাডভান্সড ট্রেনিং সম্পন্ন করার পর। কোর্স শেষ করে বাড়ি ফেরার পর প্রথম দিনই এক কাস্টমার একটি রেডমি নোট ৯ (Redmi Note 9) নিয়ে আসলেন, যেটির টাচ কাজ করছিল না। কাস্টমার জানালেন, তিনি ইতোমধ্যে দুই-তিনটি ডিসপ্লে চেঞ্জ করেছেন, কিন্তু দুই-একদিন চলার পরই আবার টাচ বন্ধ হয়ে যায়। আমি সেটটি হাতে নিয়ে নিখুঁতভাবে ডায়াগনোসিস করে বুঝতে পারলাম সমস্যাটি ডিসপ্লেতে নয়, বরং সফটওয়্যারে। এরপর সফলভাবে সফটওয়্যার ফ্ল্যাশিং করে সমস্যাটি সমাধান করে দিই। দুই মাস পর কাস্টমারের সাথে দেখা হলে তিনি অত্যন্ত আনন্দের সাথে বললেন— "ভাই, আপনার কাছ থেকে কাজ করানোর পর থেকে আজ পর্যন্ত আর কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি!" এর কিছুদিন পর আরেকটি ফোন আসলো, যেটির পাওয়ার ও ভলিউম বাটন—কোনোটিই কাজ করছিল না। ফোনটি কেবল চার্জারে লাগিয়ে রাখলেই চালানো যেত। অন্য একটি সার্ভিসিং শপে চেষ্টা করতে গিয়ে তারা বাটনের ফ্লেক্স ক্যাবলটিই সম্পূর্ণ নষ্ট করে ফেলেছিল, যা বাজারেও পাওয়া যাচ্ছিল না। আমি সেটির বাটন সার্কিট নিজ হাতে রিপেয়ার করে ফোনটি সচল করে দিই। ইনস্টিটিউট থেকে ট্রেনিং শেষ করেই পরপর দুটি জটিল কাজে এমন চমৎকার সাফল্য পেয়ে মনে যে আনন্দ ও আত্মবিশ্বাস পেয়েছিলাম, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আজ আমার শপে আসা কোনো ফোনই সহজে ফেরত যায় না—কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় স্পেয়ার পার্টস একদম পাওয়া না গেলে বা বোর্ড ফিজিক্যালি পুরোপুরি ড্যামেজ থাকলেই কেবল ভিন্ন কথা। আমার কাজের প্রতিটি সূক্ষ্ম লাইন এবং সার্কিটের কাজ একদম হাতে-কলমে বুঝিয়ে শেখানোর জন্য শ্রদ্ধেয় সকল ওস্তাদকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা IFixFast Training Institute-কে, যাদের দিকনির্দেশনায় আজ আমি একজন পূর্ণাঙ্গ ও সফল প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হতে পেরেছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন
কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় "Friends Telecom" নামের দোকানটা আমার বহুদিনের পুরনো। আমি মোঃ ফখরুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জের ছেলে, তবে এই গল্পটা নতুন ব্যবসা শুরুর না, বরং নিজেকে আরও উন্নত করার। বছরের পর বছর ধরে দোকান চালাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে, নতুন নতুন মডেলের ফোন আসছে, সমস্যাগুলোও হয়ে উঠছে আরও জটিল। এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে নিজেকে থামিয়ে রাখলে চলবে না—এই উপলব্ধি থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের কোর্স ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছি, আর এখন নিজেকে আরও ভালোভাবে গড়ে তুলতে মাস্টার অ্যাডভান্স কোর্সে ভর্তি হয়েছি। আল্লাহর রহমতে এই সময়ে এসেও নতুন কিছু শেখার আগ্রহ এখনো অটুট আছে। প্রতিটা নতুন ক্লাসে যখন আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করি, তখন মনে হয় বছরের অভিজ্ঞতা আর নতুন এই শিক্ষা একসাথে মিললে দক্ষতাটা আরও পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে। এই মুহূর্তে মাস্টার অ্যাডভান্স কোর্স চালিয়ে যাচ্ছি, লক্ষ্য একটাই—পুরনো দোকানটাকে নতুন উদ্যমে আরও মজবুত করে তোলা। আল্লাহর রহমতে এই ক্রমাগত শেখার আগ্রহটাই আমার ব্যবসাকে বদলে যাওয়া সময়ের সাথে টিকিয়ে রাখার আসল শক্তি হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ধোড়করা গ্রামে বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের গ্রামেরই "Mobile Zone"-এ। আমি গোলাম মোরশেদ আলম, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। গ্রামের মধ্যে থেকে একটা টেকনিক্যাল দক্ষতা অর্জন করাটা সহজ ছিল না, কারণ শহরের মতো সুযোগ-সুবিধা এখানে সীমিত। কিন্তু আল্লাহর রহমতে যখন সুযোগ পেলাম, দেরি না করে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সে ভর্তি হয়ে গেলাম, লক্ষ্য একটাই—নিজের গ্রামের মানুষকেই সেবা দেওয়ার মতো দক্ষতা অর্জন করা। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যা সমাধানের কৌশল শিখেছি, কারণ জানতাম দরপড়া গ্রামের মতো এলাকায় মানুষকে বারবার শহরে পাঠানো ঠিক হবে না। কোর্স শেষে "Mobile Zone"-এ যোগ দিয়ে সেই সম্পূর্ণ দক্ষতাটাই কাজে লাগাচ্ছি প্রতিদিন। আজ নিজের গ্রামের মানুষ যখন সাধারণ থেকে জটিল—যেকোনো সমস্যা নিয়েই নিশ্চিন্তে আমার কাছে আসতে পারেন, তখন বুঝি আল্লাহর রহমতেই গ্রামে থেকেও একটা সম্মানজনক ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে আমার পক্ষে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাজারে "Gazi Electronics and Mobile Service" নামে একটা দোকান, তবে এর ভেতরের গল্পটা একটু ভিন্ন। আমি আব্দুল কাইয়ুম আহম্মেদ, এই দোকানটা আমি চালাই পার্টনারশিপে—একজন সঙ্গী ইলেকট্রনিক্স আইটেম বিক্রি করেন, আর আমি এক পাশে মোবাইল মেরামত আর অ্যাক্সেসরিজ নিয়ে বসি। এই যৌথ উদ্যোগে ব্যবসা শুরু করার আগে ভেবেছিলাম, দুজন মিলে যদি দুটো ভিন্ন সেবা একসাথে দিতে পারি, তাহলে গ্রাহকরা একই ছাদের নিচে অনেক কিছু পাবেন। কিন্তু আমার অংশটা সফল করতে হলে দরকার ছিল প্রকৃত মোবাইল সার্ভিসিং দক্ষতা। তাই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সে ভর্তি হই। আল্লাহর রহমতে দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যা সমাধানের কৌশল আয়ত্ত করেছি, যেন পার্টনারশিপ ব্যবসায় নিজের অংশটা যথাযথভাবে সামলাতে পারি। কোর্স শেষে মঠবাড়িয়া বাজারের এই দোকানে নিজের কর্নারটা সাজিয়ে বসি। আজ একই দোকানে ইলেকট্রনিক্স আর মোবাইল—দুই ধরনের সেবা একসাথে পেয়ে গ্রাহকরা যেমন সন্তুষ্ট, তেমনি আল্লাহর রহমতে আমাদের এই যৌথ প্রচেষ্টাও একটা সফল রূপ নিয়েছে। দুজনের মিলিত এই উদ্যোগটাই আজ মঠবাড়িয়া বাজারের একটা পরিচিত নাম।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজারে, বড় মসজিদ মার্কেটে কাজ করি "OK Telecom"-এ। আমি এমডি সজীব, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। বড় মসজিদের পাশে দোকান হওয়ায় নামাজের সময়গুলোকে ঘিরে একটা নির্দিষ্ট মানুষের চলাচল লক্ষ্য করা যায়—নামাজ পড়তে আসা মানুষ প্রায়ই ফাঁকে ফোনের সমস্যাটাও সমাধান করিয়ে নেন। এই বিশেষ পরিবেশে কাজ করার সুযোগটা পেতেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যার সমাধান শিখেছি, আল্লাহর রহমতে প্রতিটা ক্লাসেই কিছু না কিছু নতুন আয়ত্ত করেছি। কোর্স শেষে হাজীগঞ্জ বাজারের এই মসজিদ মার্কেটে যোগ দিয়ে সেই দক্ষতাটাই এখন প্রতিদিন কাজে লাগাচ্ছি। আজ নামাজের ফাঁকে ফাঁকে যখন মুসল্লিরা আস্থা নিয়ে তাদের ফোনটা আমার হাতে তুলে দেন, তখন বুঝি আল্লাহর রহমতেই এই পবিত্র জায়গার কাছাকাছি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি, আর এই বিশ্বাসটাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের এলাকারই "Khollil Telecom"-এ। আমি এমডি জায়েদ হাসান, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। কোটচাঁদপুরের মতো একটা উপজেলা শহরে বড় হয়ে দেখেছি, মানুষের হাতে মোবাইল ফোন থাকলেও ভালো মানের সার্ভিসিং সুবিধা সবসময় সহজলভ্য ছিল না। এই বাস্তবতা থেকেই মনে হয়েছিল, গভীরভাবে দক্ষতা অর্জন করে নিজের এলাকাতেই একটা নির্ভরযোগ্য সমাধান হয়ে উঠতে হবে। এই লক্ষ্য নিয়ে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সে ভর্তি হই। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে সহজ থেকে জটিল—সব স্তরের সমস্যা সমাধানের কৌশল আয়ত্ত করেছি, আল্লাহর রহমতে প্রতিটা ধাপেই নতুন কিছু শেখার সুযোগ পেয়েছি। কোর্স শেষে "Khollil Telecom"-এ যোগ দিয়ে সেই সম্পূর্ণ দক্ষতাটাই কাজে লাগাচ্ছি প্রতিদিন। আজ কোটচাঁদপুরের মানুষ যখন সাধারণ থেকে জটিল—যেকোনো সমস্যা নিয়েই নিশ্চিন্তে আমার কাছে আসতে পারেন, তখন বুঝি আল্লাহর রহমতেই অ্যাডভান্স পর্যন্ত শেখার সেই সিদ্ধান্তটা আজ এলাকাবাসীর জন্য একটা বড় সহায়তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আসসালামু আলাইকুম। আমার নাম মোহাম্মদ নোমান, আমি ৪৫তম ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী। আগে আমি পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম, স্বপ্নও ছিল হয়তো ভিন্ন কিছুর। কিন্তু হঠাৎ করেই পারিবারিক কিছু সমস্যা এসে জীবনের গতিপথটা বদলে দেয়—তখন বুঝলাম, পড়াশোনার পাশাপাশি বা তার বদলে এখন আমাকে একটা কাজ শুরু করতেই হবে। মোবাইল ফোন সার্ভিসিং বিষয়ে আগে থেকেই কিছুটা ধারণা ছিল আমার, তাই এই পেশাটাই বেছে নিলাম। IFixFast-এ প্রশিক্ষণ নেওয়ার সিদ্ধান্তটা আমার জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ মোড় হয়ে দাঁড়ায়। বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সটা মনোযোগ দিয়ে সম্পন্ন করি, আল্লাহর রহমতে প্রতিটা ধাপেই কিছু না কিছু নতুন শিখেছি। প্রশিক্ষণ শেষে ভোলার লালমোহন বাজারে নিজের ভাইদের সাথে মিলে গড়ে তুলি "Brothers Telecom"। আলহামদুলিল্লাহ, আজ আমি নিজেই একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক—যেটা কখনো কল্পনাও করিনি, পারিবারিক প্রতিকূলতার মধ্যে দাঁড়িয়ে। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন আল্লাহ তা'আলা আমাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করার তাওফিক দান করেন। আমীন। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা ধাপে নিজেকে প্রস্তুত করেছি, আর কোর্স শেষে লালমোহন বাজারে নিজের এই প্রতিষ্ঠানটা দাঁড় করাই। আল্লাহর রহমতে শুরু থেকেই এলাকার মানুষ আমাদের কাজের উপর আস্থা রাখতে শুরু করেছেন। আজ লালমোহন বাজারের মানুষ যখন নিশ্চিন্তে তাদের মোবাইল সমস্যা নিয়ে "Brothers Telecom"-এ আসেন, তখন বুঝি আল্লাহর রহমতেই এই ছোট্ট প্রতিষ্ঠানটা আজ দ্বীপ জেলার মানুষের একটা ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে।
অনেক দিন ধরেই ইচ্ছা ছিল এমন একটি পেশায় নিজের ক্যারিয়ার গড়ার, যেখানে প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা যাবে এবং নিজের মেধা ও দক্ষতার সরাসরি মূল্যায়ন হবে। বর্তমানে সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন দেখে বুঝতে পেরেছিলাম, ভালো মানের টেকনিক্যাল সার্ভিসিংয়ের চাহিদা দিন দিন কেবল বাড়বেই। তাই গতানুগতিক ক্যারিয়ারের পেছনে না ছুটে মোবাইল সার্ভিসিংকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু এই কাজে সফল হতে হলে প্রয়োজন ছিল বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান এবং প্রফেশনাল ট্রেনিং। সেই লক্ষ্যেই ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের আধুনিক ল্যাব ও ট্রেনারদের প্রাতিষ্ঠানিক দিকনির্দেশনা আমার চিন্তাভাবনাকে বদলে দিল। শুধু সাধারণ পার্টস বদলানো নয়, বরং মাদারবোর্ডের গভীর টেকনিক্যাল বিষয়—যেমন ডায়াগনস্টিক সার্কিট অ্যানালাইসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফ্রিকোয়েন্সি ও ভোল্টেজ ট্রেসিং, এবং অ্যাডভান্সড সফটওয়্যার ফিক্সিংয়ের মতো কাজগুলো ল্যাবে প্র্যাকটিক্যালি আয়ত্ত করে নিলাম। ধাপে ধাপে জটিল সব সমস্যার টেকনিক্যাল সলিউশন করার মাধ্যমে আমার কাজের মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ের হয়ে উঠল। কোর্স সম্পন্ন করার পরপরই আমার অর্জিত প্র্যাকটিক্যাল স্কিল ও মেধার সঠিক প্রয়োগ ঘটানোর সুযোগ চলে এলো। দ্রুতই একটি সুপরিচিত ও বড় প্রফেশনাল ডিজিটাল রিপেয়ার সেন্টারে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে যুক্ত হয়ে গেলাম। আজ আমি সেখানে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রতিদিন রিমোট ও বোর্ড লেভেলের সার্ভিসিং পরিচালনা করছি। যে ফোনগুলো অন্য কোথাও ঠিক করা সম্ভব হয়নি, সেগুলোর জটিল ডায়াগনোসিস করে সচল করার পর কাস্টমারদের তৃপ্তিময় হাসি দেখতে পাওয়াটাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। আজ আমি কেবল নিজের আয়ে পুরোপুরি স্বাবলম্বীই নই, সমাজে একজন দক্ষ ও সম্মানিত কারিগরি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে মেধা চর্চার এই সুন্দর সুযোগ দান করেছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের সঠিক প্ল্যাটফর্ম ও আধুনিক প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা আমার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার নতুন এক প্রমাণ। আমার আগামী পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
লক্ষ্মীপুর সদরের পৌর সুপার মার্কেটে "জাহিদ টেলিকম"-এ কাজ করি আমি, নিহাদ মাহমুদ। আজ যখন নিজের কাজের কথা ভাবি, মুখে প্রথমেই আসে একটা কথা—আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালোই আছি। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম নিজের একটা স্থায়ী দক্ষতা তৈরির লক্ষ্যে। বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সে ভর্তি হয়ে সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যা সমাধানের কৌশল শিখেছি, কারণ চেয়েছিলাম এমন একজন টেকনিশিয়ান হতে, যাকে গ্রাহক যেকোনো পরিস্থিতিতেই বিশ্বাস করতে পারে। প্রশিক্ষণের প্রতিটা ধাপে পরিশ্রম করেছি, আর কোর্স শেষে পৌর সুপার মার্কেটের এই দোকানে যোগ দিয়ে সেই দক্ষতাটাই প্রতিদিন কাজে লাগাচ্ছি। জটিল কোনো সমস্যাও যখন সফলভাবে সমাধান করতে পারি, তখন মনে হয় এই কষ্টের প্রশিক্ষণটা বৃথা যায়নি। আজ লক্ষ্মীপুর সদরের এই পরিচিত মার্কেটে কাজ করতে করতে, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই এই সুযোগটার জন্য। জীবনে বড় কিছু না হলেও, নিজের একটা সম্মানজনক কাজ নিয়ে যে প্রশান্তি অনুভব করি, তার জন্যই বলি—আলহামদুলিল্লাহ, ভালোই আছি।
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় নিজের দোকান "Phone Fixt" গড়ে তুলেছি। আমি হারুনার রশিদ, নিজের এলাকাতেই ব্যবসা করার একটা আলাদা তৃপ্তি অনুভব করি প্রতিদিন। সলঙ্গার মতো একটা এলাকায় বড় হয়ে দেখেছি, এখানে মানুষ কোনো সমস্যায় পড়লে অনেক সময় দূরে শহরে যেতে বাধ্য হয়। এই ভোগান্তিটা লাঘব করার লক্ষ্য নিয়েই ভাবলাম, নিজের এলাকাতেই যদি একটা মানসম্পন্ন সার্ভিস সেন্টার দাঁড় করানো যায়, তাহলে অনেকেরই উপকার হবে। এই স্বপ্ন নিয়ে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সটা সম্পন্ন করি, যেন সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যাই আত্মবিশ্বাসের সাথে সমাধান করতে পারি। প্রশিক্ষণ শেষে সলঙ্গাতেই "Phone Fixt" নাম দিয়ে দোকান খুলে বসি—নামটার মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমার প্রতিশ্রুতি, ফোনের সমস্যা যাই হোক, সমাধান এখানেই মিলবে। আজ সলঙ্গার মানুষ যখন দূরে না গিয়ে নিজের এলাকাতেই তাদের ফোনের সমাধান পান, তখন বুঝি—নিজের শেকড়ে থেকেই একটা অর্থবহ পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে আমার হাত ধরে।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা বাজারে বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের এলাকারই "Monju Telecom"-এ। আমি সামিউল ইসলাম রনি, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। মাওনা বাজার এলাকাটা গাজীপুরের একটা গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল, আশেপাশে অসংখ্য কলকারখানা, আর সেখানে কর্মরত হাজারো মানুষের বসবাস। তাদের প্রতিদিনের জীবনে মোবাইল ফোনের গুরুত্ব বুঝেই ভেবেছিলাম, এই সেক্টরে ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। এই লক্ষ্য নিয়েই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সে ভর্তি হই। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে সাধারণ সমস্যা থেকে শুরু করে জটিল কেস পর্যন্ত সবকিছু হাতে-কলমে শিখেছি, কারণ জানতাম শিল্পাঞ্চলের ব্যস্ত মানুষদের একাধিকবার ভিন্ন জায়গায় পাঠানো ঠিক হবে না। কোর্স শেষে "Monju Telecom"-এ যোগ দিয়ে সেই সম্পূর্ণ দক্ষতাটাই কাজে লাগাচ্ছি প্রতিদিন। আজ মাওনার কর্মজীবী মানুষরা যখন সহজ থেকে জটিল—যেকোনো সমস্যা নিয়েই নিশ্চিন্তে আমার কাছে আসতে পারেন, তখন বুঝি অ্যাডভান্স পর্যন্ত শেখার সেই সিদ্ধান্তটাই আজ আমাকে এলাকার মানুষের বিশ্বস্ত ভরসার জায়গা করে তুলেছে।
শরীয়তপুর থেকে ঢাকার উত্তর বাড্ডায় এসে "Nur Collection" নামে যে দোকানটা দাঁড় করিয়েছিলাম, আজ যখন পেছনে ফিরে তাকাই, মুখে শুধু একটাই কথা আসে—আল্লাহর রহমতে ভালোই চলছে। আমি মোঃ রফিকুল ইসলাম। এমএম টাওয়ারের মতো একটা পরিচিত ভবনে ব্যবসা শুরু করার আগে অনেক দুশ্চিন্তা ছিল—নতুন এলাকা, নতুন মানুষ, প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি। তাই দোকান খোলার আগেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সটা সম্পন্ন করেছিলাম, যেন সহজ থেকে জটিল—সব সমস্যাই আত্মবিশ্বাসের সাথে সামলাতে পারি। প্রশিক্ষণের সেই দক্ষতা নিয়েই দোকান দাঁড় করানোর পর শুরুর দিকে যতটা দুশ্চিন্তা ছিল, আজ ততটাই স্বস্তি অনুভব করি। ধীরে ধীরে উত্তর বাড্ডার মানুষ আমার কাজের উপর আস্থা রাখতে শুরু করেছেন, আর ব্যবসাটাও একটা স্থিতিশীল জায়গায় পৌঁছে গেছে। আজ শরীয়তপুর থেকে দূরে এসে, আল্লাহর রহমতে নিজের এই ছোট্ট প্রতিষ্ঠানটা নিয়ে ভালোই আছি। এই কৃতজ্ঞতাবোধ নিয়েই প্রতিদিন কাজ করে যাই, বিশ্বাস করি সৎভাবে পরিশ্রম করলে আল্লাহ তার প্রতিদান ঠিকই দেন।
সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে ঘুমানোর আগে যে যন্ত্রটি হাতে নিয়ে আমরা পুরো বিশ্বকে দেখতে পাই এবং প্রিয়জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে মুহূর্তেই যোগাযোগ করতে পারি—সেই যন্ত্রটি মেরামত করার কাজ যদি আমি পেশা হিসেবে নিতে পারি, তবে অবশ্যই ভালো কিছু হবে। এই দৃঢ় বিশ্বাস ও স্বপ্ন আমার মনে-প্রাণে গভীরভাবে গাঁথা ছিল। প্রযুক্তির প্রতি ভালোবাসা আর উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা আমার অনেক ছোটবেলা থেকেই। যখন নবম শ্রেণীতে পড়তাম, ঠিক তখন থেকেই মোবাইল অ্যাক্সেসরিজের অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে আমার এই অঙ্গনে পথচলা শুরু। পরিচালনা করতাম দুটি পেজ—Gadget Emporium BD এবং Exclusive Gadgets। ব্যবসার মাধ্যমে টেকনোলজিকে কাছ থেকে বোঝার সুযোগ হলেও আমার আসল লক্ষ্য ছিল এর গভীরে যাওয়া; হার্ডওয়্যার ও সার্কিট লেভেলে কাজ শেখা। কিন্তু শুধু ইচ্ছাই যথেষ্ট নয়, দরকার ছিল সঠিক দিকনির্দেশনা ও প্র্যাকটিক্যাল দক্ষতা। সেই আত্মবিশ্বাস ও সঠিক গাইডলাইন আমাকে জুগিয়েছে IFixFast Training Institute। তাদের আধুনিক প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব এবং ওস্তাদদের নিখুঁত প্রশিক্ষণে আমি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কঠিন ও সূক্ষ্ম কাজগুলো আয়ত্ত করি। আজ সেই বিশ্বাসের ফসল আমি হাতে-কলমে পাচ্ছি। বর্তমানে একটি নামকরা দোকানে টেকনিশিয়ান হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে কাজ করছি। যে ফোনগুলো অন্য কোথাও সমাধান হতো না বা টেকনিক্যাল জটিলতায় আটকে যেত, সেগুলো নিজের হাতে সচল করে কাস্টমারের মুখে হাসি ফোটানোর আনন্দই আলাদা। ছোটবেলার অনলাইন পেজ চালানো থেকে শুরু করে আজ একজন সফল পেশাদার টেকনিশিয়ান হওয়া—এই পুরো জার্নিটা আমার কাছে এক স্বপ্নের মতো। সততা, কঠোর পরিশ্রম আর সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যে যেকোনো স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব, আমার এই পথচলাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ
ছোটবেলায় বাবাকে হারানোর পর থেকেই আমার জীবন সংগ্রামটা শুরু হয়ে যায়। ডিপ্লোমা পড়াশোনা শেষ করার পর জীবনের এক চরম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হলাম। পরিবার ও বাসা থেকে সবাই জানতে চাইল—"এখন নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য কী করবি?" শুভাকাঙ্ক্ষীরা সবাই একটা কথাই বলছিল, "নিজের হাতে একটা কারিগরি কাজের দক্ষতা অর্জন কর, কখনো বসে থাকতে হবে না।" ঠিক সেই সময়ে ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বিভিন্ন টেকনিক্যাল ভিডিও দেখতে দেখতে এই কাজটির প্রতি আমার প্রচণ্ড আগ্রহ তৈরি হলো। মনে হলো, মাদারবোর্ডের এই নিখুঁত প্র্যাকটিক্যাল কাজটাই আমার ভাগ্য বদলে দিতে পারে। নিজের আগ্রহের কথা বোনকে জানাতেই তিনি খোঁজ নিয়ে আমাকে ভর্তি করিয়ে দিলেন IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের আধুনিক ল্যাবে কাটানো দিনগুলো ছিল আমার জীবনের সেরা টার্নিং পয়েন্ট। ট্রেনারদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং অ্যাডভান্সড ট্রাবলশুটিংয়ের মতো কাজগুলো একদম হাতে-কলমে শিখে নিলাম। কোর্স শেষ করার পর প্রথমে আমার নিজ গ্রামে একটি সার্ভিসিং শপে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করি এবং অর্জিত দক্ষতার জোরে বেশ সুনাম অর্জন করি। তবে সবচেয়ে বড় চমকটা অপেক্ষা করছিল এরপর! আমার কাজের নিখুঁত মান, সততা ও একাগ্রতা দেখে IFixFast Training Institute-এর শ্রদ্ধেয় স্যার আমাকে ডেকে নিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানেই কাজ করার সুযোগ দিলেন। আজ আমি অত্যন্ত গর্বের সাথে আমার নিজের প্রিয় প্রতিষ্ঠান IFixFast-এই প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি! যে প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে একদিন ছাত্র হিসেবে কাজ শিখেছিলাম, আজ সেখানেই কারিগরি দক্ষতার সাথে প্রতিদিন জটিল সব মোবাইল ফোন মেরামত করছি। বাবাহারা জীবনের কঠিন পথ পেরিয়ে, পরিবার ও বোনের সঠিক সিদ্ধান্তের ওপর ভর করে আজ আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই সফলতা দিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা IFixFast Training Institute এবং আমার স্যারদের প্রতি, যারা আমাকে কেবল কাজই শেখাননি, বরং নিজেদের প্রতিষ্ঠানেই কাজের সুযোগ দিয়ে আমাকে একজন সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরে সঠিক প্র্যাকটিক্যাল স্কিল অর্জন করতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার বড় প্রমাণ। আমার এই পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
ভবিষ্যতে বিদেশে গিয়ে নিজের একটা স্থায়ী ক্যারিয়ার গড়ার বড় স্বপ্ন ছিল আমার। তবে বিদেশে কেবল সাধারণ শ্রমিক হিসেবে না গিয়ে, নিজের হাতে ভালো কোনো টেকনিক্যাল বা কারিগরি দক্ষতা নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। কারণ প্র্যাকটিক্যাল কাজ জানা থাকলে যেকোনো দেশেই ভালো কাজ ও সম্মানের সাথে ভালো আয় করা সম্ভব। সেই উদ্দেশ্য ও ভাবনা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বিশ্বব্যাপী ব্যাপক চাহিদা দেখে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের ল্যাবে কাটানো দিনগুলো ছিল আমার দক্ষতা গড়ে তোলার প্রকৃত জায়গা। ট্রেনারদের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনায় মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো আন্তর্জাতিক মানের কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে একদম হাতে-কলমে আয়ত্ত করে নিলাম। কোর্স সম্পন্ন করার পর বিদেশে যাওয়ার প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নিজের দক্ষতাকে আরও নিখুঁত ও মজবুত করতে দেশেই প্র্যাকটিক্যাল কাজের অভিজ্ঞতার দিকে জোর দিলাম। অর্জিত কারিগরি দক্ষতার জোরে খুব দ্রুতই একটি বড় মোবাইল সার্ভিসিং শপে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করার পথ সুগম হয়ে গেল। আজ আমি সেই প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত সুনাম ও সাফল্যের সাথে টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। নিজ হাতে প্রতিদিন জটিল সব নষ্ট ফোন ডায়াগনোসিস ও মেরামত করে নিজেকে আরও পরিপক্ব করে তুলছি। হাতে-কলমে কাজ শেখার কারণে আমার বিদেশের প্রসেসিং ও টেকনিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে গেছে। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার লক্ষ্যকে সহজ করে দিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে নিখুঁতভাবে কাজ শিখিয়ে এক সফল প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। বিদেশে যাওয়া বা নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্য যেকোনো কারিগরি দক্ষতা অর্জন করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ—আজ আমি তার বড় প্রমাণ। আমার এই টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও বিদেশের ভবিষ্যৎ পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
আগে ছোটখাটো একটা চাকরি করতাম, কিন্তু মন থেকে কোনো তৃপ্তি পাচ্ছিলাম না। তার ওপর বাড়ির নানা সমস্যার কারণে ঠিকমতো সময় দেওয়া বা টিকিয়ে রাখা আমার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল। প্রতিনিয়ত একধরনের অনিশ্চয়তা আর অসন্তুষ্টির মধ্য দিয়ে দিন পার হচ্ছিল। ঠিক তখনই অনুধাবন করলাম—অন্যের অধীনতায় ছোটখাটো চাকরি করে জীবনটা কাটানোর চেয়ে নিজের হাতে কোনো ভালো প্র্যাকটিক্যাল কাজ শিখে স্বাধীনভাবে কিছু করার সিদ্ধান্তই হবে সেরা পথ। সেই চিন্তা থেকেই সোজা চলে আসি IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের ল্যাবে কাটানো প্রতিটি দিন আমার জীবনকে নতুন দিশা দিল। অভিজ্ঞ মেন্টরদের নিবিড় দিকনির্দেশনায় মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো আধুনিক কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে একদম হাতে-কলমে শিখে নিলাম। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে চাকরির অস্বস্তি কেটে গিয়ে মনের ভেতর এক বিশাল আত্মবিশ্বাস জন্ম নিল। কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর অর্জিত নিখুঁত কারিগরি দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে অন্যের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিং শপ চালু করার সিদ্ধান্ত নিলাম। আজ আমি নিজের দোকানে অত্যন্ত সুনাম ও সফলতার সাথে সার্ভিসিং ব্যবসা পরিচালনা করছি। যে আমি একসময় ছোট চাকরি নিয়ে হতাশায় ভুগতাম, আজ নিজের প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়ে স্বাধীনভাবে কাস্টমারদের সেবা দিচ্ছি। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিক দিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের সঠিক প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা আমাকে একজন সাধারণ চাকরিজীবী থেকে সফল দোকান মালিক ও দক্ষ টেকনিশিয়ানে রূপান্তর করেছে। মন থেকে ভালো না লাগা কোনো কাজে আটকে না থেকে নিজের হাতে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে স্বাধীন ও সফল উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব—আজ আমি তার বড় প্রমাণ। আমার এই দোকানের উন্নতি ও পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
আমার আগে থেকেই একটি নিজস্ব দোকান ছিল, যেখানে বেশ কয়েকজন মোবাইল টেকনিশিয়ান কাজ করতেন। কাস্টমারদের নষ্ট মোবাইল সার্ভিসিং করার মাধ্যমে দোকান ভালোই চলছিল, কিন্তু আমার মনে সবসময় একটা বড় দুশ্চিন্তা ও অস্বস্তি কাজ করত। টেকনিশিয়ানরা কে কীভাবে কাজ করছে, সার্কিটের সমস্যাগুলো সঠিকভাবে সমাধান হচ্ছে কি না কিংবা তারা সঠিক নিয়মে রিপেয়ার করছে কি না—তা বোঝার মতো কোনো টেকনিক্যাল জ্ঞান আমার ছিল না। ফলস্বরূপ, তাদের কাজের সঠিক তদারকি করা আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। সিদ্ধান্ত নিলাম—নিজের ব্যবসাকে সফলভাবে ধরে রাখতে এবং কাস্টমারদের সেরা সেবা নিশ্চিত করতে আমাকে নিজেকেই আগে প্রফেশনাল মোবাইল সার্ভিসিংয়ের খুঁটিনাটি শিখতে হবে। সেই উদ্দেশ্যে সোজা চলে আসি IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের হাতে-কলমে শেখানোর পদ্ধতি আমার চিন্তা-ভাবনা পুরোপুরি বদলে দিল। অভিজ্ঞ মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং অ্যাডভান্সড হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আয়ত্ত করে নিলাম। কয়েক মাসের নিবিড় অনুশীলনে মাদারবোর্ডের প্রতিটি নিখুঁত কাজ আমার নখদর্পণে চলে এলো। কোর্স সম্পন্ন করার পরই আমার ব্যবসার মোড় নতুন করে ঘুরতে শুরু করল। আজ আমি আমার নিজের দোকানে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে টেকনিশিয়ানদের যাবতীয় কাজ তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করছি। কে কোথায় ভুল করছে, কোনো জটিল সমস্যার সহজ সমাধান কী—তা এখন আমি নিজেই ধরে ফেলতে পারি। টেকনিশিয়ানরাও এখন আমাকে কেবল দোকানের মালিক হিসেবে নয়, বরং একজন অভিজ্ঞ টেকনিক্যাল গাইড হিসেবে সম্মান করে। কাজের গুণগত মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কাস্টমারদের আস্থাও আগের চেয়ে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তৌফিক দিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং আমাকে কেবল একজন ব্যবসাই নয়, বরং একজন দক্ষ ও সফল কারিগরি পরিচালক হিসেবে গড়ে তুলেছে। নিজের ব্যবসার হাল শক্তভাবে ধরতে হলে প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞানের কোনো বিকল্প নেই—আজ আমি তার বড় প্রমাণ। আমার দোকানের এই উত্তরোত্তর অগ্রগতি ও সফলতার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
একসময় বেকারত্বের অন্ধকার আমাকে ঘিরে ধরেছিল। প্রতিদিনের হতাশা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা মনকে সবসময় ভারাক্রান্ত করে রাখত। চারপাশের বাস্তবতা দেখে বুঝতে পারলাম—কেবল বসে থেকে বা সুযোগের অপেক্ষায় না থেকে নিজের হাতে কোনো প্র্যাকটিক্যাল দক্ষতা গড়ে তোলাই স্বাবলম্বী হওয়ার সবচেয়ে বড় পথ। সেই চিন্তা থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম, বর্তমান সময়ে অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শিখব। সঠিক গাইডলাইন ও প্রফেশনাল ট্রেনিংয়ের সন্ধানে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে কাটানো প্রতিটি দিন আমার জীবনকে নতুন দিশা দিল। অভিজ্ঞ ট্রেনারদের নিবিড় দিকনির্দেশনায় মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং অ্যাডভান্সড ট্রাবলশুটিংয়ের মতো কাজগুলো একদম হাতে-কলমে আয়ত্ত করে নিলাম। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে বেকারত্বের ভয় কেটে গিয়ে মনের ভেতর এক বিশাল আত্মবিশ্বাস জন্ম নিল। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর অর্জিত কারিগরি দক্ষতা ও কাজের নিখুঁত মানের ওপর ভরসা রেখে আমি নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিং শপ চালু করার সিদ্ধান্ত নিলাম। আজ আমি নিজের দোকানে অত্যন্ত সুনাম ও সফলতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছি। একসময় যে আমি নিজেকে বেকার ও অসহায় মনে করতাম, আজ নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন বহু মানুষের নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছি। বেকারত্বের গ্লানি মুছে আজ আমি একজন স্বাধীন ও সফল উদ্যোক্তা। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার পথকে সহজ করে দিয়েছেন। আর আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা আমাকে একজন বেকার যুবক থেকে সফল দোকান মালিক ও দক্ষ টেকনিশিয়ানে রূপান্তর করেছে। হতাশ হয়ে বসে না থেকে নিজের হাতে কোনো ভালো কাজের দক্ষতা অর্জন করতে পারলে জীবন পাল্টে ফেলা সম্ভব—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই দোকানের উন্নতি ও সফলতার পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির দুনিয়া এবং বিশেষ করে মোবাইল সার্কিটের প্রতি আমার আলাদা একটা টান কাজ করত। একটা নষ্ট মোবাইল দেখতে পেলেই মনে প্রশ্ন জাগত—এর ভেতরের ছোট ছোট যন্ত্রাংশগুলো কীভাবে কাজ করে? এই কৌতুহল আর প্রবল ইচ্ছা থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম, নিজের এই পছন্দের কাজটিকে পেশাদার দক্ষতা বানাতে হবে। সেই আগ্রহ থেকেই সঠিক এবং আন্তর্জাতিক মানের গাইডলাইন পেতে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটে কাটানো দিনগুলো ছিল আমার জীবনের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট। অভিজ্ঞ মেন্টরদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো সূক্ষ্ম কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে একদম হাতে-কলমে আয়ত্ত করে নিলাম। প্রতিদিন ল্যাবে কাজ করতে করতে টেকনিক্যাল ভীতি কেটে গিয়ে নিজের দক্ষতার ওপর এক বিশাল আত্মবিশ্বাস তৈরি হলো। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর অর্জিত নিখুঁত কারিগরি দক্ষতার জোরে আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। খুব দ্রুতই একটি বড় ও সফল মোবাইল সার্ভিসিং শপে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করার পথ সুগম হয়ে গেল। আজ আমি সেই প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত সুনাম ও সাফল্যের সাথে টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। নিজের ভালোবাসার জায়গায় কাজ করতে পেরে এবং প্রতিদিন শত শত মানুষের নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের মুখে স্বস্তির হাসি ফোটাতে পেরে যে আনন্দ পাই, তা সত্যি অসাধারণ। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার তাওফিক দিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার মনের ভেতরের আগ্রহকে প্রফেশনাল দক্ষতায় রূপান্তর করে আজ আমাকে এক সফল টেকনিশিয়ানে পরিণত করেছে। কাজের প্রতি সততা, মনের টান আর সঠিক প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনিং পেলে সফলতা অর্জন করা সহজ হয়ে যায়—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই সুন্দর পথচলা যেন আরও দীর্ঘ হয়, সেজন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
পরিবারে যখন আর্থিক টানাপোড়েন আর ভবিষ্যৎ নিয়ে চারদিক থেকে চাপ আসছিল, তখন ঠিক কী করব বুঝতে পারছিলাম না। ঠিক সেই সময়ে আমার বড় ভাই, যার একটি নিজস্ব দোকান ছিল, তিনি আমাকে ডেকে স্নেহের সাথে একটা পরামর্শ দিলেন—"অন্যের পিছে সময় নষ্ট না করে নিজের হাতে একটা ভালো কাজের দক্ষতা অর্জন কর, জীবনে কখনো ঠকবি না।" ভাইয়ের সেই অমূল্য কথাটিই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ভাইয়ের কথাতেই সিদ্ধান্ত নিলাম, বর্তমান সময়ের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ও সম্ভাবনাময় কারিগরি কাজ—মোবাইল ফোন সার্ভিসিং শিখব। কিন্তু নিখুঁতভাবে কাজ শেখার জন্য দরকার ছিল সঠিক একটি গাইডলাইন ও ভালো পরিবেশ। বহু খোঁজাখুঁজির পর নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে সন্ধান পেলাম IFixFast Training Institute-এর। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর বুঝতে পারলাম প্রফেশনাল মোবাইল সার্ভিসিং কতখানি গোছানো ও বৈজ্ঞানিক একটি শিল্প। ল্যাবে কাটানো দিনগুলোতে অভিজ্ঞ মেন্টরদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের কাজগুলো একদম হাতে-কলমে শিখে নিলাম। প্রতিদিনের নিখুঁত অনুশীলনে আমার ভেতরের সব জড়তা কেটে গিয়ে কাজের প্রতি এক অন্যরকম আত্মবিশ্বাস তৈরি হলো। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ইনস্টিটিউটে অর্জিত জ্ঞান ও প্র্যাকটিক্যাল দক্ষতার জোরে খুব দ্রুতই একটি প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠানে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দেওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়ে গেলাম। আজ আমি সেই শপে অত্যন্ত সুনাম ও সাফল্যের সাথে সার্ভিসিংয়ের কাজ করছি। যে মানুষগুলো একসময় আমার বেকারত্ব নিয়ে চিন্তায় থাকত, আজ তারা আমার এই টেকনিক্যাল দক্ষতা ও কাজের সাফল্য দেখে গর্বিত। ভাইয়ের সঠিক সময়োপযোগী পরামর্শ আর IFixFast Training Institute-এর আধুনিক ট্রেনিং আমার পুরো জীবনটাকে সফলতার এক নতুন ঠিকানায় পৌঁছে দিয়েছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত আর মেহনতকে কাজে লাগাতে পারলে প্র্যাকটিক্যাল কাজের জোরে নিজেকে সফল করে তোলা সম্ভব—আজ আমি তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
আমি যখন ইন্টার পরীক্ষা দেই ইন্টার পরীক্ষা দেওয়ার পরে আমি চাইতেছিলাম যে আমার কিছু একটা হ্যান্ড স্কিল করা দরকার। পরে আমি আমাদের এই জায়গা থেকেই একটা সরকারি প্রতিষ্ঠানে টিডিসিতে ইলেকট্রিকের কাজ শিখি। ইলেকট্রিকের কাজ শেখার পরে আমার আগ্রহটা আরো বেশি হয় যে আমি ইলেকট্রিকের উপরে আরো কিছু করব। আর আমার ছোটবেলা থেকে অভ্যাস ছিল যে আমি যত গাড়ি, সাইকেল এসব খুলতাম। খুলে দেখতাম যে কি দিয়ে কি করা যায়। ওই জায়গা থেকে আমার আগ্রহটা শুরু হয়। তারপরে আমি ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে একদিন ফোন আই ফিক্স ফাস্ট এর নাম দেখি। ভিডিও দেখি আর কি তাদের পেজে। পরে তাদের সাথে যোগাযোগ করি। কিন্তু এই জায়গায় একটা টুইস্ট আছে। আমি যোগাযোগ করার পরেও মানে আমি ভর্তি হইনা। মানে ঐরকম আগ্রহ হয়না। আমার সবসময় ইলেকট্রিকের জিনিস মানে কারেন্টের যেসব কাজ ছিল ওগুলাতেই আগ্রহ ছিল বেশি। আমার একটা বন্ধু ভর্তি হইতে চায়। পরে আমার বন্ধু সিট কনফার্ম করে। কিন্তু এই জায়গাতেও একটা টুইস্ট হয় আর কি। মানে ও যে ভর্তি হব তার আগে ও হঠাৎ করে বাইরে চলে যায়। এই কারণে তো আমি জানিনা হয়তো পার্সোনাল কোন ইস্যু থাকতে পারে ফ্যামিলির। যাইহোক তারপরে আমার এটা নিয়ে আমি একটু গবেষণা করলাম। আমি ইউটিউব ঘাটলাম, ফেসবুক ঘাটলাম। মানে দেখতে দেখতে আমার একটা আগ্রহ তৈরি হলো যে না এটাও আমি শিখি। আমাদের গ্রামে অনেকে টেকনিশিয়ান আছে। দেখি যে তারা ঐরকম ভাবে কাজ করতে পারেনা বা ঐরকম ভাবে স্বাবলম্বী না। মানে একটা কাজ একটা গুছিয়ে কাজ করে না। পরে দেখি আমি যদি এটা নিয়ে করতে পারি তাহলে এটা নিয়ে আমার একটা ভালো একটা ফিউচার আছে। পরে হচ্ছে আমি আই ফিক্স ফাস্ট এ যোগাযোগ করি। দেন ভর্তি হই। প্রথমে ফ্যামিলি মানেনা। পরে ফ্যামিলিরে মানাই। ফ্যামিলি বলে দেখো পারবা নাকি? পরে কিন্তু কিছু বলতে পারবানা। পরে আমি বিদেশ যাওয়া বাদ দিয়ে আমার বিদেশ যাওয়ার কথা ছিল। বিদেশ যাওয়া বাদ দিয়ে এই কাজ শিখি। আর এখন আমি একজন সফল উদ্যোক্তা। আলহামদুলিল্লাহ আমি ব্যবসা করতেছি। আর এটা সম্ভব হয়েছে আই ফিক্স ফাস্ট এর জন্য। কারণ তাদের কাছ থেকে আমার কাজ শেখা, সবকিছু কাস্টমার ডিলিং থেকে শুরু করে সবকিছু আমি আই ফিক্স ফাস্ট থেকেই শিখেছি
অনেকের মুখেই একটা কথা শুনতাম—"নিজের হাতে যদি একটা কারিগরি কাজ জানা থাকে, তবে জীবনে কখনো বেকার বসে থাকতে হয় না।" এই কথাটা আমার মনকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। ভাবলাম, নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে এবং নিজের একটি স্থায়ী পরিচয়ের জন্য বাস্তবমুখী কোনো কাজ শেখার চেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত আর হতে পারে না। সেই ভাবনা থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মতো প্র্যাকটিক্যাল কাজ শিখে নিজেকে স্বাবলম্বী করব। আর সঠিক ট্রেনিং নিতে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের ল্যাবে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত ছিল আমার শেখার বড় সুযোগ। ট্রেনারদের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনায় মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো সূক্ষ্ম কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে একদম হাতে-কলমে আয়ত্ত করে নিলাম। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে কাজের ওপর দারুণ এক আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেল। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর অর্জিত কারিগরি দক্ষতার জোরে আমাকে আর বসে থাকতে হয়নি। খুব দ্রুতই একটি প্রতিষ্ঠানে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গেলাম। আজ আমি অত্যন্ত সুনাম ও সাফল্যের সাথে টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। নিজ হাতে জটিল সব নষ্ট ফোন মেরামত করে প্রতিদিন কাস্টমারদের চমৎকার সেবা দিতে পারছি। হাতের কাজের গুণে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এই আনন্দ ও স্বাধীনতা সত্যি অসাধারণ। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিক দিয়েছেন। আর আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে নিখুঁতভাবে কাজ শিখিয়ে এক সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। সঠিক ইচ্ছে আর কাজের প্রতি সততা থাকলে প্র্যাকটিক্যাল স্কিল অর্জন করে স্বাবলম্বী হওয়া মোটেও কঠিন নয়—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির দুনিয়া এবং বিশেষ করে মোবাইল সার্কিটের প্রতি আমার আলাদা একটা টান কাজ করত। একটা নষ্ট মোবাইল দেখতে পেলেই মনে প্রশ্ন জাগত—এর ভেতরের ছোট ছোট যন্ত্রাংশগুলো কীভাবে কাজ করে? এই কৌতুহল আর প্রবল ইচ্ছা থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম, নিজের এই পছন্দের কাজটিকে পেশাদার দক্ষতা বানাতে হবে। সেই আগ্রহ থেকেই সঠিক এবং আন্তর্জাতিক মানের গাইডলাইন পেতে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটে কাটানো দিনগুলো ছিল আমার জীবনের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট। অভিজ্ঞ মেন্টরদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো সূক্ষ্ম কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে একদম হাতে-কলমে আয়ত্ত করে নিলাম। প্রতিদিন ল্যাবে কাজ করতে করতে টেকনিক্যাল ভীতি কেটে গিয়ে নিজের দক্ষতার ওপর এক বিশাল আত্মবিশ্বাস তৈরি হলো। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর অর্জিত নিখুঁত কারিগরি দক্ষতার জোরে আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। খুব দ্রুতই একটি বড় ও সফল মোবাইল সার্ভিসিং শপে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করার পথ সুগম হয়ে গেল। আজ আমি সেই প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত সুনাম ও সাফল্যের সাথে টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। নিজের ভালোবাসার জায়গায় কাজ করতে পেরে এবং প্রতিদিন শত শত মানুষের নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের মুখে স্বস্তির হাসি ফোটাতে পেরে যে আনন্দ পাই, তা সত্যি অসাধারণ। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার তাওফিক দিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার মনের ভেতরের আগ্রহকে প্রফেশনাল দক্ষতায় রূপান্তর করে আজ আমাকে এক সফল টেকনিশিয়ানে পরিণত করেছে। কাজের প্রতি সততা, মনের টান আর সঠিক প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনিং পেলে সফলতা অর্জন করা সহজ হয়ে যায়—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই সুন্দর পথচলা যেন আরও দীর্ঘ হয়, সেজন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে স্বাধীনভাবে কিছু করার স্বপ্নটা অনেক দিন ধরেই মনের ভেতর পুষে রাখছিলাম। কারিগরি মেধা আর প্রযুক্তির প্রতি ভালোবাসা থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম মোবাইল সার্ভিসিংয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার, কারণ এই কাজের যেমন ব্যাপক চাহিদা, তেমনি এতে রয়েছে একজন স্বাধীন উদ্যোক্তা হওয়ার দারুণ সুযোগ। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটে কাটানো প্রতিটি দিন আমার জন্য ছিল শেখার এক নতুন সুযোগ। কোর্স চলাকালীন ট্রেনারদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত মনোযোগের সাথে মোবাইল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যাবতীয় খুঁটিনাটি কাজ আয়ত্ত করলাম। বিশেষ করে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং সফটওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো আধুনিক কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে হাতে-কলমে প্র্যাকটিস করতে করতে নিজের দক্ষতার ওপর দারুণ এক আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেল। কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর অন্যের অধীনে কাজ না করে স্বাধীনভাবে (Self-employed) নিজের কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিলাম। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অর্জিত নিখুঁত দক্ষতার জোরে অল্প দিনেই পরিচিতি ও কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হলাম। আজ আমি নিজস্ব অর্জিত দক্ষতা দিয়ে প্রতিদিন মানুষের নষ্ট মোবাইল ফোন সফলভাবে মেরামত করে চমৎকার সেবা প্রদান করছি। এই স্বাধীন পেশার মাধ্যমে কেবল নিজেকে স্বাবলম্বীই করিনি, বরং নিজের পরিশ্রম ও মেধার পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করছি। তবে আমার স্বপ্ন এখানেই থেমে নেই! বর্তমানে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও গ্রাহকদের অকৃত্রিম ভালোবাসাকে পুঁজি করে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে একটি অত্যাধুনিক নিজস্ব মোবাইল সার্ভিস সেন্টার গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদিন এক ধাপ করে এগিয়ে যাচ্ছি। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার তাওফিক দিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের সঠিক প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা আমার বেকারত্বের ভয় দূর করে একজন স্বাধীন ও সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। সঠিক ইচ্ছা, নিবেদিত পরিশ্রম আর প্রাকটিক্যাল স্কিল থাকলে নিজের যোগ্যতায় স্বাবলম্বী হওয়া সম্পূর্ণ সম্ভব—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার ভবিষ্যতে বড় সার্ভিস সেন্টার গড়ে তোলার এই স্বপ্নের পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
ছোটবেলা থেকেই যেকোনো ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেটের প্রতি আমার আলাদা একটা কৌতূহল কাজ করত। নষ্ট কোনো খেলনা বা রেডিও হাতে পেলে সেটা ভেঙে ভেতরের ছোট ছোট পার্টস বা সার্কিটগুলো খুঁটিয়ে দেখার অভ্যাস ছিল আমার। বড় হওয়ার পর যখন দেখলাম সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন, তখন থেকেই ইচ্ছে জাগল—মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মতো সম্ভাবনাময় কারিগরি কাজটা আমাকে শিখতেই হবে। কিন্তু সঠিক গাইডলাইন ও ভালো কোনো ট্রেনিং সেন্টারের অভাবে নিজের ইচ্ছেটাকে কাজে লাগাতে পারছিলাম না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর খোঁজ পেলাম IFixFast Training Institute-এর। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর বুঝতে পারলাম প্রফেশনাল মোবাইল সার্ভিসিং কতটা নিখুঁত ও বৈজ্ঞানিক এক শিল্প। ট্রেনারদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট রিডিং, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রাবলশুটিং এবং আধুনিক সরঞ্জামের সাহায্যে মাইক্রো-সোল্ডারিংয়ের মতো অ্যাডভান্সড লেভেলের কাজগুলো অত্যন্ত যত্ন সহকারে আয়ত্ত করে নিলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিনিয়ত জটিল সব নষ্ট ফোন মেরামত করতে করতে আমার আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা দুটোই বহুগুণ বেড়ে গেল। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর আর থেমে থাকতে হয়নি। অর্জিত কারিগরি দক্ষতা ও কাজের নিখুঁত মানের ওপর ভিত্তি করে খুব দ্রুতই একটি প্রতিষ্ঠানে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিলাম। আজ আমি সেই প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে সার্ভিসিংয়ের কাজ পরিচালনা করছি। ছোটবেলার যে আগ্রহ কেবলই একটা শখ ছিল, আজ সঠিক প্রশিক্ষণের দৌলতে সেটাই আমার স্থায়ী পেশা ও আয়ের পথ তৈরি করে দিয়েছে। প্রতিদিন যখন গ্রাহকদের নষ্ট হয়ে যাওয়া জরুরি ফোনগুলো আবার সচল করে তাদের হাতে তুলে দিই, তখনকার তৃপ্তিটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার আগ্রহের পথ সহজ করে দিয়েছেন। আর আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার শৈশবের কৌতূহলকে প্রফেশনাল দক্ষতায় রূপান্তর করে একজন আত্মনির্ভরশীল টেকনিশিয়ান বানিয়েছে। নিজের শখ ও আগ্রহকে সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশায় রূপান্তর করতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার বড় প্রমাণ। আমার এই সুন্দর পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
অন্যদের সাহায্য করা এবং নিজের শেখা বিদ্যা ছড়িয়ে দেওয়ার আনন্দ সবসময়ই আলাদা। ক্যারিয়ারের শুরুতেই আমার স্বপ্ন ছিল এমন কিছু করার, যেন নিজের অর্জিত দক্ষতায় কেবল নিজেরই নয়, অন্যদেরও জীবন সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারি। প্রযুক্তির এই যুগে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বিপুল চাহিদা দেখে সিদ্ধান্ত নিলাম এই প্রফেশনাল কাজটিতে নিজেকে সেরা হিসেবে গড়ে তুলব। সেই চিন্তা ও লক্ষ্য থেকেই ভর্তি হয়েছিলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের ল্যাবে কাটানো প্রতিটি দিন আমার জন্য ছিল নিবিড় অনুশীলনের সময়। ট্রেনারদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো কাজগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে আয়ত্ত করলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিদিন একটানা চর্চা করতে করতে কাজের নিখুঁত মান এবং আত্মবিশ্বাস দুটোই বহুগুণ বেড়ে গেল। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করার পর অর্জিত নিখুঁত দক্ষতার জোরে আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কাজের চমৎকার মান ও দক্ষতার ভিত্তিতে খুব দ্রুতই অন্য একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ট্রেনার হিসেবে কাজ করার দারুণ সুযোগ পেয়ে যাই! আজ আমি সেখানে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নতুনদের মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শেখাচ্ছি। যে কাজ আমি নিজে একসময় ল্যাবে বসে শিখেছি, আজ প্রতিদিন শত শত তরুণকে সেই মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট বুঝিয়ে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলছি। নতুনদের স্বাবলম্বী হওয়ার পথে গাইড করার এই আনন্দ ও সম্মান সত্যি অতুলনীয়। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছানোর সুযোগ দিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা IFixFast Training Institute-কে, যাদের আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং ও সঠিক দিকনির্দেশনা আমাকে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান থেকে সফল ট্রেনার হিসেবে গড়ে তুলেছে। কঠোর পরিশ্রম আর সঠিক প্রশিক্ষণ থাকলে নিজের মেধা দিয়ে যেকোনো সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
ছোটবেলা থেকেই যেকোনো ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেটের প্রতি আমার আলাদা একটা কৌতূহল কাজ করত। নষ্ট কোনো খেলনা বা রেডিও হাতে পেলে সেটা ভেঙে ভেতরের ছোট ছোট পার্টস বা সার্কিটগুলো খুঁটিয়ে দেখার অভ্যাস ছিল আমার। বড় হওয়ার পর যখন দেখলাম সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন, তখন থেকেই ইচ্ছে জাগল—মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মতো সম্ভাবনাময় কারিগরি কাজটা আমাকে শিখতেই হবে। কিন্তু সঠিক গাইডলাইন ও ভালো কোনো ট্রেনিং সেন্টারের অভাবে নিজের ইচ্ছেটাকে কাজে লাগাতে পারছিলাম না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর খোঁজ পেলাম IFixFast Training Institute-এর। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর বুঝতে পারলাম প্রফেশনাল মোবাইল সার্ভিসিং কতটা নিখুঁত ও বৈজ্ঞানিক এক শিল্প। ট্রেনারদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট রিডিং, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রাবলশুটিং এবং আধুনিক সরঞ্জামের সাহায্যে মাইক্রো-সোল্ডারিংয়ের মতো অ্যাডভান্সড লেভেলের কাজগুলো অত্যন্ত যত্ন সহকারে আয়ত্ত করে নিলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিনিয়ত জটিল সব নষ্ট ফোন মেরামত করতে করতে আমার আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা দুটোই বহুগুণ বেড়ে গেল। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর আর থেমে থাকতে হয়নি। অর্জিত কারিগরি দক্ষতা ও কাজের নিখুঁত মানের ওপর ভিত্তি করে খুব দ্রুতই একটি প্রতিষ্ঠানে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিলাম। আজ আমি সেই প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে সার্ভিসিংয়ের কাজ পরিচালনা করছি। ছোটবেলার যে আগ্রহ কেবলই একটা শখ ছিল, আজ সঠিক প্রশিক্ষণের দৌলতে সেটাই আমার স্থায়ী পেশা ও আয়ের পথ তৈরি করে দিয়েছে। প্রতিদিন যখন গ্রাহকদের নষ্ট হয়ে যাওয়া জরুরি ফোনগুলো আবার সচল করে তাদের হাতে তুলে দিই, তখনকার তৃপ্তিটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার আগ্রহের পথ সহজ করে দিয়েছেন। আর আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার শৈশবের কৌতূহলকে প্রফেশনাল দক্ষতায় রূপান্তর করে একজন আত্মনির্ভরশীল টেকনিশিয়ান বানিয়েছে। নিজের শখ ও আগ্রহকে সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশায় রূপান্তর করতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার বড় প্রমাণ। আমার এই সুন্দর পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
পড়াশোনা শেষ করার পর আর দশজন যুবকের মতো আমিও হন্যে হয়ে চাকরি খুঁজছিলাম। কিন্তু কোনো দিক থেকেই উপযুক্ত সুযোগ আসছিল না। দিন যত যাচ্ছিল, বেকারত্বের বোঝা আর পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে না পারার মানসিক চাপ ততটাই ভারী হয়ে উঠছিল। একদিন অনুধাবন করলাম—অন্যের দয়ার ওপর নির্ভর করে চাকরির পেছনে ছোটার চেয়ে নিজের হাতে কোনো প্র্যাকটিক্যাল দক্ষতা গড়ে তোলা শতগুণ ভালো। চারপাশের বিশাল ডিজিটাল বাজার দেখে সিদ্ধান্ত নিলাম কারিগরি কাজে নিজের ক্যারিয়ার গড়ব, যেখানে কাজের অভাব নেই। সেই সিদ্ধান্ত থেকেই সোজা চলে আসি IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের হাতে-কলমে শেখানোর পদ্ধতি আমার চিন্তা-ভাবনা বদলে দিল। অভিজ্ঞ মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁতভাবে ফল্ট ট্রেসিং করা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অ্যাডভান্সড ট্রাবলশুটিংয়ের মতো কাজগুলো মনোযোগ দিয়ে আয়ত্ত করে নিলাম। প্রতিদিন প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে কাজ করতে করতে বেকারত্বের হতাশা কেটে গিয়ে মনের ভেতর এক বিশাল আত্মবিশ্বাস জন্ম নিল। কোর্স সম্পন্ন করার পরই শুরু হলো আমার আসল সাফল্যের গল্প। অর্জিত কারিগরি দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে খুব দ্রুতই নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিং শপ চালু করলাম। আজ আমি নিজের দোকানে অত্যন্ত সুনাম ও সফলতার সাথে সার্ভিসিং ব্যবসা পরিচালনা করছি। যে আমি একসময় নিজেকে বেকার ও অসহায় মনে করতাম, আজ নিজের প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন শত শত মানুষের নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের মুখে স্বস্তির হাসি ফুটিয়ে তুলছি। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে সঠিক পথ দেখিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের দিকনির্দেশনা ও ট্রেনিং আমাকে একজন সফল দোকান মালিক ও দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। ডিগ্রির পেছনে অন্ধের মতো না ছুটে সঠিক দক্ষতা অর্জন করতে পারলে বেকারত্ব দূর করে নিজেই একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই দোকানের সার্বিক উন্নতি ও পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
লাইফের একটা সময় আসে যখন চারপাশের সবকিছু অস্পষ্ট আর থমকে গেছে বলে মনে হয়। পড়াশোনার পাট চুকিয়ে যখন কোনো দিশা পাচ্ছিলাম না, তখন চারপাশের নীরবতা আর মাথার ভেতরের হাজারো দুশ্চিন্তা আমাকে প্রতিনিয়ত গ্রাস করত। কিন্তু প্রবাদ আছে—"মেঘের পরেই সূর্য ওঠে।" আমার জীবনের সেই সূর্যটা উদয় হয়েছিল পরিবারের সেই হাত বাড়িয়ে দেওয়া দিকনির্দেশনায়। তাঁরা আমাকে অলসতায় সময় নষ্ট না করে একটি দক্ষতানির্ভর পেশা বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শকে পাথেয় করেই শুরু হয় আমার নতুন লড়াই। দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে আমি যুক্ত হই IFixFast Training Institute-এর সাথে। সততার সাথে বলছি, এই ইনস্টিটিউটে পা রাখার পর টেকনোলজির জগতের এক নতুন দুয়ার আমার সামনে খুলে যায়। আধুনিক ল্যাবের পরিবেশ, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ এবং ট্রেনারদের নিখুঁত পথপ্রদর্শন আমাকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখায়। প্রতিটি সার্কিট বোঝা, সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশের কাজ ধরা এবং জটিল সমস্যাগুলোর সমাধান আয়ত্ত করা—প্রতিদিন হাতে-কলমে শেখার এই অভিজ্ঞতা আমাকে ভেতরে ভেতরে বদলে দিচ্ছিল। শেখার প্রতি এই নিখাদ ভালোবাসাই আমার আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। কোর্স সম্পন্ন করার পর কিছুকাল মাঠপর্যায়ে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলাম। কিন্তু মাথার ভেতরে সব সময় কাজ করত নিজের একটি স্বাধীন অস্তিত্ব গড়ে তোলার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। অবশেষে নিজের ক্লান্তিহীন প্রচেষ্টা, পরিবারের নিঃশর্ত বিশ্বাস এবং সঠিক প্রশিক্ষণের সুফল হিসেবে আজ আমার জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো—আমার নিজস্ব টেকনোলজি ও সার্ভিসিং এর আমার নিজের দোকান শুভ উদ্বোধন করি ১০অক্টোবর২০২৫ সালে। দোকানের নাম দেই রহমাতউল্লাহ টেলিকম এন্ড ইলেকট্রনিক্স। আজ সকালে যখন নিজের প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলে কাজের টেবিলে বসলাম, তখন মনে হচ্ছিল—চেষ্টা আর সঠিক গাইডলাইন থাকলে মানুষ সত্যিই শূন্য থেকে শুরু করে নিজের ভাগ্য নিজে লিখতে পারে। সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া, যিনি আমাকে এই ধাপে পৌঁছানোর তৌফিক দিয়েছেন। ধন্যবাদ জানাই আমার পরিবারকে, যাদের বিশ্বাস ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আর বিশেষ কৃতজ্ঞতা IFixFast Training Institute-কে, যাদের দেওয়া আধুনিক শিক্ষা ও সুদৃঢ় ভিত্তি ছাড়া আজকের এই অর্জন সম্ভব হতো না। নিজের ইচ্ছা আর সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে যেকোনো বাধাই অতিক্রম করা সম্ভব। আমার এই নতুন যাত্রায় আপনাদের সকলের আন্তরিক ভালোবাসা ও দোয়ার প্রত্যাশী।
আমি আগে একটা দোকানে কাজ করতাম শুধু ডিসপ্লে বেকসেল লজিক চার্জিং পিন পরিবর্তন করতাম ডেট ফোন আসলে কাজ করতে পারতাম না টেনিং করার পরে এখন মুটা মুটি এডবান্স কাজ গুলা করতে পারি।আমি নিজে দোকান দিমো টাকা না থাকায় অন্যের দোকানে কাজ করতাছি।
নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নতুন বাস স্ট্যান্ড এলাকার সোনার বাংলা মার্কেটে অবস্থিত "Maruf Inter Com"-এ। আমি মোঃ আনিস, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। মাধবদীর মতো একটা শিল্পাঞ্চলে বেড়ে উঠে দেখেছি, এখানে তাঁত আর গার্মেন্টস শিল্পের সাথে জড়িত অসংখ্য মানুষের বসবাস। তাদের কর্মব্যস্ত জীবনে মোবাইল ফোনই প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম, তাই এই সেক্টরে দক্ষতা অর্জনের একটা ভালো সম্ভাবনা দেখেছিলাম। এই ভাবনা থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সে ভর্তি হই। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যা সমাধানের কৌশল আয়ত্ত করেছি, কারণ জানতাম নতুন বাস স্ট্যান্ডের মতো ব্যস্ত এলাকায় বিভিন্ন ধরনের গ্রাহক আসবে, তাদের সবার সমস্যার সমাধান দিতে হবে। কোর্স শেষে সোনার বাংলা মার্কেটের এই দোকানে যোগ দিয়ে সেই সম্পূর্ণ দক্ষতাটাই কাজে লাগাচ্ছি। আজ মাধবদীর কর্মজীবী মানুষরা যখন সহজ থেকে জটিল—যেকোনো সমস্যা নিয়েই নিশ্চিন্তে আমার কাছে আসতে পারেন, তখন বুঝি অ্যাডভান্স পর্যন্ত শেখার সেই সিদ্ধান্তটা আজ কাজে লেগেছে।
একসময় আমি বিকাশ ও নগদ এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা করতাম। দোকানে বেচাকেনা ভালোই চলত, কিন্তু প্রায়ই একটা ভিন্ন বিষয় লক্ষ্য করতাম—প্রতিদিনই অনেক মানুষ আমার কাছে নষ্ট মোবাইল ফোন সার্ভিসিং করানোর জন্য আসত। কিন্তু কারিগরি দক্ষতা না থাকায় প্রতিবারই তাদের খালি হাতে ফেরত দিতে হতো কিংবা অন্য দোকানে পাঠাতে হতো। বিষয়টি আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলল। ভাবলাম, আমি যদি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজটা ভালোভাবে শিখে নিতে পারি, তবে একই দোকান থেকে দুটো কাজ একসাথে পরিচালনা করতে পারব! এতে যেমন কাস্টমারদের সব সেবা এক ছাদের নিচে দেওয়া যাবে, তেমনি আমার ব্যবসাও আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। সেই ভাবনা ও ইচ্ছা থেকেই সঠিক প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের ল্যাবে কাটানো দিনগুলো আমার জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিল। ট্রেনারদের নিখুঁত দিকনির্দেশনায় মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো সূক্ষ্ম কাজগুলো হাতে-কলমে আয়ত্ত করে নিলাম। প্রতিদিন ল্যাবে চর্চা করতে করতে নিজের দক্ষতার ওপর দারুণ এক আত্মবিশ্বাস চলে এলো। কোর্স সফলভাবে শেষ করে নিজের দোকানে ফিরে এসে সার্ভিসিংয়ের কাজ শুরু করলাম। এখন আমার দোকানে লেনদেনের সেবার পাশাপাশি প্রফেশনাল মোবাইল সার্ভিসিংও দেওয়া হচ্ছে! যে কাস্টমারদের একসময় অভিজ্ঞতার অভাবে ফেরত পাঠাতাম, আজ তারা আমার সার্ভিসিং সেবায় অত্যন্ত সন্তুষ্ট। একই সাথে দুটো ব্যবসা পরিচালনা করতে পেরে আয় এবং সম্মান—দুটোই বহুগুণ বেড়ে গেছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তের জোরে আজ আমি একজন সফল উদ্যোক্তা ও প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান! মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার ব্যবসাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সুযোগ দিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে নিখুঁতভাবে কাজ শিখিয়ে স্বপ্নের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে। চিন্তাভাবনাকে সঠিক পরিকল্পনায় রূপান্তর করতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন অগ্রযাত্রার জন্য সবাই দোয়া করবেন
ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছিল, জীবনটা যেন এক জায়গায় থমকে গিয়েছিল। কোনো নির্দিষ্ট পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না, আর বেকারত্বের বোঝা দিনে দিনে মনটাকে ভারী করে তুলছিল। ঠিক সেই কঠিন সময়ে মনে হলো, কেবল বসে থেকে ভাবলে তো আর জীবন বদলাবে না—নিজের হাতে কোনো কারিগরি দক্ষতা গড়া ছাড়া এখন আর অন্য কোনো উপায় নেই। তখনই মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কথা মাথায় আসে। চারপাশের সবাইকে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে দেখে উপলব্ধি করলাম, এই কাজের চাহিদা দিন দিন কেবল বাড়তেই থাকবে। কিন্তু একদম শূন্য থেকে কীভাবে শুরু করব, তা বুঝতে পারছিলাম না। সঠিক দিকনির্দেশনার খোঁজে চলে এলাম IFixFast Training Institute-এ। প্রতিষ্ঠানের আধুনিক ল্যাব এবং শিক্ষকদের আন্তরিক পরামর্শ দেখে মনে নতুন আশা জাগল। তাই ভর্তি হয়ে গেলাম নতুন এক জীবন গড়ার স্বপ্নে। ট্রেনিংয়ের প্রতিটি দিন আমার জন্য ছিল নতুন নতুন বিষয় শেখার এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। ট্রেনারদের নিখুঁত দিকনির্দেশনায় একে একে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট রিডিং, মাল্টিমিটার দিয়ে ফল্ট ডায়াগনোসিস এবং সূক্ষ্ম হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের কাজগুলো যত্ন সহকারে আয়ত্ত করলাম। প্রতিদিন ল্যাবে একটানা অনুশীলন করতে করতে নিজের ভেতরের ভয় কেটে গিয়ে জন্ম নিল অপার আত্মবিশ্বাস। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর পরিশ্রমের মিষ্টি ফল পেতে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। শেখা কাজের নিখুঁত মানের ওপর নির্ভর করে খুব দ্রুতই একটি সার্ভিসিং সেন্টারে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিলাম। যে আমি একসময় বেকারত্বের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে ছিলাম, আজ আমি সেই প্রতিষ্ঠানে একজন নির্ভরযোগ্য টেকনিশিয়ান। প্রতিদিন নিখুঁত হাতে মানুষের নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের মুখে যে স্বস্তির হাসি দেখি, তা আমাকে এক গভীর তৃপ্তি দেয়। বেকারত্বের গ্লানি মুছে আজ আমি নিজের যোগ্যতায় সফল! মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ শুকরিয়া, যিনি আমার চেষ্টা ও কষ্টকে বৃথা যেতে দেননি। আর আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে সঠিক পথ দেখিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। ইচ্ছাশক্তি থাকলে আর সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে যেকোনো বেকার জীবন থেকেই ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব—আজ আমি তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
মোবাইল সার্ভিসিং কাজের প্রতি আগ্রহ আমার আগে থেকেই ছিল। প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন টেকনোলজি ও মোবাইলের ভেতরের জটিল যন্ত্রাংশ কীভাবে কাজ করে, তা জানার প্রতি এক অদ্ভুত আকর্ষণ অনুভব করতাম। তবে শুধু আগ্রহ থাকলেই তো আর দক্ষ টেকনিশিয়ান হওয়া যায় না; এর জন্য প্রয়োজন ছিল সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক দিকনির্দেশনা ও প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞান। সেই আগ্রহ থেকেই খোঁজ নিয়ে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটে কাটানো দিনগুলো আমার জীবনের অন্যতম বড় মোড় ঘুরিয়ে দিল। ট্রেনারদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রাবলশুটিং এবং অ্যাডভান্সড হার্ডওয়্যার রিপেয়ারিংয়ের মতো সূক্ষ্ম কাজগুলো খুব সহজ ও যত্ন সহকারে আয়ত্ত করলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিদিন হাতে-কলমে প্র্যাকটিস করতে করতে কাজের ওপর আমার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস দুটোই বহুগুণ বেড়ে গেল। কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ইনস্টিটিউটে অর্জিত নিখুঁত দক্ষতার জোরে খুব দ্রুতই একটি প্রতিষ্ঠানে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে গেলাম। আজ আমি সেই দোকানে অত্যন্ত সুনামের সাথে একজন সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। একসময় যে কাজটির প্রতি কেবলই একটা ভালোলাগা ছিল, আজ সেটাই আমার পেশা ও সাফল্যের মূল পরিচয়। প্রতিদিন নিজ হাতে জটিল সব নষ্ট মোবাইল সচল করে গ্রাহকদের হাসিমুখে সেবা দেওয়ার মধ্যে যে আনন্দ, তা সত্যিই অতুলনীয়। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই সাফল্য দান করেছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের সঠিক প্রশিক্ষণ আমাকে একজন দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। নিজের আগ্রহের জায়গায় সঠিক প্রশিক্ষণ ও কঠোর পরিশ্রম যুক্ত হলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায় বাড়ি, এখন কাজ করি নারায়ণগঞ্জ ১ নং গেট এলাকার সদর রিভিউ মার্কেটে। আমি মোঃ শামসুল ইসলাম সিনহা, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম নিজেকে একটা দক্ষতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়েছি, কারণ জানতাম শুধু একটা চাকরি পাওয়াই লক্ষ্য না, নিজেকে ক্রমাগত উন্নত করে যাওয়াটাই আসল কাজ। কোর্স শেষে সদর রিভিউ মার্কেটের এই দোকানে যোগ দিয়ে এখন প্রতিদিন কাজের ফাঁকে ফাঁকে নিজের দক্ষতাকে আরও শাণিত করার চেষ্টা করছি। প্রতিটা নতুন সমস্যা যেন আমার জন্য একটা নতুন শেখার সুযোগ। আপাতত একটা দোকানে কাজ করছি ঠিকই, কিন্তু এখানেই থেমে থাকতে চাই না। ইনশাআল্লাহ আগামীতে নিজেকে আরও ডেভেলপ করবো, আরও বড় পরিসরে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করবো—এই লক্ষ্য নিয়েই প্রতিদিন এগিয়ে যাচ্ছি।
একসময় অলসভাবে ঘরে বসে বেকার দিন কাটাচ্ছিলাম, আর ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তিত থাকতাম। একদিন ভাবলাম—এভাবে সময় নষ্ট না করে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শেখা যাক। কারণ মনের কোণে এই হিসাবটা স্পষ্ট ছিল, কাজটা ভালোভাবে শিখে নিলে ভবিষ্যতে সুযোগ বুঝে নিজের একটা দোকানও দেওয়া যাবে! সেই চিন্তাভাবনা থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের ল্যাবে কাটানো দিনগুলো আমার ভাবনার জগৎ পুরোপুরি বদলে দিল। ট্রেনারদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার ব্যবহার করে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং অ্যাডভান্সড হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিং খুব সহজ ও যত্ন সহকারে আয়ত্ত করলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিদিন কঠোর সাধনা করতে করতে কাজের প্রতি ভালোবাসা আর নিজের ওপর বিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে গেল। ইনস্টিটিউট থেকে কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অর্জিত নিখুঁত দক্ষতার জোরে খুব দ্রুতই একটি সার্ভিসিং শপে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে গেলাম। আজ আমি সেই দোকানে অত্যন্ত সুনামের সাথে একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। একদিকে যেমন নিয়মিত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বাড়াচ্ছি, অন্যদিকে প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলছি নিজের সেই স্বপ্নের দোকানের দিকে। একসময় যে আমি ঘরে বেকার বসে দিন কাটাতাম, আজ নিজের অর্জিত দক্ষতায় প্রতিনিয়ত নষ্ট মোবাইল সচল করে গ্রাহকদের হাসিমুখে সেবা দিচ্ছি। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে বেকারত্ব থেকে বের করে এই সফলতার পথ দেখিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার সফল ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যতের স্বপ্নের মজবুত ভিত তৈরি করে দিয়েছে। সঠিক লক্ষ্য, পরিশ্রম আর কারিগরি দক্ষতা থাকলে বেকারত্ব দূর করে নিজের ভাগ্য নিজেই বদলে দেওয়া সম্ভব—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
একসময় জীবন চালানোর জন্য একটা ছোট চাকরি করতাম। কাজটা করলেও ভেতরে ভেতরে কখনোই সেই তৃপ্তিটা পেতাম না। ছোটবেলা থেকেই টেকনোলজি আর মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আমার আলাদা একটা টান ছিল। মনের কোণে সবসময়ই ইচ্ছে জাগত—যে কাজে আমার আসল আগ্রহ, সেখানেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ব। অবশেষে মনের সেই আগ্রহকে প্রাধান্য দিয়ে একটা বড় সিদ্ধান্ত নিলাম। আগের কাজ ছেড়ে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুনভাবে শুরু করার জন্য ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটে পা রাখার পর বুঝতে পারলাম আগ্রহের পাশাপাশি সঠিক গাইডলাইন কতটা জরুরি। ট্রেনারদের নিখুঁত তত্ত্বাবধানে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটারের সঠিক ব্যবহার আর অ্যাডভান্সড লেভেলের ট্রাবলশুটিং খুব যত্ন সহকারে রপ্ত করলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করতে করতে আমার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস দুটোই বহুগুণ বেড়ে গেল। প্রশিক্ষণ শেষ করে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শেখা কাজ আর নিজের আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে খুব দ্রুতই একটি প্রতিষ্ঠানে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে গেলাম। আজ আমি সেই দোকানে একজন সফল ও নির্ভরযোগ্য টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। একসময় যে কাজে আমার মনের টান ছিল, আজ সেটাই আমার পেশা আর সফলতার মূল উৎস। প্রতিদিন যখন গ্রাহকদের জটিল সব নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের হাতে তুলে দিই, তখনকার ভালোলাগা ও তৃপ্তিটা আগের সেই ছোট চাকরির সাথে কোনোভাবেই তুলনা করা যায় না। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার আগ্রহকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথ সহজ করে দিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে একজন পূর্ণাঙ্গ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। মনের আগ্রহের কথা শুনে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার প্রমাণ! আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
গাজীপুরের ছেলে হয়েও এখন থাকি কুমিল্লার চান্দিনায়, কাজ করি "Bhai Bhai Telecom"-এ। আমি জহিদুল হক শিহাব, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। গাজীপুর থেকে কুমিল্লার চান্দিনায় আসার সিদ্ধান্তটা ছিল একটা নতুন শুরুর খোঁজে। অচেনা এলাকায় এসে কাজ করাটা প্রথমদিকে একটু চ্যালেঞ্জিং মনে হলেও, ভেবেছিলাম নতুন জায়গায় নতুনভাবে নিজেকে প্রমাণ করার এটাই একটা সুযোগ। এই বিশ্বাস থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে দক্ষতাটা অর্জন করি। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা বিষয় মন দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম অচেনা এলাকায় নিজের কাজের মান দিয়েই মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। কোর্স শেষে "Bhai Bhai Telecom"-এ যোগ দেওয়ার পর সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই কাজ শুরু করি। আজ গাজীপুর থেকে দূরে এসে চান্দিনার এই এলাকায় নিজের একটা পরিচিত জায়গা তৈরি করতে পেরেছি। প্রতিদিন এলাকার মানুষের সেবা দিতে দিতে বুঝি, নতুন জায়গায় এসেও ধৈর্য আর দক্ষতা দিয়ে একটা সম্মানজনক পরিচয় গড়ে তোলা সম্ভব।
এইচএসসি পরীক্ষা শেষে পরিবারকে সাপোর্ট দিতে একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম খুজতেছিলাম জীবিকা নির্বাহের জন্য। তখন ইউটিউবে IFIXFAST এর ভিডিও দেখতে পাই। এরপর তাদের ৩১ তম ব্যাচের মোবাইল সার্ভিসিং কোর্সটিতে ভর্তি হই। তখন পারিবারিকভাবে ফাইন্যান্সিয়াল অনেক বাধা-বিপত্তি দেখা দেয়। পরবর্তীতে আল্লাহর রহমতে সকল বাধা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হই। কোর্সটি সম্পন্ন করে তাদের আইফিক্সফাস্টের নিজস্ব আউটলেটে ১ থেকে ২ মাস ইন্টার্নশিপ করি। বর্তমানে এখন আমি IFIXFAST মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারের মৌচাক ব্রাঞ্চের একজন টেকনিশিয়ান।
সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারের ছেলে, এখন কাজ করি সিলেট শহরের জিন্দাবাজারে অবস্থিত "Apple Re Hub"-এ। আমি সাকিব হাসান, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। মৌলভীবাজার থেকে সিলেট শহরের মতো একটা ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্রে আসার সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম বড় পরিসরে কাজ শেখার আশায়। জিন্দাবাজারের মতো একটা পরিচিত এলাকায় কাজ করতে হলে প্রতিযোগিতাও বেশি, তাই নিজেকে ভালোভাবে প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। এই লক্ষ্য নিয়েই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়েছি, কারণ জানতাম জিন্দাবাজারের মতো একটা ব্যস্ত বাজারে গ্রাহকের প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকে। কোর্স শেষে "Apple Re Hub"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর সেই প্রস্তুতিটাই কাজে লাগাচ্ছি প্রতিদিন। আজ মৌলভীবাজার থেকে দূরে এসে সিলেটের এই পরিচিত বাজারে নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি, আর এই অনুভূতিটাই আমাকে প্রতিদিন আরও ভালো কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর বাস স্ট্যান্ডে, মোহাম্মদ আলী প্রধান প্লাজার তৃতীয় তলায় ২৭,৩৪ নম্বর দোকানে বসি আমি, হাবিবুর রহমান। এই দোকানটা আমার নিজের হাতে গড়া। ছোটবেলা থেকেই হাতের কাজের প্রতি একটা টান ছিল, নিজে থেকে কিছু একটা করার একটা ইচ্ছাও মনের মধ্যে সবসময় কাজ করতো। শুধু চাকরি করে জীবন কাটাতে চাইনি, চেয়েছিলাম নিজের একটা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে। এই ইচ্ছা থেকেই তিন মাসের বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং-এর হাতের কাজটা রপ্ত করি। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা কৌশল মন দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম নিজের ব্যবসা দাঁড় করাতে হলে এই দক্ষতার উপরই সবকিছু নির্ভর করবে। কোর্স শেষে ভবেরচর বাস স্ট্যান্ডের এই প্লাজায় নিজের দোকান খুলে বসি। আলহামদুলিল্লাহ, নিজের হাতের কাজ দিয়ে আজ একটা দোকান দাঁড় করাতে পেরেছি। তবে এখানেই থেমে থাকতে চাই না—মনের মধ্যে লালন করি আরও বড় কিছু করার স্বপ্ন। এই দোকানটা তাই আমার কাছে একটা শুরু মাত্র, আগামীতে আরও অনেক দূর যাওয়ার একটা প্রথম ধাপ।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বটতলী বাজারে নিজের প্রতিষ্ঠান "Molla Smart Zone & Service Center" গড়ে তুলেছি। আমি মোঃ জাবেদ ওমর মোল্লা, দোকানের নামের সাথে নিজের পারিবারিক পরিচয়টাও জুড়ে দিয়েছি। "স্মার্ট জোন" নামটা রাখার পেছনে একটা ভাবনা ছিল—শুধু সাধারণ মোবাইল সারানো না, বরং স্মার্টফোনের আধুনিক সব সমস্যার সমাধান দেওয়ার একটা পূর্ণাঙ্গ জায়গা তৈরি করা। এই লক্ষ্য নিয়েই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে দক্ষতাটা অর্জন করি। প্রশিক্ষণের সময় আধুনিক স্মার্টফোনের জটিল সমস্যাগুলো নিয়ে বিশেষভাবে মনোযোগ দিয়েছি, কারণ নাঙ্গলকোটের মতো এলাকায় মানুষের হাতে এখন আধুনিক ফোন থাকলেও, সেই মানের সার্ভিসিং সুবিধা সবসময় পাওয়া যায় না। কোর্স শেষে বটতলী বাজারে নিজের এই স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানটা দাঁড় করাই। আজ বটতলী বাজারের মানুষ যখন তাদের স্মার্টফোনের যেকোনো সমস্যা নিয়ে নিশ্চিন্তে আমার কাছে আসতে পারেন, তখন বুঝি—"স্মার্ট জোন" নামটা সত্যিকার অর্থেই একটা আধুনিক সমাধানকেন্দ্র হয়ে উঠেছে নাঙ্গলকোটের মানুষের জন্য।
ভাই সালটা ছিল ২১ অথবা ২২ এর দিকে এইচ এসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর করুনার কারনে কোনো কিছু করতে পারছিলাম না পরে করুনা কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পরে নারায়নগঞ্জে এক বন্ধর কাছে কাজ করতে আসি পরে একটা টেক্সটাইল ফ্যাক্টরিরে একমাস কাজ করি পরে অনেক পরিশ্রম এর কারনে চাকরি চেড়ে দেয় পরে আরেকটা কোম্পানি তে চাকরি নে সেকানে ভালোই ছিল সবকিছু। কিন্তু স্যালারি কম হওয়ার কারনে আর বাড়ির বড় ছেলে হওয়ার কারনে এই বেতন দিয়ে চলতে পারব না পরিবারকে কীভাবে চালাব এই চিন্তা সব সময় মনে চলত। পরে চিন্তা করলাম কোনো একটা ব্যাবসা করব যেন পুরো পরিবারকে আর্থিক ভাবে চালাতে পারি। সেই দিক বিবেচনা করে।ফেইসবুকে বিভিন্ন ব্যাবসার আইডিয়া খুজতে থাকি পরে হঠাৎ করে আপনাদের ভিডিও সামনে আসে। পরে চিন্তা করলাম জীবেন তো কত টাকা খরচ খরলাম একবার চেষ্টা করে দেখাই যাক। পরে চাকরি অবস্থায় অভারটাইমের জমানো কিছু টাকা নিয়ে ঢাকা চলে আসলাম পরে ছয়মাস কোর্স করার পর এখন আমি কোম্পানির আন্ডারে কাজ করছি।
মোবাইল সার্ভিসিং কাজের প্রতি আগ্রহ আমার আগে থেকেই ছিল। তবে শুধুমাত্র আগ্রহ দিয়ে তো আর পেশাদার কাজ সম্ভব নয়; প্রয়োজন ছিল সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও সঠিক দিকনির্দেশনা। সেই আগ্রহ ও খোঁজাখুঁজি থেকেই চলে আসি IFixFast Training Institute-এ। সেখানে এসে মেন্টরদের সাথে কথা বলে তাদের আধুনিক ল্যাব, প্রশিক্ষণের ধরন ও সুন্দর পরিবেশ দেখে আমার খুবই ভালো লাগে। কাজের ওপর তাদের নিখুঁত গাইডলাইন দেখে নিজের ভেতরে বিশ্বাস জাগে যে এখান থেকেই আমি সঠিক কাজ শিখতে পারব। তাই আর দেরি না করে সাথে সাথেই ভর্তি হয়ে গেলাম। ইনস্টিটিউটে কাটানো প্রতিটি দিন আমার দক্ষতাকে বাড়িয়ে দিয়েছিল। ট্রেনারদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট বের করা এবং অ্যাডভান্সড লেভেলের ট্রাবলশুটিংয়ের মতো জটিল কাজগুলো খুব সহজ ও যত্ন সহকারে আয়ত্ত করি। প্রতিদিন ল্যাবে হাতে-কলমে অনুশীলন করতে করতে আমার কাজের মান ও আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যায়। কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই আমার পথচলা সহজ হয়ে ওঠে। ইনস্টিটিউটে শেখা দক্ষতার জোরে খুব দ্রুতই একটি প্রতিষ্ঠানে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাই। আজ আমি সেই দোকানে অত্যন্ত সুনামের সাথে একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। প্রতিদিন যখন গ্রাহকদের জটিল সব নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের হাতে তুলে দিই, তখন মনের ভেতর এক অদ্ভুত তৃপ্তি কাজ করে। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। আর আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ আমার আগ্রহকে বাস্তবে রূপ দিয়ে আজ আমাকে একজন সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। আগ্রহের সাথে সঠিক সিদ্ধান্ত ও পরিশ্রম যুক্ত হলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার উদাহরণ। আমার নতুন এই কাজের জন্য সবাই দোয়া করবেন
ছোটবেলা থেকেই টেকনোলজি আর মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আমার আলাদা একটা টান ছিল। মনের কোণে সবসময়ই ইচ্ছে জাগত—যে কাজে আমার আসল আগ্রহ, সেখানেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ব। অবশেষে মনের সেই আগ্রহকে প্রাধান্য দিয়ে একটা বড় সিদ্ধান্ত নিলাম। সম্পূর্ণ নতুনভাবে শুরু করার জন্য ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটে পা রাখার পর বুঝতে পারলাম আগ্রহের পাশাপাশি সঠিক গাইডলাইন কতটা জরুরি। ট্রেনারদের নিখুঁত তত্ত্বাবধানে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটারের সঠিক ব্যবহার আর অ্যাডভান্সড লেভেলের ট্রাবলশুটিং খুব যত্ন সহকারে রপ্ত করলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করতে করতে আমার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস দুটোই বহুগুণ বেড়ে গেল। প্রশিক্ষণ শেষ করে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শেখা কাজ আর নিজের আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে খুব দ্রুতই IFIXFAST Mobile Servicing Center-রে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে গেলাম। আজ আমি IFIXFAST Mobile Servicing Center-রে একজন সফল ও নির্ভরযোগ্য টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। একসময় যে কাজে আমার মনের টান ছিল, আজ সেটাই আমার পেশা আর সফলতার মূল উৎস। প্রতিদিন যখন গ্রাহকদের জটিল সব নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের হাতে তুলে দিই, তখনকার ভালোলাগা ও তৃপ্তিটা আগের সেই ছোট চাকরির সাথে কোনোভাবেই তুলনা করা যায় না। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার আগ্রহকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথ সহজ করে দিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে একজন পূর্ণাঙ্গ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। মনের আগ্রহের কথা শুনে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার প্রমাণ! আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
শনির আখড়ার আদর্শ বালিকা স্কুল রোডে থাকি, নিজের বাসায় বসেই আশেপাশের মানুষ আর আত্মীয়স্বজনের মোবাইল ঠিক করে দিই। আমি মোঃ তালহা জোবায়ের, যশোরের ছেলে, ঢাকায় থাকি এই ঠিকানায়। দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করার আগে ভাবলাম, প্রথমে নিজের চেনা মানুষদের মধ্যেই কাজটা শুরু করি। বাসায় বসে ছোট পরিসরে শুরু করলে ঝুঁকিও কম, আর নিজের দক্ষতাও যাচাই করা যায়। এই ভাবনা থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং-এর কাজ শিখি। প্রশিক্ষণের সময় যা শিখতাম, বাসায় ফিরে সেটা প্রয়োগ করতাম প্রতিবেশী আর আত্মীয়দের ফোনেই। প্রথম প্রথম একটু দ্বিধা থাকলেও, তাদের সন্তুষ্টি আর মুখে মুখে প্রশংসাই আমাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। আজ স্কুল রোডের আশেপাশের মানুষ যখন কোনো সমস্যা হলেই সরাসরি আমার বাসায় চলে আসেন, তখন বুঝি—দোকানের সাইনবোর্ড না থাকলেও, নিজের এলাকায় একটা বিশ্বস্ত নাম হয়ে উঠতে পেরেছি আমি।
সেক্টর ১১, রোড ১৫-তে নিজের দোকান "Nuraida Telecom" নিয়ে বেশ ভালোভাবেই চলছে আমার দিনকাল। আমি ইব্রাহিম খান রাজীব, ময়মনসিংহের ছেলে, এখন এই ঠিকানাতেই আমার ব্যবসার পরিচিতি। ব্যবসা শুরু করার আগে ভেবেছিলাম, শুধু ইচ্ছা থাকলেই হবে না, দরকার আসল দক্ষতা। এই বিশ্বাস থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সটা সম্পন্ন করি, যেন সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যাই আত্মবিশ্বাসের সাথে সামলাতে পারি। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণের প্রতিটা ধাপে নিজেকে প্রস্তুত করেছি একটা পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানোর জন্য। কোর্স শেষে সেক্টর ১১-এর এই ঠিকানাতেই "Nuraida Telecom" খুলে বসি, আর আল্লাহর রহমতে ধীরে ধীরে ব্যবসাটা একটা স্থিতিশীল জায়গায় পৌঁছে গেছে। আজ যখন পেছনে ফিরে তাকাই, মনে হয় কষ্টের সেই দিনগুলো বৃথা যায়নি। আলহামদুলিল্লাহ, নিজের এই ছোট্ট প্রতিষ্ঠানটা নিয়ে ভালোই আছি, আর প্রতিদিনের এই সন্তুষ্টিটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
একসময় জীবন চালানোর জন্য একটা ছোট চাকরি করতাম। কাজটা করলেও ভেতরে ভেতরে কখনোই সেই তৃপ্তিটা পেতাম না। ছোটবেলা থেকেই টেকনোলজি আর মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আমার আলাদা একটা টান ছিল। মনের কোণে সবসময়ই ইচ্ছে জাগত—যে কাজে আমার আসল আগ্রহ, সেখানেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ব। অবশেষে মনের সেই আগ্রহকে প্রাধান্য দিয়ে একটা বড় সিদ্ধান্ত নিলাম। আগের কাজ ছেড়ে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুনভাবে শুরু করার জন্য ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটে পা রাখার পর বুঝতে পারলাম আগ্রহের পাশাপাশি সঠিক গাইডলাইন কতটা জরুরি। ট্রেনারদের নিখুঁত তত্ত্বাবধানে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটারের সঠিক ব্যবহার আর অ্যাডভান্সড লেভেলের ট্রাবলশুটিং খুব যত্ন সহকারে রপ্ত করলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করতে করতে আমার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস দুটোই বহুগুণ বেড়ে গেল। প্রশিক্ষণ শেষ করে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শেখা কাজ আর নিজের আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে খুব দ্রুতই একটি প্রতিষ্ঠানে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে গেলাম। আজ আমি সেই দোকানে একজন সফল ও নির্ভরযোগ্য টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। একসময় যে কাজে আমার মনের টান ছিল, আজ সেটাই আমার পেশা আর সফলতার মূল উৎস। প্রতিদিন যখন গ্রাহকদের জটিল সব নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের হাতে তুলে দিই, তখনকার ভালোলাগা ও তৃপ্তিটা আগের সেই ছোট চাকরির সাথে কোনোভাবেই তুলনা করা যায় না। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার আগ্রহকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথ সহজ করে দিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে একজন পূর্ণাঙ্গ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। মনের আগ্রহের কথা শুনে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার প্রমাণ! আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
একসময় জীবনে কোনো দিকনির্দেশনা ছিল না, বেকার বসে দিন কাটানোই যেন ভাগ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কাজের অভাবে ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা আর চারপাশের মানুষের নীরব অবহেলা মনকে দারুণভাবে বিষিয়ে তুলত। তবে নিজেকে বদলানোর তাগিদটা ভেতরে সবসময়ই ছিল—সিদ্ধান্ত নিলাম যেভাবেই হোক কারিগরি কাজ শিখে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করব। সেই লক্ষ্য নিয়ে সোজা চলে এলাম IFixFast Training Institute-এ। প্রথম দিন থেকেই এখানকার কাজের পরিবেশ আর ট্রেনারদের পেশাদারিত্ব আমাকে নতুন আশার আলো দেখাল। হাতেনাতে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত পয়েন্ট বের করা এবং অ্যাডভান্সড ট্রাবলশুটিংয়ের সূক্ষ্ম কাজগুলো আয়ত্ত করলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিদিন কঠোর সাধনা করতে করতে একসময় বেকারত্বের ভয়টা কেটে গিয়ে সেখানে জন্ম নিল আত্মবিশ্বাস। ট্রেনিং শেষ করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ইনস্টিটিউটে অর্জিত নিখুঁত দক্ষতার জোরে খুব দ্রুতই একটি মোবাইল সার্ভিসিং শপে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে গেলাম। আজ আমি সেই দোকানে অত্যন্ত সুনামের সাথে একজন সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। একসময় যে আমি বেকারত্ব আর হতাশায় দিন কাটাতাম, আজ প্রতিদিন নিজের হাতে শত শত নষ্ট ফোন সচল করে গ্রাহকদের হাসিমুখে সেবা দিচ্ছি। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার চেষ্টার সঠিক ফল দিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের সঠিক প্রশিক্ষণ আমাকে বেকারত্ব থেকে বের করে একজন দক্ষ ও সফল মানুষের পরিচয়ে দাঁড় করিয়েছে। ইচ্ছাশক্তি আর সঠিক গাইডলাইন থাকলে যেকোনো খারাপ পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব—আজ আমি নিজেই তার বড় উদাহরণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
ভোলার ছেলে হয়েও এখন থাকি সাভারের নবীনগরে, কাজ করি সেনা কমপ্লেক্সে অবস্থিত "MS Technology"-তে। আমি মোঃ লিমন, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। ভোলা থেকে সাভারের মতো একটা শিল্পাঞ্চলে আসার সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না। দ্বীপ জেলা থেকে মূল ভূখণ্ডে এসে, তার উপর সেনা কমপ্লেক্সের মতো একটা সুশৃঙ্খল পরিবেশে কাজ করার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করাটা ছিল একটা চ্যালেঞ্জ। এই পরিবেশে টিকে থাকতে হলে শৃঙ্খলা আর দক্ষতা দুটোই সমান জরুরি, এই উপলব্ধি থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা নিয়ম মেনে কাজ করার অভ্যাস তৈরি করেছি, কারণ জানতাম সেনা কমপ্লেক্সের মতো জায়গায় শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে কাজ করাটাই প্রত্যাশিত। কোর্স শেষে "MS Technology"-তে যোগ দেওয়ার পর সেই শৃঙ্খলাবোধ নিয়েই প্রতিদিন কাজ করছি। আজ ভোলা থেকে দূরে এসে সাভারের এই সুশৃঙ্খল পরিবেশে নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি, আর এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয়।
একসময় পড়াশোনা শেষ করে ঘরে বসে অলস দিন কাটছিল, কোনো কাজ ছিল না। ভবিষ্যতের কথা ভেবে মনটা চরম অনিশ্চয়তায় ভরে উঠত। ঠিক তখনই পরিবার থেকে আমাকে একটা দারুণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো—অলস না বসে থেকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শিখতে। পরিবারের সেই পরামর্শই আমার জীবনের আসল টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়াল। পরিবারের উৎসাহে খোঁজ নিয়ে সরাসরি ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ল্যাবে পা রাখার পর থেকেই কাজ শেখার প্রতি এক অন্যরকম টান অনুভব করতে লাগলাম। ট্রেনারদের ধৈর্য আর নিবিড় গাইডলাইনে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ট্রেসিং, মাল্টিমিটার ব্যবহার এবং অ্যাডভান্সড ট্রাবলশুটিংয়ের কাজগুলো খুব যত্ন সহকারে আয়ত্ত করলাম। প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে প্রতিদিন হাতে-কলমে প্র্যাকটিস করতে করতে মনের সব ভয় কেটে গিয়ে আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বেড়ে গেল। ইনস্টিটিউট থেকে সফলভাবে ট্রেনিং শেষ করে কাজের অভিজ্ঞতা বাড়াতে কিছুদিন কাজ করলাম। তবে মনের কোণে একটাই তাগিদ ছিল—নিজের একটা স্বাধীন পরিচয় তৈরি করা, একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া। অবশেষে পরিবারের বিশ্বাস, নিজের কঠোর পরিশ্রম আর সঠিক প্রশিক্ষণের জোরে আজ সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে—আমি নিজেই একটি মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারের শুভ সূচনা করেছি! আজ সকালে যখন নিজ হাতে নিজের দোকানের শাটারটা তুলছিলাম এবং টেকনিশিয়ানের চেয়ারে বসে সার্ভিসিং টুলসগুলো হাতে নিলাম, হৃদয়ে এক অবর্ণনীয় তৃপ্তি হচ্ছিল। যে আমি একদিন ঘরে বেকার বসে দিন কাটাতাম, আজ সেখানে আমি নিজেই একজন সফল স্বাধীন দোকানের মালিক। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই পর্যন্ত আসার তৌফিক দিয়েছেন। কৃতজ্ঞতা আমার পরিবারের প্রতি, যাদের সঠিক পরামর্শ আমাকে এই পথ দেখিয়েছে। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার সফলতার মজবুত ভিত তৈরি করে দিয়েছে। পরিবারের সঠিক পরামর্শ আর নিজের ইচ্ছাশক্তি থাকলে সাফল্য আসবেই—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন দোকানের সফলতার জন্য সবাই দোয়া করবেন
মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আগ্রহটা আমার অনেক দিনের। অনলাইনে নানা রকম টেকনিক্যাল ভিডিও দেখে কাজটার প্রতি একটা আলাদা টান তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শুধু ভিডিও দেখে তো আর দক্ষ হওয়া যায় না, দরকার ছিল পেশাদার ও সঠিক দিকনির্দেশনার। সেই আগ্রহ থেকেই খোঁজ নিয়ে সরাসরি চলে আসি IFIXFAST Training Institute-এ। প্রতিষ্ঠানের ল্যাব, কাজের পরিবেশ আর মেন্টরদের সাথে কথা বলে মুহূর্তেই বুঝে যাই—নিজের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য এটাই সঠিক জায়গা। তাই আর দেরি না করে ভর্তি হয়ে গেলাম। প্রশিক্ষণের দিনগুলোতে ট্রেনারদের তত্ত্বাবধানে একে একে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত পয়েন্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের সূক্ষ্ম কাজগুলো আয়ত্ত করি। প্রতিদিন ল্যাবে হাতে-কলমে চর্চা করতে করতে মনের ভেতরের সব দ্বিধা কেটে গিয়ে এক দারুণ আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আমার জীবনে আসে সবচেয়ে বড় আনন্দের মুহূর্তটি—যে প্রতিষ্ঠানে আমি শিক্ষার্থী হিসেবে পা রেখেছিলাম, আজ সেখানেই পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজের সুযোগ পেয়েছি! যেখানে কাজ শিখেছি, আজ সেই প্রতিষ্ঠানেই টেকনিশিয়ান হিসেবে সার্ভিসিং টুলস হাতে নিয়ে প্রতিদিন গ্রাহকদের জটিল নষ্ট ফোন সমাধান করছি। কাজের শেষে গ্রাহকদের সন্তুষ্ট মুখের হাসি আর ইনস্টিটিউটের সবার আস্থা আমাকে প্রতিদিন নতুন অনুপ্রেরণা দেয়। মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই সাফল্য এনে দিয়েছেন।IFIXFAST আসার আগে আমি স্টুডেন্ট ছিলাম IFIXFAST ভর্তি হওয়ার পর training শেষে আমি দীর্ঘ প্রায় ৭-৮ মাস একটা দোকানের টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করেছি আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি নিজেই একটা দোকানের মালিক আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে শুধু পথ দেখায়নি, বরং আজ নিজের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে। নিজের শেখার আগ্রহকে সঠিক জায়গায় কাজে লাগাতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী সদরে বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের এলাকারই "KR Computer & Mobile"-এ। আমি দীপ দাশ, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। দোকানের নামেই বোঝা যায়, এখানে শুধু মোবাইল না, কম্পিউটার নিয়েও কাজ হয়। এই দ্বিমুখী সেবা দেওয়ার প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে হলে দুটো ক্ষেত্রেই ভালো দখল থাকা দরকার, এই ভাবনা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং-এর বেসিক কোর্সে ভর্তি হই, যেন কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল সেক্টরেও নিজের একটা দক্ষতা তৈরি হয়। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা বিষয় মনোযোগ দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম পটুয়াখালী সদরের মতো এলাকায় মানুষ চায় একই জায়গায় একাধিক সমাধান পেতে। কোর্স শেষে "KR Computer & Mobile"-এ যোগ দেওয়ার পর এই বহুমুখী সেবা দেওয়ার ক্ষমতাই দোকানটাকে আলাদা করে তুলেছে অন্যদের থেকে। আজ পটুয়াখালী সদরের মানুষ যখন কম্পিউটার আর মোবাইল—দুই ধরনের সমস্যা নিয়েই একসাথে আমাদের দোকানে আসতে পারেন, তখন বুঝি এই সম্মিলিত দক্ষতাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আগ্রহটা আমার অনেক দিনের। অনলাইনে নানা রকম টেকনিক্যাল ভিডিও দেখে কাজটার প্রতি একটা আলাদা টান তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শুধু ভিডিও দেখে তো আর দক্ষ হওয়া যায় না, দরকার ছিল পেশাদার ও সঠিক দিকনির্দেশনার। সেই আগ্রহ থেকেই খোঁজ নিয়ে সরাসরি চলে আসি IFixFast Training Institute-এ। প্রতিষ্ঠানের ল্যাব, কাজের পরিবেশ আর মেন্টরদের সাথে কথা বলে মুহূর্তেই বুঝে যাই—নিজের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য এটাই সঠিক জায়গা। তাই আর দেরি না করে ভর্তি হয়ে গেলাম। প্রশিক্ষণের দিনগুলোতে ট্রেনারদের তত্ত্বাবধানে একে একে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত পয়েন্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের সূক্ষ্ম কাজগুলো আয়ত্ত করি। প্রতিদিন ল্যাবে হাতে-কলমে চর্চা করতে করতে মনের ভেতরের সব দ্বিধা কেটে গিয়ে এক দারুণ আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আমার জীবনে আসে সবচেয়ে বড় আনন্দের মুহূর্তটি—যে প্রতিষ্ঠানে আমি শিক্ষার্থী হিসেবে পা রেখেছিলাম, আজ সেখানেই পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজের সুযোগ পেয়েছি! যেখানে কাজ শিখেছি, আজ সেই প্রতিষ্ঠানেই টেকনিশিয়ান হিসেবে সার্ভিসিং টুলস হাতে নিয়ে প্রতিদিন গ্রাহকদের জটিল নষ্ট ফোন সমাধান করছি। কাজের শেষে গ্রাহকদের সন্তুষ্ট মুখের হাসি আর ইনস্টিটিউটের সবার আস্থা আমাকে প্রতিদিন নতুন অনুপ্রেরণা দেয়। মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই সাফল্য এনে দিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে শুধু পথ দেখায়নি, বরং আজ নিজের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে। নিজের শেখার আগ্রহকে সঠিক জায়গায় কাজে লাগাতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি ছোটবেলা থেকেই আমার এক অদ্ভুত আগ্রহ ছিল। ইন্টারনেটে যখনই কোনো টেকনিক্যাল বা মোবাইল মেকানিক্সের ভিডিও দেখতাম, স্ক্রিনের দিকে চোখ আটকে যেত। অনলাইন ভিডিও দেখেই প্রথম এই কাজের প্রতি ভালোলাগা তৈরি হয়। তবে শুধু ভিডিও দেখে তো আর পেশাদার টেকনিশিয়ান হওয়া যায় না; তাই সিদ্ধান্ত নিলাম কাজটা একদম গোড়া থেকে নিখুঁতভাবে শিখতে হবে। সেই আগ্রহ থেকেই একদিন সরাসরি চলে এলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে এসে মেন্টরদের সাথে কথা বলে কাজের ধরন ও পরিবেশ দেখে আমার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেল। আর দেরি না করে ভর্তি হয়ে গেলাম। ইনস্টিটিউটে কাটানো সময়গুলো আমার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিল। ট্রেনারদের হাত ধরে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত পয়েন্ট ট্রেসিং, এবং অ্যাডভান্সড হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো জটিল কাজগুলো খুব সহজ ও যত্ন সহকারে রপ্ত করলাম। প্রতিদিন ল্যাবে হাতে-কলমে প্র্যাকটিস করতে করতে কাজের প্রতি ভালোবাসা আর দক্ষতা দুই-ই বহুগুণ বেড়ে গেল। ট্রেনিং শেষ করে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করার পর মনের ভেতর সেই মূল স্বপ্নটা দানা বাঁধল—নিজের পরিচিতিতে দাঁড়াতে হবে, নিজেই একজন উদ্যোক্তা হতে হবে। অবশেষে পরিশ্রম, সঠিক প্রশিক্ষণ আর ইচ্ছাশক্তির জোরে আজ সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে—আমি নিজেই একটি মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারের শুভ সূচনা করেছি! আজ সকালে যখন নিজের দোকানের শাটার নিজ হাতে তুলছিলাম এবং টেকনিশিয়ানের চেয়ারে বসে টুলসগুলো হাতে নিলাম, হৃদয়ে এক অন্যরকম তৃপ্তি ও অনুভূতি হচ্ছিল। অনলাইনে ভিডিও দেখে যে স্বপ্নের সূচনা হয়েছিল, আজ আমি নিজেই সেই স্বপ্নের সফল বাস্তব রূপ। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই পর্যন্ত আসার তৌফিক দিয়েছেন। আর আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার স্বপ্নের মজবুত ভিত তৈরি করে দিয়েছে। নিজের আগ্রহকে সঠিক প্রশিক্ষণে রূপান্তর করতে পারলে সফলতা আসবেই—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন দোকানের সফলতার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন
একসময় অলসভাবে বসে দিন কাটানো আর ভবিষ্যতের চিন্তায় দিশেহারা হওয়াটাই ছিল আমার প্রতিদিনের গল্প। তবে সেই অনিশ্চয়তাকে হার মানাতে একদিন নিজেই একটা শক্ত সিদ্ধান্ত নিলাম—বসে না থেকে কাজের মতো কাজ শিখব, নিজের ভাগ্যের চাকা নিজ হাতে ঘোরাব। সেই লক্ষ্য নিয়েই ভর্তি হলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে কাটানো সময়গুলো আমার চিন্তাভাবনা বদলে দিল। ট্রেনারদের নিখুঁত তত্ত্বাবধানে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ট্রেসিং, প্রিসিশন কম্পোনেন্ট চেঞ্জ এবং অ্যাডভান্সড ট্রাবলশুটিং টেকনিকগুলো খুব যত্ন সহকারে রপ্ত করলাম। ল্যাবে প্রতিদিন কঠোর প্র্যাকটিস করে নিজেকে একদম প্রস্তুত করে তুললাম। ট্রেনিং শেষ করার পর কাজের অভিজ্ঞতা বাড়াতে কিছুদিন টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করলাম। কিন্তু মনের কোণে একটাই তাগিদ ছিল—নিজের পরিচয় গড়ে তোলা, নিজেই একজন উদ্যোক্তা হওয়া। অবশেষে পরিশ্রম, ধৈর্য আর ইচ্ছাশক্তির জোরে আজ সেই স্বপ্ন সত্যি হলো—আমি নিজেই একটি মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারের শুভ সূচনা করলাম! আজ সকালে যখন নিজের দোকানের শাটারটা নিজ হাতে তুলছিলাম, হৃদয়ে এক অন্যরকম তৃপ্তি আর অনুভূতি হচ্ছিল। একসময় যে আমি অলস বসে দিন কাটাতাম, আজ সেখানে আমি নিজেই একজন স্বাধীন দোকানের মালিক ও উদ্যোক্তা। মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া, যিনি আমাকে এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার এই সফলতার মজবুত ভিত তৈরি করে দিয়েছিল। নিজের দোকানে টেকনিশিয়ানের চেয়ারে বসে টুলস হাতে নেওয়ার আনন্দই আলাদা। সঠিক সিদ্ধান্ত, পরিশ্রম আর দক্ষতা থাকলে যে কেউ নিজের ভাগ্য নিজে বদলে দিতে পারে—আজ আমি তার প্রমাণ। আমার এই নতুন দোকানের জন্য সবাই দোয়া করবেন
আমার নাম মোঃ তরিকুল ইসলাম জিহাদ আমি পেশায় একজন শিক্ষক ছিলাম,,, মাদ্রাসা শিক্ষকতা করতাম পাশাপাশি পাইকারি ফ্লাইং মেডিসিনের ব্যবসা ছিল আমার,,, তো আমার এক বন্ধু ছিল ওর মোবাইলের সার্ভিসিং এর দোকান ছিল। আমি মাঝে মধ্যে ওর দোকানে যাইতাম মোবাইল সার্ভিসিং করতে গিয়ে দেখতাম বেশ ভালো টাকা ইনকাম করে তো আমার চিন্তা হলো কিভাবে নিজস্ব একটা ব্যবসা দাঁড় করানো যায়,, কম পুজিতে ভালো ইনকাম করা যায়,,, পরে চিন্তা করলাম যে এরকম একটা হ্যান্ড স্কিল যদি আমি শিখতে পারি,, তাহলে তো বেশ ভালো হয়,, পরে অনলাইনে বেশ ঘাটাঘাটি করলাম কোথায় এই কাজ শেখা যায় অন্যের দোকানে থাকলে হয়তো দোকান ঝাড়ু দিতে বলবে চা / সিগারেট নিয়ে আসতে বলবে,, তো আমি একজন হুজুর হয়ে কেমনে এই কাজগুলো করব এজন্য অনলাইনে কিছু ট্রেনিং প্রতিষ্ঠানের খোঁজ খবর নিলাম,, এর মধ্যে পারফেক্ট হিসেবে পেয়েছিলাম আই ফিক্সড ফাস্ট ওখানে গিয়ে প্রায় তিন মাস ক্লাস করি ক্লাস করা শেষে ল্যাবেই এসিস্ট্যান্ট ট্রেইনার হিসেবে স্যারদের সাথে সময় দিতে থাকি,, এদিকে আবার আমার বাসায় ছোট বেবি ওয়াইফ মা-বাবা পরিবারের সবাই আছে ,, ওদের কথা খুব মনে পড়তো খুব মিস করতাম ওদের কে,, এ মত অবস্থায় ঢাকায় আমার কোন ইনকাম ছিল না ।শুধু ব্যয় ছিল, পরে সিদ্ধান্ত নিলাম যে এলাকায় গিয়ে প্র্যাকটিসটা বেশি করে শুরু করতে হবে,, তখন এলাকায় চলে আসি। এসে এক বড় ভাইয়ের দোকানে পার্ট টাইম সময় দিতে থাকি,,, পরে আমার এক বন্ধু যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে,, পাশাপাশি অনলাইনে ইনকামও করে, এক দিন ও আমাকে বলল, যে মামা আপনি অন্যের দোকানে থাকেন এটা কেমন লাগে আমার। আপনি একটা কাজ করেন ,আমি আপনাকে একটা দোকান দিয়ে দেই ।আপনি এই দোকানে নিজেই ব্যবসা দাঁড় করান, তো আলহামদুলিল্লাহ সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া করে, আর আমি তার দোকানের হাল ধরি। সার্ভিসিং ইনস্টুমেন্ট সব আমি আমার পার্সোনাল টাকা দিয়ে কিনি। তবে সেই টাকা ছিল অন্যদের কাছ থেকে ধার নেয়া, আমার সেই বন্ধু/ মামা ও ও আমাকে কিছু টাকা ধার দেয় । পরে আলহামদুলিল্লাহ দোকানের যাত্রা শুরু হয় আমাদের ।আলহামদুলিল্লাহ দোকানে এখন বেশ ভালো কাস্টমার মোটামুটি একটা ভালো ইনকাম পাই আমরা,,, আমি চেয়েছিলাম যে আমার স্বাধীন একটা ব্যবসা থাকবে যেটা আমি আমার মনের মত করে করতে পারব তো আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানী যে আল্লাহ তাআলা আমাকে এরকম একটা হ্যান্ডস্কিল শেখার তৌফিক দান করেন সেই সাথে ক্যারিয়ারে সফলতা ও এনে দেন , আলহামদুলিল্লাহ ।আমি এখন সমাজের মধ্যে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্ব ওয়ালা ব্যক্তি । সবাই আমাকে ভালবাসে বেশ কাজের চাপ থাকে আমার দোকানে অনেকেই অনেক সম্মান করে পেশাটা আসলেই সম্মানজনক ।ভালো লাগে কাজ করতে আমি কাজকে খুব রেসপেক্ট করি কখনো সকাল আটটায় আসি যাই রাতের বারোটা থেকে একটায় আলহামদুলিল্লাহ এ রকম একটা সফল ক্যারিয়ার চেয়েছিলাম। তো আমার আরো সামনের পথ চলার অনেক বাকি আছে,, যদি আল্লাহ তাআলা আমাকে হায়াতে বেঁচে রাখেন দুনিয়ার পাশাপাশি আমাকে আখিরাতে ও সফল হতে হবে এজন্য আমি সর্বদাই কখনই নামাজ ত্যাগ করতাম না ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে ও ও আমি কখনো নামাজ ত্যাগ করতাম না বন্ধুদেরকে নিয়ে স্যারদের সবাইকে নিয়েই নামাজের এহেতেমাম করতাম,, কারন আমার ভাবনায় ছিল দুনিয়ার সফলতা আসল সফলতা না,,, আসল সফলতা হচ্ছে আখিরাতের সফলতাই আসল সফলতা, এজন্য সকলের কাছে আবেদন যারা আমার এই কমেন্ট পড়ে অনুপ্রেরণিত হবেন সকলেই নামাজেরে এহেতেমাম করবেন ইংশাআল্লাহ,,
একসময় কোনো কাজ ছাড়া ঘরে বসে অলস সময় কাটাই ছিল আমার নিত্যদিনের চিত্র। ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তা হলেও কোনো পথ পাচ্ছিলাম না। অবশেষে একদিন নিজেই শক্ত সিদ্ধান্ত নিলাম—এভাবে বেকার বসে না থেকে টেকনিক্যাল কোনো কাজ শিখে নিজেকে তৈরি করব। সেই সিদ্ধান্ত থেকেই ভর্তি হলাম IFixFast Training Institute-এ। ক্লাসে প্রথম দিন থেকেই কাজ শেখার এক দারুণ আগ্রহ তৈরি হলো। ট্রেনারদের নিখুঁত গাইডলাইনে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ট্রেসিং, মাল্টিমিটারের নিখুঁত ব্যবহার আর নানা টেকনিক্যাল ট্রাবলশুটিং খুব মনোযোগ দিয়ে শিখলাম। প্রতিদিন নিজের হাতে প্র্যাকটিক্যাল কাজ করতে করতে একসময় বুঝে গেলাম, আমি সঠিক পথেই আছি। কোর্সটি শেষ করার পরই আমার জীবন পুরোপুরি বদলে গেল। অলস বসে থাকা সেই আমি অর্জিত দক্ষতার জোরে সুযোগ পেলাম একটি মোবাইল সার্ভিসিং শপে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার। আজ আমি সেই দোকানে একজন সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে প্রতিদিন একের পর এক জটিল নষ্ট ফোন মেরামত করছি। যখন গ্রাহকেরা নিখুঁত কাজ দেখে সন্তুষ্ট হয়ে হাসিমুখে ফিরে যান, তখন মনে হয় আমার পরিশ্রম সার্থক। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া। আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের কারণে আজ আমি বেকারত্ব মুছে একজন সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের পরিচয়ে দাঁড়িয়ে আছি
আমার পথচলার গল্প HSC শেষ করে যখন বেকার ঘুরছিলাম, কাজ খুঁজছিলাম। অনেক জায়গায় চেষ্টা করেও ভালো কোনো চাকরি পাচ্ছিলাম না। কিন্তু আমার একটা কাজ খুব দরকার ছিল। ঠিক সেই সময় Facebook-এ হঠাৎ মোবাইল সার্ভিসিং নিয়ে একটা ভিডিও চোখে পড়ল। ভিডিওটা দেখার পর মনে হলো, আমিও যদি মোবাইল সার্ভিসিং শিখি, তাহলে হয়তো নিজের একটা পথ তৈরি করতে পারব। তারপর আর দেরি না করে iFixFast-এ ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং শেখা শুরু করলাম। শুরুটা সহজ ছিল না, অনেক কিছু নতুন করে শিখতে হয়েছে। কিন্তু চেষ্টা আর পরিশ্রম করতে করতে আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি অনেক ভালো আছি এবং নিজের কাজ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারছি। আলহামদুলিল্লাহ, একটা Facebook ভিডিও থেকেই আমার জীবনের নতুন একটা পথের শুরু হয়েছিল।
ঘরে বসে থাকা অলস দিনগুলোকে পেছনে ফেলে একদিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নিজের ভাগ্যের চাকা নিজ হাতে ঘোরাতে হবে। সেই একটা ইচ্ছাই আজ আমার জীবনকে এনে দাঁড় করিয়েছে এক নতুন প্ল্যাটফর্মে। দক্ষতা গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে ট্রেনারদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে হার্ডওয়্যার, সার্কিট ডায়াগনোসিস আর জটিল সব ট্রাবলশুটিং খুব নিখুঁতভাবে আয়ত্ত করি। প্রশিক্ষণ শেষে কিছুদিন কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করি, যেন নিজেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করতে পারি। প্রতিটি মেরামত করা ফোন আমার মনের ভেতরে একটি স্বপ্নের বীজ বুনে দিত—নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে দেখার স্বপ্ন। অবশেষে সেই কষ্টের ফল হাতেনাতে পেলাম। আজ সব ভয় ও দ্বিধা ঝেড়ে ফেলে নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারের শুভ সূচনা করলাম! আজ সকালে যখন নিজের দোকানের শাটারটা প্রথমবার নিজ হাতে তুলছিলাম, তখনকার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। যে আমি একদিন বেকার বসে দিন কাটাতাম, আজ সেখানে আমি নিজেই একজন স্বাধীন শপের মালিক ও সফল উদ্যোক্তা। মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া, যিনি আমাকে এই পর্যন্ত আসার তৌফিক দিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার এই সফলতার মূল ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে। নিজের একটা সার্ভিসিং সেন্টারের চেয়ারে বসে সার্ভিসিং টুলসগুলো হাতে নেওয়ার আনন্দই আলাদা। পরিশ্রম, সঠিক সিদ্ধান্ত আর কাজের প্রতি নিষ্ঠা থাকলে যে কেউ নিজের ভাগ্য বদলে দিতে পারে—আজ আমি নিজেই তার বড় প্রমাণ। আমার এই নতুন দোকানের সফলতার জন্য সবাই দোয়া করবেন
নরসিংদীর "F1 Shop"-এ কাজ করি আমি, রাসেল মিয়া। দোকানের নামটাই যেন একটা বার্তা দেয়—সবার আগে, সবচেয়ে ভালো হওয়ার লক্ষ্য। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার তাগিদ থেকে। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রতিটা বিষয় মন দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম শুধু আজকের চাকরিটাই লক্ষ্য না, এই দক্ষতাটাই একদিন বড় কিছুর ভিত্তি হয়ে উঠবে। কোর্স শেষে "F1 Shop"-এ টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করি। প্রতিদিন কাজ করতে করতে নিজের দক্ষতাকে আরও শাণিত করছি, প্রতিটা নতুন সমস্যার সমাধানের মধ্য দিয়ে শিখছি কিছু না কিছু নতুন। আপাতত চাকরি করছি ঠিকই, কিন্তু মনের মধ্যে লালন করি একটা বড় স্বপ্ন—আগামীতে নিজের কিছু একটা দাঁড় করানোর। এই চাকরিটা তাই আমার কাছে শুধু বর্তমানের আয়ের উৎস না, বরং ভবিষ্যতের সেই বড় লক্ষ্যের দিকে একটা মজবুত প্রস্তুতি
আলহামদুলিল্লাহ, পথচলার একটি গল্প ২০২৫ সালে আমি IFIXFAST-এর একজন ছাত্র ছিলাম। তখন স্বপ্ন ছিল একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হওয়ার। সেই স্বপ্ন পূরণের পথে আমার শ্রদ্ধেয় স্যারদের কাছ থেকে শেখা প্রতিটি শিক্ষা আজও আমার চলার শক্তি। আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি একজন মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। বর্তমানে যমুনা ফিউচার পার্কের লিফটের ৪ তলায়, A ব্লকে কাজ করছি। আমার এই পথচলায় আমার শ্রদ্ধেয় সকল স্যারের অবদান আমি কখনো ভুলব না। তাঁদের শাসন, পরামর্শ, ভালোবাসা আর শেখানো কাজগুলোই আজ আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সাহস দিয়েছে। স্যারদের প্রতি রইল আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। ইনশাআল্লাহ, শেখার এই পথচলা কখনো থামবে না। আজ ছাত্র, আগামী দিনে আরও দক্ষ টেকনিশিয়ান—এই স্বপ্ন নিয়েই এগিয়ে চলছি। আল্লাহ আমার স্যারদের নেক হায়াত দান করুন এবং তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন।
ঢাকার মালিবাগে, আউটার সার্কুলার রোডের সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলে "IFixFast Mobile Service Center"-এ কাজ করি। আমি আবু সাঈদ, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। মৌচাক মার্কেটের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত এই শপিং মলটায় প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা। এমন একটা জমজমাট এলাকায় কাজ করতে হলে শুধু বেসিক জ্ঞান দিয়ে চলে না, তাই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সটা সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে সহজ সমস্যা থেকে শুরু করে জটিল থেকে জটিলতর কেস পর্যন্ত সবকিছু হাতে-কলমে শিখেছি। প্রতিটা ধাপে মনে হতো, মৌচাকের মতো একটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ এলাকায় টিকে থাকতে হলে দক্ষতার কোনো সীমাবদ্ধতা রাখা যাবে না। কোর্স শেষে "IFixFast"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর আজ প্রতিদিন যখন কোনো জটিল সমস্যাও আত্মবিশ্বাসের সাথে সমাধান করতে পারি, তখন বুঝি—অ্যাডভান্স পর্যন্ত শেখার সেই সিদ্ধান্তটাই আজ আমাকে এই ব্যস্ত মার্কেটে টিকে থাকার শক্তি জুগিয়েছে
আমার জীবনের গল্প ১. ছোটবেলা থেকেই নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখতাম। ২. জীবনের পথে অনেক বাধা ও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছি। ৩. হাল না ছেড়ে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা সবসময় করে গেছি। ৪. মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শেখার মাধ্যমে আমার জীবনে নতুন একটি পথ তৈরি হয়। ৫. শুরুতে অনেক ভুল করেছি, কিন্তু প্রতিটি ভুল থেকেই নতুন কিছু শিখেছি। ৬. ধীরে ধীরে Hardware ও Software Repair-এর কাজের প্রতি আমার আগ্রহ ও দক্ষতা বাড়তে থাকে। ৭. আজ মোবাইলের ছোটখাটো সমস্যা থেকে শুরু করে Board-level কাজও করার চেষ্টা করি। ৮. আমার স্বপ্ন হলো নিজের একটি ভালো Mobile Service Center তৈরি করা। ৯. জীবনে যত কঠিন সময়ই আসুক, আমি পরিশ্রম আর ধৈর্য ধরে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। ১০. আমার বিশ্বাস—আজকের পরিশ্রমই একদিন আমার স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করবে।
আমি আশিফুর রহমান চৌধুরী, ফেনী রামপুরের ছেলে। এখন কাজ করি ফেনী মহিপাল প্লাজার দ্বিতীয় তলায়, "পাটোয়ারী কম্পিউটার"-এ। তবে এখানে কাজ করাটা আমার কাছে নিছক চাকরি না, বরং ভবিষ্যতের জন্য একটা প্রস্তুতির ধাপ। এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করলেও নিজের দক্ষতা নিয়ে কোনো ছাড় দিতে চাইনি। তাই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং-এর কাজটা পুরোপুরি রপ্ত করি, যেন শুধু পরিচিতির জোরে না, নিজের যোগ্যতা দিয়েই কাজের জায়গাটা ধরে রাখতে পারি। প্রশিক্ষণের প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়েছি, কারণ আমার লক্ষ্যটা আজকের এই কাজের চেয়েও বড়—এই সেক্টরেই একদিন নিজের একটা বড় প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো। কোর্স শেষে মহিপাল প্লাজায় কাজ শুরু করার পর থেকে প্রতিদিন সেই লক্ষ্যের দিকেই এক পা এক পা করে এগিয়ে যাচ্ছি। আজ অন্যের দোকানে কাজ করলেও মনের মধ্যে জ্বলছে একটা বড় স্বপ্নের আগুন—ইনশাআল্লাহ একদিন নিজের নামে বড় কিছু গড়ে তুলবো। বর্তমান এই অভিজ্ঞতাটাই তাই আমার কাছে সেই স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপ।
রাজশাহীর মদনপুর এলাকায় নিজের নামেই দোকান দিয়েছি—"Shadin Telecom & Mobile Service"। আমি মেহেদী হাসান শাদীন, নিজের পরিচয়টাকেই ব্যবসার নামের সাথে জুড়ে দিয়েছি, যেন প্রতিটা কাজের দায়ভার সরাসরি আমার নিজের উপর বর্তায়। রাজশাহীর মতো একটা শিক্ষানগরীতে ব্যবসা করার একটা আলাদা বাস্তবতা আছে—এখানে ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও প্রযুক্তির উপর অনেক নির্ভরশীল। এই চাহিদা মাথায় রেখেই ২০২৫ সালের অক্টোবরে বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা কৌশল মন দিয়ে আয়ত্ত করেছি, কারণ জানতাম মদনপুরের মতো এলাকায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হলে দক্ষতার কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কোর্স শেষ করে নিজের এই স্বপ্নের দোকানটা দাঁড় করাই। আজ মদনপুরের মানুষ যখন "Shadin Telecom"-এর নাম শুনে সরাসরি চলে আসেন, তখন বুঝি নিজের নামের প্রতি যে দায়বদ্ধতা নিয়ে শুরু করেছিলাম, সেটা সার্থক হয়েছে। নিজের নামেই ব্যবসা করার এই সিদ্ধান্তটা আমাকে প্রতিদিন আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়।
একসময় সারাদিন বাসায় বসে অলস সময় কাটছিল, ভবিষ্যতের কথা ভেবে মনটা দুশ্চিন্তায় ভরে উঠত। বুঝতে পারছিলাম না কীভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াব। হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নিলাম—এমনি বসে না থেকে নিজের একটি দক্ষতা তৈরি করতে হবে, কাজ শিখতে হবে। সেই ভাবনা থেকেই ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে কাটানো প্রতিটি দিন আমার জীবনকে পাল্টে দিতে শুরু করল। ট্রেনারদের হাত ধরে সার্কিট ডায়াগনোসিস থেকে শুরু করে নানা জটিল ট্রাবলশুটিং খুব নিখুঁতভাবে আয়ত্ত করলাম। প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে প্রতিদিন নিজের হাতে কাজ করতে করতে মনের ভেতরের ভয় কেটে গিয়ে উপচে পড়ল আত্মবিশ্বাস। ইনস্টিটিউট থেকে ট্রেনিং শেষ করার পর আমার সেই শূন্যতা আর বেকারত্ব নিমেষেই দূর হয়ে গেল। কাজের প্রতি একাগ্রতা আর অর্জিত দক্ষতার জোরে আজ আমি একটি স্বনামধন্য মোবাইল সার্ভিসিং দোকানে সফলভাবে কাজ করছি! যে আমি একদিন ঘরে বসে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতাম, আজ সেই আমিই প্রতিদিন শত শত জটিল ফোনের সমাধান করে ক্রেতাদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছি। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যাদের সঠিক দিকনির্দেশনা আমাকে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। শূন্য থেকে শুরু করে আজকের এই আত্মনির্ভরশীলতার অনুভূতি সত্যিই অসাধারণ। পরিশ্রম আর সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যে জীবনকে বদলে ফেলা যায়, আজ আমি নিজেই তার বড় উদাহরণ
কুমিল্লার লাকসাম থানায় বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের এলাকারই "Jannat Telecom"-এ। আমি মীর মোঃ মুনতাসিন, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। লাকসামের মতো একটা উপজেলা শহরে বড় হয়ে দেখেছি, এখানকার মানুষের জীবনযাত্রায় মোবাইল ফোন কতটা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। অথচ ভালো মানের সার্ভিসিং পয়েন্টের সংখ্যা সীমিত। এই বাস্তবতা দেখেই ২০২৫ সালের অক্টোবরে বেসিক কোর্সে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। প্রায় দুই মাসের এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা বিষয় গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করেছি, কারণ জানতাম নিজের এলাকায় কাজ করতে হলে চেনা মানুষদের সামনেই দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কোর্স শেষ করে "Jannat Telecom"-এ যোগ দিই। আজ লাকসামের চেনা পরিবেশে কাজ করতে করতে বুঝি, নিজের এলাকায় থেকেই একটা নির্ভরযোগ্য পরিচয় গড়ে তোলা সম্ভব। প্রতিদিন পরিচিত মানুষদের ফোনের সমস্যা সমাধান করে দিতে দিতে এই বিশ্বাসটাই আরও দৃঢ় হয়।
মুন্সিগঞ্জ জেলা কোর্ট এলাকায় বাসা, কিন্তু প্রতিদিন কাজে যাই মুন্সিগঞ্জ সদর জামে মসজিদ মার্কেটে—"SOJOL Telecom"-এ। আমি আব্দুল্লাহ ফারনাজ, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। কোর্ট এলাকায় বেড়ে উঠলেও, কাজের জন্য বেছে নিয়েছি মসজিদ মার্কেটের এই ব্যস্ত পরিবেশ। এখানে নামাজের সময় ঘিরে মানুষের একটা নির্দিষ্ট চলাচল থাকে—কেউ নামাজ পড়তে আসেন, ফাঁকে ফোনের সমস্যাটাও সমাধান করিয়ে নেন। এই বিশেষ ধরনের গ্রাহক প্রবাহ বুঝেই ২০২৫ সালের অক্টোবরে বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রায় তিন মাসের প্রশিক্ষণে প্রতিটা কৌশল মনোযোগ দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম মসজিদ মার্কেটের গ্রাহকদের হাতে সময় থাকে সীমিত—নামাজের আগে বা পরে অল্প সময়েই তাদের কাজ সেরে দিতে হয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কোর্স শেষ করে "SOJOL Telecom"-এ যোগ দিই। আজ প্রতিদিন কোর্ট এলাকা থেকে মসজিদ মার্কেটে আসা-যাওয়া করতে করতে বুঝি, এই ছোট্ট যাত্রাটাই আমাকে যুক্ত করে দিয়েছে এলাকার মানুষের সাথে। নামাজের ফাঁকে যখন কেউ আস্থা নিয়ে তার ফোনটা আমার হাতে তুলে দেন, তখন মনে হয়—এই বিশ্বাসটাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
আমি মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্য নিয়ে IFixFast Training Center-এ ভর্তি হয়েছিলাম। মোবাইল ফোনের প্রতি আমার আগ্রহ থেকেই এই পেশায় আসার ইচ্ছা তৈরি হয়। তবে শুধু আগ্রহ থাকলেই হবে না, সঠিকভাবে কাজ শেখা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করাও জরুরি ছিল। তাই একজন দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হওয়ার জন্য আমি IFixFast Training Center-এ কোর্সে যোগ দিই। কোর্স চলাকালীন সময়ে আমি মোবাইল ফোনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সমস্যা সম্পর্কে জানতে পারি এবং হাতে-কলমে কাজ শেখার সুযোগ পাই। শুরুতে অনেক কাজ কঠিন মনে হলেও প্রশিক্ষকদের সহযোগিতা এবং নিয়মিত প্র্যাকটিসের মাধ্যমে ধীরে ধীরে কাজগুলো বুঝতে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে শিখি। IFixFast Training Center-এ প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার জন্য অনেক ভালো ছিল। এখান থেকে পাওয়া জ্ঞান, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। আমার কাছে IFixFast-এর এই কোর্সটি শুধু একটি প্রশিক্ষণ নয়, বরং নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমি নতুন একটি দক্ষতা অর্জন করেছি এবং নিজের ব্যবসা পরিচালনা করার আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। ভবিষ্যতে আরও বেশি দক্ষতা অর্জন করে আমার ব্যবসাকে বড় করা এবং একজন সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করাই আমার লক্ষ্য।
ফরিদপুর সদরের কোতোয়ালি থানার চরমাধবদিয়া এলাকায় "Mamun Telecom"-এ কাজ করি। আমি মোঃ আল আমিন, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। চরমাধবদিয়ার মতো একটা চরাঞ্চল ঘেঁষা এলাকায় বেড়ে উঠে দেখেছি, এখানে প্রযুক্তিগত সেবা পাওয়াটা সবসময় সহজ ছিল না। মানুষকে প্রায়ই দূরে শহরে যেতে হতো সামান্য একটা সমস্যার সমাধানের জন্য। এই ভোগান্তিটা কাছ থেকে দেখেই মনে হয়েছিল, গভীরভাবে এই কাজটা শিখে নিজের এলাকাতেই একটা সমাধান হয়ে উঠতে হবে। এই লক্ষ্য নিয়ে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সে ভর্তি হই। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে সহজ সমস্যা থেকে শুরু করে জটিল কেস পর্যন্ত সবকিছু হাতে-কলমে শিখেছি, কারণ জানতাম নিজের এলাকায় কাজ করলে মানুষকে অন্য কোথাও পাঠানোর সুযোগ কম রাখতে হবে। কোর্স শেষে "Mamun Telecom"-এ যোগ দেওয়ার পর আজ চরমাধবদিয়ার মানুষ যখন যেকোনো জটিলতা নিয়েই নিশ্চিন্তে আমার কাছে আসতে পারেন, তখন বুঝি—নিজের এলাকার সেই পুরনো ভোগান্তিটা অনেকটাই কমাতে পেরেছি আমি।
জীবনে সফলতার ধাপ আগানোর জন্য অনেক কাজ করেছি কিন্ত কোনো কাজে আমি এগোতে পারিনি পরে অনেক চিন্তা ভাবনার পর মাথায় আসলো একটা হাতের কাজ শিখতে তারপর আমি মোবাইল সার্ভিস এ কাজ শিখলাম এরপর থেকে আমি মোবাইল এর সকল কাজ করতে পারি আলহামদুলিল্লাহ। ভবিষ্যতে পরিবর্তন করার জন্য নিজ হাতে ইনকাম করে আমার বাবা মার মুখ উজ্জ্বল করতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন
একসময় ভবিষ্যতের কথা ভেবে খুব অনিশ্চয়তায় দিন কাটছিল। লেখাপড়া শেষ করে যখন জীবনের মোড় ঘোরানোর পথ খুঁজছিলাম, ঠিক তখনই ভাবলাম মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শিখলে কেমন হয়? সেই একটি চিন্তাই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল। বিনা দ্বিধায় সোজা চলে গেলাম IFixFast Mobile Training Institute-এ। প্রথম দিন থেকেই কাজ শেখার প্রতি অন্যরকম একটা টান তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সার্কিটের জটিল ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত পয়েন্ট খোঁজা, কিংবা কোল্ড ও হট সার্ভিসিংয়ের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কাজগুলো যখন একে একে আয়ত্ত করছিলাম, তখন মনে হতো প্রতিটা দিন আমাকে নতুন করে গড়ে তুলছে। ট্রেনারদের ধৈর্য আর নিখুঁত গাইডলাইন আমাকে দিনে দিনে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ানে রূপান্তর করল। ইনস্টিটিউট থেকে বের হয়ে কাজের অভিজ্ঞতা বাড়াতে কিছুদিন টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করলাম। যত জটিল সমস্যা সমাধান করতাম, ততই মনের ভেতরের আত্মবিশ্বাসটা বাড়ছিল। সারাদিন কাজ শেষে রাতে ঘরে ফেরার সময় একটা স্বপ্নই চোখে ভাসতো—একদিন নিজের একটা দোকান থাকবে! অবশেষে পরিশ্রম, ধৈর্য আর সঠিক দিকনির্দেশনা মিলেমিশে এক হলো। আজ আমি নিজের মোবাইল সার্ভিসিং দোকানের শুভ সূচনা করলাম! একসময় যে কাজটা শেখার জন্য খাতা-কলম আর টুলস নিয়ে অন্যের কাছে যেতাম, আজ সেখানে আমি নিজেই একজন স্বাধীন দোকানের মালিক ও উদ্যোক্তা। দোকানের শাটারটা যখন আজ সকালে নিজ হাতে তুলছিলাম, মনের মধ্যে এক অপূর্ব অনুভূতি হচ্ছিল। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার স্বপ্নের ভিত তৈরি করে দিয়েছিল। শূন্য থেকে শুরু করে আজ নিজের সার্ভিসিং সেন্টারের চেয়ারে বসার এই অনুভূতি সত্যিই ভাষায় প্রকাশের নয়। পরিশ্রম আর সঠিক পথ থাকলে স্বপ্ন যে সত্যি হয়, আজ তার বড় প্রমাণ আমি নিজেই। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন
আমি বেকার ছিলাম ।তারপর বাবা মায়ের পরামর্শে কোনো একটি কাজ শেখার সিদ্ধান্ত নেই। এরপর আমি আইফিক্সফাস্ট থেকে মোবাইল সার্ভিসিং এর উপরে বেসিক কোর্স সম্পূর্ণ করি। বর্তমানে আমি একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছি।
হাতে-কলমে করার মতো কোনো টেকনিক্যাল কাজ জানা ছিল না। সবসময় একটা চিন্তা মাথায় কাজ করত—ভবিষ্যতে যদি কখনো বিদেশে যেতে হয়, তবে শুধু খালি হাতে না গিয়ে নিজের একটা শক্ত যোগ্যতা বা দক্ষতা থাকা দরকার। বিদেশে থাকলেও যেন হাতে একটা ভালো অপশন থাকে, সেই ভাবনাটাই আমাকে কারিগরি কাজ শেখার অনুপ্রেরণা দেয়। সেই তাগিদ থেকেই সিদ্ধান্ত নিই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার এবং যুক্ত হই IFixFast Training Institute-এর সাথে। শুরুতে কাজগুলো একদম নতুন হলেও শিক্ষকদের ধৈর্য আর সঠিক দিকনির্দেশনায় আস্তে আস্তে তা আয়ত্ত করতে থাকি। প্রতিটি প্র্যাকটিক্যাল কাজ নিখুঁতভাবে শেখার পর নিজের প্রতি দারুণ এক আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। আজ সেই সঠিক সিদ্ধান্ত ও কঠোর পরিশ্রমের সেরা পুরস্কারটি পেয়েছি! যেই IFixFast Training Institute থেকে কাজ শিখেছিলাম, আজ তাদের নিজ প্রতিষ্ঠানেই সফলভাবে টেকনিশিয়ান (Technician) হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। শিক্ষার্থী থেকে একই প্রতিষ্ঠানে টেকনিশিয়ান হিসেবে যুক্ত হওয়া আমার জীবনের অন্যতম বড় সফলতা। একটি টেকনিক্যাল স্কিল অর্জন আমাকে স্বাধীনভাবে কাজ করার শক্তি দিয়েছে। এখন দেশে নিজের প্রতিষ্ঠানেই সার্ভিসিংয়ের কাজ করছি, পাশাপাশি ভবিষ্যতে দেশের বাইরে গেলেও আমার হাতে একটি মজবুত অপশন তৈরি হয়ে আছে। আমার এই অর্জনের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া এবং অশেষ ধন্যবাদ জানাই IFixFast Training Institute ও আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের, আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন সততা ও দক্ষতার সাথে এই প্রতিষ্ঠানে সার্ভিস দিয়ে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারি
হাতে-কলমে করার মতো কোনো টেকনিক্যাল কাজ জানা ছিল না। সবসময় একটা চিন্তা মাথায় কাজ করত—ভবিষ্যতে যদি কখনো বিদেশে যেতে হয়, তবে শুধু খালি হাতে না গিয়ে নিজের একটা শক্ত যোগ্যতা বা দক্ষতা থাকা দরকার। বিদেশে থাকলেও যেন হাতে একটা ভালো অপশন থাকে, সেই ভাবনাটাই আমাকে কারিগরি কাজ শেখার অনুপ্রেরণা দেয়। সেই তাগিদ থেকেই সিদ্ধান্ত নিই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার এবং যুক্ত হই IFixFast Training Institute-এর সাথে। শুরুতে কাজগুলো একদম নতুন হলেও শিক্ষকদের ধৈর্য আর সঠিক দিকনির্দেশনায় আস্তে আস্তে আয়ত্ত করতে থাকি। সার্কিট ট্রেসিং থেকে শুরু করে প্রতিটি প্র্যাকটিক্যাল কাজ হাতে-কলমে শেখার পর নিজের প্রতি দারুণ এক আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। আজ সেই সঠিক সিদ্ধান্ত ও পরিশ্রমের ফল হাতে পেয়েছি। IFixFast Training Institute থেকে কাজ শিখে আজ সফলভাবে একটি দোকানে টেকনিশিয়ান (Technician) হিসেবে কাজ করছি! একটি টেকনিক্যাল স্কিল অর্জন আমাকে স্বাধীনভাবে কাজ করার শক্তি দিয়েছে। এখন দেশে যেমন নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি, তেমনি ভবিষ্যতে দেশের বাইরে গেলেও আমার হাতে একটি মজবুত অপশন তৈরি হয়ে আছে। আমার এই অর্জনের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া এবং অশেষ ধন্যবাদ জানাই IFixFast Training Institute ও আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন সততা ও দক্ষতার সাথে সামনের দিনগুলোতে আরও অনেক দূরে এগিয়ে যেতে পারি
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে কলেজ গেট বাস স্ট্যান্ডের কাছে "Rayhan Telecom"-এ কাজ করি আমি, মোঃ সিরাজুল ইসলাম। কলেজ গেটের এই এলাকাটা সবসময় ছাত্রছাত্রী আর যাত্রীদের আনাগোনায় ব্যস্ত থাকে। কলেজ গেটের পাশে কাজ করার একটা মজার দিক আছে—এখানে বেশিরভাগ গ্রাহকই তরুণ প্রজন্ম, যাদের হাতে সবসময় স্মার্টফোন, আর সমস্যাও হয় নিয়মিত। এই তরুণ গ্রাহকদের চাহিদা বুঝে দ্রুত সমাধান দেওয়ার দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়েই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় লক্ষ্য করেছি, তরুণ গ্রাহকরা সাধারণত নতুন নতুন অ্যাপ, ফিচার নিয়ে বেশি প্রশ্ন করে, তাই শুধু হার্ডওয়্যার না, সফটওয়্যার সংক্রান্ত জ্ঞানও ভালোভাবে আয়ত্ত করেছি। কোর্স শেষে "Rayhan Telecom"-এ যোগ দেওয়ার পর এই দ্বিমুখী দক্ষতাই সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে। আজ কলেজ গেট বাস স্ট্যান্ডে বাস ধরার ফাঁকে ফাঁকে যখন শিক্ষার্থীরা তাদের ফোনের সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসে, তখন বুঝি—এই ব্যস্ত এলাকায় তরুণদের প্রযুক্তি সঙ্গী হয়ে উঠতে পেরেছি আমি।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়নের বসুরহাটে বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের এলাকারই "Rony Mobile Media"-তে। আমি মহান্নত মেহেদী হাসান, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। চর এলাহীর মতো একটা এলাকায়, যেখানে নদী আর চরাঞ্চলের প্রভাব জীবনযাত্রায় স্পষ্ট, সেখানে প্রযুক্তির সেবা পাওয়াটা সবসময় সহজ ছিল না। এই বাস্তবতা দেখেই মনে হয়েছিল, যদি গভীরভাবে এই কাজটা শিখে নেওয়া যায়, তাহলে নিজের এলাকার মানুষের অনেক উপকার হবে। এই ভাবনা থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের পুরো কোর্সে ভর্তি হই। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে সহজ থেকে জটিল—সব স্তরের সমস্যা সমাধানের কৌশল আয়ত্ত করেছি, কারণ জানতাম বসুরহাটের মতো এলাকায় মানুষকে বারবার দূরে পাঠানো ঠিক হবে না। কোর্স শেষে "Rony Mobile Media"-তে যোগ দিয়ে সেই সম্পূর্ণ দক্ষতাটাই কাজে লাগাচ্ছি প্রতিদিন। আজ বসুরহাটের মানুষ যখন সাধারণ থেকে জটিল—যেকোনো সমস্যা নিয়েই আমার কাছে নিশ্চিন্তে আসতে পারেন, তখন বুঝি অ্যাডভান্স পর্যন্ত শেখার সেই সিদ্ধান্তটা আজ এলাকাবাসীর জন্য একটা বড় সহায়তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কিশোরগঞ্জের ছেলে হয়েও এখন থাকি সিলেটের কদমতলীতে, যেখানে গড়ে তুলেছি নিজের প্রতিষ্ঠান "লিটন এন্টারপ্রাইজ"। আমি লিটন মিয়া, নিজের এলাকা থেকে অনেক দূরে এসে ব্যবসা দাঁড় করানোর সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না। সিলেটের মতো একটা জেলা শহরে কদমতলী এলাকায় বসতি স্থাপন করে ব্যবসার কথা ভাবার সময় বুঝেছিলাম, নতুন জায়গায় পরিচিতি তৈরি করতে হলে কাজের মান দিয়েই নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। পরিচিত মানুষ নেই, চেনা গ্রাহক নেই—শুরুটা তাই ছিল একদম শূন্য থেকে। এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং-এর দক্ষতা অর্জন করি। প্রশিক্ষণের প্রতিটা ক্লাসে ভাবতাম, সিলেটের মতো অচেনা জায়গায় টিকে থাকতে হলে প্রতিটা কাজ হতে হবে নিখুঁত—কারণ একটা ভুলেই নতুন এলাকায় দুর্নাম ছড়িয়ে পড়তে পারে। কোর্স শেষে কদমতলীতে "লিটন এন্টারপ্রাইজ" দাঁড় করানোর পর আজ যখন দেখি স্থানীয় মানুষ ধীরে ধীরে আমার উপর আস্থা রাখছেন, তখন বুঝি—কিশোরগঞ্জ থেকে সিলেটে এসে শূন্য থেকে শুরু করা এই যাত্রাটা বৃথা যায়নি।
নিজের জন্য এমন একটি বাস্তবমুখী দক্ষতা প্রয়োজন ছিল, যা দিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায়। কারিগরি কাজের কদর বুঝে সিদ্ধান্ত নিই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার। সেই ভাবনা থেকেই যুক্ত হই IFixFast Training Institute-এর সাথে। সেখানে অভিজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টরদের গাইডলাইন এবং হাতে-কলমে প্র্যাকটিক্যাল কাজ শেখার মাধ্যমে খুব দ্রুতই মোবাইল সার্ভিসিংয়ের খুঁটিনাটি আয়ত্ত করতে পারি। কাজ শেখার প্রতিটি দিন আমার আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। আর সেই পরিশ্রম ও সঠিক দিকনির্দেশনার ফসল আজকের এই দিনটি! IFixFast Training Institute থেকে সফলভাবে কাজ শেষ করে আজ একটি দোকানে টেকনিশিয়ান (Technician) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলাম। আমার এই অর্জনের পেছনে বড় অবদান রয়েছে IFixFast Training Institute এবং আমার শিক্ষকদের। তাঁদের অশেষ সহযোগিতা ছাড়া হয়তো এত দ্রুত এই জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হতো না। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন সততা ও দক্ষতার সাথে সামনের দিনগুলোতে আরও ভালো কিছু করতে পারি
পড়াশোনা শেষ করার পর ভবিষ্যতে কী করব, সেই চিন্তায় দিনগুলো কাটছিল। নতুন কিছু শুরু করার আগ্রহ থাকলেও সঠিক দিকনির্দেশনা পাচ্ছিলাম না। ঠিক এমন এক সময়ে একদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখের সামনে চলে আসে মোবাইল সার্ভিসিং সম্পর্কিত একটি ভিডিও। ভিডিওটি দেখে এই কাজের প্রতি আমার গভীর আগ্রহ তৈরি হয়। চিন্তাভাবনা না বাড়িয়ে সরাসরি যোগাযোগ করি IFixFast Training Institute-এ। সেখানে এসে ক্যারিয়ার সংক্রান্ত আলোচনা ও প্র্যাকটিক্যাল পরিবেশ দেখে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি এবং ভর্তি হয়ে যাই। প্রশিক্ষকদের সহজ ও চমৎকার গাইডলাইন এবং প্র্যাকটিক্যাল অনুশীলনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কঠিন সব টেকনিক্যাল কাজ সহজেই আয়ত্ত করি। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আজ আমি একটি দোকানে দক্ষ সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান হিসেবে সফলতার সাথে কাজ করছি। পড়াশোনা শেষের সেই দ্বিধা আর অনশ্চয়তা কাটিয়ে আজ নিজের মেধা ও দক্ষতা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে পেরে আমি আনন্দিত। সঠিক সময়ে সঠিক একটা ভিডিও যেমন আমার চিন্তাধারা বদলে দিয়েছিল, ঠিক তেমনি IFixFast-এর সঠিক প্রশিক্ষণ আমাকে সফলভাবে ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠিত করেছে
আমি সৌরভ হীরা, এইচএসসি পরীক্ষা দেয়ার পরে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর একটা তীব্র স্বপ্ন মনের মধ্যে সব সময় ঘুরপাক খেত। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম টেকনিক্যাল ও ক্যারিয়ারমুখী কোনো পেশা বেছে নেওয়ার। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার প্রতি আগ্রহ থেকেই সরাসরি ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস, আধুনিক টেকনিক ও দক্ষ ইনস্ট্রাক্টরদের গাইডলাইনে অত্যন্ত যত্নের সাথে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের খুঁটিনাটি কাজগুলো আয়ত্ত করি। প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রতিটি ক্লাসে মনোযোগ এবং কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে নিজের দক্ষতাকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাই। কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর এবার নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সময় আসে। অর্জিত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান শুরু করি। গ্রাহকদের সততা ও মানসম্মত সেবা দিয়ে খুব দ্রুতই পরিচিতি ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হই। আজ আমি সফলভাবে নিজের দোকান পরিচালনা করছি এবং নিজের পরিচয়ে পুরোপুরি স্বাবলম্বী। সঠিক সিদ্ধান্ত, উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং নিজের পরিশ্রমই আজ আমাকে সফল দোকানের মালিক বানিয়েছে।
আমি আগে থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং লাইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞান পুরোপুরি ছিল না। নিজেকে আরও আপডেট করা এবং ভবিষ্যতে নিজের ব্যবসা করার লক্ষ্য নিয়ে iFixFast Training Institute-এ Basic & Advance Course করি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনেক নতুন কিছু শিখতে পেরেছি এবং বাস্তব কাজের ক্ষেত্রে আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে Mahadi Sir-এর আন্তরিকতা, সহযোগিতা ও বন্ধুর মতো আচরণ আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি IFIXFAST-এর সকল স্যারই শিক্ষার্থীদের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক ও সহযোগিতাপূর্ণ ছিলেন। কোনো বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে তারা ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং সবসময় উৎসাহ দিয়েছেন। বর্তমানে আমি চাকরি করছি এবং প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কাজে প্রয়োগ করতে পারছি। ভবিষ্যতে আমার লক্ষ্য হলো নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করা। IFixFast Training Institute আমার স্বপ্ন পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা থেকেই ভেবেছিলাম হাতে একটি টেকনিক্যাল কাজ জানা থাকলে যেকোনো পরিস্থিতিতে চল সহজ হবে। সেই ভাবনা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নিই এবং ভর্তি হয়ে যাই IFixFast Training Institute-এ। সেখানে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের মাধ্যমে একদম জিরো লেভেল থেকে শুরু করে মোবাইল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের খুঁটিনাটি কাজগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করি। প্রশিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ও নিজের কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে কাজটা মনের মতো করে শিখে ফেলি। দক্ষতা অর্জন করার পর দেশে বসেই কাজের সুযোগ তৈরি হয়ে যায়। বর্তমানে আমি একটি নামকরা দোকানে টেকনিশিয়ান হিসেবে চাকরি করছি। বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু করলেও, এই কাজের দক্ষতাই আজ আমাকে নিজের দেশে সম্মানজনক একটি চাকরির সুযোগ এবং স্বাবলম্বী হওয়ার আস্থা এনে দিয়েছে। প্রয়োজনীয় কাজ জানা থাকলে যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজের পরিচয় তৈরি করা সম্ভব—এই বিশ্বাসই এখন আমার পথচলার শক্তি
নিজের পায়ে দাঁড়ানোর একটা তীব্র স্বপ্ন মনের মধ্যে সব সময় ঘুরপাক খেত। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম টেকনিক্যাল ও ক্যারিয়ারমুখী কোনো পেশা বেছে নেওয়ার। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার প্রতি আগ্রহ থেকেই সরাসরি ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস, আধুনিক টেকনিক ও দক্ষ ইনস্ট্রাক্টরদের গাইডলাইনে অত্যন্ত যত্নের সাথে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের খুঁটিনাটি কাজগুলো আয়ত্ত করি। প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রতিটি ক্লাসে মনোযোগ এবং কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে নিজের দক্ষতাকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাই। কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর এবার নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সময় আসে। অর্জিত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান শুরু করি। গ্রাহকদের সততা ও মানসম্মত সেবা দিয়ে খুব দ্রুতই পরিচিতি ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হই। আজ আমি সফলভাবে নিজের দোকান পরিচালনা করছি এবং নিজের পরিচয়ে পুরোপুরি স্বাবলম্বী। সঠিক সিদ্ধান্ত, উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং নিজের পরিশ্রমই আজ আমাকে সফল দোকানের মালিক বানিয়েছে
বিদেশে থাকার সময় থেকেই মনে তীব্র ইচ্ছা ছিল দেশে ফিরে নিজের মতো করে স্বাধীনভাবে কিছু একটা করার। সেই ভাবনা থেকেই সিদ্ধান্ত নিই এমন একটি টেকনিক্যাল কাজ শেখার, যার চাহিদা সব সময় থাকে। অবশেষে বেছে নিলাম মোবাইল সার্ভিসিং শেখার পথ। দেশে ফিরে আর সময় নষ্ট না করে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে দক্ষ ইনস্ট্রাক্টরদের গাইডলাইনে অত্যন্ত যত্নের সাথে মোবাইল হর্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের প্র্যাকটিক্যাল কাজগুলো শিখি। প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে ধৈর্য ধরা আগেই শিখেছিলাম, আর সেই ধৈর্য ও কাজ শেখার একাগ্রতা আমাকে দ্রুত কাজে পারদর্শী করে তোলে। প্রশিক্ষণ শেষে আজ আমি একটি দোকানে সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান হিসেবে সফলতা ও সুনামের সাথে কাজ করছি। প্রবাস জীবন ছেড়ে নিজের দেশে, নিজের পরিচয়ে ও নিজের যোগ্যতায় দাঁড়াতে পারার আনন্দটাই আলাদা। সঠিক সিদ্ধান্ত, সঠিক প্রতিষ্ঠান থেকে শেখা প্রশিক্ষণ এবং নিজের কঠোর পরিশ্রমই আজ আমাকে সফলতার এই জায়গায় নিয়ে এসেছে
ছোটবেলাই মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি একটা আলাদা আগ্রহ ছিল। তবে পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে তখন সুযোগ হয়ে ওঠেনি। পড়াশোনা শেষ করে যখন ভবিষ্যতের কথা ভাবছিলাম, তখনই সিদ্ধান্ত নিই নিজের পছন্দের ফিল্ডেই কিছু করার। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার ইচ্ছেটা আগে থেকেই ছিল, তাই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে দক্ষ প্রশিক্ষকদের সঠিক নির্দেশনা, প্র্যাকটিক্যাল কাজ এবং নিজস্ব পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের খুঁটিনাটি টেকনিক্যাল কাজগুলো আয়ত্ত করি। শুরুটা সহজ না হলেও কাজ শেখার প্রতি ভালোবাসা আর একাগ্রতা আমাকে থামতে দেয়নি। কোর্স সম্পন্ন করে যখন পুরোদমে কাজ শুরু করলাম, তখন থেকেই সাফল্য আসতে শুরু করে। ছোটবেলার সেই অদম্য আগ্রহ আর সঠিক জায়গা থেকে নেওয়া প্রশিক্ষণই আজ আমাকে সফলতার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। আজ আমি একজন সফল মোবাইল সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত। ধৈর্য, সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সঠিক সময়ে কাজের প্রতি নিষ্ঠাই আমার এই সফরের সবচেয়ে বড় শক্তি
কিশোরগঞ্জের আব্দুল লতিফ প্লাজায় "Mobile Hospital"-এ কাজ করি আমি, মোশাররফ হোসেন। দোকানের নামটাই যেন বলে দেয় এখানে কী হয়—নষ্ট, অসুস্থ ফোনগুলোকে সুস্থ করে তোলার কাজ। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম একটা বাস্তব প্রয়োজন থেকে—চারপাশে দেখেছি মানুষের হাতে হাতে স্মার্টফোন, অথচ ভালো মানের সার্ভিসিং পয়েন্টের সংখ্যা সীমিত। এই ফাঁকটা পূরণ করার লক্ষ্য নিয়েই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই, ২০২৫ সালের নভেম্বরে কোর্সটি সম্পন্ন করি। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা ধাপে "হাসপাতাল" ধারণাটা মাথায় রেখেই শিখেছি—একজন ডাক্তার যেমন রোগীর সমস্যা প্রথমে ভালোভাবে বোঝেন, তারপর চিকিৎসা করেন, ঠিক তেমনি প্রতিটা ফোনের সমস্যাও গভীরভাবে বুঝে তারপর সমাধান করার অভ্যাস তৈরি করেছি। কোর্স শেষে আব্দুল লতিফ প্লাজার "Mobile Hospital"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর আজ প্রতিদিন এই দর্শন নিয়েই কাজ করি—প্রতিটা গ্রাহকের ফোনকে একজন রোগীর মতোই যত্ন সহকারে চিকিৎসা করি, আর এই যত্নশীলতাই আমাকে কিশোরগঞ্জের মানুষের আস্থার পাত্র বানিয়েছে।
i Fix Fast-এ মোবাইল রিপেয়ারিং শেখার মাধ্যমে আমার নতুন পথচলা শুরু। শুরুতে অনেক কিছু কঠিন ছিল, কিন্তু পরিশ্রম আর ধৈর্য আমাকে এগিয়ে নিয়েছে। আজ নিজের হাতে মোটামুটি মোবাইল রিপেয়ারিংয়ের কাজ করতে পারি। এটাই আমার ছোট্ট অর্জন, সামনে আরও অনেক কিছু শেখার স্বপ্ন। একদিন একজন দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হওয়াই আমার লক্ষ্য।
আমি এসএসসি পরীক্ষার দেয়ার পর কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না তখন আমার পরিবারের পরামর্শে আইফিক্স ফাস্টে তিন মাসের কোর্স করি কোর্স করার পর আমি এখন তাদের দোকানে ই কাজ কাজ করে স্বাবলম্বী হয়েছি
আমার শপটি ওপেন করার পূর্বে আমি আমার এলাকার একটি প্রাইভেট হাই স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকতা করতাম। তবে সেখানে সবকিছু মিলিয়ে আর্নিং আমার পরিবারের জন্য যথেষ্ট ছিল না। পরবর্তীতে শপটি ওপেন করি। তবে শুরুতে মোবাইল সার্ভিসিং ছিলো না৷ তখন শুধু ছিলো টেলিকম, মোবাইল ব্যাংকিং, কম্পিউটার, ফটোকপি, মোবাইল এক্সেসরিজ আর স্টেশনারি আইটেম৷ এক পর্যায়ে আমি চিন্তা করলাম আমার পূর্বে থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং এর প্রতি আগ্রহ ছিল এবং আত্মবিশ্বাস ছিলো নিজের প্রতি তাই এদিকে আগানোর কথা চিন্তা করি। সেইদিক বিবেচনা করে আমি অনলাইনে খুজ নিতে থাকি যে বিশ্বাস্ত কোনো প্রতিষ্ঠান আছে কিনা। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ঘোড়াঘুড়ি করে পরবর্তীতে আমি আইফিক্স ফাস্ট এর কর্পোরেট আফিসে আসি। সেখান থেকে ৪টা ল্যাব ভিজিট করি। তখন সিদ্ধান্ত নেই যে এটাই আমার জন্য বেস্ট ইন্সটিটিউট হবে। তার পর ২মাস ১০দিন কোর্স করে আমি নিজের দোকানেই কাজ শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ। এখন আমি একটি ভালো আর্নিং করতে পারছি যা দিয়ে একটি পরিবার চালানো সম্ভব হচ্ছে। আমি অতি শিগ্রই এডভান্স কোর্স করবে ইনশাআল্লাহ। দোয়া করবেন আমার জন্য।
হাতে কেবল এইচএসসির সার্টিফিকেট, আর চোখে ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা। চারপাশের সবাই যখন গতানুগতিক ডিগ্রি আর চাকরির পেছনে ছুটছিল, তখন আমি চিন্তা করেছিলাম আলাদাভাবে। জানতাম, আজকের ডিজিটাল যুগে একটি প্রফেশনাল ‘হাতের কাজ’ আয়ত্ত করতে পারলে কখনো কারো মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না, ইনশাআল্লাহ। সেই লক্ষ্য নিয়ে প্রযুক্তিকে ক্যারিয়ারের হাতিয়ার বানাতে ভর্তি হয়ে যাই iFixFast Training Institute-এ। সেখানকার অভিজ্ঞতা আমার চিন্তাভাবনা পুরোপুরি বদলে দেয়। শুধুই বইয়ের পড়া নয়, ল্যাবে প্র্যাকটিক্যালি মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ট্রেসিং, হিডেন ফল্ট বের করা এবং মাইক্রো-সোল্ডারিংয়ের মাধ্যমে আইসি লেভেলের কাজগুলো নিখুঁতভাবে শিখতে শুরু করি। ইন্সট্রাক্টরদের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনায় প্রতিটি কাজ হাতে-কলমে আয়ত্ত করে ফেলি। ট্রেনিং শেষ হতেই শুরু হয় আসল লড়াই। অর্জিত মেধা আর আত্মবিশ্বাসকে সম্বল করে নিজেই একটি মোবাইল সার্ভিসিং শপ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিই। আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি নিজের একটি সার্ভিসিং শপের সফল মালিক। যে প্রযুক্তি শেখার পেছনে সময় দিয়েছিলাম, আজ সেই প্রযুক্তিই আমাকে স্বাবলম্বী করেছে। সঠিক সময়ে প্রফেশনাল স্কিল শেখার সিদ্ধান্ত এবং iFixFast-এর সঠিক গাইডলাইন আমাকে একজন আত্মনির্ভরশীল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছে
উত্তরার রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সে "IFixFast Mobile Service Center"-এর ৮৮-৮৯ নম্বর দোকানে কাজ করি। আমি মোঃ আব্দুল কাইয়ুম সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছেলে, ঢাকায় এসেছি নিজের একটা ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। টেকনিক্যাল কাজের প্রতি একটা সহজাত আগ্রহ ছিল আমার মধ্যে, আর সেই আগ্রহ থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নিই। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রতিটা বিষয় মনোযোগ দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম শুধু শেখাই যথেষ্ট না, প্রয়োগ করার দক্ষতাও দরকার। কোর্স শেষে সৌভাগ্যক্রমে যে প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছি, সেই একই প্রতিষ্ঠান "IFixFast"-এর উত্তরা শাখায় কাজের সুযোগ পাই। এখন প্রতিদিন এখানে কাজ করে নিজের দক্ষতাকে আরও শাণিত করছি, আর প্রতিটা নতুন সমস্যা সমাধানের মধ্য দিয়ে শিখছি আরও কিছু নতুন। আপাতত এই প্রতিষ্ঠানেই কাজ করছি ঠিকই, কিন্তু মনের মধ্যে একটা বড় স্বপ্ন লালন করি—ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে আরও বড় কিছু করার। এই চাকরিটা আমার কাছে তাই শুধু একটা পেশা না, বরং সেই বড় স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটা মজবুত ভিত্তি।
নাটোর সদরের ছেলে, এখন থাকি ঢাকার হাতিরপুল ভুতের গলিতে। আমি মোঃ আরিফুল ইসলাম, আমার ব্যবসাটা একটু ভিন্নভাবে চলে—কোনো দোকানের সাইনবোর্ড নেই, বরং "AR7Fix Lab" নামের একটা ফেসবুক পেজই আমার আসল ঠিকানা। টেকনিক্যাল কাজের প্রতি ছোটবেলা থেকেই একটা ভালোলাগা কাজ করতো আমার মধ্যে। এই ভালোলাগাটাকেই পেশায় রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে তিন মাসের বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় শুধু টেকনিক্যাল দক্ষতাই না, বুঝেছিলাম আজকের দিনে অনলাইন প্রেজেন্স ছাড়া ব্যবসা টেকানো কঠিন। কোর্স শেষে চিন্তা করলাম, দোকান ভাড়া নেওয়ার আগে কেন না ফেসবুকের মাধ্যমেই শুরু করা যাক। তাই "AR7Fix Lab" নামে একটা পেজ খুলে বসলাম। এখন গ্রাহকরা পেজে মেসেজ করেন, সমস্যাটা জানান, আর আমি নিজের বাসাতেই তাদের মোবাইল সার্ভিস করে দিই। আজ ডিজিটাল এই পদ্ধতিতে কাজ করতে করতে বুঝি, ব্যবসা করার জন্য সবসময় ইট-কাঠের দোকান লাগে না—সঠিক দক্ষতা আর অনলাইনে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করতে পারলে ঘরে বসেই একটা সফল প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো সম্ভব। প্রযুক্তিকে ভালোবেসে যে কাজ শুরু করেছিলাম, সেই একই প্রযুক্তি এখন আমার ব্যবসারও প্রধান হাতিয়ার।
ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় আমার মন একটু কমই বসত, বলতে গেলে বেশ ফাঁকিবাজ ছিলাম। তবে এইচএসসি পাস করার পর যখন জীবনের নতুন অধ্যায় সামনে এল, তখন গভীরভাবে চিন্তা করা শুরু করলাম। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনা থেকে অনুধাবন করলাম—বর্তমান যুগে কেবল সাধারণ সার্টিফিকেট দিয়ে টিকে থাকা কঠিন; বরং যেকোনো নিখুঁত ‘হাতের কাজ’ জানা থাকলে সেটাই ভবিষ্যতে সবচেয়ে বড় সম্বল হয়ে দাঁড়ায়, ইনশাআল্লাহ। সেই চিন্তা থেকেই টেকনিক্যাল দক্ষতার দিকে ঝুঁকে পড়ার সিদ্ধান্ত নিই। আধুনিক স্মার্টফোনের ভিড়ে মোবাইল সার্ভিসিং পেশাকে সম্ভাবনাময় মনে হওয়ায় ভর্তি হয়ে গেলাম iFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটে কাটানো সময়গুলো ছিল আমার জীবনের আসল মোড় ঘোরার মুহূর্ত। সেখানে পড়ালেখার পুঁথিগত চাপ ছিল না, ছিল প্র্যাকটিক্যালি প্রযুক্তিকে জানার আনন্দ। অভিজ্ঞ শিক্ষকদের হাত ধরে মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস, সার্কিট ট্রেসিং এবং আইসি লেভেলের জটিল কাজগুলো ল্যাবে কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে আয়ত্ত করে নিলাম। আমার টেকনিক্যাল স্কিল দিন দিন এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে লাগল। কোর্স সম্পন্ন করার পর সেই অর্জিত মেধা ও আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে সাহস করে নিজের ব্যবসার যাত্রা শুরু করি। আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমার নিজের একটি সফল মোবাইল সার্ভিসিং শপ রয়েছে। ছোটবেলার সেই ফাঁকিবাজ ছেলেটি আজ কেবল নিজের পায়েই দাঁড়ায়নি, বরং অর্জিত দক্ষতার জোড়ে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পেরেছে। সঠিক সময়ে একটি প্রফেশনাল হাতের কাজ শেখার সিদ্ধান্ত এবং iFixFast-এর উপযুক্ত ট্রেনিংই আজ আমাকে একজন সফল উদ্যোক্তা ও টেকনিশিয়ান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মুগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকাটা সবসময় সরগরম—গাড়ির হর্ন, মানুষের ভিড়, ব্যবসায়ীদের হাঁকডাক। এই কোলাহলের মধ্যেই আমার কর্মস্থল "রিয়াদ টেলিকম"। আমি আমির হামজা, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করি। সোনারগাঁওয়ের মতো একটা ঐতিহ্যবাহী এলাকায় থেকেও দেখেছি, আধুনিক প্রযুক্তির চাহিদা এখানে কোনো অংশে কম না। চৌরাস্তার এই ব্যস্ত পরিবেশে মানুষ যখন মোবাইল সমস্যা নিয়ে ছুটে আসে, তাদের তাড়াহুড়োটা স্পষ্ট বোঝা যায়। এই চাহিদা মেটানোর জন্যই তিন মাসের বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের এই সংক্ষিপ্ত সময়ে নিবিড়ভাবে চেষ্টা করেছি প্রতিটা কৌশল আয়ত্ত করতে, কারণ জানতাম চৌরাস্তার মতো ব্যস্ত জায়গায় কাজ করতে গেলে দ্রুত শেখা আর দ্রুত কাজ করা—দুটোই জরুরি। কোর্স শেষে "রিয়াদ টেলিকম"-এ যোগ দেওয়ার পর সেই দ্রুততাই হয়ে উঠেছে আমার কাজের বৈশিষ্ট্য। আজ মুগরাপাড়া চৌরাস্তার এই ব্যস্ততার মাঝে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন মানুষের সেবা দিতে দিতে বুঝি, কোলাহলপূর্ণ এই পরিবেশেও নিজের একটা স্থির জায়গা করে নেওয়া সম্ভব হয়েছে আমার পক্ষে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সোনারপাড়া বাজারে আমার দোকানের নাম "বিসমিল্লাহ মোবাইল সার্ভিস"। আমি মোঃ আল মুমিত সরকার, নামটা রাখার সময় মনে হয়েছিল, যেকোনো ভালো কাজ শুরু করার আগে আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করাটাই শ্রেয়। সোনারপাড়া বাজারের মতো একটা এলাকায় ব্যবসা দাঁড় করাতে হলে শুধু আন্তরিকতা থাকলেই হবে না, দরকার আসল দক্ষতা। এই বিশ্বাস থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সটা সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিই, যেন সহজ থেকে জটিল—সব ধরনের সমস্যাই আত্মবিশ্বাসের সাথে সমাধান করতে পারি। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা ধাপে নিজেকে যাচাই করেছি, কারণ জানতাম গ্রামের মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে হলে কাজের মান দিয়েই প্রমাণ দিতে হবে। কোর্স শেষে নিজের এলাকাতেই দোকান খুলে বসি, নাম রাখি "বিসমিল্লাহ মোবাইল সার্ভিস"। আজ সাঘাটা উপজেলার মানুষ যখন তাদের মোবাইল সমস্যা নিয়ে আমার দোকানে আসেন, বুঝি সেই শুরুর নামটা সার্থক হয়েছে। বরকতের প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হওয়া এই ব্যবসাটা আজ এলাকার মানুষের একটা ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে।
ছোটবেলা থেকেই আমার একটাই নেশা ছিল—ফোন ও ইলেকট্রনিক্স জিনিস নিয়ে ঘাটাঘাটি করা। সবার খেলনা ভাঙত, আর আমি সুযোগ পেলেই ফোন, রিমোট কিংবা খেলনা গাড়ির সুইচ খুলে ভেতরে কী আছে তা দেখার চেষ্টা করতাম। বাসার সবাই ভয় পেত, বলত—"নষ্ট করে ফেলবি তো!" কিন্তু আমি মনে মনে বিশ্বাস করতাম—"I will fix it one day." আমি এখনো পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি। জীবনের এই অধ্যায়ে আমার পরিচয়: Student by day, Technician by night. দিনে ক্লাসরুমের পড়ালেখা, আর রাতে সার্কিট বোর্ড আর স্ক্রু-ড্রাইভারের খেলা। পথচলাটা সহজ ছিল না, মানুষ অনেক কথা শুনিয়েছে—"এসব করে কিছু হবে না।" But I never gave up. নিজের সেই ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিতে ভর্তি হই iFixFast Training Institute-এ। সেখান থেকে বৈজ্ঞানিক নিয়মে কাজ শিখে নিজের দক্ষতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাই। এই পর্যন্ত আসতে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে—কাজ করতে গিয়ে হাত কেটেছে, রাত জেগে অনুশীলনের পর কপালে ক্লান্তি এসেছে, কতবার যে শকের মুখোমুখি হয়েছি তার হিসাব নেই। কিন্তু সব বাধা পেরিয়ে আজ আলহামদুলিল্লাহ—আমি একজন দক্ষ ও সফল টেকনিশিয়ান। যখন কোনো একদম মৃতপ্রায় (Dead) ফোন আমার হাতে আসে আর iFixFast থেকে শেখা মেথড ও আমার পরম যত্নে সেটি আবার সচল হয়ে ওঠে, তখন বুকের ভেতর অন্যরকম এক শান্তি কাজ করে। I am proud of myself. তবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া—আমার বাবা-মা আজ আমাকে নিয়ে খুব গর্বিত। ওনাদের মুখের সেই তৃপ্তির হাসিটুকুর সামনে আমার অতীত ও বর্তমানের সব কষ্ট এক নিমিষে সার্থক হয়ে যায়
সার্ভিসিং জগতের পথচলাটা খুব সহজ ছিল না, তবে একটি সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই জগতে আমার প্রবেশ। থিওরিটিক্যাল নলেজ বা বেসিক ধারণা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Training Institute-এ। সেখানে যে বেসিক ও থিওরি ক্লাসগুলো পেয়েছিলাম, সেগুলোই পরবর্তীতে আমার কাজের মূল ভিত্তি তৈরি করে দেয়। সত্যি বলতে, ইনস্টেক্টিটিউট থেকে শেখা সেই থিওরিগুলো আমার বাস্তব কাজের ক্ষেত্রে দুর্দান্তভাবে কাজে লেগেছে। যদিও প্র্যাকটিক্যালি অনেক বেশি সুযোগ তখন পাওয়া হয়ে ওঠেনি, কিন্তু iFixFast-এর গাইডলাইনই ছিল আমার সার্ভিসিং জগতে পা রাখার প্রধান পথপ্রদর্শক বা মূল মাধ্যম। সেই বেসিক নলেজের জোর নিয়েই কাজের জগতে প্রবেশ করি। আজ সার্ভিসিং জগতে নিজের একটি টেকসই জায়গা ও পরিচয় তৈরি করতে পেরেছি। কাজের টেবিলে প্রতিনিয়ত থিওরিটিক্যাল জ্ঞান প্রয়োগ করে বিভিন্ন জটিল সমস্যার সমাধান করছি। তবে এখানেই থমকে থাকা নয়; নিজের ভিত্তিকে আরও মজবুত করে সামনে আরও অ্যাডভান্সড লেভেলের কোর্স করার প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে নিজেকে একজন উচ্চমানের মাস্টার টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলতে পারি। iFixFast দিয়ে যে যাত্রার শুরু হয়েছিল, সেই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আজ আমি এই পেশায় স্বাবলম্বী ও সফল। সঠিক গাইডলাইন পেলে কীভাবে জিরো থেকে ক্যারিয়ার শুরু করে একটি শক্ত অবস্থানে পৌঁছানো যায়, আমার এই পথচলাই তার বাস্তব প্রমাণ
আমাদের এলাকায় প্রতিনিয়ত মানুষের হাতে স্মার্টফোনের সংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে ভালো কোনো মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান ছিল না। সামান্য কোনো সমস্যা হলেই মানুষকে অনেক দূরের শহরে দৌড়াতে হতো, যা ছিল অত্যন্ত ভোগান্তির। এলাকার দোকানে কাজ জানা লোকের অভাব আর সার্ভিসিংয়ের এই বিপুল চাহিদা দেখে আমি স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছিলাম—এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে যদি সঠিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করা যায়, তবে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। এলাকার মানুষের চাহিদা মেটাতে এবং নিজেকে একজন দক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে ভর্তি হয়ে যাই iFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের ল্যাবে গিয়ে বুঝতে পারি, সাধারণ কোনো মেরামত নয়, বরং আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সার্ভিসিংয়ের আসল বিদ্যাটাই শেখানো হয় এখানে। অভিজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টরদের গাইডলাইনে মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম ডায়াগনোসিস, স্কিমেটিক ডায়াগনস্টিক ট্র্যাকিং এবং জটিল চিপ ও আইসি লেভেলের কাজগুলো দিন-রাত প্র্যাকটিস করে রপ্ত করে নিলাম। কাজগুলো নিখুঁতভাবে করার পুরো আত্মবিশ্বাস চলে এল। কোর্স সম্পন্ন করে নিজের এলাকায় ফিরে আসি এবং একটি সার্ভিসিং শপে মূল 'মোবাইল টেকনিশিয়ান' হিসেবে কাজ শুরু করি। এলাকায় ভালো টেকনিশিয়ানের অভাব ছিল বলে অল্প দিনেই আমাদের দোকানের সুনাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আগে যে জটিল কাজগুলোর জন্য মানুষকে শহরে যেতে হতো, সেগুলো এখন খুব সহজেই আমাদের দোকানে সমাধান হয়ে যায়। iFixFast থেকে অর্জিত আধুনিক স্কিল আর কাজের নিখুঁত মানের কারণে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভরসা করে তাদের ফোন আমার হাতে তুলে দেন। এলাকার বিশাল চাহিদাকে সঠিক সময়ে কাজে লাগিয়ে আজ নিজেকে একজন সফল ও প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি
পোশাক শিল্পের সেই একঘেয়ে জীবন আর হাড়ভাঙা খাটুনি কোনোভাবেই মন থেকে মেনে নিতে পারছিলাম না। প্রতিদিন ভোর থেকে রাত অবধি অনবরত খাটুনির পর কাজের মধ্যে কোনো ভালো ভবিষ্যৎ দেখতে পেতাম না। কাজটা মোটেও ভালো লাগত না, আর মনের ভেতরের অসন্তোষটা দিন দিন কেবল বাড়ছিলই। বুঝতে পেরেছিলাম, যদি নিজের জীবনের রূপান্তর চাই, তবে এই বাঁধাধরা জীবন ছেড়ে আধুনিক এবং চাহিদাপূর্ণ কোনো টেকনিক্যাল স্কিল অর্জন করতেই হবে। নিজের ভাগ্য বদলানোর তীব্র তাগিদ থেকেই খোঁজখবর নিয়ে চলে আসি iFixFast Training Institute-এ। সেখানে ভর্তি হওয়ার পরেই আমার কাজের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ বদলে যায়। ইনস্টিটিউটের আধুনিক ল্যাবে প্রথম দিন থেকেই শেখানোর পরিবেশ আমাকে নতুন আশার আলো দেখায়। সেখানে কেবল গায়ের জোর বা অন্ধ কায়িক পরিশ্রম ছিল না, ছিল নিখুঁত মেধা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। অভিজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টরদের তত্ত্বাবধানে বৈজ্ঞানিক উপায়ে মাদারবোর্ডের হিডেন ফল্ট ডায়াগনোসিস করা, স্কিমেটিক ট্র্যাকিং এবং মাইক্রো-সোল্ডারিংয়ের মাধ্যমে আইসি লেভেলের জটিল কাজগুলো ল্যাবে রাত-দিন কঠোর পরিশ্রম করে রপ্ত করলাম। কোর্স শেষ করে পুরনো জীবনের সেই অধ্যায় চিরতরে বন্ধ করে দিই। নিজের অর্জিত মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে একটি প্রফেশনাল সার্ভিসিং শপে 'মোবাইল টেকনিশিয়ান' হিসেবে যোগ দিই। আজ সেই দোকানের সার্ভিসিং টেবিলে বসে যখন মাইক্রোস্কোপের নিচে সূক্ষ্ম চিপ ও সার্কিটের জটিল কাজগুলো নিখুঁতভাবে সমাধান করি, তখন নিজের ভেতরের তৃপ্তিটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। অপ্রিয় কাজ ছেড়ে আজ নিজের যোগ্যতা ও সততার জোরে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে সম্মানজনক পরিচয় তৈরি করতে পেরেছি। সঠিক সিদ্ধান্ত এবং iFixFast-এর উপযুক্ত গাইডলাইনই আজ আমার জীবনের পুরো গল্পটা বদলে দিয়েছে
একঘেয়ে আর বাঁধা-ধরা জীবনের ছক ভেঙে নিজের একটা আলাদা সত্তা তৈরি করার টান আমার ভেতরে সব সময় কাজ করত। মনে হতো, এমন কোনো শক্তি বা বিদ্যা নিজের মধ্যে অর্জন করা দরকার, যার জোরে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায়। বর্তমান যুগে চারপাশের মানুষের হাতে প্রতিদিন স্মার্টফোনের ব্যবহার দেখে হঠাৎ উপলব্ধি করলাম—প্রযুক্তির এই যন্ত্রগুলোর মেরামত ও পরিচর্যার বিদ্যাই হতে পারে আমার আসল শক্তি। সেই শক্তিতে নিজেকে বলীয়ান করতে পা রাখলাম iFixFast Training Institute-এর ল্যাবে। সেখানকার অভিজ্ঞতা ছিল পুরোপুরি অসাধারণ। কেবল যন্ত্র খোলা বা লাগানোর কাজ নয়, বরং একটি অচল ডিভাইসের প্রাণ ফিরিয়ে আনার বিজ্ঞান শেখে নেওয়া শুরু করলাম। স্কিমেটিক ডায়াগ্রাম দেখে লাইনের ভোল্টেজ ট্রেসিং, আধুনিক প্রযুক্তির ডায়াগনস্টিক টুল দিয়ে মাদারবোর্ডের হিডেন ফল্ট ধরা এবং অতি সূক্ষ্ম আইসি লেভেলের ট্রাবলশুটিং—প্রতিটি কৌশল ল্যাবে কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করে নিলাম। কোর্স সম্পন্ন করার পর কাজের মূল মাঠে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের পালা আসে। নিজেকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে একটি বড় সার্ভিস সেন্টারে প্রফেশনাল 'মোবাইল টেকনিশিয়ান' হিসেবে কাজ শুরু করি। আজ সেই সার্ভিস সেন্টারের ওয়ার্কস্টেশনে যখন কোনো জটিল ফোন আমার টেবিলে আসে, তখন আর একটুও সংশয় কাজ করে না। iFixFast থেকে পাওয়া আধুনিক কাজের মেথড ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিখুঁতভাবে প্রতিটি সমস্যার সমাধান করে ফেলি। নিজের শেখা বিদ্যার জোরে কাজের টেবিলে সবার ভরসা হয়ে ওঠা এবং সার্ভিসিং ফিল্ডে এক প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার এই আনন্দই আমার জীবনের আসল সাফল্য
অন্যের অধীনে বেঁধে থাকা জীবনটা কখনোই আমাকে আকর্ষণ করেনি। মনে সবসময় একটাই ইচ্ছা ছিল—নিজের স্বাধীন দক্ষতা দিয়ে কাজ করব, নিজের মেধা ও যোগ্যতায় পরিচয় তৈরি করব। কিন্তু সেই পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। চারপাশ দেখে বুঝলাম, বর্তমান যুগে প্রযুক্তিভিত্তিক টেকনিক্যাল কাজের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে আধুনিক স্মার্টফোন সার্ভিসিং এমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে কাজ জানলে কখনোই থমকে যেতে হয় না। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সেই প্রবল তাগিদ থেকেই সরাসরি ভর্তি হয়ে গেলাম iFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটে গিয়ে আমার কাজ শেখার আসল অধ্যায় শুরু হলো। সেখানে সাধারণ হাতুড়ে পদ্ধতির বদলে আধুনিক ল্যাবে সায়েন্টিফিক উপায়ে কাজ শেখানো হতো। মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম ফল্ট ট্র্যাকিং, স্কিমেটিক ডায়াগ্রাম বিশ্লেষণ এবং চিপ ও আইসি লেভেলের জটিল সমাধানগুলো প্র্যাকটিক্যালি করতে করতে আমার দক্ষতা এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেল। দিন-রাত ল্যাবে চর্চা করে নিজেকে একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুললাম। প্রশিক্ষণ শেষে সিদ্ধান্ত নিলাম, অভিজ্ঞতার ঝুলি আরও সমৃদ্ধ করতে কোনো ভালো সার্ভিস সেন্টারে মূল টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দেব। যেমন ভাবা, তেমন কাজ—কোর্সের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা প্রমাণ করে একটি সার্ভিসিং সেন্টারে ‘মোবাইল টেকনিশিয়ান’ হিসেবে কাজ শুরু করলাম। iFixFast থেকে অর্জিত কাজের নিখুঁত মান ও অ্যাডভান্সড মেথডের কারণে দ্রুতই কাজের টেবিলে নিজের এক অনন্য অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি। প্রতিষ্ঠানের সবথেকে জটিল কাজগুলো এখন অনায়াসেই আমার হাত দিয়ে সমাধান হয়। স্বাধীনভাবে কাজ করার যে ইচ্ছা থেকে যাত্রা শুরু হয়েছিল, সঠিক শিক্ষা আর অদম্য চেষ্টার জোরে আজ নিজেকে একজন সফল ও আত্মবিশ্বাসী প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি
পড়াশোনা শেষে বেকার বসে থাকার দিনগুলোতে কেবল ভাবতাম—কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়া আমি কি আদৌ নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারব? চারপাশের অনিশ্চয়তা যখন আমাকে গ্রাস করছিল, ঠিক তখনই প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা এবং মোবাইল সার্ভিসিং পেশাটির দিকে আমার নজর যায়। বুঝতে পারি, শূন্য অভিজ্ঞতা থাকলেও যদি সঠিক জায়গা থেকে কাজ শেখা যায়, তবে যে কেউ নিজের ভাগ্য বদলাতে পারে। সেই চিন্তা থেকেই কোনো ইতস্তত না করে আমি চলে আসি iFixFast Training Institute-এ। একেবারে জিরো লেভেল থেকে আমার পথচলা শুরু হয়। ইনস্টিটিউটের অভিজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টররা খুব যত্ন নিয়ে একদম প্রাথমিক বিষয়গুলো থেকে শেখাতে শুরু করেন। টেকনোলজির কোনো মৌলিক ধারণা না থাকা সত্ত্বেও, তাদের শেখানোর সহজ পদ্ধতি এবং ল্যাবের আধুনিক যন্ত্রপাতির প্র্যাকটিক্যাল ব্যবহার আমাকে দ্রুত সবকিছু বুঝতে সাহায্য করে। ল্যাবে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে করতে মাদারবোর্ড ডায়াগনোসিস, সূক্ষ্ম সার্কিট ট্রেসিং এবং আইসি রিওয়ার্কের মতো কঠিন কাজগুলোও আমার আয়ত্তে চলে আসে। যে হাত কখনো একটা স্ক্রু-ড্রাইভারও ঠিকমতো ধরেনি, সেই হাত দিয়ে এখন অনায়াসে যেকোনো আধুনিক ডিভাইসের জটিল সমস্যার সমাধান হতে শুরু করল। প্রশিক্ষণ শেষে আমার ভেতর যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হলো, তা আমাকে এক নতুন পরিচয় এনে দিল। যে আমি একদম কিছুই জানতাম না, কোনো দোকানে কাজের অভিজ্ঞতাও ছিল না—সেই আমি আজ নিজের অর্জিত দক্ষতা ও মেধার জোরে একজন স্বাবলম্বী ও সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান। শূন্য থেকে শুরু করে নিজেকে প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তোলার এই গল্পটি আমাকে শিখিয়েছে, ইচ্ছা আর সঠিক গাইডলাইন থাকলে পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াও সাফল্য অর্জন করা সম্ভব
মোবাইল সার্ভিসিংয়ের সাথে আমার পরিচয় অনেক আগে থেকেই। নিজের একটি দোকান ছিল, সাধারণ অনেক কাজই খুব ভালোভাবে করতে পারতাম। কিন্তু যত দিন যাচ্ছিল, বাজারে নতুন নতুন প্রযুক্তির স্মার্টফোন আসছিল এবং সেগুলোর সমস্যাগুলোও বেশ জটিল হয়ে উঠছিল। অনেক সময় দেখা যেত অ্যাডভান্স লেভেলের কাজ—যেমন জটিল আইসি রিওয়ার্ক, শট ডাইগনোসিস বা সার্কিটের সূক্ষ্ম সমস্যাগুলো করতে গিয়ে আটকে যেতাম। গ্রাহককে কাজ না পেরে ফোন ফেরত দিতে হলে খুব খারাপ লাগত, বুঝতাম ব্যবসার উন্নতির জন্য এই সীমাবদ্ধতা দূর করা ভীষণ জরুরি। নিজেকে একজন পুরোদস্তুর মাস্টার টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তোলার জেদ থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম প্রফেশনাল ট্রেনিং নেব। খোঁজ নিয়ে জানলাম iFixFast Training Institute-এর কথা। তাদের উন্নত ল্যাব, অভিজ্ঞ ইন্সট্রাক্টর আর আধুনিক অ্যাডভান্সড কোর্স মডিউল দেখে ভর্তি হয়ে গেলাম। iFixFast-এ এসে আমার আগের সাধারণ জ্ঞানগুলোর সাথে যুক্ত হলো বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক কাজের মেথড। কিভাবে মাদারবোর্ডের লাইন বাই লাইন ট্রাবলশুটিং করতে হয়, ডায়াগনস্টিক টুল ব্যবহার করে মুহূর্তে ফল্ট খুঁজে বের করা যায় এবং সূক্ষ্ম সিইউ/আইসি চিপ লেভেলে কাজ করতে হয়—সবকিছু ল্যাবে নিখুঁতভাবে শিখলাম। এতদিন যে কাজগুলো করতে ভয় পেতাম বা অসমাপ্ত থেকে যেত, সেগুলোও পানির মতো সহজ হয়ে গেল। ট্রেনিং শেষ করে যখন আবার আমার দোকানে ফিরলাম, তখন আমার কাজের আত্মবিশ্বাস পুরোটাই বদলে গেছে। এখন আর কোনো কাস্টমারকে হতাশ হয়ে খালি হাতে ফিরতে হয় না। যে অ্যাডভান্স কাজগুলো আগে আমি নিজেই করতে পারতাম না, সেগুলো এখন খুব নিখুঁত ও দ্রুত সমাধান করে দিতে পারি। কাজের মান এবং দক্ষতার আমূল পরিবর্তনের কারণে আমার দোকানের সুনামও বেড়ে গেছে অনেক গুণ। আগের সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে আজ আমি নিজেকে একজন সত্যিকারের সফল ও পূর্ণাঙ্গ টেকনিশিয়ান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। আর আমার এই পথচলায় iFixFast-এর ভূমিকা ছিল অন্যতম বড় একটি মাইলফলক
আমি এখান থেকে কোর্স করে সফল হয়েছি। বর্তমানে আমি একটি শপে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত রয়েছি।
আমার কোন স্কিল ছিল না টোটালি জিরো স্কিল ছিল আর আমার এমনিতে ইলেকট্রনিক্স এর প্রতি অনেক আগ্রহ ছিল তাই আমি মোবাইল সার্ভিসিং কোর্সটি করেছি।
পড়াশোনা শেষ করার পর যখন কোনো কাজ পাচ্ছিলাম না, তখন চারপাশের অনিশ্চয়তা আর বেকারত্বের ভারটা সত্যিই খুব ভারী মনে হতো। কী করব, নিজের ভবিষ্যৎ কীভাবে গড়ে তুলব—এসব ভেবে দিনগুলো কাটছিল বেশ হতাশার মধ্য দিয়েই। এমন সময় আমার ভাই একদিন একটা বুদ্ধি দিলেন। আমার যে আগে থেকেই মোবাইল আর গ্যাজেটের প্রতি একটা সুপ্ত আগ্রহ ছিল, সেটা ভাই খেয়াল করেছিলেন। ভাই বললেন, "অহেতুক বসে না থেকে কোনো কাজের দক্ষতা অর্জন কর, মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজটা শেখ।" ভাইয়ের কথা শুনে এবং পরামর্শে ইউটিউবে iFixFast Training Institute-এর ভিডিওগুলো দেখা শুরু করলাম। তাদের ল্যাবের পরিবেশ, শেখানোর মান এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে আমার মনে নতুন করে আশা জাগল। আর কোনো দ্বিধা না রেখে সরাসরি iFixFast কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বললাম। সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়ে দ্রুতই প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তি হয়ে গেলাম। কোর্সের দিনগুলোতে ল্যাবে দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করেছি। কীভাবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে সার্কিটের সূক্ষ্ম ত্রুটি বের করতে হয়, মাদারবোর্ডের জটিল ট্রাবলশুটিং আর আইসি লেভেলের কাজ নিখুঁতভাবে সমাধান করতে হয়—প্রতিটি ধাপ খুব মনোযোগ দিয়ে রপ্ত করলাম। প্রতিটি ক্লাসে প্র্যাকটিক্যাল কাজ করার মাধ্যমে আমার ভেতরের ভয় কেটে গিয়ে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস চলে এল। প্রশিক্ষণ শেষ করে আর কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির পেছনে না ছুটে সরাসরি নিজের জেলায় ফিরে এলাম। ভাইয়ের উৎসাহ আর iFixFast থেকে পাওয়া দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠা করলাম আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপ। শুরুর দিকে পথচলাটা সাধারণ হলেও কাজের নিখুঁত মান, উন্নত কৌশল আর সততার কারণে খুব দ্রুতই এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা পেতে শুরু করি। আজ নিজের দোকানে প্রতিদিন অসংখ্য গ্রাহক সার্ভিস নিতে আসেন এবং সন্তুষ্ট হয়ে ফিরে যান। একসময়ের বেকারত্ব আর হতাশা পেছনে ফেলে আজ আমি নিজের জেলায় একজন সফল টেকনিশিয়ান ও প্রতিষ্ঠিত দোকান মালিক। সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সঠিক প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শেখাই আজ আমাকে সাফল্যের এই পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে
আগে আমি টেক্সটাইল কোম্পানির একটা ছোট পোস্টে জব করতাম। পাশাপাশি আমি গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করি। আমার চাকুরীর প্রতি তেমন ইন্টারেস্ট ছিলো না বিজনেস করার ইচ্ছা ছিলো এবং কারিগরি দক্ষতা অর্জন করার ইচ্ছা ছিলো। আর আমাদের আগে থেকেই দোকান ছিলো মোবাইল এক্সেসরিস এবং সার্ভিসিংয়ের। তাই আমি একজন টেকনিশিয়ান হওয়ার জন্য আইফিক্সকে চুজ করি। ওইখান থেকে বেসিক কোর্স করে এখন আমি আমার দোকান একাই পরিচালনা করতেছি আলহামদুলিল্লাহ। যা চাকুরীর তুলনায় ১০ গুণ বেটার আলহামদুলিল্লাহ।
একসময় মোবাইল রিপেয়ারিং সম্পর্কে আমার কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতা ছিল না। প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থাকলেও কীভাবে দক্ষতা অর্জন করব, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা ছিল না। ঠিক সেই সময় আমি iFixFast Training Institute-এ বেসিক মোবাইল রিপেয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আজ পেছনে ফিরে তাকালে বুঝতে পারি, সেই সিদ্ধান্তই আমার জীবনের অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত ছিল। কোর্সের শুরুতে মোবাইলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, সার্কিটের মৌলিক ধারণা এবং সমস্যা নির্ণয়ের বিষয়গুলো আমার কাছে বেশ কঠিন মনে হতো। কিন্তু iFixFast-এর দক্ষ প্রশিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা, বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত প্র্যাকটিসের মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমি আত্মবিশ্বাস অর্জন করি। বেসিক কোর্সের প্রতিটি ক্লাস আমাকে নতুন কিছু শিখিয়েছে এবং প্রযুক্তি জগত সম্পর্কে আরও আগ্রহী করে তুলেছে। অনেকেই মনে করেন শুধুমাত্র বেসিক কোর্স করে বড় কিছু করা সম্ভব নয়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, একটি শক্ত ভিত্তিই সফলতার প্রথম ধাপ। iFixFast থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আমি নিজের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। বর্তমানে আমি আমার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা প্রদান করছি এবং প্রতিদিন নতুন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করছি। আজ যখন কোনো গ্রাহকের সমস্যার সমাধান করতে পারি, তখন মনে হয় আমার শেখার সময়ের পরিশ্রমগুলো সার্থক হয়েছে। iFixFast আমাকে শুধু মোবাইল রিপেয়ারিংয়ের বেসিক জ্ঞানই দেয়নি, বরং আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সাহসও দিয়েছে। আমার এই যাত্রা এখনও শেষ হয়নি। আমি প্রতিনিয়ত নতুন বিষয় শিখছি এবং নিজের দক্ষতা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছি। যারা মোবাইল সার্ভিসিং বা প্রযুক্তি খাতে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য আমার একটাই পরামর্শ—শেখার ইচ্ছা, পরিশ্রম এবং সঠিক প্রশিক্ষণ থাকলে সফলতা অবশ্যই সম্ভব। iFixFast Training Institute-এর প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। কারণ এখান থেকেই আমার শেখার পথচলা শুরু হয়েছে, আর সেই শিক্ষার ভিত্তিতেই আজ আমি নিজের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি।
বেকারত্বের সেই দিনগুলোতে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকাটাই স্বাভাবিক ছিল। তবে প্রযুক্তি আর মোবাইল ডিভাইসের প্রতি পুরনো আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে তৈরি করার যে সিদ্ধান্তটি আমি নিয়েছিলাম, সেটাই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। প্রফেশনালভাবে কাজ শেখার অদম্য ইচ্ছা থেকেই ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Training Institute-এ। সেখানে ল্যাবে উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আধুনিক পদ্ধতিতে মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম কাজ, আইসি রিওয়ার্ক ও জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস হাতে-কলমে রপ্ত করি। প্রতিদিনের কঠোর প্র্যাকটিস এবং ইনস্ট্রাক্টরদের গাইডলাইন আমার ভেতরের দ্বিধা দূর করে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। প্রশিক্ষণ চলাকালীন আমার কাজের প্রতি নিষ্ঠা, শেখার আগ্রহ এবং কাজের সঠিক মান কর্তৃপক্ষের নজর কাড়ে। যার ফলশ্রুতিতে, কোর্স সম্পন্ন করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি—আমাকে সরাসরি iFixFast-এই 'মোবাইল টেকনিশিয়ান' হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। যে প্রতিষ্ঠানে একদিন শিক্ষার্থী হিসেবে কাজ শিখতে এসেছিলাম, আজ সেই প্রতিষ্ঠানের একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সার্ভিস সেন্টারে প্রতিদিন কঠিন সব ডিভাইসের মেকানিক্যাল ও সার্কিট লেভেলের কাজগুলো যখন সফলভাবে সমাধান করি, তখন নিজের ওপর এক অপূর্ব তৃপ্তি কাজ করে। বেকারত্বের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আজ আমি শুধু স্বাবলম্বীই নই, একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানের সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি
একসময় জীবনের মোড় কোন দিকে যাবে তা নিয়ে কোনো দিশা পাচ্ছিলাম না। কোনো চাকরি বা কাজের সুযোগ না থাকায় বেকারত্বের এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে হতাশার মাঝেও একটা দিক আমাকে সব সময় টানত—মোবাইল ফোনের ভেতরের সেই জটিল ইলেকট্রনিক্স জগৎ। ছোট থেকেই বিভিন্ন গ্যাজেটের ভেতরের কলকব্জা দেখার এক ধরনের কৌতূহল ছিল। অবশেষে সেই সুপ্ত ইচ্ছেটাকেই পেশায় রূপ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিই। দক্ষতার অভাব যেন কাজের পথে বাধা না হয়, তাই কোনো অখ্যাত জায়গায় না গিয়ে সরাসরি পা রাখি iFixFast Training Institute-এ। সেখানে গিয়ে কাজের প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি বদলে যায়। সাধারণ কোনো মেরামত নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় অতি সূক্ষ্ম চিপ ও সার্কিট লেভেলের কাজগুলো আমাকে দারুণভাবে মুগ্ধ করে। প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রতিটি ক্লাস ছিল অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। ল্যাবের উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সার্কিটের অচেনা ফল্টগুলো যখন খুঁজে বের করতাম, তখন নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস কয়েকগুণ বেড়ে যেত। ট্রাবলশুটিংয়ের জটিল সব অংক যখন হাতেনাতে মেলাতে শুরু করলাম, তখনই বুঝে গিয়েছিলাম যে আমার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে। কোর্স শেষে আর কারো অধীনস্থ হয়ে থাকার অপেক্ষা করিনি। সরাসরি নিজের জেলায় প্রতিষ্ঠা করি একটি প্রফেশনাল মোবাইল সার্ভিসিং পয়েন্ট। প্রথম দিকে ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করলেও, দ্রুতই কাজের নিখুঁত মান এবং সততার কারণে মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হই। যে বেকারত্বের কালো মেঘ একসময় মাথার ওপর ভেসে বেড়াত, আজ সেখানে একজন সফল ব্যবসায়ী ও টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের পরিচিতি তৈরি করতে পেরেছি
একটি বেকার ছেলে থেকে আজকের সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান ও দোকান মালিক হওয়ার পেছনের গল্পটি কিন্তু একেবারেই সহজ ছিল না। দিনের পর দিন কাজের খোঁজে ঘুরতে ঘুরতে যখন চারপাশের বেকারত্বের চাপটা তীব্র হয়ে উঠছিল, ঠিক তখন নিজের ভেতরে থাকা পুরনো ভালোলাগাটাকেই নতুন করে আবিষ্কার করলাম। গ্যাজেট বা ইলেক্ট্রনিক্স জিনিসের প্রতি ঝোঁক আমার আগে থেকেই ছিল, কিন্তু সেটাকে যে জীবিকা হিসেবে বেছে নেওয়া যায়—সেই উপলব্ধিটা হঠাৎ করেই মাথায় আসে। উপায় খুঁজতে গিয়ে নজর কাড়ে iFixFast Training Institute। পেশাদার উপায়ে কাজ শেখার জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্মই আমার প্রয়োজন ছিল। নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহসে ভর করে ভর্তি হয়ে যাই সেখানে। কোর্সের প্রথম দিন থেকেই ছিল চ্যালেঞ্জ। জটিল সব মাদারবোর্ড, ক্ষুদ্র আইসি এবং সার্কিটের সমস্যা খুঁজে বের করার প্রতিটি ধাপ শিখতে হয়েছে খুব মনোযোগ দিয়ে। প্রশিক্ষকদের নিখুঁত নির্দেশনায় এবং প্রতিদিনের কঠোর চর্চায় ধীরে ধীরে দূর হয়ে যায় ভেতরের সব দ্বিধা। একটি অচচল মোবাইল যখন নিজের হাতে নতুন প্রাণ পেত, সেই আনন্দটাই আমার কাজের ক্ষুধা আরও বাড়িয়ে দিত। প্রশিক্ষণ শেষ করে নিজের এলাকায় শুরু করি পথচলা। খুব বড় কোনো মূলধন বা বিশাল আয়োজন ছিল না, ছিল শুধু অর্জিত দক্ষতা আর সততার জোর। আজ নিজের দোকানে যখন গ্রাহকেরা আস্থার সাথে সার্ভিস নিতে আসেন, তখন মনে হয় অতীতের সেই বেকারত্ব আর অনিশ্চয়তা পেরিয়ে আসার পরিশ্রমটা পুরোপুরি সার্থক। iFixFast থেকে শেখা কাজের গুণগত মান আজ আমাকে নিজ জেলায় একজন সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে
মোবাইল ফোন সম্পর্ক আমার আগে কোন প্রকার কোন জ্ঞান ছিলো নাহ।আমি ifixfast এর কোর্স গুলো সম্পূর্ণ করে বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত এবং একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হয়ে Ifixfast এর প্রতি কৃতজ্ঞ।এবং তাদের শিখানোর নিয়মের প্রতি প্রশংসা করি সবসময় তাদের কাছ থেকে আমার সব কিছু শিখা।বর্তমানে আমি এই পেশা নিয়ে উপার্জন করি।আমার প্রতি মাসে প্রায় ৪০-৫০ হাজার টাকা ইনকাম করি আলহামদুলিল্লাহ। আমি বরাবরি IFixFast কে এবং তাদের সকল শিক্ষক কে সম্মান এবং ভালোবাসি।
বেকারত্বের হতাশায় যখন দিন কাটছিল আর কোনো কাজের দিশা পাচ্ছিলাম না, ঠিক তখনই হঠাৎ মাথায় এল—মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজটা শিখলে কেমন হয়? আসলে ছোট থেকেই টেকনোলজি আর গ্যাজেটের প্রতি আমার এক ধরনের সুপ্ত আগ্রহ ছিল। এই পেশার ভবিষ্যৎ যে কতটা উজ্জ্বল, তা বুঝতে পেরে আমি আর দেরি না করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবলাম। খোঁজখবর নিতে গিয়ে ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার চোখের সামনে এল iFixFast Training Institute-এর নাম। তাদের প্রফেশনাল কোর্স মডিউল আর কাজের ধরণ দেখে আমার মনে হলো, এটাই আমার ঘুরে দাঁড়ানোর মোক্ষম সময়। আর কালক্ষেপণ না করে আমি সরাসরি iFixFast-এ গিয়ে ভর্তি হয়ে গেলাম। ইনস্টিটিউটের কড়া প্রশিক্ষণ আর শিক্ষকদের নিখুঁত হাতে-কলমে শিক্ষা আমার ভেতরের ভয়গুলো দূর করে দেয়। মাদারবোর্ড ডায়াগনোসিস, হট-কোল্ড মেথড থেকে শুরু করে জটিল সব সার্কিট ঠিক করার প্রতিটি কৌশল আমি খুব মনোযোগ দিয়ে আয়ত্ত করি। শেখার প্রতি সেই আগ্রহ আর কঠোর পরিশ্রমই আমাকে দ্রুত দক্ষ করে তোলে। ট্রেনিং শেষ করে বেকারত্বের অভিশাপ পেছনে ফেলে আমি নিজের জেলায় নিজস্ব একটি মোবাইল সার্ভিসিং শপ দিয়ে বসি। আজ আমি একজন সফল উদ্যোক্তা। যে মানুষগুলো একসময় কাজ না পেয়ে হতাশায় ভুগত, আজ তারা আমার দোকানেই ফোন ঠিক করাতে আসে এবং আমার কাজের প্রশংস করে। সঠিক জায়গায় সঠিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমেই যে ভাগ্য বদলানো সম্ভব, আমার এই সফলতাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার জয়খাঁ গ্রামে "মিল্টন টেলিকম"-এ কাজ করি আমি, উজ্জল বিশ্বাস। খুলনা বিভাগের এই প্রত্যন্ত গ্রামেই আমার কর্মজীবনের শুরু, তবে এই পথে আসার পেছনে কোনো জটিল পরিকল্পনা ছিল না—ছিল শুধু একটা সহজ ভালোলাগা। ছোটবেলা থেকেই টেকনিক্যাল কাজের প্রতি একটা আলাদা আকর্ষণ অনুভব করতাম। কোনো যন্ত্র খারাপ হলে সেটা কীভাবে আবার সচল করা যায়, এই চিন্তাটাই মাথায় ঘুরতো। অন্য কেউ হয়তো এই কাজকে ঝামেলার মনে করতো, কিন্তু আমার কাছে এটাই ছিল আনন্দের। এই ভালোলাগা থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম, শখটাকে পেশায় রূপান্তরিত করবো। তাই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং-এর কাজ শিখতে শুরু করি। প্রশিক্ষণের প্রতিটা দিন মনে হতো, আমি ঠিক সেই কাজটাই করছি যেটা করতে সত্যিই ভালোবাসি। কোর্স শেষে জয়খাঁ গ্রামের "মিল্টন টেলিকম"-এ যোগ দেওয়ার পর আজ প্রতিদিন যখন কাজ করি, কোনো ক্লান্তি অনুভব করি না—কারণ এটা শুধু একটা চাকরি না, এটা আমার ভালোলাগার একটা জায়গা। টেকনিক্যাল কাজের প্রতি সেই ছোটবেলার টানটাই আজ আমার জীবিকা হয়ে উঠেছে।
আমি ছাত্র থাকা অবস্থায় আমার হাত খরচ মেটানোর জন্য কোনো একটা কাজ শেখার প্রয়োজন ছিল। সেই থেকে আমি মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ শেখার জন্য আগ্রহী হই্। তারপর আমি আইফিক্সফাস্ট থেকে মোবাইল সার্ভিসিং এর কোর্স সম্পূর্ণ করি । বর্তমানে আমি একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত রয়েছি।
আমি এই কাজ শিখার আগে। অনেক কাজ শিখছি automation এর কাজ শিখছি। কম্পিউটার হার্ডওয়ার/সফটওয়্যার কাজ শিখছি। লাস্টে এসে আমি মোবাইলের কাজ শিখছি Ifixfast থেকে। এখন বর্তমানে ফার্স্ট Ifixfast কোম্পানিতে কর্মরত আছি। উপরওয়ালার কৃপায় বর্তমানে ভালো আছি।
উল্লাপাড়া মেইন বাজারে "Gadget Fire" নামটা প্রথম শুনলে অনেকেই একটু থমকে যান—আগুনের সাথে গ্যাজেটের কী সম্পর্ক! আমি মোঃ নাহিদ, সিরাজগঞ্জের খালিয়াপাড়ার ছেলে, এই নামের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছি নিজের কাজের প্রতি একটা তীব্র আবেগ। আমার কাছে মোবাইল বা গ্যাজেট মেরামতের কাজটা কখনো নিছক দায়িত্ব মনে হয়নি—এটা যেন একটা আগুনের মতো, যেটা ভেতর থেকে তাড়া দেয় নতুন কিছু শেখার জন্য, প্রতিটা সমস্যাকে জয় করার জন্য। এই তাগিদ থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে দক্ষতাটা অর্জন করি। প্রশিক্ষণের প্রতিটা দিন এই তীব্রতা নিয়েই কাজ শিখেছি—কোনো একটা কৌশল প্রথমবারে না বুঝলে বারবার চেষ্টা করেছি, হাল ছাড়িনি। কোর্স শেষে উল্লাপাড়া মেইন বাজারেই নিজের এই স্বপ্নের দোকানটা দাঁড় করাই, নাম দিলাম "Gadget Fire"—যেন প্রতিটা গ্রাহক বুঝতে পারে, এখানে কাজ হয় প্যাশন দিয়ে, শুধু পেশা হিসেবে না। আজ উল্লাপাড়ার মানুষ যখন তাদের গ্যাজেট নিয়ে আমার কাছে আসেন, তারা জানেন এখানে শুধু মেরামত হয় না, প্রতিটা কাজে ঢেলে দেওয়া হয় একটা বাড়তি নিষ্ঠা। "Gadget Fire" নামটা তাই আমার কাছে শুধু একটা ব্র্যান্ড না, নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসার একটা ঘোষণা।
আমি আগে একটা সরকারি চাকরি করতাম। কিন্তু বিভিন্ন অসুবিধার জন্য আমার চাকরি টা ছেড়ে দিতে হয়। এর পর আমি বেশ চিন্তায় থাকি যে কি কাজ করা যায়। এরই মধ্যে ফেসবুকে আমার সামনে I Fix Fast ট্রেনিং সেন্টার এর ভিডিও আসে। এর পর আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করে ৩২ নং ব্যাচে ভর্তি হয়। আমি একেবারে শুন্য তেকেই শুরু করেছিলাম। কিন্তু ৩ মাসের কোর্স শেষ করার পর আমি নিযেকে একজন আত্মবিশ্বাসী টেকনিশিয়ান হিসেবে খুজে পাই। কোর্স শেষ করার ১ মাসের মধ্যেই আমি নিজের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান দার করাই। আমার প্রতিষ্ঠানের নাম স্মার্ট ফিক্স (Smart Fix)। আমি এখন আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা এবং সাফল্যের সাথে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছি।
এসএসসি পরীক্ষার পর অবসর সময়ে ইউটিউবে নানা টিউটোরিয়াল দেখাটাই ছিল আমার নিত্যদিনের অভ্যাস। কিন্তু অন্য আট-দশজন কিশোরের মতো আমি কেবল সময় পার করছিলাম না; টেকনোলজির ভেতরের জগৎ, বিশেষ করে ডিভাইসের সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি এবং সার্কিটের প্রতি আমার আলাদা কৌতুহল তৈরি হচ্ছিল। একদিন ইউটিউবে স্ক্রোল করতে করতে চোখের সামনে ভেসে ওঠে iFixFast Mobile Servicing Institute-এর একটি ভিডিও। মোবাইল আইসি, সার্কিট ডায়াগনোসিস আর মাদারবোর্ডের জটিল কাজগুলো যেভাবে সহজ করে শেখানো হচ্ছিল, তা আমার মনে গভীরভাবে গেঁথে যায়। আমার মনে হলো—প্রথাগত পড়াশোনার বাইরে গিয়ে নিজেকে এমন এক পেশাদার দক্ষতায় গড়ে তোলা দরকার, যার চাহিদা সব সময় থাকবে। ভিডিও দেখার পর আমি আর দেরি করিনি। সরাসরি যোগাযোগ করি iFixFast কর্তৃপক্ষের সাথে। ইনস্টিটিউটের কোর্স মডিউল ও প্রশিক্ষকদের গাইডলাইন দেখে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিই এবং ভর্তি হয়ে যাই। কোর্সের দিনগুলোতে শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বাস্তব জীবনের জটিল ডিভাইস মেরামতের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিই। সার্কিট ট্রাবলশুটিং থেকে শুরু করে প্রতিটি সূক্ষ্ম কাজ নিখুঁতভাবে শিখে নেওয়ার পেছনে আমার অদম্য আগ্রহ ও কঠোর পরিশ্রম বড় ভূমিকা রাখে। ট্রেনিং শেষেই আমি থেমে থাকিনি। নিজের অর্জিত দক্ষতাকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং নিজ জেলার মানুষকে মানসম্মত সেবা পৌঁছে দিতে উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। নিজের জেলায় প্রতিষ্ঠা করি নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপ। প্রথম দিকে সাধারণ কিছু কাজ দিয়ে শুরু হলেও, দ্রুতই সততা এবং উন্নতমানের সার্ভিসিং দক্ষতার কারণে পরিচিতি ছড়াতে থাকে। বর্তমানে আমার দোকানটি এলাকার একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সার্ভিস সেন্টার হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। আমার এই পথচলা আমাকে শিখিয়েছে—সঠিক সময়ে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত আর বাস্তবমুখী দক্ষতাই একজন তরুণকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারে
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ বাজারে "Deen Telecom"-এ কাজ করি এখন। আমি নুহেল আহমেদ, তবে এখানে পৌঁছানোর পথটা মসৃণ ছিল না। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার আগ্রহ ছিল অনেক আগে থেকেই, কিন্তু প্রথমবার যখন ভেবেছিলাম কাজে নেমে পড়বো, তখন বুঝতে পারিনি শুধু আগ্রহ দিয়ে হয় না—দরকার সঠিক প্রশিক্ষণ, নিয়মমাফিক দক্ষতা। কয়েকবার নিজে নিজে চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর সিদ্ধান্ত নিলাম, এবার প্রপারভাবে শিখবো। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে সেই ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করি। প্রতিটা ক্লাসে আগের ব্যর্থতাগুলো মাথায় রেখেই নতুন করে শিখেছি, যেন একই ভুল দ্বিতীয়বার না হয়। প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে সঠিক পদ্ধতি জানার পর বুঝলাম, আসলে কতটা ভুল পথে এগোচ্ছিলাম। কোর্স শেষে নবীগঞ্জ বাজারের "Deen Telecom"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর, প্রথমবারের সেই ব্যর্থতাগুলোই এখন আমার শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে—কারণ আমি জানি ভুলগুলো কোথায় হয়, তাই এখন আরও সতর্কভাবে কাজ করি। এই দ্বিতীয়বার শুরু করার সাহসটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় শিক্ষা।
ঠাকুরগাঁওয়ের ছেলে হয়েও এখন থাকি ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে, কাজ করি "কোনা টেলিকম"-এ। আমি মোঃ আবু তালেদ, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। উত্তরবঙ্গের ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকার কাছাকাছি সাভারের মতো একটা শিল্পাঞ্চলে আসার সিদ্ধান্তটা ছিল জীবনের একটা বড় মোড়। এখানে গার্মেন্টস আর কলকারখানার কর্মীদের সংখ্যা অনেক বেশি, তাদের হাতে হাতে মোবাইল ফোন, তাই এই কাজের চাহিদাও দেখেছিলাম প্রচুর। এই সম্ভাবনা দেখেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় বুঝেছিলাম, হেমায়েতপুরের মতো এলাকায় কাজ করতে হলে দ্রুততা জরুরি, কারণ কর্মজীবী মানুষদের হাতে সময় কম থাকে, তারা কাজের ফাঁকে দ্রুত সমাধান চান। এই বোধ থেকেই প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগী থেকেছি। কোর্স শেষে "কোনা টেলিকম"-এ যোগ দেওয়ার পর, ঠাকুরগাঁও থেকে হাজার মাইল দূরে এসেও নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি। প্রতিদিন সাভারের কর্মব্যস্ত মানুষদের সেবা দিতে দিতে বুঝি, নিজের এলাকা থেকে অনেক দূরে এসেও একটা সম্মানজনক পরিচয় গড়ে তোলা সম্ভব।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের এলাকার মেইন বাজারেই "Max Telecom"-এ। আমি সাদাত সিদ্দিকী, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। উল্লাপাড়ার মেইন বাজারে ছোটবেলা থেকেই যাতায়াত, বাবার সাথে বাজার করতে আসা, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া—এই বাজারটার সাথে আমার একটা আলাদা সম্পর্ক আছে। বড় হয়ে যখন কাজের কথা ভাবলাম, মনে হলো এই চেনা জায়গাতেই যদি একটা দক্ষতা নিয়ে দাঁড়াতে পারি, তাহলে সেটাই হবে সবচেয়ে ভালো। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নিয়ে বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা বিষয় গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করেছি, কারণ জানতাম নিজের বাজারে কাজ করলে চেনা মানুষদের সামনেই দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে। কোর্স শেষে "Max Telecom"-এ যোগ দিয়ে সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই কাজ শুরু করি। আজ উল্লাপাড়া মেইন বাজারের চেনা পরিবেশে, ছোটবেলার স্মৃতিবিজড়িত জায়গাতেই একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছি, আর এই অনুভূতিটাই আমার কাছে সবচেয়ে বিশেষ।
পৌর পাবলিক হলে একটা নতুন অধ্যায় গোপালগঞ্জের পৌর পাবলিক হল শপিং কমপ্লেক্সে "মারিয়া টেলিকম"-এর ছোট্ট কাউন্টারে বসে কাজ করি আমি, অনিক রতন বড়াই। এই ভবনটা শুধু একটা মার্কেট না, গোপালগঞ্জ শহরের একটা পরিচিত অংশ, আর এখানে কাজ করাটা আমার কাছে একটা বিশেষ অনুভূতি। স্কুল-কলেজ পেরিয়ে যখন কর্মজীবনে পা রাখার কথা ভাবছিলাম, আশেপাশে অনেক পথ ছিল, কিন্তু মোবাইল প্রযুক্তির প্রতি একটা টান সবসময় অনুভব করতাম। বন্ধুদের ফোনের ছোটখাটো সমস্যা নিজে হাতে ঠিক করার চেষ্টা করতাম, আর সেই ছোট ছোট সাফল্যগুলোই আমাকে ভাবিয়েছিল—এটাকেই পেশা বানানো যায় কি না। এই ভাবনা থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় বুঝলাম, শখের বসে করা কাজ আর পেশাদারভাবে করা কাজের মধ্যে অনেক ফারাক—নিয়মমাফিক পদ্ধতি, সঠিক টুলের ব্যবহার, নিরাপত্তা বিষয়ক সতর্কতা—সবকিছুই নতুন করে শিখতে হয়েছে। কোর্স শেষ করে পৌর পাবলিক হলের এই দোকানে যোগ দেওয়ার পর প্রতিদিন সেই শেখা জিনিসগুলো প্রয়োগ করছি। গোপালগঞ্জ শহরের এই পরিচিত জায়গায় কাজ করতে করতে বুঝি, ছোটবেলার শখটাকে পেশায় রূপান্তরিত করতে পারাটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের রাকুড়িয়া গ্রামে বাড়ি, কিন্তু ব্যবসা করি শিকারপুর বাজারের লাউস্তারী এলাকায়—"হৃদয় টেলিকম"। আমি হৃদয়, একটা বেসিক ব্যাচ আর একটা অ্যাডভান্স ব্যাচ, দুটো আলাদা ধাপ পেরিয়ে আজ এই জায়গায় এসেছি। প্রথমবার ৩৬তম ব্যাচে বেসিক কোর্স করার সময় ভেবেছিলাম, এটুকু দক্ষতাই হয়তো যথেষ্ট। কিন্তু বাজারে কাজ শুরু করার পর বুঝলাম, জটিল সমস্যাগুলো সামনে এলে নিজেকে অসম্পূর্ণ মনে হয়। এই উপলব্ধি থেকেই পরে আবার ফিরে যাই, এবার ২০তম ব্যাচে অ্যাডভান্স কোর্স করার জন্য। দুই দফায় শেখার এই অভিজ্ঞতাটা আমাকে অন্যদের চেয়ে একটু আলাদা করে তুলেছে—আমি জানি প্রাথমিক পর্যায়ে কোথায় ঘাটতি থাকে, আর সেই ঘাটতিটা কীভাবে অ্যাডভান্স জ্ঞান দিয়ে পূরণ করতে হয়। লাউস্তারী বাজারে আমার দোকানে তাই এখন সহজ থেকে জটিল, সব ধরনের সমস্যারই সমাধান পাওয়া যায়। আজ শিকারপুর বাজারের মানুষ যখন কঠিন কোনো সমস্যা নিয়েও নিশ্চিন্তে আমার কাছে আসেন, তখন বুঝি—থেমে না থেকে বারবার শেখার এই সিদ্ধান্তটাই ছিল আমার ব্যবসার আসল ভিত্তি।
টালী অফিস, পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকায় আমার একটা নির্দিষ্ট দোকান নেই, কিন্তু তাতে কী—আমার বাসাটাই এখন এলাকার মানুষের কাছে পরিচিত মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার। আমি রেদওয়ান আহমেদ, নোয়াখালীর ছেলে, ঢাকায় থাকি এই ঠিকানায়। সবার মতো দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করার পুঁজি বা সাহস তখন ছিল না, কিন্তু কাজটা শিখে নেওয়ার ইচ্ছেটা ছিল প্রবল। ভাবলাম, শুরুটা না হয় ছোট করেই হোক—নিজের পরিবার, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীদের ফোন সারিয়ে দিয়েই শুরু করি। এই ভাবনা থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় যা শিখতাম, বাসায় এসে সেটা প্রয়োগ করতাম আপনজনদের ফোনেই। প্রথমে দ্বিধা থাকলেও, পরিবারের মানুষদের বিশ্বাস আর উৎসাহই আমাকে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছে। কোর্স শেষে সেই একই মডেলে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি—কোনো দোকান নেই, কিন্তু সেবা আছে ঠিকই। আজ যখন কেউ ফোন করে বলে, "ভাই, একটু বাসায় এসে দেখে যান", তখন বুঝি—দোকানের সাইনবোর্ড না থাকলেও, মানুষের মনে আমার একটা জায়গা তৈরি হয়ে গেছে। তবে এটাই শেষ কথা না—মনের মধ্যে একটা স্বপ্ন লালন করি, একদিন নিজের নামে একটা দোকান দাঁড় করাবো, যেখানে মানুষ সরাসরি এসে সেবা নিতে পারবে। হোম সার্ভিস দিয়ে শুরু করা এই পথচলাটা তাই আমার কাছে একটা প্রস্তুতি পর্ব, চূড়ান্ত গন্তব্য না।
সকাল ৯টা, পটুয়াখালী সদরের নতুন বাজার রোডে "Mobile Clean"-এর শাটার তুলতেই প্রথম কাস্টমার এসে দাঁড়ান দরজার সামনে। এই দৃশ্যটা এখন আমার প্রতিদিনের রুটিন হয়ে গেছে। আমি মোঃ মুসা, পটুয়াখালী সদরেরই ছেলে। ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাতির প্রতি একটা কৌতূহল কাজ করতো আমার মধ্যে—কীভাবে ভাঙা জিনিস আবার সচল হয়ে ওঠে, এই প্রক্রিয়াটা সবসময় আকর্ষণ করতো। বড় হয়ে যখন পেশা বেছে নেওয়ার সময় এলো, এই কৌতূহলটাকেই কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রথম প্রথম হাত কাঁপতো ছোট ছোট যন্ত্রাংশ নিয়ে কাজ করার সময়। কিন্তু প্রশিক্ষকদের নির্দেশনা আর নিয়মিত অনুশীলনে ধীরে ধীরে সেই কাঁপুনি কমে আসে, বাড়তে থাকে স্থিরতা। কোর্স শেষে "Mobile Clean"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর সেই অর্জিত স্থিরতা আর দক্ষতা দিয়েই প্রতিদিনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। নতুন বাজারের এই ছোট্ট দোকানে প্রতিদিন যখন একটা করে সমস্যার সমাধান করি, নিজের মধ্যেই একটা তৃপ্তি অনুভব করি—ছোটবেলার সেই কৌতূহলটা আজ আমার পেশা হয়ে উঠেছে।
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সদরপুর বাজারে "আমিনুল টেলিকম"-এ কাজ শুরু করেছি বেশিদিন হয়নি। আমি তামিম হোসেন, এই এলাকারই ছেলে, এখন টেকনিশিয়ান হিসেবে হাত পাকাচ্ছি এখানেই। সদরপুরের মতো একটা উপজেলা শহরে বড় হয়ে দেখেছি, মোবাইল নষ্ট হলে মানুষকে অনেক সময় দূরে কোথাও যেতে হয় ভালো সার্ভিসের জন্য। এই সমস্যাটা কাছ থেকে দেখেই মনে হয়েছিল, নিজের এলাকাতেই যদি একটা ভালো দক্ষতা অর্জন করা যায়, তাহলে এই ভোগান্তি কমানো সম্ভব। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়েছি, কারণ জানতাম নিজের বাজারেই কাজ করতে হলে ভালোভাবে শেখাটা জরুরি। প্রশিক্ষণ শেষে সদরপুর বাজারের "আমিনুল টেলিকম"-এ যোগ দিয়ে এখন প্রতিদিনই নতুন কিছু শিখছি, প্রতিটা গ্রাহকের সমস্যার মধ্য দিয়েই দক্ষতাটা আরও ঝালাই হচ্ছে। সদরপুর বাজারে এই নতুন পথচলায় প্রতিদিন একটু একটু করে নিজেকে গড়ে তুলছি, আর বিশ্বাস করি সময়ের সাথে সাথে এই অভিজ্ঞতাই আমাকে আরও দক্ষ করে তুলবে।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর লঞ্চ ঘাটে নদীপথে যাতায়াতকারী মানুষদের কাছে আমি এখন একটা চেনা মুখ। আমি সাগর ইসলাম, ঘাটের পাশেই "মা টেলিকম"-এ কাজ করি টেকনিশিয়ান হিসেবে। নদীপাড়ের এই এলাকায় লঞ্চ ঘাটই মূলত মানুষের চলাচলের কেন্দ্রবিন্দু—কেউ লঞ্চ ধরতে আসে, কেউ নামে। এই আসা-যাওয়ার মাঝেই যদি কারো ফোনে সমস্যা হয়, তখন দ্রুত একটা সমাধান দরকার হয়, কারণ লঞ্চ তো আর কারো জন্য অপেক্ষা করে না। এই বাস্তবতা বুঝেই মনে হয়েছিল, এই জায়গায় দক্ষ হয়ে ওঠাটা জরুরি। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছি দ্রুত কাজ করার কৌশলের উপর, কারণ জানতাম ঘাটের গ্রাহকদের হাতে সময় খুব কম থাকে। প্রশিক্ষণ শেষে "মা টেলিকম"-এ যোগ দেওয়ার পর থেকে এই তাড়াহুড়ার পরিবেশটাই হয়ে উঠেছে আমার কাজের নিত্যদিনের সঙ্গী। আজ লঞ্চ থেকে নামা মানুষ যখন তাড়াহুড়োর মধ্যেও আমার কাছে থেমে যান, বিশ্বাস করে ফোনটা দিয়ে যান, তখন বুঝি—নদীর এই ব্যস্ত ঘাটেও একটা নির্ভরযোগ্য জায়গা হয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে আমার পক্ষে।
এলাকার অনেকেই জানতেন না আমি কোথায় ছিলাম এতদিন, কী শিখেছি। আমি মেহেদী হাসান, নিজের এই ফেরাটাকে অর্থবহ করে তুলতে চেয়েছিলাম শুরু থেকেই। ছোট উপজেলা বাসাইলে বড় ধরনের ব্যবসায়িক সুযোগ কম, তাই এখানে যেকোনো ব্যবসা দাঁড় করাতে হলে সেটাকে হতে হয় সত্যিকারের প্রয়োজনীয়। মোবাইল সার্ভিসিংটাই মনে হয়েছিল সেই জায়গা, যেখানে চাহিদা আছে কিন্তু দক্ষ মানুষের অভাব। এই শূন্যতা পূরণ করার লক্ষ্য নিয়েই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা বিষয় এমনভাবে শিখেছি, যেন বাসাইলে ফিরে গিয়ে কোনো সমস্যায় হোঁচট না খাই। জানতাম, ছোট এলাকায় একবার ভুল করলে সেই দুর্নাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তাই নিখুঁত হওয়াটা ছিল আমার লক্ষ্য। কোর্স শেষে বাসাইলে "Mobile House" দাঁড় করানোর পর আজ যখন এলাকার মানুষ তাদের মোবাইল সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসেন, বুঝি সেই ফেরাটা ভুল ছিল না। ছোট এলাকা থেকে দক্ষতা অর্জন করতে বাইরে যাওয়া, আর সেই দক্ষতা নিয়ে আবার নিজের শেকড়ে ফিরে আসা—এই যাত্রাটাই আমার কাছে সবচেয়ে গর্বের।
একটা টুল বক্স, একটা স্বপ্ন মৌচাক সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলে "Gsm Repair"-এর ছোট্ট কাউন্টারে আমার টুল বক্সটা সবসময় গোছানো থাকে—স্ক্রু ড্রাইভার, হিট গান, মাল্টিমিটার, সবকিছু নির্দিষ্ট জায়গায়। আমি স্বরণ চন্দ্র, ঝালকাঠির ছেলে, বরিশাল বিভাগ থেকে ঢাকায় এসেছি এই টুলগুলো ব্যবহার করার দক্ষতা অর্জন করতেই। মালিবাগ মৌচাকের মতো এলাকায় ঢাকায় আসার পর প্রথম যে জিনিসটা খেয়াল করি, তা হলো এখানকার মানুষের সময়ের দাম অনেক বেশি। কেউ দুই মিনিটও অপেক্ষা করতে রাজি না, অথচ ফোন ছাড়া একটা মুহূর্তও চলে না তাদের। এই দ্বন্দ্বটা বুঝেই ভাবলাম, দ্রুত আর নির্ভুল কাজ করার দক্ষতাটাই হতে হবে আমার মূলধন। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রতিটা ক্লাসেই সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে কাজ করার অভ্যাস তৈরি করার চেষ্টা করেছি। প্রশিক্ষকরা যখন বলতেন, "শুধু ঠিক করলেই হবে না, দ্রুত ঠিক করতে হবে"—কথাটা মনে গেঁথে যেতো। কোর্স শেষে সেন্টার পয়েন্টের "Gsm Repair"-এ কাজ শুরু করার পর এই শিক্ষাটাই সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে। আজ ঝালকাঠি থেকে দূরে এসে মৌচাকের এই ব্যস্ত মলে কাজ করতে করতে বুঝি, প্রতিটা দ্রুত সমাধান করা কাজের পেছনেই লুকিয়ে থাকে অনেক ঘণ্টার অনুশীলন। টুল বক্সটা যত গোছানো, ভেতরের দক্ষতাটাও ততটাই গোছানো হয়ে উঠেছে সময়ের সাথে সাথে।
উখিয়ার কোর্ট বাজার চৌরাস্তা এলাকাটা এমন একটা জায়গা, যেখানে চারটে রাস্তা এসে মিশেছে—ঠিক যেমন এখানকার মানুষের জীবনও নানা দিক থেকে প্রভাবিত। আমি সাইদুল ইসলাম, কক্সবাজারের এই ব্যস্ত মোড়েই গড়ে তুলেছি "Marwa Telecom"। উখিয়ার মতো এলাকায় ব্যবসা করার একটা নিজস্ব বাস্তবতা আছে—এখানে স্থানীয় মানুষ, ভ্রমণে আসা মানুষ, বিভিন্ন সংস্থার কর্মী—সব মিলিয়ে একটা বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠী। প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন পটভূমির মানুষের সাথে মেলামেশা করতে হয়, তাদের চাহিদাও ভিন্ন। এই বৈচিত্র্যটা সামলাতে হলে শুধু কাজ জানলেই হবে না, মানুষ বুঝতে জানাটাও জরুরি—এই উপলব্ধি থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় টেকনিক্যাল দক্ষতার পাশাপাশি শিখেছি কীভাবে ভিন্ন ধরনের গ্রাহকের সাথে ধৈর্য নিয়ে কথা বলতে হয়, সমস্যাটা বুঝে নিতে হয়। কোর্স শেষে চৌরাস্তায় নিজের দোকান দাঁড় করানোর পর এই শিক্ষাটাই সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে। আজ কোর্ট বাজার চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে যখন দেখি বিভিন্ন পটভূমির মানুষ একইভাবে আমার দোকানে আস্থা রাখছেন, তখন বুঝি—এই চৌরাস্তার মতোই আমার দোকানটাও হয়ে উঠেছে বিভিন্ন মানুষের মিলনস্থল।
আমঝুপি বাজারের চার রাস্তার মোড়ে আমার দোকানের নাম দেখে অনেকে প্রথমে অবাক হন—"Lezon Lab"? মোবাইলের দোকানের নাম আবার ল্যাব হয় নাকি! আমি মোঃ সামিউল ইসলাম লিজন, মেহেরপুর সদরের আমঝুপি ইউনিয়নের ছেলে, আর এই নামকরণের পেছনে আমার একটা নিজস্ব দর্শন কাজ করেছে। আমার কাছে মোবাইল সারানোর কাজটা কখনোই শুধু যান্ত্রিক মনে হয়নি—প্রতিটা সমস্যা যেন একটা পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়, ঠিক ল্যাবরেটরির মতো। এই ভাবনা থেকেই ২০২৫ সালের ৪ঠা অক্টোবর বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের কোর্সে ভর্তি হই, যেন গভীরভাবে বুঝতে পারি প্রতিটা ডিভাইসের ভেতরের জটিলতা। প্রায় আড়াই মাসের এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা সমস্যাকে একটা এক্সপেরিমেন্টের মতো দেখার অভ্যাস তৈরি হয়—আগে পর্যবেক্ষণ, তারপর বিশ্লেষণ, শেষে সমাধান। ১৫ই ডিসেম্বর কোর্স শেষ করে চার রাস্তার মোড়ে নিজের এই "ল্যাব" দাঁড় করাই। আজ আমঝুপি বাজারের মানুষ যখন জটিল কোনো সমস্যা নিয়ে আসেন, তারা জানেন এখানে শুধু তাড়াহুড়ো করে কাজ সারা হয় না, বরং প্রতিটা সমস্যা বিশ্লেষণ করে সঠিক সমাধান খোঁজা হয়। "Lezon Lab" নামটা তাই আমার কাছে শুধু একটা দোকানের নাম না, বরং কাজের প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গিরই একটা প্রতিফলন।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া আর লোহাগাড়ার সংযোগস্থলে ছোট্ট একটা দোকান, নাম রেখেছি "Best Mobile Corner"। আমি মঈনুদ্দীন হাসান, নামটা রাখার সময় ইচ্ছে ছিল একটাই—যেন এলাকার মানুষ এই নামের সাথে বিশ্বাসটাও জুড়ে নেয়। দুই উপজেলার সীমানার এই জায়গাটা আমার কাছে সবসময় একটা সম্ভাবনার জায়গা মনে হতো—দুই দিক থেকেই মানুষ আসে, দুই এলাকার চাহিদাই এখানে মেটানো যায়। কিন্তু এই সুযোগটা কাজে লাগাতে হলে প্রথমে দরকার ছিল আসল দক্ষতা। তাই ২০২৬ সালের ৪ঠা জানুয়ারি বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা কৌশল মন দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম দুই এলাকার মানুষকে একসাথে সেবা দিতে হলে দক্ষতার কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না। ২রা এপ্রিল কোর্স শেষ করে নিজের এই স্বপ্নের দোকানটা দাঁড় করাই। আজ সাতকানিয়া আর লোহাগাড়া—দুই এলাকার মানুষই যখন "Best Mobile Corner"-এর কথা মনে রাখে, তখন বুঝি নামটা রাখার সেই ইচ্ছেটা সত্যি হয়েছে। দুই উপজেলার সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে আজ আমি এক অর্থে দুই এলাকার মানুষকেই একসাথে সংযুক্ত করছি।
ভোরবেলা লারিবাড়ি বাজারে যখন দোকানপাট একে একে খুলতে শুরু করে, তার মধ্যে একটা শাটার তুলি আমিও—"Molla Telecom & Mobile Service"। আমি মোঃ শৌরভ, রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার চরপাথুরিয়া গ্রামের ছেলে। চরাঞ্চলের মানুষ হিসেবে বড় হয়েছি, জানি এখানকার জীবনযাত্রা কতটা ভিন্ন হতে পারে মূল শহরের চেয়ে। নদীর পাড়ের এই এলাকায় কিছু নষ্ট হলে দ্রুত ঠিক করানোর মতো জায়গা খুব বেশি ছিল না, এই শূন্যতাটা আমাকে ভাবাতো। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, নিজেই একটা সমাধান হয়ে উঠবো। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং-এর কাজ শিখলাম মন দিয়ে। প্রতিটা ক্লাসে নতুন একটা করে সমস্যার সমাধান শিখতাম, আর মনে মনে ভাবতাম—এই জ্ঞানটা একদিন লারিবাড়ির মানুষের কাজে লাগবে। কোর্স শেষে সেই স্বপ্নটাকে বাস্তবে রূপ দিলাম, নিজের দোকান খুলে বসলাম বাজারেই। আজ চরপাথুরিয়া আর আশপাশের গ্রামের মানুষ যখন সকালবেলা বাজারে আসার পথে আমার দোকানে থামে, তখন বুঝি—এই ভোরের রুটিনটাই এখন শুধু আমার একার না, পুরো এলাকার একটা নির্ভরতার অংশ হয়ে উঠেছে।
"তুই মোবাইল ব্যবসা করবি?" ফেনী সদরের ট্রাংক রোডে আবেদীন সুপার মার্কেটে দোকান দেওয়ার কথা যখন পরিবারকে জানাই, প্রথম প্রতিক্রিয়াটা ছিল এমনই একটা প্রশ্ন। আমি মোঃ শুভ, উত্তরটা তখন নিজের কাছেও পুরোপুরি স্পষ্ট ছিল না, শুধু একটা বিশ্বাস ছিল—চেষ্টা করে দেখতে দোষ কী। ফেনী শহরের প্রাণকেন্দ্র ট্রাংক রোডে ব্যবসা করার একটা সুবিধা আছে—মানুষের চলাচল সবসময় বেশি। কিন্তু শুধু ভালো লোকেশন দিয়ে তো ব্যবসা টেকে না, দরকার আসল দক্ষতা। তাই দোকান খোলার আগেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং-এর কাজটা রপ্ত করে নিই। প্রশিক্ষণের প্রতিটা দিন নিজের সেই সিদ্ধান্তটাকে আরও দৃঢ় করেছে। শিখতে শিখতে বুঝেছি, শুধু বিক্রি না, মেরামতের দক্ষতাও থাকলে গ্রাহকের আস্থা অনেক বেশি অর্জন করা যায়। কোর্স শেষ করে "মমিন টেলিকম" নামে দোকান দাঁড় করাই। আজ যখন পরিবারের সেই মানুষগুলো দোকানে এসে দেখেন কীভাবে ব্যবসা চালাচ্ছি, তখন তাদের চোখে একটা অন্যরকম গর্ব দেখতে পাই। সেই একটা প্রশ্নের উত্তর আজ আমি নিজের কাজ দিয়েই দিয়ে যাচ্ছি প্রতিদিন।
অন্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা বা জীবনকে ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়া আমার নীতি ছিল না। শুরু থেকেই ভেতরের তাগিদটা ছিল পরিষ্কার—নিজের শক্তিতে এমন কিছু করতে হবে, যেন নিজের পরিচয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি। বুঝতে পেরেছিলাম, আধুনিক এই যুগে স্বাবলম্বী হওয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো প্র্যাকটিক্যালি এমন একটি হাতের কাজ শেখা, যার চাহিদা বাজারে সবসময় থাকবে। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সেই সংকল্প থেকেই যুক্ত হই iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টের আধুনিক ল্যাব এবং দক্ষ প্রশিক্ষকদের সান্নিধ্যে শুরু হয় নিজেকে নতুন করে গড়ার পথচলা। শূন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু করলেও মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট গাইডলাইনে অতি অল্প সময়েই স্মার্টফোনের সূক্ষ্ম সার্কিট ডায়াগনসিস, মাদারবোর্ড ট্রেসিং এবং আইসি (IC) লেভেলের জটিল কাজগুলো নিখুঁতভাবে রক্তস্থ করে নিই। প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে প্রতিদিন নতুন নতুন টেকনিক্যাল সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে কাজের প্রতি আমার ভেতরের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যায়। কোর্স সম্পন্ন করার পরপরই নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ চলে আসে। আইফিক্স ফাস্ট থেকে অর্জিত মানসম্মত কারিগরি বিদ্যাকে সম্বল করে যুক্ত হই একটি স্বনামধন্য মোবাইল সার্ভিস সেন্টারে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে। আজ আমি একজন দক্ষ ও সফল টেকনিশিয়ান। টেবিলে আসা কঠিন থেকে কঠিনতম নষ্ট ফোনগুলো যখন নিজের হাতের ছোঁয়ায় পুরোপুরি সচল করে তুলি এবং কাস্টমারের মুখে সন্তুষ্টির হাসি দেখি, তখন মনে হয় নিজের কিছু করার সেই চেষ্টাটি শতভাগ সার্থক হয়েছে।
আমি আগে থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং লাইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞান পুরোপুরি ছিল না। নিজেকে আরও আপডেট করা এবং ভবিষ্যতে নিজের ব্যবসা করার লক্ষ্য নিয়ে iFixFast Training Institute-এ Basic & Advance Course করি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনেক নতুন কিছু শিখতে পেরেছি এবং বাস্তব কাজের ক্ষেত্রে আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে Mahadi Sir-এর আন্তরিকতা, সহযোগিতা ও বন্ধুর মতো আচরণ আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি IFIXFAST-এর সকল স্যারই শিক্ষার্থীদের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক ও সহযোগিতাপূর্ণ ছিলেন। কোনো বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে তারা ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং সবসময় উৎসাহ দিয়েছেন। বর্তমানে আমি চাকরি করছি এবং প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কাজে প্রয়োগ করতে পারছি। ভবিষ্যতে আমার লক্ষ্য হলো নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করা। IFixFast Training Institute আমার স্বপ্ন পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
আইফিক্স ফাস্টে এসে আমার শৈশবের কৌতুহলগুলো পূর্ণাঙ্গ কারিগরি দক্ষতায় রূপ নিতে শুরু করল। মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় একদম বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক স্মার্টফোনের মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস, সার্কিট ট্রেসিং এবং আইসি (IC) লেভেলের জটিল কাজগুলো খুব সহজেই প্র্যাকটিক্যালি শিখে ফেললাম। প্রতিদিন ল্যাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করার ফলে নিজের দক্ষতার ওপর এমন এক শক্ত আত্মবিশ্বাস তৈরি হলো যে বুঝতে পারলাম—এবার আমার স্বপ্নের পথ ধরে হাঁটার সময় এসেছে। প্রশিক্ষণ শেষ করেই আর দেরি না করে অর্জিত শক্ত বিদ্যা আর নিজের আত্মবিশ্বাসকে মূলধন করে শুভসূচনা করলাম আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং শপের। আজ যখন নিজের দোকানের চেয়ারে বসি, তখন এক অসীম তৃপ্তি কাজ করে। ছোটবেলায় যে প্রযুক্তি নিয়ে খেলা করার শখ ছিল, আজ সেই প্রযুক্তির সার্ভিস দিয়ে আমি একজন স্বাধীন ও সফল উদ্যোক্তা। প্রতিদিন অসংখ্য কাস্টমার ভরসা রেখে তাদের মোবাইল ফোনগুলো আমার কাছে নিয়ে আসেন, আর আমি আমার দক্ষতা দিয়ে সেগুলোর সমাধান করি। শৈশবের আগ্রহকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে iFixFast-এ ভর্তি হওয়ার সেই সিদ্ধান্তই আজ আমাকে চাকরির ভরসায় না রেখে নিজের একটি প্রতিষ্ঠানের সফল মালিক বানিয়ে দিয়েছে
আমি আগে থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং লাইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞান পুরোপুরি ছিল না। নিজেকে আরও আপডেট করা এবং ভবিষ্যতে নিজের ব্যবসা করার লক্ষ্য নিয়ে iFixFast Training Institute-এ Basic & Advance Course করি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনেক নতুন কিছু শিখতে পেরেছি এবং বাস্তব কাজের ক্ষেত্রে আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে Mahadi Sir-এর আন্তরিকতা, সহযোগিতা ও বন্ধুর মতো আচরণ আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি IFIXFAST-এর সকল স্যারই শিক্ষার্থীদের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক ও সহযোগিতাপূর্ণ ছিলেন। কোনো বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে তারা ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং সবসময় উৎসাহ দিয়েছেন। বর্তমানে আমি চাকরি করছি এবং প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কাজে প্রয়োগ করতে পারছি। ভবিষ্যতে আমার লক্ষ্য হলো নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করা। IFixFast Training Institute আমার স্বপ্ন পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর যখন বেশিরভাগ সহপাঠী ছুটি কাটানো আর আড্ডায় ব্যস্ত, তখন আমার বাবা নিয়েছিলেন এক দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। অলস সময় নষ্ট না করে আমাকে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর জন্য তিনি আমাকে ভর্তি করিয়ে দেন iFixFast Training Institute-এ। বাবার একটাই কথা ছিল—পড়াশোনার পাশাপাশি হাতের একটি শক্ত দক্ষতা থাকলে ভবিষ্যতে কখনো থমকে দাঁড়াতে হবে না। আইফিক্স ফাস্টে এসে শুরু হলো আমার জীবনের এক নতুন অধ্যায়। তরুণ বয়সে প্রফেশনাল মেন্টরদের কাছ থেকে স্মার্টফোনের অতি সূক্ষ্ম সার্কিট ট্রেসিং, মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস এবং আইসি (IC) লেভেলের জটিল কাজগুলো প্র্যাকটিক্যালি শিখতে শুরু করলাম। প্রতিদিন ল্যাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনুশীলনের মাধ্যমে কাজের যে নিখুঁত দক্ষতা তৈরি হলো, তা আমার ভেতরের আত্মবিশ্বাসকে এক লাফে বহুগুণ বাড়িয়ে দিল। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর বাবা আমার প্রতি বিশ্বাস রেখে এবং অর্জিত দক্ষতাকে মূলধন করে আমাকে একটা মোবাইল সার্ভিসিং দোকান দিয়ে দেন। আজ আমি একই সাথে একজন শিক্ষার্থী এবং নিজের দোকানের সফল উদ্যোক্তা। দিনের নির্দিষ্ট সময় কলেজে পড়াশোনা করি, আর বাকি সময় নিজের দোকানে বসে কাস্টমারদের মোবাইল ফোনের জটিল সমস্যার টেকনিক্যাল সমাধান দিই। খুব অল্প বয়সেই নিজের উপার্জনে পড়াশোনার খরচ চালানোর পাশাপাশি পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করতে পেরেছি। এসএসসি পরীক্ষার পর বাবাকে বিশ্বাস করে iFixFast-এ ভর্তি হওয়ার সেই সিদ্ধান্ত এবং বাবার দেওয়া দোকানটি আজ আমার পড়াশোনা ও সফল কেরিয়ার—দুটোকেই একসাথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে অন্যের দেওয়া টার্গেট মেলানো কিংবা কারোর নির্দেশে কাজ করা—এই বাঁধাধরা নিয়মে নিজের জীবনকে আটকে রাখতে চাইনি কখনো। সবসময় ভেতরে একটা জেদ কাজ করত, কাজ করলে নিজের জন্য করব, ভুল হোক বা ঠিক—সিদ্ধান্তটা হবে আমার নিজের। একটা নিজের দোকান থাকবে, দরজায় লেখা থাকবে আমার প্রতিষ্ঠানের নাম—এই স্বপ্নটাই আমাকে সবসময় তাড়া করে বেড়াত। তবে সেই স্বপ্নকে সত্যি করতে চাইছিল শক্ত একটি কারিগরি ভিত্তি। সেই উদ্দেশ্যেই ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টের ল্যাবে কাটানো প্রতিটি দিন ছিল আমার স্বপ্নের ভিত গড়ার দিন। প্রফেশনাল প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে স্মার্টফোনের জটিল মাদারবোর্ড ট্রেসিং, ফল্ট ফাইন্ডিং এবং আধুনিক আইসি (IC) লেভেলের কাজগুলো নিখুঁতভাবে প্র্যাকটিস করে রপ্ত করলাম। প্রতিদিন নতুন নতুন টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জ সমাধান করতে করতে কাজের ওপর এমন এক আত্মবিশ্বাস তৈরি হলো যে মনে হলো—হ্যাঁ, এবার আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে প্রস্তুত। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করার পর আর পেছনে তাকাইনি। অর্জিত দক্ষতা, অদম্য সাহস আর জমানো কিছু স্বপ্ন সম্বল করে শুভসূচনা করলাম আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং শপের। আজ সকালবেলা যখন দোকানের শাটারটা নিজের হাতে খুলি, তখন যে আত্মতৃপ্তি পাই, তা পৃথিবীর অন্য কোনো চাকরিতে পাওয়া সম্ভব নয়। প্রতিদিন কাস্টমাররা ভরসা নিয়ে তাদের মোবাইল ফোনগুলো আমার কাছে নিয়ে আসেন, আর আমি আমার হাতে শেখা বিদ্যা দিয়ে সেগুলোর সমাধান করি। অন্যের অধীনে না থেকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সেই জেদ আর iFixFast-এর মানসম্মত শিক্ষাই আজ আমাকে একজন সফল ও আত্মনির্ভরশীল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে
আমাদের পরিবারের পরিচিতি আর জীবিকার বড় সম্বল ছিল বাবার ইলেকট্রিক্যাল দোকানটি। ছোটবেলা থেকেই দেখেছি বাবা কীভাবে দিন-রাত পরিশ্রম করে এই ব্যবসাটি দাঁড় করিয়েছেন। তবে সময়ের সাথে সাথে ইলেকট্রনিক্স আর মোবাইল প্রযুক্তির চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় আমি বুঝতে পারি, বাবাকে সত্যিকারের সাহায্য করতে হলে দোকানে আধুনিক মোবাইল সার্ভিসিংয়ের সেবা যুক্ত করা প্রয়োজন। বাবার ঐতিহ্যবাহী ব্যবসাকে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আরও বড় করার লক্ষ্যেই সিদ্ধান্ত নিই দক্ষ টেকনিশিয়ান হওয়ার। সেই ইচ্ছা বাস্তবায়নে সরাসরি ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে শুরু হলো নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার কড়া প্র্যাকটিস। প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক স্মার্টফোনের জটিল মাদারবোর্ড ট্রেসিং, মাইক্রো-সোল্ডারিং এবং আইসি (IC) লেভেলের অ্যাডভান্স কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে নিখুঁতভাবে রক্তস্থ করলাম। উদ্দেশ্য একটাই—বাবার দোকানে বসে যেন টেকনিক্যাল কোনো কাজে আমাকে আটকে যেতে না হয়। প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে আইফিক্স ফাস্ট থেকে অর্জিত কারিগরি দক্ষতা নিয়ে যুক্ত হলাম বাবার দোকানে। সার্ভিসিংয়ের নতুন কাউন্টার চালু করে বাবার ইলেকট্রিক্যাল দোকানের প্রধান প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করলাম। আজ আমাদের দোকানে শুধু ইলেকট্রিক্যাল মালামালই বিক্রি হয় না, বরং কাস্টমাররা অত্যন্ত ভরসার সাথে তাদের দামি মোবাইল ফোনগুলো সার্ভিসিং করাতে নিয়ে আসেন। বাবার পুরনো কাস্টমারদের হাসিমুখ আর নতুন সার্ভিসিং সেবার যুক্ততায় দোকানের বেচাকেনা ও সুনাম দুটোই এখন দ্বিগুণ। বাবার পাশে টেকনিশিয়ান হয়ে দাঁড়ানোর সেই সিদ্ধান্ত এবং iFixFast-এর আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ আজ আমাদের পারিবারিক ব্যবসাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে
আমি মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্য নিয়ে IFixFast Training Center-এ ভর্তি হয়েছিলাম। মোবাইল ফোনের প্রতি আমার আগ্রহ থেকেই এই পেশায় আসার ইচ্ছা তৈরি হয়। তবে শুধু আগ্রহ থাকলেই হবে না, সঠিকভাবে কাজ শেখা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করাও জরুরি ছিল। তাই একজন দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হওয়ার জন্য আমি IFixFast Training Center-এ কোর্সে যোগ দিই। কোর্স চলাকালীন সময়ে আমি মোবাইল ফোনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সমস্যা সম্পর্কে জানতে পারি এবং হাতে-কলমে কাজ শেখার সুযোগ পাই। শুরুতে অনেক কাজ কঠিন মনে হলেও প্রশিক্ষকদের সহযোগিতা এবং নিয়মিত প্র্যাকটিসের মাধ্যমে ধীরে ধীরে কাজগুলো বুঝতে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে শিখি। IFixFast Training Center-এ প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার জন্য অনেক ভালো ছিল। এখান থেকে পাওয়া জ্ঞান, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। আমার কাছে IFixFast-এর এই কোর্সটি শুধু একটি প্রশিক্ষণ নয়, বরং নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমি নতুন একটি দক্ষতা অর্জন করেছি এবং নিজের ব্যবসা পরিচালনা করার আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। ভবিষ্যতে আরও বেশি দক্ষতা অর্জন করে আমার ব্যবসাকে বড় করা এবং একজন সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করাই আমার লক্ষ্য।
মোবাইল সার্ভিসিংয়ের একটি দোকান আমার বেশ আগে থেকেই ছিল। কিন্তু তিক্ত সত্যটা হলো—ব্যবসা থাকলেও আমি সব ধরনের কাজ পারতাম না। ছোটখাটো ডিসপ্লে বদলানো বা পার্টস চেঞ্জের কাজগুলো করতে পারলেও মাদারবোর্ডের জটিল কোনো সমস্যা বা আইসি (IC) লেভেলের কাজ এলেই থমকে যেতে হতো। অনেক সময় কাস্টমারের ফোন ফেরত দিতে হতো অথবা অন্য বড় দোকানে পাঠিয়ে কাজ করিয়ে আনতে হতো। নিজের দোকান থাকা সত্ত্বেও কাজ না পারার এই অক্ষমতা আমাকে প্রতিনিয়ত ছোট করত এবং ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি করছিল। নিজের এই দুর্বলতা দূর করে কাস্টমারদের সেরা সেবা দিতে সিদ্ধান্ত নিই দক্ষতা বাড়ানোর। সেই লক্ষ্যেই ভর্তি হই iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে যুক্ত হওয়ার পর আমার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ বদলে যায়। সেখানকার প্রফেশনাল মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে বেসিক থেকে শুরু করে মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম সার্কিট লাইন ট্রেসিং, ডিজিটাল মিটার দিয়ে ফল্ট ফাইন্ডিং এবং আধুনিক আইসি রিবলিংয়ের মতো অ্যাডভান্স কাজগুলো অত্যন্ত সহজ নিয়মে হাতে-কলমে শিখে নিই। যেসব জটিল কাজ দেখে আগে ভয় পেতাম, প্রতিদিনের প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে অনুশীলনের মাধ্যমে সেগুলো আমার কাছে একদম পানির মতো সহজ হয়ে গেল। কোর্স সম্পন্ন করে নিজের দোকানে ফিরে এসে শুরু হলো আমার নতুন অধ্যায়। আজ আমার দোকানে আর কোনো কাজ আটকে থাকে না। ছোট সমস্যা থেকে শুরু করে আধুনিক স্মার্টফোনের কঠিনতম মাদারবোর্ড রিপেয়ার—সব কাজ এখন আমি নিজেই ১০০% নিখুঁতভাবে সমাধান করতে পারি। কোনো কাস্টমারকে আর খালি হাতে ফিরে যেতে হয় না। আগের সেই অসমাপ্ত দোকানটি আজ একটি পূর্ণাঙ্গ ও বিশ্বস্ত সার্ভিস সেন্টারে পরিণত হয়েছে। কাজের মান বেড়ে যাওয়ায় কাস্টমারের ভরসা ও আয় দুটোই বেড়েছে বহুগুণ। নিজেদের দুর্বলতা মেনে নিয়ে iFixFast-এ আধুনিক কাজ শেখার সেই সিদ্ধান্তই আজ আমাকে একজন পরিপূর্ণ ও সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে
পড়াশোনা শেষ করে দীর্ঘ দিন বেকারত্বের অভিশাপ বইতে হয়েছিল। প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা আর সমাজের নানা প্রশ্নে মনে হতো জীবনটা বুঝি কোনো নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছাবে না। কিন্তু আমি জানতাম, বেকার বসে থেকে আফসোস করার চেয়ে নিজের হাতে এমন এক দক্ষতা তৈরি করা প্রয়োজন, যা দিয়ে নিজের ভাগ্য নিজেই লেখা যায়। সেই বেকারত্বকে চূড়ান্ত বিদায় দেওয়ার সংকল্প নিয়ে ভর্তি হই iFixFast Training Institute-এ। সেখানকার ল্যাবে শুরু হয় শূন্য থেকে নিজেকে গড়ার নতুন লড়াই। প্রশিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনায় একদম বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক স্মার্টফোনের মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস, সার্কিট ট্রেসিং এবং জটিল আইসি (IC) লেভেলের মাইক্রো-সোল্ডারিং নিখুঁতভাবে শিখতে শুরু করি। প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্র্যাকটিস করার ফলে কাজের ওপর দারুণ এক আত্মবিশ্বাস চলে আসে। কোর্স সম্পন্ন করেই অর্জিত শক্ত কারিগরি বিদ্যাকে মূলধন করে সিদ্ধান্ত নিই স্বাধীন ব্যবসা শুরু করার। আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি—শুভসূচনা করি আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং শপের। যে আমি একদিন বেকারত্ব আর হতাশায় দিন কাটাতাম, আজ আমি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠানের হর্তাকর্তা ও একজন স্বাধীন উদ্যোক্তা। প্রতিদিন অসংখ্য কাস্টমার ভরসা রেখে আমার কাছে আসেন, আর আমি আমার দক্ষতায় সার্ভিস দিয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটাই। সঠিক সময়ে বেকারত্ব ঘুচাতে কারিগরি শিক্ষা নেওয়ার সেই সিদ্ধান্তই আজ আমাকে সমাজে সফল ও আত্মনির্ভরশীল মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে
প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ এবং নিজের হাতে কিছু করার প্রবল ইচ্ছা থেকেই আমার মোবাইল রিপেয়ারিংয়ের যাত্রা শুরু। শুরুটা ছিল কেবল শেখার কৌতুহল দিয়ে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই আগ্রহ পরিণত হয় পেশাদার দক্ষতা এবং একটি দায়িত্বশীল ক্যারিয়ারে। মোবাইল ফোনের সাধারণ সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে হার্ডওয়্যার ডায়াগনোসিস (Hardware Diagnosis), মাইক্রো-সোল্ডারিং (Micro-soldering), আইসি লেভেল রিপেয়ার (IC Level Repair), সফটওয়্যার সার্ভিসিং এবং জটিল সার্কিট-লেভেল সমস্যার সমাধানে গভীর দক্ষতা অর্জন করি। প্রতিটি নষ্ট ফোন আমার কাছে শুধু একটি ডিভাইস নয়—বরং একটি নতুন সমস্যা বিশ্লেষণ করে তা সমাধান করার দারুণ সুযোগ। নিজের দক্ষতাকে আরও পেশাদার পর্যায়ে নিয়ে যেতে আমি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করেছি এবং একজন Certified Mobile Repair Engineer হিসেবে কাজ করছি। আমার কাজের মূল নীতি তিনটি—সঠিক ডায়াগনোসিস, মানসম্মত রিপেয়ার এবং গ্রাহকের আস্থা। কারণ একটি দামি স্মার্টফোন মেরামতের ক্ষেত্রে শুধু কাজ সম্পন্ন করাই শেষ কথা নয়; প্রয়োজন সঠিক সমস্যাটি নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা, অপ্রয়োজনীয় পার্টস পরিবর্তন না করা এবং যথাসম্ভব নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্যভাবে ডিভাইসটি পুনরুদ্ধার করা। বিশেষ করে জটিল হার্ডওয়্যার সমস্যার সমাধানে 'আইসি লেভেল রিপেয়ার' ও 'প্রিসিশন রিপেয়ার'-এর (Precision Repair) প্রতি আমি বিশেষ গুরুত্ব দিই। আমার লক্ষ্য হলো—গ্রাহক যেন একটি সমস্যাগ্রস্ত ফোন নিয়ে এসে শতভাগ নির্ভরতার সঙ্গে বলতে পারেন, “আমার ফোনটি সঠিক ও দক্ষ হাতে রয়েছে।” এই যাত্রায় আমার সবচেয়ে বড় অর্জন শুধু একজন সার্টিফাইড মোবাইল রিপেয়ার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া নয়; বরং নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের প্রয়োজনীয় ডিভাইস ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ডেটা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারা। আমি বিশ্বাস করি, সাফল্য একদিনে আসে না। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা, অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া, আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে আপডেট রাখা এবং কাজের প্রতি শতভাগ সততা—এই বিষয়গুলোই একজন টেকনিশিয়ানকে দক্ষ পেশাদার ইঞ্জিনিয়ারে পরিণত করে। আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি—আমার এই শেখার যাত্রা থামেনি। বরং প্রতিটি নতুন মডেল, প্রতিটি নতুন সার্কিট এবং প্রতিটি জটিল সমস্যা আমাকে আরও দক্ষ হওয়ার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে। আমার লক্ষ্য একটাই—দক্ষতা, সততা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে নিজেকে একজন বিশ্বমানের Mobile Repair Engineer হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং গ্রাহকদের জন্য সেরা সার্ভিস নিশ্চিত করা
একসময় পাঞ্জাবির শোরুমে কাজ করতাম। প্রতিদিন একই ধারার কাজ আর মাস শেষে নির্দিষ্ট কিছু টাকার মধ্যে জীবনটা থমকে ছিল। মনে মনে ভাবতাম, এভাবে কত দিন? নিজের স্থায়ী কোনো হাতের কাজ না থাকলে ক্যারিয়ারে বড় কোনো উন্নতি করা সম্ভব নয়। ইলেকট্রনিক্সের যুগের সাথে তাল মিলিয়ে একটা শক্ত কারিগরি দক্ষতা শেখার চিন্তাটা প্রতিদিন মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেত। ঠিক সেই সময়েই ফেসবুকে একদিন চোখের সামনে ভেসে ওঠে iFixFast Training Institute-এর মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বিভিন্ন প্র্যাকটিক্যাল ভিডিও। ভিডিওগুলো দেখে আগ্রহ এতটাই বেড়ে যায় যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি কাজ আমাকে শিখতেই হবে। যে কথা সেই কাজ, ভর্তি হয়ে গেলাম আইফিক্স ফাস্টে। অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের দিকনির্দেশনায় টানা ৬-৭ মাস ধরে স্মার্টফোনের অতি সূক্ষ্ম সার্কিট ট্রেসিং, মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস আর জটিল আইসি (IC) লেভেলের কাজগুলো একদম নিখুঁতভাবে প্র্যাকটিস করে আয়ত্ত করে নিলাম। কোর্স শেষ করার পর কিছুদিন অপেক্ষা করতে হলেও শেখা দক্ষতার ওপর আমার বিশ্বাস একটুও কমেনি। অবশেষে আমার সেই ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রমের ফল পেলাম। আইফিক্স ফাস্ট থেকে অর্জিত আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিগত বিদ্যাকে সম্বল করে আজ আমি 'GSM Repair'-এ প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি
অন্যের নির্দেশ মেনে আট-আটটা ঘণ্টা চেয়ারে বন্দী থাকার ইচ্ছা আমার কোনোকালেই ছিল না। মাস শেষে নির্দিষ্ট কিছু টাকার জন্য কারো অধীনে কাজ করা—এই ছকবাঁধা জীবনটা আমার স্বভাবের সাথে একদমই মিলত না। আমার স্বপ্ন ছিল একটাই; নিজের পরিচয় আমি নিজেই তৈরি করব, নিজের একটি ব্যবসা থাকবে এবং আমি হব আমার নিজের সিদ্ধান্তের মালিক। কিন্তু শুধু ইচ্ছে দিয়ে তো আর ব্যবসা দাঁড় করানো যায় না, তার জন্য প্রয়োজন শক্ত প্রযুক্তিগত যোগ্যতা। সেই নিজের পায়ে দাঁড়ানোর অদম্য তাগিদ থেকেই পা রাখি iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে কাটানো প্রতিটি দিন ছিল আমার স্বপ্নের ভিত গড়ার দিন। প্রতিষ্ঠানের মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় একদম শূন্য থেকে শুরু করে স্মার্টফোনের অতি সূক্ষ্ম সার্কিট ট্রেসিং, মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস এবং আইসি (IC) লেভেলের জটিল কাজগুলো প্র্যাকটিক্যালি আয়ত্ত করতে লাগলাম। ল্যাবে প্রতিদিন বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হয়ে কাজ করার ফলে নিজের দক্ষতার ওপর এক অভাবনীয় আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেল। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করার পর আর এক মুহূর্তও বসে থাকিনি। অর্জিত বিদ্যা আর নিজের অদম্য সাহসকে সম্বল করে অবশেষে শুভসূচনা করলাম আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং শপের। আজ আর আমাকে কারো নির্দেশে চলতে হয় না। আমি আমার নিজের দোকানের একজন সফল ও স্বাধীন উদ্যোক্তা। প্রতিদিন কাস্টমাররা ভরসা নিয়ে তাদের মোবাইল ফোনগুলো আমার কাছে নিয়ে আসেন, আর আমি আমার শেখা বিদ্যা দিয়ে নিখুঁত সেবা প্রদান করি। চাকরির মানসিকতা থেকে বের হয়ে সঠিক সময়ে কারিগরি শিক্ষা নেওয়ার সেই সিদ্ধান্তটিই আজ আমাকে সফলতার চূড়ায় পৌঁছে দিয়েছে এবং সমাজে এনে দিয়েছে এক নতুন সম্মান
জীবনটা একসময় একদম অর্থহীন মনে হতো। পড়াশোনা শেষ করে বা কোনো নির্দিষ্ট কাজ না পেয়ে দীর্ঘদিন বেকার বসে ছিলাম। দিনের পর দিন কোনো কাজ না থাকা, পরিবারের মুখে হতাশা আর নিজের ভেতরের তৈরি হওয়া তীব্র মানসিক চাপ আমাকে প্রতিদিন তিলে তিলে শেষ করছিল। চারপাশের মানুষ যখন নিজের মতো করে এগিয়ে যাচ্ছিল, আমি তখন থমকে দাঁড়িয়ে ভাবতাম—আমার কি আদৌ কোনো ভবিষ্যৎ আছে? এই বেকারত্বের অন্ধকার থেকে বের হওয়ার একটাই পথ ছিল—নিজের হাতে এমন কোনো কাজ শেখা, যার চাহিদা কখনো শেষ হবে না। সেই আশার আলো নিয়েই ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে পা রাখার পর আমার জীবনের মোড় ঘুরতে শুরু করে। শূন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু করলেও প্রশিক্ষকদের ধৈর্যশীল গাইডলাইন আর প্রতিদিনের প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব ক্লাসের মাধ্যমে কাজগুলো আমার কাছে সহজ হতে থাকে। স্মার্টফোনের অতি সূক্ষ্ম সার্কিট ট্রেসিং, মাদারবোর্ডের জটিল ফল্ট ফাইন্ডিং এবং পার্টস রিপ্লেসমেন্টের কাজগুলো হাতে-কলমে নিখুঁতভাবে শিখতে লাগলাম। দিনের পর দিন অনুশীলনের মাধ্যমে আমার ভেতরের হারানো আত্মবিশ্বাস আবার ফিরে এল। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করার পর পেছনের সব হতাশা আর বেকারত্বের তকমা এক লহমায় মুছে গেল। আইফিক্স ফাস্ট থেকে অর্জিত এই শক্ত কারিগরি দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আজ আমি একটি সার্ভিস সেন্টারে সফল প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি
অনেকসময় মানুষ ভুল জায়গায় নিজের সময় ও মেধা নষ্ট করে। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হচ্ছিল। একসময় ভাবতাম হয়তো বড় কোনো ডিগ্রী বা অফিসিয়াল চাকরি ছাড়া জীবন গুছানো সম্ভব নয়। কিন্তু যখন বুঝতে পারলাম আমার ভেতরের সত্যিকারের আগ্রহটা ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তির সূক্ষ্ম কাজের প্রতি, তখন আর পুরনো ছকে হাঁটার কোনো মানে খুঁজে পেলাম না। সিদ্ধান্ত নিলাম—কারো অধীনে না থেকে নিজের শক্তিতে একটা মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার গড়ে তুলব। সেই জেদ আর অদম্য স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে এসে জীবনের গতি একদম পাল্টে গেল। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের চমৎকার পরিবেশ এবং প্রশিক্ষকদের বন্ধুসুলভ দিকনির্দেশনায় কাজ শেখার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে লাগলাম। মাদারবোর্ডের জটিল ভোল্টেজ ট্রেসিং, ফল্ট ফাইন্ডিং এবং আইসি (IC) লেভেলের মাইক্রো-সোল্ডারিং—সবকিছুই একদম বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আত্মস্থ করলাম। প্রতিদিন অনুশীলনের মাধ্যমে কাজের যে নিখুঁত ফিনিশিং এল, তা আমাকে পুরোপুরি প্রস্তুত করে তুলল। কোর্স সম্পন্ন করার পরপরই নিজের সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ঘটালাম—চালু করলাম আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং শপ। আজ যখন নিজের দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়াই, তখন এক অন্যরকম তৃপ্তি কাজ করে। প্রতিদিন নানাবিধ টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জ আসে, আর আমি আইফিক্স ফাস্ট থেকে শেখা আধুনিক কৌশল প্রয়োগ করে সেই জটিল সমস্যাগুলো সহজেই সমাধান করে দিই। গ্রাহকদের বিশ্বাস ও সন্তুষ্টিই এখন আমার বিজনেসের বড় শক্তি
জীবন কখনোই সোজা পথে চলে না। যখন ক্যারিয়ার নিয়ে চতুর্মুখী চাপ আর মানসিক টানাফোড়নে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম, তখন বুঝতে পারি অন্যের তৈরি করে দেওয়া পথে হেঁটে আমার ভাগ্য বদলাবে না। একটা শক্ত প্রযুক্তিগত হাতের কাজ শেখাই হতে পারে এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার একমাত্র উপায়, যা দিয়ে পরবর্তীতে নিজেই একটা ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। এই অদম্য ইচ্ছা থেকেই যুক্ত হই iFixFast Training Institute-এ। সেখানে গিয়ে যেন সম্পূর্ণ নতুন এক জগতের আবিষ্কার ঘটল। ট্রেইনারদের আন্তরিক শেখানোর পদ্ধতি আর আধুনিক ল্যাব সুবিধা আমাকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করে। মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট রিডিং, ডিজিটাল মিটারের সাহায্যে সূক্ষ্ম সমস্যা নির্ণয় এবং পার্টস রিপ্লেসমেন্টের নিখুঁত কাজগুলো অল্প সময়েই আমার হাতের মুঠোয় চলে আসে। প্রতিনিয়ত জটিল সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তা সমাধানের এই অভ্যাস আমাকে মানসিকভাবেও একজন শক্ত কারিগর হিসেবে গড়ে তোলে। প্রশিক্ষণ শেষ করে অর্জিত জ্ঞান আর সততাকে মূলধন করে শেষ পর্যন্ত দিয়ে ফেললাম নিজের মোবাইল সার্ভিসিং দোকান। যে আমি একদিন নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগতাম, আজ আমি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠানের হর্তাকর্তা। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আস্থা নিয়ে আমার দোকানে আসেন তাদের পছন্দের মোবাইল ফোনটি ঠিক করতে, আর আমি আমার দক্ষতা দিয়ে তাদের মুখে তৃপ্তির হাসি ফোটাই
চাকরির চারদেয়ালে বন্দী জীবনের অনিশ্চয়তা আর মাস শেষে অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকার ক্লান্তি থেকে আমি মুক্ত হতে চেয়েছিলাম। সিদ্ধান্তটা পরিষ্কার ছিল—অন্যের অধীনে আর নয়, নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিং আউটলেট খুলব এবং নিজের পরিচয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচব। তবে শুধু ইচ্ছে থাকলেই তো ব্যবসা হয় না; আধুনিক বাজারে টিকতে হলে চাই নিখুঁত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা। সেই লক্ষ্যের একমাত্র সেতু হিসেবে বেছে নিয়েছিলাম iFixFast Training Institute-কে। প্রতিষ্ঠানে পা রাখার পর থেকেই বদলে যেতে থাকে কাজের প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গি। অভিজ্ঞ মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় একদম শূন্য থেকে শুরু করে স্মার্টফোনের অতি ক্ষুদ্র মাদারবোর্ড ট্রেসিং, মাইক্রো-সোন্ডারিং এবং অ্যাডভান্সড আইসি (IC) রিপেয়ারিংয়ের কাজগুলো নিখুঁতভাবে রক্তস্থ করি। ল্যাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হয়ে কাজ করার ফলে নিজের প্রতি এবং নিজের দক্ষতার ওপর এক অভাবনীয় আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। কোর্স সম্পন্ন করেই কোনো দ্বিধা না রেখে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নেমে পড়ি। আইফিক্স ফাস্ট থেকে অর্জিত আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিগত বিদ্যাকে সম্বল করে শুভসূচনা করি আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারের। আজ আমার দোকানে ঝুলছে আমার নিজের প্রতিষ্ঠানের নাম, আর আমি পরিচালনা করছি আমার স্বপ্নের ব্যবসা। নষ্ট ফোন নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকা কাস্টমাররা যখন আমার ওপর ভরসা রেখে হাসিমুখে সার্ভিস নিয়ে ফিরে যান, তখন মনে হয় উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্তটি শতভাগ সফল। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর যে স্বপ্ন নিয়ে আইফিক্স ফাস্টে ভর্তি হয়েছিলাম, সঠিক শিক্ষা আর কঠোর পরিশ্রম আজ আমাকে সেই স্বপ্নের চূড়ায় বসিয়ে দিয়েছে
অন্যের অধীনে কাজ করার বদলে সবসময় নিজের একটি স্বাধীন ব্যবসা দাঁড় করানোর ইচ্ছা ছিল। কিন্তু ব্যবসার সাফল্য নির্ভর করে সঠিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপর। সেই ভাবনা থেকেই মূলত সিদ্ধান্ত নিই এমন একটি প্রফেশনাল কাজ শেখার, যার চাহিদা কখনো কমবে না। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার নিরলস প্রচেষ্টা। অভিজ্ঞ ইন্সট্রাক্টরদের তত্ত্বাবধানে বেসিক থেকে শুরু করে স্মার্টফোনের জটিল মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস, পার্টস ট্রেসিং এবং আইসি (IC) লেভেলের সূক্ষ্ম কাজগুলো হাতে-কলমে নিখুঁতভাবে শিখতে শুরু করি। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আধুনিক ল্যাব এবং নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ আমার কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর নিজের সেই লালিত স্বপ্নটি পূরণ করার সময় আসে। অর্জিত দক্ষতা, প্র্যাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা এবং অদম্য সাহসকে পুঁজি করে অবশেষে আমি দিয়ে ফেলি আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং দোকান। আজ আমি একজন সফল ও স্বাধীন উদ্যোক্তা। প্রতিদিন কাস্টমাররা তাদের প্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ফোনগুলো নিয়ে আমার দোকানে আসেন, আর আমি আমার অর্জিত হাতের কাজ দিয়ে তাদের নিখুঁত সেবা প্রদান করি
কারো অধীনে চাকরি করার ইচ্ছা আমার কখনোই ছিল না। শুরু থেকেই মাথায় একটা চিন্তাই ঘুরপাক খেত—নিজের একটি প্রতিষ্ঠান হবে, নিজের পরিচয়ে আমি পরিচিত হব। কিন্তু স্বপ্নের পথ তো আর এমনি এমনি সুগম হয় না, তার জন্য প্রয়োজন শক্ত একটি ভিত। আর সেই ভিত তৈরি করতে প্রয়োজন ছিল এমন এক দক্ষতা, যা আমাকে বাজারে সবার চেয়ে আলাদা পরিচয় দেবে। নিজের দোকান দেওয়ার সেই অদম্য ইচ্ছা থেকেই ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। উদ্দেশ্য একটাই—মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ এমনভাবে শিখতে হবে যেন কোনো কাস্টমার আমার দোকান থেকে খালি হাতে ফিরে না যায়। আইফিক্স ফাস্টে শুরু হলো আমার সেই স্বপ্নের প্রস্তুতি। প্রশিক্ষকদের নিখুঁত গাইডলাইন, অত্যাধুনিক প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব এবং প্রতিদিন মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম সার্কিট ও আইসি (IC) লেভেলের কাজ করার সুযোগ আমাকে কাজের প্রতি প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী করে তুলল। অল্প দিনেই বুঝে গেলাম, প্রফেশনাল এবং আধুনিক সার্ভিসিং কাকে বলে। প্রশিক্ষণ শেষ করে আর পিছিয়ে থাকিনি। অর্জিত জ্ঞান এবং নিজের অদম্য সাহসকে পুঁজি করে দিয়ে ফেললাম আমার স্বপ্নের নিজের মোবাইল সার্ভিসিং দোকান। আজ আমি শুধুই একজন টেকনিশিয়ান নই, বরং নিজের দোকানের একজন সফল ও স্বাধীন উদ্যোক্তা। কাস্টমাররা যখন তাদের নষ্ট হয়ে যাওয়া প্রিয় ফোনটি আমার দোকানে নিয়ে আসেন এবং আমি তা ঠিক করে তাদের মুখে হাসি ফোটাই, তখন মনে হয় আমার কষ্ট সার্থক। নিজের দোকান দেওয়ার যে স্বপ্ন নিয়ে পথচলা শুরু করেছিলাম, iFixFast-এর মানসম্মত প্রশিক্ষণ আর আমার প্রচেষ্টা আজ সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। আজ আমি সম্পূর্ণ স্বাবলম্বী এবং একজন গর্বিত ব্যবসায়ী
জীবনের একটা সময় ছিল যখন ভবিষ্যৎ নিয়ে চারপাশটা ধোঁয়াশায় ঢাকা মনে হতো। বন্ধু-বান্ধবদের কেউ না কেউ কোথাও সেটেল হয়ে যাচ্ছিল, আর আমি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম—আমার আসলে কী করা উচিত? কোনো নির্দিষ্ট স্কিল না থাকায় নিজের যোগ্যতা নিয়ে নিজেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগতাম। তবে এটুকু জানতাম, বসে থেকে সময় নষ্ট করার চেয়ে হাতে এমন কোনো কাজ শেখা দরকার, যার চাহিদা মার্কেটে কখনো কমবে না। সেই চিন্তা থেকেই নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলতে ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। প্রথম দিন ক্লাসে গিয়ে যখন অ্যাডভান্স লেভেলের টুলস আর মোবাইল মাদারবোর্ড দেখলাম, ভাবিনি এত নিখুঁত কাজ আমি কোনোদিন পারবো। কিন্তু ইন্সট্রাক্টরদের অসাধারণ গাইডলাইন আর প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্র্যাকটিস করার সুযোগ আমার ভেতরের ভয়টা এক দিনেই দূর করে দিল। বেসিক সমস্যা থেকে শুরু করে স্মার্টফোনের জটিল পার্টস ট্রেসিং, আইসি (IC) রিপ্লেসমেন্ট এবং সূক্ষ্ম মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস—সবকিছুই একদম পানির মতো সহজ হয়ে গেল। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর পেছনের সব হতাশা এক লহমায় মুছে গেল। আইফিক্স ফাস্ট থেকে পাওয়া শক্ত আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আজ আমি একটি সার্ভিস সেন্টারে সফল প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি
অন্যের অধীনে নির্দিষ্ট বেতনে চাকরি করার জীবনটা কখনোই আমাকে পুরোপুরি টানেনি। ৯টা-৫টার গণ্ডিতে বন্দি না থেকে সবসময় স্বপ্ন দেখতাম—নিজের একটা স্বাধীন পরিচয় থাকবে, নিজের একটি প্রতিষ্ঠান থাকবে যেখানে আমি নিজেই হব নিজের ভাগ্যবিধাতা। কিন্তু শুধুমাত্র ইচ্ছা থাকলেই তো আর উদ্যোক্তা হওয়া যায় না, তার জন্য প্রয়োজন শক্ত একটি প্রযুক্তিগত দক্ষতা। সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন করতেই চাকরির ইতি টেনে ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। সেখানে শুরু হলো নিজেকে একজন দক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে তোলার নতুন লড়াই। প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ ট্রেইনারদের হাতে-কলমে নির্দেশনায় খুব অল্প সময়েই স্মার্টফোনের বেসিক থেকে শুরু করে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ট্রেসিং, ডায়াগনসিস এবং আইসি (IC) লেভেলের কাজগুলো নিখুঁতভাবে রক্তস্থ করে নিলাম। প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের মাধ্যমে কাজের প্রতি যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হলো, তা আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সাহস বাড়িয়ে দিল। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করার পর আর এক মুহূর্তও দেরি করিনি। চাকরির অভিজ্ঞতা আর আইফিক্স ফাস্ট থেকে পাওয়া আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অবশেষে দিয়ে ফেললাম আমার স্বপ্নের নিজের মোবাইল সার্ভিসিং দোকান
জীবনের একটা পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছিলাম সম্পূর্ণ দিশেহারা হয়ে। হাতের কাছে কোনো বিশেষ যোগ্যতা ছিল না, ছিল না টেকনিক্যাল কোনো অভিজ্ঞতাও। কীভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াব আর পরিবারের দায়িত্ব নেব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ ছিল না। ঠিক সেই মুহূর্তে নিজের জীবনের গতিপথ বদলে ফেলার জন্য একটি সাহসী সিদ্ধান্ত নিই—হাতে-কলমে আধুনিক একটি কাজ শিখে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার। সেই লক্ষ্য নিয়ে কোনো দ্বিধা ছাড়াই পা রাখি iFixFast Training Institute-এ। প্রথম প্রথম যখন স্মার্টফোনের ভেতরের অতি সূক্ষ্ম সার্কিট আর ইলেকট্রনিক পার্টসগুলো দেখতাম, মনে হতো এগুলো কি সত্যিই আমার পক্ষে শেখা সম্ভব? কিন্তু আইফিক্স ফাস্টের প্রশিক্ষকদের সহজ ও চমৎকার উপস্থাপন, ধৈর্য ধরে শেখানোর মানসিকতা এবং প্রতিদিন পর্যাপ্ত প্র্যাকটিস করার সুযোগ আমার ভয় দূর করে দেয়। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করার পর পেছনের সব অনিশ্চয়তা মুছে যায়। অর্জিত দক্ষতাকে সম্বল করে আজ আমি একটি দোকানে প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি এবং নিজের উপার্জনে পূর্ণ আত্মনির্ভরশীল। অভিজ্ঞতা শূন্য থেকে শুরু করে আজ কাজের জায়গায় নিজের একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি। সঠিক দিকনির্দেশনা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে জীবনের যেকোনো অবস্থান থেকেই যে সফলতা ছিনিয়ে আনা সম্ভব—আজকের এই অর্জনই আমার কাছে তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ
জীবনের একটা পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছিলাম সম্পূর্ণ দিশেহারা হয়ে। হাতের কাছে কোনো বিশেষ যোগ্যতা ছিল না, ছিল না টেকনিক্যাল কোনো অভিজ্ঞতাও। কীভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াব আর পরিবারের দায়িত্ব নেব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ ছিল না। ঠিক সেই মুহূর্তে নিজের জীবনের গতিপথ বদলে ফেলার জন্য একটি সাহসী সিদ্ধান্ত নিই—হাতে-কলমে আধুনিক একটি কাজ শিখে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার। সেই লক্ষ্য নিয়ে কোনো দ্বিধা ছাড়াই পা রাখি iFixFast Training Institute-এ। প্রথম প্রথম যখন স্মার্টফোনের ভেতরের অতি সূক্ষ্ম সার্কিট আর ইলেকট্রনিক পার্টসগুলো দেখতাম, মনে হতো এগুলো কি সত্যিই আমার পক্ষে শেখা সম্ভব? কিন্তু আইফিক্স ফাস্টের প্রশিক্ষকদের সহজ ও চমৎকার উপস্থাপন, ধৈর্য ধরে শেখানোর মানসিকতা এবং প্রতিদিন পর্যাপ্ত প্র্যাকটিস করার সুযোগ আমার ভয় দূর করে দেয়। বেসিক থেকে শুরু করে মাদারবোর্ডের কঠিনতম ডায়াগনসিস আর আইসি (IC) লেভেলের কাজগুলো অল্প দিনেই আমার হাতের মুঠোয় চলে আসে। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করার পর পেছনের সব অনিশ্চয়তা মুছে যায়। অর্জিত দক্ষতাকে সম্বল করে আজ আমি একটি দোকানে প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি এবং নিজের উপার্জনে পূর্ণ আত্মনির্ভরশীল। অভিজ্ঞতা শূন্য থেকে শুরু করে আজ কাজের জায়গায় নিজের একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি। সঠিক দিকনির্দেশনা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে জীবনের যেকোনো অবস্থান থেকেই যে সফলতা ছিনিয়ে আনা সম্ভব—আজকের এই অর্জনই আমার কাছে তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ
ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতাম। বিভিন্ন ঘরবাড়ির ইলেকট্রিক ওয়্যারিং আর লাইন মেরামতের কাজ করলেও ভেতরে সবসময় ইচ্ছা ছিল আরও আধুনিক এবং সূক্ষ্ম টেকনোলজি নিয়ে কাজ করার। অনুভব করছিলাম, যুগের সাথে তাল মেলাতে হলে ইলেকট্রনিক্সের এই যুগে নিজের কাজের পরিধি ও দক্ষতা আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। সেই চিন্তা থেকেই আধুনিক প্রযুক্তির কাজ শিখতে ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। যেহেতু আগে থেকেই ইলেকট্রিকের কিছু মৌলিক ধারণা আমার জানা ছিল, তাই আইফিক্স ফাস্টে এসে স্মার্টফোনের অতি সূক্ষ্ম সার্কিট, মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস এবং আইসি (IC) লেভেলের কাজগুলো বুঝতে আমার খুব বেশি সময় লাগেনি। ইন্সট্রাক্টরদের চমৎকার দিকনির্দেশনা এবং নিয়মিত হাতে-কলমে প্র্যাকটিসের মাধ্যমে খুব দ্রুতই নিজেকে মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল কাজের উপযোগী করে তুললাম। প্রশিক্ষণ শেষ করে আজ আমার জীবনের কাজের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ ছেড়ে অর্জিত এই আধুনিক বিদ্যাকে কাজে লাগিয়ে আজ আমি একটি দোকানে সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। নিজের কাজের মান উন্নয়ন করার সঠিক সিদ্ধান্ত এবং iFixFast-এর আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণই আজ আমাকে একটি সম্মানজনক ও প্রফেশনাল ক্যারিয়ার এনে দিয়েছে
পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পেছনে ছুটতে ছুটতে একসময় তীব্র হতাশা আর অনিশ্চয়তা চেপে বসেছিল। একের পর এক জায়গায় ধরণা দিয়েও যখন কোনো সুসংবাদ পাচ্ছিলাম না, তখন বুঝতে পারলাম অন্যের ভরসায় বসে না থেকে নিজের একটা স্থায়ী দক্ষতা তৈরি করা প্রয়োজন। সেই ভাবনা থেকেই কারিগরি শিক্ষার সিদ্ধান্ত নিই এবং ভর্তি হই iFixFast Training Institute-এ। সেখানে শুরু হয় আমার নতুন পথচলা। প্রশিক্ষকদের আন্তরিক নির্দেশনায় স্মার্টফোনের বেসিক থেকে শুরু করে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনসিস এবং আইসি (IC) লেভেলের কাজগুলো অত্যন্ত সহজ উপায়ে হাতে-কলমে আয়ত্ত করে ফেলি। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে অল্প দিনেই কাজগুলোর ওপর আমার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও আত্মবিশ্বাস চলে আসে। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর জীবন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। সেই বেকারত্বের দিনগুলো পেছনে ফেলে অর্জিত দক্ষতাকে পুঁজি করে আজ আমি একটি দোকানে সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। অনিশ্চয়তার পথ ছেড়ে সঠিক সময়ে কারিগরি শিক্ষা নেওয়ার সেই একটি সিদ্ধান্তই আজ আমাকে স্বাবলম্বী করেছে এবং সমাজে নিজের একটি সম্মানজনক পরিচয় তৈরি করে দিয়েছে!
আমি মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্য নিয়ে IFixFast Training Center-এ ভর্তি হয়েছিলাম। মোবাইল ফোনের প্রতি আমার আগ্রহ থেকেই এই পেশায় আসার ইচ্ছা তৈরি হয়। তবে শুধু আগ্রহ থাকলেই হবে না, সঠিকভাবে কাজ শেখা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করাও জরুরি ছিল। তাই একজন দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হওয়ার জন্য আমি IFixFast Training Center-এ কোর্সে যোগ দিই। কোর্স চলাকালীন সময়ে আমি মোবাইল ফোনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সমস্যা সম্পর্কে জানতে পারি এবং হাতে-কলমে কাজ শেখার সুযোগ পাই। শুরুতে অনেক কাজ কঠিন মনে হলেও প্রশিক্ষকদের সহযোগিতা এবং নিয়মিত প্র্যাকটিসের মাধ্যমে ধীরে ধীরে কাজগুলো বুঝতে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে শিখি। IFixFast Training Center-এ প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার জন্য অনেক ভালো ছিল। এখান থেকে পাওয়া জ্ঞান, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। বর্তমানে আমি Aryan Telecom, Dutta Market, Bancharampur-এ কাজ করছি এবং মোবাইল সার্ভিসিং ও টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। আমার কাছে IFixFast-এর এই কোর্সটি শুধু একটি প্রশিক্ষণ নয়, বরং নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমি নতুন একটি দক্ষতা অর্জন করেছি এবং নিজের ব্যবসা পরিচালনা করার আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। ভবিষ্যতে আরও বেশি দক্ষতা অর্জন করে আমার ব্যবসাকে বড় করা এবং একজন সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করাই আমার লক্ষ্য।
জীবনের গতিপথ কখন কীভাবে বদলে যায়, তা আগে থেকে বলা কঠিন। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই ঘটেছিল। বাবা বিদেশে থাকতেন, তাই পরিবারের পরিকল্পনা ছিল পড়াশোনা বা সাধারণ জীবনের বদলে আমাকেও কোনো একদিন বিদেশে নিয়ে যাবেন। তবে বিদেশে যাওয়ার আগে শুধু খাটুনি না করে একটি ভালো টেকনিক্যাল কাজ যেন হাতে থাকে, সেই উদ্দেশ্যে বাবা আমাকে একটি শক্ত দক্ষতা অর্জন করতে বলেন। বাবার নির্দেশেই ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। উদ্দেশ্য ছিল খুব স্পষ্ট—মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজটি ভালোভাবে শিখে তারপর প্রবাসের মাটিতে পা রাখা। সেখানে শুরু হলো দিন-রাত পরিশ্রম করে কাজ শেখার লড়াই। একদম বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক স্মার্টফোনের জটিল মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস, পার্টস রিপ্লেসমেন্ট এবং আইসি (IC) লেভেলের সূক্ষ্ম কাজগুলো ইন্সট্রাক্টরদের হাত ধরে নিখুঁতভাবে আয়ত্ত করে নিলাম। কোর্স শেষ করে প্রবাসে যাওয়ার সকল প্রস্তুতি ও দক্ষতা অর্জন করার পর হুট করেই জীবনের সমীকরণ কিছুটা বদলে যায়। বিদেশে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি কিছুদিনের জন্য পিছিয়ে যায়। কিন্তুiFixFast থেকে অর্জিত হাতের কাজ আমাকে এক মুহূর্তের জন্যও বসে থাকতে দেয়নি। বিদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় অলস সময় না কাটিয়ে আমি সাথে সাথেই কাজের ময়দানে নেমে পড়লাম। অর্জন করা সেই বিশ্বমানের দক্ষতাকে সম্বল করে আজ আমি দেশের মাটিতেই একটি নামকরা আউটলেটে সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। বিদেশের মাটিতে কাজ করার উদ্দেশ্যে শেখা সেই প্রযুক্তিগত বিদ্যা আজ আমাকে দেশের বুকেই একজন আত্মনির্ভরশীল ও সম্মানজনক পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তুলেছে। যে উদ্দেশ্যেই শুরু হোক না কেন, সঠিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা যে কখনো বৃথা যায় না—আজকের এই অবস্থানই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ
আমি আইফিক্সফাস্টে ট্রেইনিং করার আগে এসি সার্ভিসিংয়ের এর জব করতাম। কিন্তু সেই জবে অনেক রিস্ক ছিলো। তাই বাসা থেকে মা-বাবার সাপোর্টে আমি মোবাইল রিপেয়ারিংয়ের কাজ শিখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর আমার বাবা আইফিক্সফাস্টের খোঁজ পেয়েছিলো সেখানে আমাকে ভর্তি করিয়েছিলো। পরে সেখান থেকে কাজ শিখে আজ আমি আমার নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। নিজের কর্মস্থল বানিয়ে নিয়েছি।এখন আমি নিজে দোকান দিয়েছি। অনেক কষ্ট হয়েছিলো অনেক মানুষের কথা শুনতে হয়েছিলো যে কাজ শিখেছিস এখন জব নে, দোকান দিয়ে কি হবে!! পরে আমার বাবা-মায়ের সাপোর্টে দোকান দিয়েছি এখন আমি নিজে কাজ করছি।আমার বাবা মা কে অনেক ধন্যবাদ। তাদের দোয়া আর সাপোর্টে আর আইফিক্সফাস্টের সহযোগিতায় আজ আমি আমার নিজের দক্ষতায় দোকান দিয়ে আমি সফল।
GSM সেক্টরে আমার ৭ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা। এই দীর্ঘ সময়ে অসংখ্য মোবাইলের সমস্যা সমাধান করার পাশাপাশি প্রতিটি কাজ থেকে নতুন কিছু শিখেছি। আমার কাছে GSM শুধু একটি পেশা নয়—এটি আমার ভালোবাসা, দক্ষতা এবং স্বপ্ন। Ifixfast is good Institute.
চাঁদপুরের ছেলে হয়েও এখন থাকি পুরান ঢাকায়। আমি জাহিদ হাসান, কাজ করি মোতালেব প্লাজার দ্বিতীয় তলায়, ২৪৩ নম্বর দোকান "Mobile Guru"-তে, টেকনিশিয়ান হিসেবে। চাঁদপুর থেকে পুরান ঢাকার মতো ঘিঞ্জি অথচ ব্যস্ত এলাকায় এসে মানিয়ে নেওয়াটা প্রথম দিকে সহজ ছিল না। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ—তবুও নিজের একটা লক্ষ্য ছিল, কিছু একটা শিখে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। এই ভাবনা থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়েছি, কারণ জানতাম মোতালেব প্লাজার মতো একটা পরিচিত মার্কেটে কাজ পেতে হলে দক্ষতাটা প্রমাণ করতে হবে ভালোভাবে। কোর্স শেষে "Mobile Guru"-তে যোগ দেওয়ার পর সেই প্রস্তুতিটাই কাজে লাগাতে শুরু করি। আজ চাঁদপুর থেকে দূরে এসেও পুরান ঢাকার এই পরিচিত মার্কেটে নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি। প্রতিদিন কাজ করতে করতে বুঝি, নিজের এলাকা থেকে দূরে গিয়েও পরিশ্রম আর দক্ষতা দিয়ে একটা সম্মানজনক পরিচয় গড়ে তোলা সম্ভব।
বাগেরহাট সদরে বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের শহরেরই "Raw Telecom"-এ। আমি মোঃ বাদল শেখ, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। নিজের শহরে থেকে কাজ করার একটা ভালো দিক আছে—চেনা মানুষ, চেনা পরিবেশ। কিন্তু এই চেনা পরিবেশেই নিজেকে দক্ষ হিসেবে প্রমাণ করাটা একটা আলাদা চ্যালেঞ্জ, কারণ পরিচিত মানুষের সামনে ভুল করলে সেটা লুকানোর সুযোগ কম। এই বোধ থেকেই ২০২৫ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রায় সাড়ে তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে প্রতিটা বিষয় গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করেছি, কারণ জানতাম বাগেরহাট শহরের মতো জায়গায় প্রতিযোগিতা কম না। ২৭শে ডিসেম্বর কোর্স শেষ করে "Raw Telecom"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর সেই মনোযোগটাই কাজে লাগাতে শুরু করি। আজ নিজের শহরেই একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছি, আর পরিচিত মানুষদের কাছ থেকে পাওয়া এই আস্থাটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।
ভোলার ছেলে, নিজের জেলাতেই কাজ করি চরফ্যাশন উপজেলার জনতা বাজারে অবস্থিত "Yusuf Electronic"-এ। আমি সাইকাত হোসেন, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। দ্বীপ জেলা ভোলার মানুষদের জীবনযাত্রা মূল ভূখণ্ডের চেয়ে একটু আলাদা—এখানে কোনো কিছু নষ্ট হলে দ্রুত সমাধান পাওয়াটা সবসময় সহজ হয় না। এই বাস্তবতা দেখেই মনে হয়েছিল, নিজের এলাকায় থেকেই যদি একটা নির্ভরযোগ্য সেবা দেওয়া যায়, তাহলে মানুষের অনেক ভোগান্তি কমবে। তাই তিন মাসের বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা কৌশল মন দিয়ে আয়ত্ত করেছি, কারণ জানতাম চরফ্যাশনের মতো এলাকায় বড় শহরের মতো একাধিক অপশন নেই—আমার কাজের উপরই মানুষের অনেকটা নির্ভরতা থাকবে। কোর্স শেষে জনতা বাজারের এই দোকানে যোগ দিয়ে সেই দায়িত্ববোধ নিয়েই কাজ শুরু করি। আজ চরফ্যাশনের মানুষ যখন তাদের ফোনের সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসে, তখন বুঝি—দ্বীপ জেলার এই প্রত্যন্ত এলাকাতেও একটা নির্ভরযোগ্য সেবাকেন্দ্র হয়ে ওঠা সম্ভব, আর এটাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।
মোবাইলের স্ক্রিনে কত শত খবর আর ছবি ভেসে ওঠে প্রতিদিন! কিন্তু সেদিন আইফিক্স ফাস্টের বিজ্ঞাপনটির ওপর যখন আমার আঙুলটা থামল, তখন ভাবতেও পারিনি—এই একটি বিজ্ঞাপন আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে যাচ্ছে। বেকারত্ব আর অনিশ্চয়তার ভিড়ে বিজ্ঞাপনটি যেন আমাকে একটা নতুন দিশা দেখাল। সিদ্ধান্ত নিলাম, আর সময় নষ্ট না করে এই হাতের কাজটাই শিখব। এক বুক আশা আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে পা রাখলাম iFixFast Training Institute-এ। সেখানে শুরু হলো আমার মেধা ও দক্ষতাকে শাণিত করার লড়াই। প্রথম দিন থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে কাজের কৌশলগুলো শিখতে শুরু করলাম। একদম বেসিক ধারণা থেকে শুরু করে স্মার্টফোনের মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট বুঝা, মাইক্রো-সোন্ডারিং এবং আধুনিক ডায়াগনসিস সরঞ্জাম ব্যবহার করে আইসি (IC) লেভেলের কাজগুলো নিখুঁতভাবে রক্তস্থ করে নিলাম। প্রশিক্ষকদের ধৈর্যশীল দিকনির্দেশনা আমাকে একজন সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে পুরোদস্তুর টেকনিশিয়ানে পরিণত করল। কিন্তু গল্পের মূল টুইস্ট অপেক্ষা করছিল কোর্স শেষে! প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হতেই আইফিক্স ফাস্ট কর্তৃপক্ষ আমার একাগ্রতা ও কাজের মান দেখে আমাকে সরাসরি তাদের টিমেই যুক্ত করে নেয়। প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে সোজা কাস্টমার কেয়ার আউটলেটে পদার্পণ! আজ আমি মালিবাগ মৌচাক সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলে আইফিক্স ফাস্টের নিজস্ব সার্ভিসিং আউটলেটে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। প্রতিদিন মানুষের প্রিয় ও প্রয়োজনীয় মোবাইল ফোনের কঠিন সব সমস্যার সহজ সমাধান দিচ্ছি। সোশ্যাল মিডিয়ার একটা ছোট্ট বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রা আজ আমাকে সম্মান, আত্মনির্ভরতা এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চূড়ান্ত সফলতা এনে দিয়েছে
অন্যের অধীনে চাকরি করার চেয়ে নিজের একটা পরিচিতি তৈরি করা এবং স্বাবলম্বী হওয়ার ইচ্ছাটা আমার ভেতর সবসময় কাজ করত। আমি সবসময় বিশ্বাস করতাম—কারিগরি বা হাতের কাজ জানা থাকলে কখনো পেছনে ফিরে তাকাতে হয় না। নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান থাকবে এবং আমি নিজের পরিচয়ে দাঁড়াব—এই একটি স্বপ্নই ছিল আমার মূল চালিকাশক্তি। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে নিজের দক্ষতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিই। হাতের কাজ শেখার সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেছে নিই iFixFast Training Institute-কে। ভর্তি হয়েই বুঝতে পারি, প্রযুক্তিগত কাজে সঠিক দিকনির্দেশনা কতখানি জরুরি। ইন্সট্রাক্টরদের নিখুঁত তত্ত্বাবধানে বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক স্মার্টফোনের ডায়াগনসিস এবং আইসি (IC) লেভেলের জটিল কাজগুলো খুব সহজেই আয়ত্ত করে ফেলি। কোর্স শেষ করে আর দেরি করিনি। অর্জিত দক্ষতা আর নিজের আত্মবিশ্বাসকে সম্বল করে অবশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নটি পূরণ করলাম—নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিং আউটলেট চালু করলাম। আজ আমি কেবল কারিগরি কাজে দক্ষই নই, বরং নিজের প্রতিষ্ঠানের একজন সফল উদ্যোক্তা। প্রতিদিন কাস্টমাররা তাদের সাধের ফোনটি নিয়ে আমার কাছে আসেন, আর আমি আমার শেখা হাতের কাজ দিয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটাই
Allhamdulillah
কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে বাড়ি, এখন থাকি ঢাকার হাতিরপুলে। আমি নিলয় পল, কাজ করি মোতালেব প্লাজার ২১৪ নম্বর দোকান "Fast Solution"-এ, টেকনিশিয়ান হিসেবে। তাড়াইলের মতো একটা ছোট উপজেলা থেকে ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরে আসার সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ—সবকিছুর সাথে মানিয়ে নিতে সময় লেগেছে। কিন্তু জানতাম, একটা ভালো দক্ষতা অর্জন করতে পারলে এই শহরেই নিজের একটা জায়গা তৈরি করা সম্ভব। তিন মাসের বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে শিখেছি। মোতালেব প্লাজার মতো একটা পরিচিত মার্কেটে কাজ করতে হলে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সমস্যা সমাধান করার দক্ষতা থাকা জরুরি—দোকানের নাম "Fast Solution"-ও যেন সেই কথাটাই মনে করিয়ে দেয়। কোর্স শেষে এখানে কাজের সুযোগ পাওয়ার পর, তাড়াইল থেকে দূরে এসেও ঢাকার এই পরিচিত মার্কেটে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করতে পেরেছি। প্রতিদিন কাজ করতে করতে বুঝি, ছোট এলাকা থেকে এসেও বড় শহরে নিজের জায়গা করে নেওয়া সম্ভব, শুধু দরকার দক্ষতা আর ধৈর্য।
আমি স্টুডেন্ট থাকা অবস্থায় নিজের খরচ চালানোর জন্য কিছু একটা করার পরিকল্পনা করেছিলাম।তখন আমি ঠিক করি মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ শিখবো। এরপর আমি IFixFast এর সাথে যোগাযোগ করি।এবং এখানে কোর্সে ভর্তি হয়ে কোর্সটি সম্পূর্ণ করি। বর্তমানে আমি টেকনিশিয়ান হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছি।
ফেসবুকে স্ক্রোল করার সময় হঠাৎ করেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে iFixFast Training Institute-এর একটি বিজ্ঞাপন (Ad)। ক্যারিয়ার নিয়ে যখন চিন্তাভাবনা করছিলাম, ঠিক তখনই সেই বিজ্ঞাপনটি আমার মনে আশার আলো জাগায়। বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে সিদ্ধান্ত নিই—প্রযুক্তির এই যুগে নিজের দক্ষতা গড়ে তুলতে মোবাইল সার্ভিসিংই হবে আমার সেরা পথ। দ্বিধাদ্বন্দ্বে না ভুগে ভর্তি হয়ে যাই আইফিক্স ফাস্টে। শুরু হয় বেসিক থেকে অ্যাডভান্সড লেভেলের সার্ভিসিং কোর্স। মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম সার্কিট ট্রেসিং, আইসি (IC) লেভেলের জটিল সমাধান এবং আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ইন্সট্রাক্টরদের হাত ধরে নিখুঁতভাবে শিখতে থাকি। ট্রেনিং চলাকালীন প্রতিটি ক্লাসই আমাকে একজন দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তোলে। তবে আসল চমক অপেক্ষা করছিল কোর্স শেষ হওয়ার পর। সাধারণত কোর্স শেষ করে কাজ খোঁজার জন্য যে অনিশ্চয়তা থাকে, আমাকে তার মুখোমুখি হতে হয়নি। কোর্স সফলভাবে শেষ করতেই আইফিক্স ফাস্ট কর্তৃপক্ষ আমার যোগ্যতা ও দক্ষতা বিবেচনা করে নিজ সংস্থাতেই চাকরির সুযোগ করে দেয়। বর্তমানে আমি রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা মালিবাগ মৌচাক সেন্টার পয়েন্ট শপিংমলে আইফিক্স ফাস্টের আউটলেটে সফলভাবে চাকরিরত আছি। প্রতিদিন শত শত কাস্টমারের জটিল থেকে জটিলতর মোবাইল ফোনের সমস্যা সমাধান করছি পরম আত্মবিশ্বাসের সাথে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটা ছোট্ট বিজ্ঞাপন যে আমার জীবনের গতিপথ এভাবে বদলে দেবে, তা ভাবতেও পারিনি। সঠিক সিদ্ধান্ত, একাগ্রতা আর আইফিক্স ফাস্টের মানসম্মত প্রশিক্ষণের বদৌলতে আজ আমি শুধু সফল টেকনিশিয়ানই নই, বরং একজন স্বাবলম্বী ও গর্বিত পেশাজীবী
শনির আখড়ায় থাকি, কিন্তু কাজ করি মৌচাক সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলে, ৫১৬-১৭-১৮ নম্বর দোকানে অবস্থিত "IFixFast Mobile Service Center"-এ। আমি জাহিদুল হক, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। শনির আখড়া থেকে মৌচাক পর্যন্ত প্রতিদিনের এই যাতায়াতটা মোটেও কম না, কিন্তু কাজ শেখার আগ্রহ থেকে এই দূরত্বটা কখনো বাধা মনে হয়নি। বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের পুরো কোর্সটা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কারণ চেয়েছিলাম শুধু সাধারণ না, জটিল সমস্যাও আত্মবিশ্বাসের সাথে সমাধান করতে পারার দক্ষতা অর্জন করতে। প্রশিক্ষণের প্রতিটা ধাপে নিজের সাথেই একটা প্রতিযোগিতা করেছি—আজ কতটা বেশি শিখলাম, কতটা ভালো করে বুঝলাম। কোর্স শেষে যেখানে প্রশিক্ষণ নিয়েছি, সেই একই প্রতিষ্ঠান "IFixFast Mobile Service Center"-এই কাজের সুযোগ পাই। আজ শনির আখড়া থেকে মৌচাক পর্যন্ত এই দীর্ঘ যাতায়াতটা আমার কাছে আর ক্লান্তিকর মনে হয় না, বরং মনে হয় প্রতিদিন একটা পরিচিত জায়গায় ফিরে যাচ্ছি, যেখানে আমি নিজেকে প্রমাণ করেছি।
আমি মোঃ আল আমিন, কাজ করি কামরাঙ্গীরচরের রনি মার্কেটে অবস্থিত "সরদার টেলিকম"-এ, টেকনিশিয়ান হিসেবে। হাজারীবাগ থেকে কামরাঙ্গীরচর পর্যন্ত প্রতিদিনের এই যাতায়াতটা আমার রুটিনের একটা অংশ হয়ে গেছে। ঢাকার এই এলাকাগুলোতে ঘনবসতি বেশি, মানুষও বেশি, তাই মোবাইল সার্ভিসিং-এর চাহিদাও কম না। এই সুযোগটা কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়েই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় বুঝেছিলাম, কামরাঙ্গীরচরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কাজ করতে হলে ধৈর্য আর দ্রুততা—দুটোই সমান জরুরি, কারণ একসাথে অনেক গ্রাহক সামলাতে হয়। এই বোধটা নিয়েই প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়েছি। কোর্স শেষে "সরদার টেলিকম"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর, হাজারীবাগ থেকে রনি মার্কেট পর্যন্ত এই পথটা এখন আমার কাছে একটা গর্বের যাত্রা। প্রতিদিন কামরাঙ্গীরচরের মানুষের সেবা করতে করতে বুঝি, ঢাকার যেকোনো প্রান্তেই দক্ষতা থাকলে নিজের একটা জায়গা তৈরি করা যায়।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের এলাকার বাজারেই "New Bhai Bhai Telecom"-এ। আমি মোঃ মামুন মিয়া, ৩৫তম ব্যাচে বেসিক কোর্স সম্পন্ন করে এখন টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। মঠবাড়িয়া বাজারে ছোটবেলা থেকেই ঘুরে বেড়িয়েছি, দোকানপাটের মধ্যে সময় কাটানোটা ছিল স্বাভাবিক একটা অভ্যাস। বড় হয়ে যখন কাজের কথা ভাবলাম, মনে হলো এই চেনা বাজারেই যদি একটা দক্ষতা নিয়ে কাজ করা যায়, তাহলে মন্দ কী! এই ভাবনা থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা বিষয় মনোযোগ দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম নিজের চেনা এলাকায় কাজ করতে গেলে ভুল করার সুযোগ কম—পরিচিত মানুষদের সামনেই তো প্রমাণ দিতে হবে। কোর্স শেষে "New Bhai Bhai Telecom"-এ যোগ দিয়ে সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই কাজ শুরু করি। আজ মঠবাড়িয়া বাজারের চেনা পরিবেশে, পরিচিত মানুষদের মাঝেই একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছি, আর এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় তৃপ্তির জায়গা।
কুমিল্লা থেকে ঢাকায় এসে থিতু হয়েছি হাতিরপুল এলাকায়। আমি মোহাম্মদ আরাফাত হোসেন, কাজ করি মোতালেব প্লাজা শপিং কমপ্লেক্সে অবস্থিত "Icenter"-এ, টেকনিশিয়ান হিসেবে। কুমিল্লা থেকে ঢাকার মতো একটা বড় শহরে এসে প্রথম প্রথম সবকিছু অচেনা লাগতো। মোতালেব প্লাজার মতো একটা পরিচিত মার্কেটে কাজ পাওয়াটাও সহজ ছিল না—এখানে অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানদের ভিড়, প্রতিযোগিতাও বেশি। তাই ভাবলাম, সঠিক প্রশিক্ষণ ছাড়া এখানে টিকে থাকা কঠিন হবে। এই বিশ্বাস থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা খুঁটিনাটি বিষয় মনোযোগ দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম মোতালেব প্লাজার মতো জায়গায় গ্রাহকের প্রত্যাশাও অনেক বেশি থাকে। কোর্স শেষে "Icenter"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর সেই শেখাটাই প্রতিদিন প্রয়োগ করছি। আজ কুমিল্লার একটা ছেলে ঢাকার এত পরিচিত একটা মার্কেটে নিজের কাজের মান দিয়ে জায়গা করে নিতে পেরেছে, এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
বরগুনার ছেলে হয়েও এখন আমার ঠিকানা নারায়ণগঞ্জ সদরের ফতুল্লা, পঞ্চবটী এলাকায়—যেখানে গড়ে তুলেছি নিজের প্রতিষ্ঠান "Fardin Mobile Service Center"। আমি ফরদিন আহমেদ। বরগুনা থেকে নারায়ণগঞ্জের মতো একটা শিল্পাঞ্চলে এসে ব্যবসা দাঁড় করানোর সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না। পরিচিত মানুষ নেই বললেই চলে, নতুন পরিবেশে নিজের জায়গা করে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছিল বিশাল। কিন্তু ফতুল্লার মতো ব্যস্ত এলাকায় সম্ভাবনাও অনেক—এই বিশ্বাস থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে দক্ষতাটা অর্জন করি। প্রশিক্ষণ শেষে পঞ্চবটীতে নিজের নামেই দোকান খুলে বসি। শুরুর দিকে গ্রাহক তৈরি করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ—নতুন এলাকা, অচেনা মানুষ। কিন্তু কাজের মান আর ধৈর্য ধরে লেগে থাকার ফলে ধীরে ধীরে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে থাকি। আজ বরগুনা থেকে দূরে এসেও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিজের নামে একটা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে পেরেছি, আর এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন—নিজের শেকড় থেকে দূরে গিয়েও নতুন একটা শেকড় গড়ে তোলা সম্ভব, এই বিশ্বাসটাই আমাকে প্রতিদিন এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়।
সফলতার পথে আমার যাত্রা আমি তাইফুর রহমান আল রাফি, আমার জন্ম বরিশালের নেছারাবাদ, স্বরূপকাঠিতে। একসময় আমি আমার জীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব চিন্তিত ছিলাম। ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতির পর দিশেহারা হয়ে পড়ি—কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। সেই পরিস্থিতিতে পরিবার ও সমাজের নানা বাধার মাঝেও আমি সিদ্ধান্ত নেই, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ঘর থেকে বের হয়ে কিছু একটা করতেই হবে। “যে মানুষ হার মানে না, তার জন্য ব্যর্থতা শুধুই শেখার আরেকটা ধাপ।” বিভিন্ন চেষ্টা করেও যখন সফল হতে পারছিলাম না, তখন আমার ছোট খালু আমাকে মোবাইল সার্ভিসিং শেখার পরামর্শ দেন। আমি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখি এবং বুঝতে পারি—এটি একটি সম্মানজনক ও সম্ভাবনাময় পেশা। এরপর আমি খোঁজ নিয়ে iFix Fast Training Center-এ ভর্তি হই এবং বেসিক কোর্সটি সম্পন্ন করি। অর্থের অভাব ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, কিন্তু নিজের চেষ্টা ও আল্লাহর রহমতে আমি সেই বাধা অতিক্রম করি। “স্বপ্ন বড় হলে পথ কঠিন হবেই, কিন্তু চেষ্টা থামালে স্বপ্নও থেমে যায়।” ট্রেনিং শেষে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা পাওয়াটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আলহামদুলিল্লাহ, আমার সেই খালুর মাধ্যমেই আমি একটি দোকানে কাজের সুযোগ পাই। শুরুটা ছিল নতুন, কিন্তু সততা, পরিশ্রম এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সবার বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হই। বর্তমানে আমি সেই দোকানে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছি, যেখানে সহকর্মীদের পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতা আমাকে আরও এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। “পরিশ্রমের সাথে যখন বিশ্বাস যোগ হয়, তখন সফলতা আর দূরে থাকে না।” আমি কৃতজ্ঞ আমার খালুর প্রতি, যিনি আমাকে সঠিক পথে নির্দেশনা দিয়েছেন; কৃতজ্ঞ আমার ট্রেনিং সেন্টারের শিক্ষকদের প্রতি; এবং সেই দোকানের মালিকের প্রতি, যিনি আমাকে বিশ্বাস করে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি, সফলতা মানে থেমে যাওয়া নয়—বরং এগিয়ে চলার ধারাবাহিকতা। “সফলতা কোনো গন্তব্য নয়, এটি ধৈর্য, পরিশ্রম এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাসের ফল।” আজ আমি একটি অবস্থানে পৌঁছেছি, কিন্তু আমার স্বপ্ন আরও বড়। আমি চাই ভবিষ্যতে নিজেকে এমনভাবে গড়ে তুলতে, যেন মোবাইল সার্ভিসিং সেক্টরে বাংলাদেশের সেরা কয়েকজনের একজন হতে পারি এবং মানুষের আস্থা অর্জন করে সেবা দিয়ে যেতে পারি। “আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন, নিজের চেষ্টা চালিয়ে যান—সফলতা একদিন অবশ্যই আপনার দরজায় কড়া নাড়বে।” এই পথচলা এখনও চলছে—আর আমি থামতে চাই না।
কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জে বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি মোবাইল মার্কেটে অবস্থিত "মাশাআল্লাহ টেলিকম"-এ। আমি মোঃ শাহমিরাজ মজুমদার, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। মোবাইল মার্কেটের মধ্যে দোকান হওয়ায় আশেপাশে আরও অনেক দোকান, অনেক অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান—এই পরিবেশে নিজেকে প্রমাণ করাটা সহজ ছিল না। তাই ভাবলাম, শুধু চেষ্টা করলেই হবে না, সঠিক প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতাটা মজবুত করতে হবে। এই লক্ষ্য নিয়েই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম মার্কেটের মধ্যে টিকে থাকতে হলে কাজের মান দিয়েই নিজেকে আলাদা করতে হবে। কোর্স শেষে যখন "মাশাআল্লাহ টেলিকম"-এ কাজ শুরু করি, তখন থেকেই সেই শেখাটা প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছি প্রতিদিন। আজ কালীগঞ্জ মোবাইল মার্কেটের ভিড়ের মধ্যেও নিজের কাজের মান দিয়ে একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করতে পেরেছি, আর এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।
বরিশালের গৌরনদীতে ন্যাশনাল ব্যাংকের নিচে, তরকীবন্দর এলাকায় কাজ করি "জমাদার টেলিকম"-এ। আমি সবুজ সরকার, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। ব্যাংকের ঠিক নিচে দোকান হওয়ায় প্রতিদিন নানা রকম মানুষের সাথে দেখা হয়—কেউ ব্যাংকের কাজে এসে ফাঁকে ফোন সারাতে দিয়ে যান, কেউ আবার শুধু আমার দোকানেই আসেন। এই ব্যস্ত পরিবেশে কাজ করতে হলে দ্রুততার পাশাপাশি নির্ভুলতাও জরুরি, এই উপলব্ধি থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা ধাপে নিজেকে যাচাই করেছি—শুধু সহজ সমস্যা না, জটিল কেসগুলোও যেন আত্মবিশ্বাসের সাথে সমাধান করতে পারি। কোর্স সম্পূর্ণ করার পর তরকীবন্দরের এই দোকানে যোগ দিয়ে সেই দক্ষতাটা প্রয়োগ করতে শুরু করি। আজ গৌরনদীর ব্যস্ত এই বাণিজ্যিক এলাকায় কাজ করতে করতে বুঝি, ব্যাংকপাড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজের একটা নির্ভরযোগ্য পরিচিতি তৈরি করতে পারাটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজীরহাট বাজারে, চর মার্টিন ইউনিয়নে কাজ করি "Ashik Telecom"-এ। আমি ইয়াসিন আরাফাত নাঈম, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। চর এলাকায় বেড়ে ওঠা মানুষদের জীবনযাত্রাটা একটু আলাদা—নদীভাঙন, যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা, এসবের মধ্যেই টিকে থাকতে হয়। এমন একটা পরিবেশে যখন মোবাইল ফোনই মানুষের সাথে বাইরের জগতের প্রধান যোগাযোগমাধ্যম, তখন এটা নষ্ট হয়ে গেলে মানুষের ভোগান্তিটাও অনেক বেশি হয়। এই বাস্তবতা দেখেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় বিশেষভাবে চেষ্টা করেছি জটিল সমস্যাগুলোও রপ্ত করতে, কারণ জানতাম হাজীরহাটের মতো এলাকায় বড় শহরের মতো একাধিক অপশন নেই—আমাকেই হতে হবে ভরসার শেষ জায়গা। আজ "Ashik Telecom"-এ কাজ করতে করতে বুঝি, চর মার্টিনের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় আমার এই দক্ষতাটা শুধু একটা চাকরি না, বরং এলাকাবাসীর জন্য একটা প্রয়োজনীয় সেবা হয়ে উঠেছে।
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার পারখিদিরপুর বাজারে, ৩ নং মাজপাড়া ইউনিয়নে আমার দোকান "Munna Telecom"। আমি মোঃ মারুফ হাসান মুন্না, ৩৫তম ব্যাচে বেসিক কোর্স করে আজকের এই জায়গায় এসেছি। আটঘরিয়ার মতো একটা উপজেলায় ব্যবসা করতে গেলে একটা জিনিস খুব স্পষ্ট বুঝেছিলাম—এখানে মানুষ দূরে কোথাও গিয়ে ফোন সারাতে চায় না, তাদের হাতের কাছেই একটা নির্ভরযোগ্য সমাধান দরকার। এই চাহিদাটা পূরণ করার লক্ষ্য নিয়েই কোর্সে ভর্তি হই। বেসিক প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা কৌশল মন দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম নিজের ব্যবসা যখন দাঁড় করাবো, তখন এই একার দক্ষতার উপরই সবকিছু নির্ভর করবে। কোর্স শেষে পারখিদিরপুর বাজারেই দোকান খুলে বসি, নাম দিই নিজের নামেই—"Munna Telecom"। আজ পারখিদিরপুর ও আশপাশের গ্রামের মানুষ যখন তাদের মোবাইল সমস্যা নিয়ে সরাসরি আমার কাছে চলে আসে, তখন বুঝি—নিজের এলাকায় থেকেও একটা নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব।
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বেড়ে উঠেছি, এখন কাজ করি নিজের এলাকারই "R.B Telecom & Electronics"-এ। আমি সনি সূত্রধর, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। পাহাড়ি এলাকায় বেড়ে ওঠার একটা আলাদা অভিজ্ঞতা আছে—এখানে প্রযুক্তির সুযোগ-সুবিধা তুলনামূলক কম, তাই একটা ভালো মোবাইল সার্ভিসিং পয়েন্টের প্রয়োজনীয়তা সবসময় অনুভব করতাম। এই বাস্তবতা থেকেই ৩৫তম ব্যাচে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় শুধু মোবাইল না, ইলেকট্রনিক্স নিয়েও গভীরভাবে কাজ শিখেছি—কারণ জানতাম দীঘিনালার মতো এলাকায় মানুষ একসাথে অনেক ধরনের সমস্যা নিয়ে আসবে, আর সব সমাধানের জন্য আলাদা আলাদা জায়গায় যাওয়াটা তাদের জন্য কষ্টকর। আজ "R.B Telecom & Electronics"-এ কাজ করতে করতে বুঝি, পাহাড়ি এলাকার মানুষের কাছে আমার এই বহুমুখী দক্ষতাটাই সবচেয়ে বেশি মূল্যবান। প্রতিদিন এলাকাবাসীর সেবা করতে পেরে নিজের শেকড়ের প্রতি একটা বিশেষ দায়িত্ব পালন করছি বলে মনে হয়।
নিজের মেধা ছিল, শেখার আগ্রহ ছিল, কিন্তু সঠিক দক্ষতার অভাবে ভেতরে একধরনের হীনম্মন্যতা কাজ করত। ঠিক তখনই খোঁজ পেলাম IFixFast Training Institute-এর। আর দেরি না করে নিজেকে পুরোপুরি তৈরি করতে ভর্তি হয়ে গেলাম সেখানে। ওখানে গিয়েই বুঝতে পারলাম কাজের আসল কৌশল কাকে বলে! অ্যাডভান্স ল্যাবে মাইক্রোস্কোপের নিচে আইসি রিবলিং, ডায়াগনস্টিকস, স্ক্যামেটিক ডায়াগ্রাম দেখে সার্কিট ট্রেসিং এবং জটিল ফল্ট ফাইন্ডিংয়ের মতো অ্যাডভান্স লেভেলের সব কাজ তারা আমায় নিখুঁতভাবে শেখাল। জট লেগে থাকা কনফিউশনগুলো এক এক করে খুলে গেল। ট্রেনিং শেষ করে যখন আবার দোকানে কাজে ফিরলাম, চিত্রটা পুরো বদলে গেছে! আগে যে কাজগুলোতে হাত দিতে ভয় পেতাম, এখন সেগুলোই হাসিমুখে রিসিভ করি। আজ আমি সেই একই দোকানে একজন অল-রাউন্ডার ও দক্ষ Senior Mobile Technician হিসেবে দাপটের সাথে কাজ করছি। অসম্পূর্ণ জ্ঞান নিয়ে বসে থাকা সেই ছেলেটি আজ দোকানটির প্রধান ভরসার জায়গা। আমাকে এই আত্মবিশ্বাস আর সত্যিকারের সাফল্য এনে দেওয়ার পেছনের মাস্টারমাইন্ড IFixFast Training Institute
ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক্স জিনাসের প্রতি আমার আলাদা একটা টান ছিল। যেকোনো ভাঙা রেডিও, খেলনা গাড়ি কিংবা ইলেকট্রিক জিনিস সামনে পেলেই তা খুলে দেখা, পার্টসগুলো বোঝার চেষ্টা করা আর নতুন করে জোড়া দেওয়ার মধ্যেই আমি আসল আনন্দ পেতাম। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই ভালো লাগাটা আরো গভীর হতে থাকে। একসময় সিদ্ধান্ত নিলাম, ছোটবেলার এই শখ আর ভালো লাগাকেই আমার ভবিষ্যতের মূল পেশা বানাব। শুধু ভালোবাসলেই তো হবে না, একে প্রফেশনাল রূপ দিতে সঠিক কারিগরি শিক্ষার প্রয়োজন। সেই চিন্তা থেকেই যুক্ত হলাম iFixFast Training Institute-এ। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর যেন নিজের স্বপ্নের জগতে প্রবেশ করলাম। ছোটবেলার সেই অগোছালো আগ্রহটা সেখানে এসে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল। ইনস্টিটিউটের দক্ষ ট্রেইনারদের কাছে খুব সহজেই বুঝে নিলাম মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট, ডায়াগনসিস এবং আধুনিক টুলস ব্যবহারের খুঁটিনাটি। শখ যখন শেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি করে, তখন যেকোনো কঠিন কাজও সহজ হয়ে যায়। প্রশিক্ষণ শেষে সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আজ আমি একটি নামকরা দোকানে সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। নিজের ভালোবাসার কাজকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারার চেয়ে বড় আনন্দের আর কিছু হতে পারে না। প্রতিদিন নতুন নতুন ডিভাইসের সমস্যা সমাধান করি আর কাস্টমারের মুখে হাসি ফুটাই। ছোটবেলার সেই ছোট্ট কৌতুহল আর iFixFast-এর সঠিক দিকনির্দেশনাই আজ আমাকে একজন সফল ও আত্মনির্ভরশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে
সারাদিন বাসায় বসে থাকা আর ভবিষ্যতের কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকা—সব মিলিয়ে দিন দিন হতাশা চেপে বসছিল। পরিবারের চোখেও সেই উদ্বেগ দেখতে পেতাম। একপর্যায়ে বাসা থেকে চাপ আসতে শুরু করল অলস সময় না কাটিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য, কোনো একটা কাজ শেখার জন্য। এভাবে আরও কিছুদিন কাটল অনিশ্চয়তায়। শেষমেশ পরিবার থেকেই পরামর্শ দেওয়া হলো মোবাইল ফোন সার্ভিসিং শেখার। প্রযুক্তি নির্ভর এই যুগে এর চাহিদা সব জায়গায়, তাই এই কাজ শিখলে কখনো বেকার থাকতে হবে না। পরিবারের এই সিদ্ধান্তকেই জীবনের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বেছে নিলাম এবং ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। সেখানে শুরু হলো এক নতুন যাত্রা। প্রথম প্রথম সব কিছু নতুন আর কঠিন মনে হলেও ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টরদের হাত ধরে খুব অল্প দিনেই মোবাইল সার্ভিসিংয়ের খুঁটিনাটি, আধুনিক ডায়াগনসিস এবং আইসি (IC) লেভেলের জটিল কাজগুলো আয়ত্ত করে ফেললাম। যে আমি বাসায় অলস সময় কাটাতাম, সেই আমিই প্রতিদিন নতুন নতুন টেকনিক্যাল বিষয় শেখার আনন্দে মশগুল হয়ে গেলাম। প্রশিক্ষণ শেষ করে আজ আর আমি বেকার নই। নিজের মেধা আর অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সফলভাবে একটি নামকরা দোকানে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে চাকরি করছি।
২০১২ সাল থেকে আমি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজে যুক্ত। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থাকার কারণে কাজের ছোটখাটো প্রায় সব বিষয়েই আমার জানা ছিল। তবে সময়ের সাথে সাথে স্মার্টফোনের প্রযুক্তিতে এসেছে বিশাল পরিবর্তন। নতুন নতুন জটিল মাদারবোর্ড, অ্যাডভান্সড আইসি (IC) লেভেলের কাজ আর আধুনিক ডায়াগনসিস প্রযুক্তির যুগে এসে অনুভব করলাম—শুধুমাত্র পুরনো অভিজ্ঞতা দিয়ে সেরাটা দেওয়া সম্ভব নয়। নিজের কাজের দক্ষতা আর মানকে একদম আপডেট করতে ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। সেখানে এসে বুঝলাম, এতদিন যেসব কাজ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে করতাম, সেগুলো বৈজ্ঞানিক ও টেকনিক্যাল উপায়ে কত দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে সমাধান করা যায়। আধুনিক টুলসের ব্যবহার এবং অ্যাডভান্স সার্কিট ডায়াগনসিস শিখে আমার কাজের গতি ও আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে গেল। আজ আমি একজন সফল এবং পূর্ণাঙ্গ প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান। ২০১২ সাল থেকে শুরু হওয়া সেই পথচলা iFixFast-এর প্রাতিষ্ঠানিক ও আধুনিক প্রশিক্ষণে এসে পূর্ণতা পেয়েছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আর আধুনিক প্রফেশনাল দক্ষতার সংমিশ্রণ আমাকে আজ কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করতে সাহায্য করেছে। সঠিক সময়ে নিজের ভুলত্রুটি শুধরে প্রযুক্তিগতভাবে আপডেট হওয়ার এই সিদ্ধান্তই আজ আমাকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে
ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর হয়ে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলাম বিদেশে পাড়ি জমানোর। আর সেই উদ্দেশ্যে নিজেকে প্রস্তুত করতেই কারিগরি দক্ষতা অর্জন করতে ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Training Institute-এ। ইচ্ছা ছিল, দেশের বাইরে গিয়ে টেকনিক্যাল কাজ করে নিজের ভাগ্যের চাকা ঘোরাব। সেখানে দিন-রাত পরিশ্রম করে মোবাইল ফোন সার্ভিসিংয়ের বেসিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেলের প্রতিটি সূক্ষ্ম কাজ নিখুঁতভাবে শিখলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভাগ্যের চাকা অন্য দিকে ঘুরল। কিছু জটিলতা ও পারিবারিক কারণে আমার বিদেশে যাওয়ার স্বপ্নটি আটকে গেল। প্রথম প্রথম ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েছিলাম—এত কষ্ট করে কাজ শেখা কি তাহলে সব বৃথা যাবে? তবে আমার সেই দক্ষতাই আমাকে হতাশ হতে দেয়নি। যেই প্রতিষ্ঠানে দিনরাত ঘাম ঝরিয়ে কাজ শিখেছিলাম, আমার মেধা, কাজের প্রতি একাগ্রতা আর দক্ষতা দেখে iFixFast কর্তৃপক্ষ তাদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানেই আমাকে স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়। বিদেশে যাওয়া হয়নি সত্যি, কিন্তু তার চেয়েও বড় সম্মান আর আত্মতৃপ্তি আজ পেয়েছি—নিজের শেখানো আঙিনাতেই একজন সফল প্রফেশনাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
জীবনের প্রতিটি মোড়েই নতুন নতুন সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে। আগে আমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতাম। দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যতে নিজের পায়ে কীভাবে দাঁড়াব, সে নিয়ে প্রায়ই চিন্তাভাবনা করতাম। এমনই একদিন আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু এসে আমাকে কাজের কথা বলল। সে বলল, "মোবাইল সার্ভিসিং শেখা একটা দারুণ পেশা। প্রযুক্তি নির্ভর এই যুগে এই কাজটা শিখলে কখনোই আটকে থাকতে হবে না, খুব সহজেই নিজে স্বাবলম্বী হওয়া যায়।" বন্ধুর এই একটি পরামর্শই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল। আমি মন স্থির করলাম এবং কারিগরি দক্ষতায় নিজেকে স্বাবলম্বী করতে ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। সেখানে শুরু হলো একদম নতুন একটি অভিজ্ঞতা। মাদ্রাসার পরিবেশ থেকে এসে ইলেকট্রনিক্স আর সার্কিটের সূক্ষ্ম টেকনিক্যাল বিষয়গুলো বোঝা প্রথম দিকে একটু কঠিন মনে হলেও, ইন্সট্রাক্টরদের সহজ বুঝানো এবং হাতে-কলমে শেখানোর কারণে খুব দ্রুতই সব আয়ত্ত করে ফেললাম। মোবাইল ফোনের খুঁটিনাটি ডায়াগনসিস, পার্টস রিপেয়ারিং এবং সমস্যার সঠিক সমাধান নিখুঁতভাবে শিখে নিলাম। কঠোর পরিশ্রম আর সঠিক প্রশিক্ষণের পর আজ আমি আর কারো ওপর নির্ভর নই। প্রশিক্ষণ শেষ করে একটি স্বনামধন্য দোকানে সফলভাবে মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। মাদ্রাসার ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসে আজ কারিগরি খাতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সঠিক সিদ্ধান্ত, মেধা এবং iFixFast-এর মানসম্মত প্রশিক্ষণ আজ আমাকে সফল ও আত্মনির্ভরশীল একজন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে
আমি নিজে চেষ্টা করেছি এবং শিক্ষকদের সহযোগিতায় আমি আজকে ifixfast এর একজন প্রশিক্ষক হতে পেরেছি ধন্যবাদ ifixfast.
নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন কম-বেশি সবারই থাকে, কিন্তু সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সাহস সবাই দেখাতে পারে না। ক্যারিয়ার নিয়ে যখন অনিশ্চয়তা আর দুশ্চিন্তা আমাকে ঘিরে ধরেছিল, ঠিক তখনই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি নিই। সিদ্ধান্তটি ছিল—কাউকে অনুসরণ না করে, নিজের একটি কারিগরি দক্ষতা তৈরি করা। সেই ভাবনা থেকেই যুক্ত হই iFixFast Training Institute-এ। সেখানে মোবাইল ফোন সার্ভিসিংয়ের ওপর পেশাদার প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করি। প্রশিক্ষক ভাইদের হাতে-কলমে শেখানো, বেসিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেলের সার্কিট ডায়াগনসিস এবং ধৈর্য ধরে প্রতিটি সমস্যার সমাধান বের করার কৌশল আমাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। ধীরে ধীরে বুঝতে পারি, কঠোর পরিশ্রম আর সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে টেকনিক্যাল সেক্টরে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব। প্রশিক্ষণ শেষ করে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। জমানো কিছু পুঁজি আর মেধা নিয়ে আজ নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান শুরু করেছি। এতদিন যে কাজের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতে হতো, আজ সেই কাজের মাধ্যমে নিজে স্বাবলম্বী এবং অন্যের সমস্যার সমাধান করছি। আজ যখন নিজের দোকানে বসি আর সন্তুষ্ট গ্রাহকদের হাসি দেখি, তখন মনে হয়—নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এই পথচলা সত্যিই সার্থক। iFixFast আমাকে শুধু কাজ শেখায়নি, বরং একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস যুগিয়েছে। জিরো থেকে আজ আমি একজন সফল দোকান মালিক। সঠিক সিদ্ধান্ত আর দক্ষতার ওপর ভরসা রাখলে সাফল্য যে আসবেই—এটিই এখন আমার বিশ্বাসের ভিত্তি
আমি মোঃ নাইম প্রধান, আমি প্রবাসে ছিলাম৷ হঠাৎ অসুস্থতার কারণে বাংলাদেশে চলে আসতে হলো৷ তারপর কয়েক মাস পর কিছু একটা করতে হবে তখন মোবাইলে ফেসবুক ট্রল করতে করতে আই সিক্স ফার্স্ট ট্রেনিং সেন্টার এর একটি ভিডিও আমার চোখে পড়ে তখন তাদের ভিডিও দেখে আমার ভালো লাগে একটি আগ্রহ জাগে মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ শেখার জন্য৷ তারপর তাদের সাথে যোগাযোগ করে ডিটেলস জানতে পারলাম৷ তারপর ওদের ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হলাম প্রথমে বেসিক কর্সে ভর্তি হলাম৷ তিন মাস কোর্স করার পরে আমি একটি দোকানে আরো তিন মাস সময় দেই মনে হল হ্যাঁ আমি পারবো তারপর আমি একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করালাম এখন আল্লাহর রহমতে ভালো আছি৷
ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক্স আর মোবাইলের যন্ত্রাংশের প্রতি আমার আলাদা একটা কৌতুহল ও ভালোবাসা ছিল। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে সেটা নিয়ে কখনো এগোনো হয়নি। তাই বড় ভাই যখন প্রস্তাবটা দিলেন, এক মুহূর্তও দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। পরে খুঁজে পেলাম "ifix fast" সেখানেই শুরু হলো আমার জীবনের আসল মোড় পরিবর্তন। ওখানকার অভিজ্ঞ মেন্টরদের কাছ থেকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক অ্যাডভান্সড লেভেলের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কাজ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শিখতে শুরু করলাম। ক্লাস আর প্র্যাকটিক্যাল সেশনের প্রতিটি দিনই আমাকে একটু একটু করে পরিপক্ক করে তুলল। কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনের পর আজ আমি একজন দক্ষ ও সফল টেকনিশিয়ান, এবং একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। সবাই দোয়া করবেন।
নেত্রকোনার ছেলে হয়েও এখন আমার কর্মস্থল গাজীপুরের শ্রীপুরে, নয়নপুর বাজারের "Akram Telecom Corner"। আমি মোঃ মামুন খান, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করি। নেত্রকোনা থেকে গাজীপুরের মতো একটা শিল্পাঞ্চলে এসে কাজের সুযোগ খোঁজাটা ছিল একটা বড় সিদ্ধান্ত। এখানে কল-কারখানার মানুষের সংখ্যা বেশি, তাই মোবাইল ফোনের চাহিদা আর সমস্যা দুটোই অনেক বেশি—এটা বুঝেই ২০২৫ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের কোর্সে ভর্তি হই। প্রায় তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে শুধু সাধারণ সমস্যাই না, শিল্পাঞ্চলের ব্যস্ত মানুষদের দ্রুত সেবা দেওয়ার কৌশলও শিখেছি। ১০ই ডিসেম্বর কোর্স শেষ করে নয়নপুর বাজারের এই দোকানে যোগ দিই। আজ নেত্রকোনা থেকে দূরে এসে গাজীপুরের এই শিল্পাঞ্চলে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করতে পেরেছি। প্রতিদিন কারখানার মানুষ থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দা—সবার ফোনের সমস্যা সমাধান করে দিতে দিতে বুঝি, এই অ্যাডভান্স দক্ষতাটাই আমাকে এখানে টিকে থাকার শক্তি জুগিয়েছে।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বাড়ি, কিন্তু কাজ করি কটিয়াদী বাস স্ট্যান্ডে অবস্থিত "Mobile Hospital"-এ। আমি মুহাইমিনুল ইসলাম, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। দোকানের নামটাই একটা মজার ব্যাপার—"Mobile Hospital"। মানুষ যখন ভাঙা, নষ্ট হয়ে যাওয়া ফোন নিয়ে আসে, ঠিক যেন একজন রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসার মতো অবস্থা। এই ভাবনাটাই আমাকে কাজের প্রতি আরও যত্নশীল হতে শিখিয়েছে। পাকুন্দিয়া থেকে কটিয়াদী পর্যন্ত এই যাতায়াতটা শুরুতে একটু কষ্টকর মনে হলেও, কাজ শেখার আগ্রহ থেকে বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা ফোনকে যেন একজন রোগীর মতো যত্ন নিয়ে পরীক্ষা করার অভ্যাসটা তৈরি হয়—আগে সমস্যাটা ভালোভাবে বুঝে নেওয়া, তারপর সঠিক সমাধান খোঁজা। আজ "Mobile Hospital"-এ কাজ করতে করতে বুঝি, প্রতিটা গ্রাহকের ফোনই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তাই প্রতিটা সমস্যাকেই গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করাটাই আমার কাজের মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সিলেট থেকে ঢাকায় এসে থিতু হয়েছি, এখন কাজ করি যাত্রাবাড়ীর ইদ্রিস মার্কেটে অবস্থিত "MRI"-তে। আমি ইয়াসিন আরাফাত, এখানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। সিলেট থেকে ঢাকার মতো একটা কর্মব্যস্ত শহরে পা রাখার সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না। যাত্রাবাড়ীর মতো এলাকায় প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা, ব্যস্ততা—এই পরিবেশে টিকে থাকতে হলে একটা দক্ষতা থাকা জরুরি মনে হলো আমার কাছে। এই বিশ্বাস নিয়েই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময়টায় সবচেয়ে বেশি যা শিখেছি, তা হলো যাত্রাবাড়ীর মতো ব্যস্ত এলাকায় কাজ করতে হলে দ্রুততা আর নির্ভুলতা দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোর্স শেষে ইদ্রিস মার্কেটের "MRI"-তে কাজের সুযোগ পাওয়ার পর সেই শিক্ষাটাই প্রতিদিন কাজে লাগাচ্ছি। আজ সিলেট থেকে দূরে এসেও যাত্রাবাড়ীর এই ব্যস্ত মার্কেটে নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি, আর এই অনুভূতিটাই আমাকে প্রতিদিন এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়।
মানিকগঞ্জ সদরে বড় হয়েছি, এই শহরের প্রতিটা গলি আমার চেনা। আমি মোঃ নাফিস মাহমুদ আল রাফি, এখন কাজ করি পৌরসভা মার্কেটে অবস্থিত "Shuvo Mobile Service"-এ, টেকনিশিয়ান হিসেবে। স্কুল-কলেজ জীবন শেষ করে যখন কাজের কথা ভাবছিলাম, তখন আশেপাশে দেখেছি অনেকেই মোবাইল সার্ভিসিং করে ভালো একটা আয়ের পথ তৈরি করেছে। এই বিষয়টা আমাকেও আকৃষ্ট করলো, মনে হলো এটা এমন একটা দক্ষতা যেটা সবসময়ই কাজে লাগবে, কারণ মোবাইল ফোন তো এখন সবার হাতেই। এই ভাবনা থেকে বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা ক্লাসেই নতুন কিছু আবিষ্কার করতাম নিজের মধ্যে—কখনো মনে হতো এই কাজটা আমার হাতে বেশ ভালোভাবেই আসছে। কোর্স শেষে পৌরসভা মার্কেটের "Shuvo Mobile Service"-এ কাজের সুযোগ পাই। আজ নিজের চেনা শহরে, নিজের পরিচিত মার্কেটেই একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। প্রতিদিন এলাকার মানুষের ফোনের সমস্যা সমাধান করে দিতে দিতে বুঝি, নিজের শহরেই একটা সম্মানজনক পেশা গড়ে তোলা সম্ভব।
সিলেট থেকে ঢাকায় এসে থিতু হয়েছি মালিবাগ মৌচাক এলাকায়। আমি মোঃ আরাফাত, কাজ করি সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলের পঞ্চম তলায় অবস্থিত "IFixFast Mobile Service Center"-এ, টেকনিশিয়ান হিসেবে। সিলেট থেকে ঢাকার মতো একটা কর্মব্যস্ত শহরে আসার সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না। নতুন জায়গা, নতুন পরিবেশ—সবকিছু মানিয়ে নিতে সময় লেগেছে। কিন্তু জানতাম, একটা ভালো দক্ষতা অর্জন করতে পারলে এই শহরেই নিজের জায়গা করে নেওয়া সম্ভব। তাই IFixFast Training Center-এ তিন মাসের বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের এই তিন মাসে সবচেয়ে বেশি যেটা শিখেছি, তা হলো মৌচাকের মতো একটা বড় শপিং মলে কাজ করতে গেলে শুধু টেকনিক্যাল জ্ঞান থাকলেই হবে না, গ্রাহকের সাথে পেশাদার আচরণও শিখতে হবে। কোর্স শেষে যেখানে শিখেছি, সেই একই প্রতিষ্ঠান IFixFast-এই কাজের সুযোগ পাই। আজ প্রতিদিন সেন্টার পয়েন্টের পঞ্চম তলায় কাজ করতে করতে বুঝি, সিলেট থেকে দূরে এসেও নিজের জন্য একটা সম্মানজনক জায়গা তৈরি করা সম্ভব, আর এই অনুভূতিটাই আমাকে প্রতিদিন এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাট মোড়ে তাসনোভা মার্কেটে আমার কর্মস্থল "Keranihaat Mobile"। আমি সাইদুল ইসলাম আসিফ, এখানে কাজ করি টেকনিশিয়ান হিসেবে। কেরানীহাট মোড় এলাকাটা পরিবহনের একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, তাই সবসময় মানুষের চলাচল লেগেই থাকে। এমন একটা জায়গায় কাজ করতে হলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আর ধৈর্য দুটোই দরকার, এটা বুঝেছিলাম শুরু থেকেই। তিন মাসের বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে এই দক্ষতাগুলো অর্জনের চেষ্টা করি। প্রশিক্ষণের এই তিন মাসে সময়টা কম মনে হলেও, প্রতিটা ক্লাসেই নিবিড়ভাবে শিখেছি—কীভাবে দ্রুত সমস্যা চিহ্নিত করতে হয়, কীভাবে গ্রাহকের সাথে বোঝাপড়া তৈরি করতে হয়। কোর্স শেষে যখন কেরানীহাট মোড়ের এই দোকানে যোগ দিই, তখন সেই শেখাটাই কাজে লাগাতে শুরু করি। আজ এই ব্যস্ত মোড়ে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন মানুষের ফোনের সমস্যা সমাধান করি, আর বুঝি—সাতকানিয়ার মতো একটা এলাকাতেও দক্ষতা থাকলে নিজের একটা পরিচিত জায়গা তৈরি করা যায়।
(Experience): গত৫–৬ বছর ধরে আমি মোবাইল সার্ভিসিং ও রিপেয়ারিং পেশায় কাজ করছি। প্রাথমিক ভাবে ফল্ট ফাই ন্ডিং, নেট ওয়ার্ক সমস্যা এবং মাদারবোর্ড রিপেয়ারের মতো জটিল কাজগুলো করতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতাম। পরবর্তীতে IFIXFAST: iFix First Training Institute-এ প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে আমার দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে আমি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনের ডেড রিপেয়ার, ফল্ট ফাইন্ডিং এবং মাদারবোর্ড সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে পারি। পেশাগতভাবে প্রতিনিয়ত নতুন প্রযুক্তি শিখে নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
ভবিষ্যৎ নিয়ে কী করব না করব—তা নিয়ে একসময় ভীষণ দ্বিধাদ্বন্দে ছিলাম। আশেপাশের সবাইকে নির্দিষ্ট কিছু প্রথাগত ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে দেখে মনে হতো, আমার উচিত এমন কিছু করা যেখানে কাজের মূল্যায়ন হবে শতভাগ প্র্যাকটিক্যাল দক্ষতায়। টেকনোলজির এই যুগে স্মার্টফোনের ওপর মানুষের নির্ভরতা দেখে সিদ্ধান্ত নিলাম—মোবাইল সার্ভিসিংকেই নিজের ভবিষ্যৎ বানাব। কিন্তু সাধারণ কোনো কাজ শেখা আর প্রফেশনালি মাস্টার হওয়া এক কথা নয়। নিজেকে পুরোপুরি যোগ্য করে তুলতে পা রাখলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের অ্যাডভান্সড ল্যাবে প্রবেশ করার পরেই বুঝতে পারলাম প্রফেশনাল ট্রেনিং কাকে বলে। ডিজিটালি ফল্ট ট্রেসিং, আধুনিক স্ক্যামেটিক ডায়াগ্রাম রিডিং, মাদারবোর্ডের সোল্ডারিং এবং আইসি রিবলিংয়ের মতো জটিল বিষয়গুলো একদম গোড়া থেকে প্র্যাকটিক্যালি শেখানো হলো। ট্রেইনারদের প্রতিটি গাইডলাইন আমার ভেতরের ভয় দূর করে আত্মবিশ্বাস এনে দিল। কোর্স সম্পন্ন করার পর নিজের কাজের ওপর সেই দৃঢ় আস্থা তৈরি হয়ে যায়। সেই দক্ষতার বলেই আজ আমি একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। প্রতিদিন শত শত জটিল টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান যখন নিজের হাতে করি, তখন মনে হয় নিজের মেধাকে সঠিক জায়গায় কাজে লাগাতে পেরেছি। আমাকে কেবল একটি কাজই শেখায়নি, বরং স্বাবলম্বী হয়ে বাঁচার পথ দেখিয়ে দিয়েছে IFixFast Training Institute
এইচএসসি পরীক্ষাটা শেষ হওয়ার পরই হঠাৎ আমার হাতের ফোনটা নষ্ট হয়ে যায়। উপায় না পেয়ে দৌড়ে গেলাম কাছের একটা মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে। দোকানদার আঙ্কেল সামান্য ব্যাটারি চেঞ্জ করে ফোনটা ঠিক করে দিলেন, কিন্তু বিনিময়ে বেশ ভালো অংকের টাকা নিলেন। কাজটা দেখে এবং এর ভালো চাহিদার কথা ভেবে আমার মনের ভেতরে এক গভীর আগ্রহ তৈরি হলো—এই কাজটা আমাকে শিখতেই হবে! সারাজীবন চাকরির পেছনে ঘুরে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তৈরির চেয়ে ভেবেছিলাম, নিজের একটি শক্ত হাতের কাজ থাকা অনেক বেশি দরকার। সেই ইচ্ছা থেকেই খোঁজ নিয়ে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে কাটানো দিনগুলোই আমার কেরিয়ারের মূল ভিত্তি তৈরি করে দিল। আধুনিক প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে মাদারবোর্ডের জটিল কাজ, আইসি রিবলিং, সার্কিট ট্রেসিং এবং ফল্ট ফাইন্ডিংয়ের মতো অ্যাডভান্স কাজগুলো তারা আমায় প্রফেশনালি শেখাল। ট্রেনিং শেষে দক্ষতা আর আত্মবিশ্বাস দুটোই যখন শতভাগ, তখন চাকরির চেষ্টা না করে নিজেই সিদ্ধান্ত নিলাম নিজের একটা পথ তৈরি করার। আজ আমি নিজের একটি সার্ভিসিং শপ খুলে বসেছি এবং আমি নিজেই সেই দোকানের গর্বিত মালিক! যেই কাজের পেছনে একসময় আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, আজ সেই কাজ দিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। চাকরির পেছনে না ছুটে সঠিক ট্রেনিং আর হাতের কাজ শেখার সিদ্ধান্তটা যে কত বড় সঠিক ছিল, তা আজ প্রতিনিয়ত উপলব্ধি করি
একসময় দোকানে বসে থাকতাম ঠিকই, কিন্তু ফোনের ছোটখাটো কাজ ছাড়া বড় কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারতাম না। জটিল বা মাদারবোর্ডের কোনো কেস আসলে কাস্টমারকে ফেরত দিতে হতো, না হয় অন্য দোকান থেকে করিয়ে আনতে হতো। নিজের মেধা ছিল, শেখার আগ্রহ ছিল, কিন্তু সঠিক দক্ষতার অভাবে ভেতরে একধরনের হীনম্মন্যতা কাজ করত। ঠিক তখনই খোঁজ পেলাম IFixFast Training Institute-এর। আর দেরি না করে নিজেকে পুরোপুরি তৈরি করতে ভর্তি হয়ে গেলাম সেখানে। ওখানে গিয়েই বুঝতে পারলাম কাজের আসল কৌশল কাকে বলে! অ্যাডভান্স ল্যাবে মাইক্রোস্কোপের নিচে আইসি রিবলিং, ডায়াগনস্টিকস, স্ক্যামেটিক ডায়াগ্রাম দেখে সার্কিট ট্রেসিং এবং জটিল ফল্ট ফাইন্ডিংয়ের মতো অ্যাডভান্স লেভেলের সব কাজ তারা আমায় নিখুঁতভাবে শেখাল। জট লেগে থাকা কনফিউশনগুলো এক এক করে খুলে গেল। ট্রেনিং শেষ করে যখন আবার দোকানে কাজে ফিরলাম, চিত্রটা পুরো বদলে গেছে! আগে যে কাজগুলোতে হাত দিতে ভয় পেতাম, এখন সেগুলোই হাসিমুখে রিসিভ করি। আজ আমি সেই একই দোকানে একজন অল-রাউন্ডার ও দক্ষ Senior Mobile Technician হিসেবে দাপটের সাথে কাজ করছি। অসম্পূর্ণ জ্ঞান নিয়ে বসে থাকা সেই ছেলেটি আজ দোকানটির প্রধান ভরসার জায়গা। আমাকে এই আত্মবিশ্বাস আর সত্যিকারের সাফল্য এনে দেওয়ার পেছনের মাস্টারমাইন্ড IFixFast Training Institute
পকেটে থাকা স্মার্টফোনটার স্ক্রিন কিংবা পার্টসের প্রতি একটা অন্যরকম ঝোঁক ছিল ছোটবেলা থেকেই। ফোন নষ্ট হলে মেকানিকের পাশে দাঁড়িয়ে হাঁ করে তাকিয়ে থাকতাম। এই ভালোলাগা থেকেই ভেবেছিলাম, গ্যাজেটের এই জাদুকরী দুনিয়াটা আমাকে নিখুঁতভাবে শিখতেই হবে। নিজের সেই ঝোঁককে প্রফেশনাল রূপ দিতে পা রাখি IFixFast Training Institute-এ। প্রাতিষ্ঠানিক প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে ডিজিটাল মাল্টিমিটার, মাইক্রোস্কোপের নিচে মাদারবোর্ডের ট্রাবলশুটিং, সার্কিট ট্রেসিং আর আইসি লেভেলের অ্যাডভান্স কাজগুলো তারা আমায় প্র্যাকটিক্যালি রপ্ত করাল। কোর্স শেষে নিজের অর্জিত দক্ষতাকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরি। সেই ভালোলাগাকে পুঁজি করে আজ আমি একটি নামকরা দোকানে দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি! নিজের পছন্দের কাজটাকে জীবিকা হিসেবে পেয়ে প্রতিদিনের কাজটাই এখন আনন্দের। যখন কোনো জটিল বা ডেড (Dead) ফোন সচল করে কাস্টমারের হাতে তুলে দিই, তখন যে তৃপ্তিটা পাই—তা বলে বোঝানো যাবে না। শখকে সফল কেরিয়ারে রূপ দেওয়ার এই রোমাঞ্চকর পথচলায় IFixFast-এর অবদান সত্যিই অনবদ্য
মোবাইল ফোন আর এর ভেতরের গ্যাজেটগুলোর প্রতি অন্যরকম এক ভালোলাগা কাজ করত ছোটবেলা থেকেই। ফোন নষ্ট হলে ওটার ভেতরে কী আছে, কীভাবে কাজ করে—এসব জানার কৌতূহল ছিল সবসময়। সেই ভালোলাগাকেই নিজের পেশা বানানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। শখের কাজকে পেশাদারি রূপ দিতে ভর্তি হলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে গিয়েই বুঝলাম, শুধু ভালোলাগা থাকলেই হয় না, কাজের সঠিক টেকনিক জানতে হয়। ল্যাবে মাইক্রোস্কোপের নিচে মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম কাজ, আইসি রিবলিং এবং নিখুঁত ফল্ট ফাইন্ডিং খুব যত্ন নিয়ে প্র্যাকটিক্যালি শিখলাম। ট্রেনিং শেষ করার পর আর থেমে থাকতে হয়নি। নিজের ওপর সেই আত্মবিশ্বাস চলে এসেছিল। অর্জিত দক্ষতা আর ভালোবাসাকে পুঁজি করে আজ আমি নিজেই একটি মোবাইল সার্ভিসিং শপ খুলে বসেছি! যে কাজটা ভালোবাসতাম, আজ সেটাই আমার ব্যবসা, আমার আয়ের উৎস। নিজের দোকানের মালিক হিসেবে যখন কাস্টমারদের বিশ্বস্ত সেবা দিই, তখন মনে হয় ভালোবাসাকে স্বপ্নে রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্তটা একদম সঠিক ছিল। আর এই স্বপ্নের শক্ত ভিত্তি গড়ে দিয়েছে IFixFast Training Institute
ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন চরম অনিশ্চয়তা, তখন ভাবলাম এমন কিছু শেখা দরকার যার চাহিদা কখনো ফুরাবে না। চিন্তা থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম—মোবাইল সার্ভিসিং শিখব। খোঁজ নিয়ে পা বাড়ালাম IFixFast Training Institute-এর দিকে। সেখানে গিয়ে প্রথম দিনই বুঝেছিলাম, সিদ্ধান্তটা একদম ভুল ছিল না। কোনো বাঁধাধরা মুখস্থ শিক্ষা নয়; প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে ডিজিটাল মাল্টিমিটার, হট এয়ার গান আর মাইক্রোস্কোপের নিচে মাদারবোর্ডের জটিল কাজগুলো তারা নিখুঁতভাবে শিখিয়ে দিল। আইসি রিবলিং থেকে শুরু করে নিখুঁত ফল্ট ফাইন্ডিং—প্রতিটি কাজ হাতে-কলমে রপ্ত করলাম। ট্রেনিং শেষ হতেই জীবনের মোড় ঘুরে গেল। আজ আমি একটি নামকরা দোকানে পুরোদস্তুর মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। টেবিলে যখন কোনো ডেড (Dead) ফোন আসে, আর নিজের মেধা ও দক্ষতা দিয়ে সেটাকে সচল করে কাস্টমারের হাতে তুলে দিই—সেই মুহূর্তের আত্মবিশ্বাস আর তৃপ্তিটাই আমার আসল ইনকাম। নিজের একটি শক্ত পেশাগত পরিচয় তৈরি করে দেওয়ার জন্য IFixFast-এর অবদান আমি কখনো ভুলব না।
ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক্স আর মোবাইলের যন্ত্রাংশের প্রতি আমার আলাদা একটা কৌতুহল ও ভালোবাসা ছিল। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে সেটা নিয়ে কখনো এগোনো হয়নি। তাই বড় ভাই যখন প্রস্তাবটা দিলেন, এক মুহূর্তও দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। বড় ভাইয়ের হাত ধরে ভর্তি হলাম 'আইফিক্সফাস্ট (iFixFast) ট্রেনিং ইনস্টিটিউট'-এ। সেখানেই শুরু হলো আমার জীবনের আসল মোড় পরিবর্তন। ওখানকার অভিজ্ঞ মেন্টরদের কাছ থেকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক অ্যাডভান্সড লেভেলের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কাজ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শিখতে শুরু করলাম। ক্লাস আর প্র্যাকটিক্যাল সেশনের প্রতিটি দিনই আমাকে একটু একটু করে পরিপক্ক করে তুলল। কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনের পর আজ আমি একজন দক্ষ ও সফল টেকনিশিয়ান।
বাবার স্বপ্ন ছিল আমি যেন মোবাইল সার্ভিসিং শিখে একজন দক্ষ মানুষ হই এবং নিজের পায়ে দাঁড়াই। কিন্তু কীভাবে শুরু করব, কোথা থেকে শিখব—তা নিয়ে দিশেহারা ছিলাম। বাবার সেই স্বপ্নকে সত্যি করতেই আমি ভর্তি হই IFixFast Training Institute-এ। সেখান থেকেই শুরু হয় আমার জীবনের নতুন এক অধ্যায়। একদম সহজভাবে মাদারবোর্ডের জটিল কাজ, আইসি রিবলিং এবং নিখুঁত ফল্ট ফাইন্ডিং শেখানো হয় প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে। ট্রেইনারদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা ও সঠিক গাইডলাইন আমার ভেতর থেকে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলে। আজ আমি অত্যন্ত গর্বের সাথে একটি দোকানে মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। বাবার চোখে আজ যে আনন্দের ছাপ আর গর্ব দেখতে পাই, তা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। বাবার এই দেখা স্বপ্ন পূরণের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান IFixFast Training Institute-এর। সঠিক ট্রেনিং আর দিকনির্দেশনা পেয়ে আজ আমি নিজেকে একজন সফল মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি
একটা সময় ভাবতাম, কীভাবে নিজের একটি শক্ত কেরিয়ার গড়ে তুলব। সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন অনিশ্চয়তায় ভুগছিলাম, ঠিক তখনই খুঁজে পাই IFixFast Training Institute-কে। সেখানে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্তটাই ছিল আমার জীবনের সেরা মোড়। একদম শূন্য অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে মাদারবোর্ডের জটিল কাজ, ফল্ট ফাইন্ডিং ও আইসি রিবলিংয়ের মতো অ্যাডভান্স লেভেলের স্কিলগুলো তারা হাত ধরে প্র্যাকটিক্যালি শেখায়। টেকনিক্যাল দক্ষতার পাশাপাশি কীভাবে প্রফেশনাল মনোভাব গড়ে তুলতে হয়, সেটাও সেখান থেকেই শেখা। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করার পর আমাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। আইফিক্সফাস্টের সঠিক গাইডলাইনের দৌলতে আজ আমি একটি সার্ভিসিং সেন্টারে দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি এবং নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ থেকে আজ নিজের একটা শক্ত পেশাগত পরিচয় তৈরি করার এই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে IFixFast Training Institute। সঠিক স্কিল শেখার ইচ্ছা থাকলে যে নিজের কেরিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব, আজ আমি তারই প্রমাণ
কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া অলসভাবে ঘরে বসে কাটছিল দিনগুলো। ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো স্পষ্ট ভাবনা ছিল না, কেবল একধরনের থমকে থাকা জীবন। ঠিক তেমনই এক সাধারণ দুপুরে বড় ভাই এসে হঠাৎ একটা প্রশ্ন করলেন—"মোবাইল সার্ভিসিং শিখবি?" কথাটা শোনামাত্রই মনের ভেতর পুরোনো একটা আগ্রহ জেগে উঠল। ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক্স আর মোবাইলের যন্ত্রাংশের প্রতি আমার আলাদা একটা কৌতুহল ও ভালোবাসা ছিল। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে সেটা নিয়ে কখনো এগোনো হয়নি। তাই বড় ভাই যখন প্রস্তাবটা দিলেন, এক মুহূর্তও দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। বড় ভাইয়ের হাত ধরে ভর্তি হলাম 'আইফিক্সফাস্ট (iFixFast) ট্রেনিং ইনস্টিটিউট'-এ। সেখানেই শুরু হলো আমার জীবনের আসল মোড় পরিবর্তন। ওখানকার অভিজ্ঞ মেন্টরদের কাছ থেকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক অ্যাডভান্সড লেভেলের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কাজ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শিখতে শুরু করলাম। ক্লাস আর প্র্যাকটিক্যাল সেশনের প্রতিটি দিনই আমাকে একটু একটু করে পরিপক্ক করে তুলল। কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনের পর আজ আমি একজন দক্ষ ও সফল টেকনিশিয়ান।
দিনগুলো কোনোমতে কাটছিল, হাতে কোনো কাজ ছিল না। বেকার বসে থাকতে থাকতে ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন দিশেহারা, ঠিক তখনই মাথায় ভাবনাটা এলো—বর্তমানে সবাই তো স্মার্টফোন ব্যবহার করে, মোবাইল সার্ভিসিং শিখলে তো একটা গতি হতে পারে! খোঁজখবর নিয়ে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। সেখানে কাটানো দিনগুলোই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল। অভিজ্ঞ মেন্টরদের কাছ থেকে মাদারবোর্ডের কাজ, ফল্ট ফাইন্ডিং ও আইসি রিবলিংয়ের মতো জটিল বিষয়গুলো প্র্যাকটিক্যালি নিখুঁতভাবে শিখলাম। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করে নিজের অর্জিত দক্ষতা নিয়ে কাজে নেমে পড়লাম। আজ আমি একটি দোকানে দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে চাকরি করছি। নষ্ট ফোন ঠিক করে গ্রাহকদের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্যেই এখন প্রতিদিনের কাজের আনন্দ খুঁজে পাই। বেকারত্বের অভিশাপ কাটিয়ে আজ আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি, এটাই আমার বড় অর্জন। আমার এই নতুন পরিচয়ের জন্য IFixFast Training Institute-এর কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। সঠিক ট্রেনিং আর ইচ্ছাশক্তি থাকলে যেকোনো হতাশাকেই শক্তিতে রূপান্তর করা যায়
কয়েক মাস আগেও ভাবতাম, নিজের ভবিষ্যৎ কীভাবে গড়ব। টেকনিক্যাল কাজে আগ্রহ থাকলেও সঠিক গাইডের অভাব ছিল। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ভর্তি হই IFixFast Training Institute-এ। সেখানের প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে মাদারবোর্ডের কাজ, আইসি রিবলিং ও ফল্ট ফাইন্ডিংয়ের মতো জটিল বিষয়গুলো হাত ধরে শিখি। দক্ষ মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও নিজের কঠোর পরিশ্রমের পর সফলভাবে ট্রেনিং শেষ করি। আজ আমি একটি দোকানে একজন সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। যখন কোনো গ্রাহকের নষ্ট ফোন ঠিক করে তাদের মুখে হাসি ফোটাই, তখন কাজের আসল তৃপ্তি পাই। নিজের একটা পরিচয় আর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা—দুটোই আজ আমার হাতে। আমার এই পরিবর্তনের মূল কারিগর IFixFast Training Institute। সঠিক ট্রেনিং আর ইচ্ছাশক্তি থাকলে যেকোনো পথই সহজ হয়ে যায়
আমি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করতেছি। পড়াশোনার পাশাপাশি আমি মোবাইল ফোন সার্ভিসিং এর কাজ শিখার জন্য আমাদের এলাকার একটি দোকানে জয়েন করি। কিন্তু সেখান থেকে আমি তেমন কিছু শিখতে পারিনি। তারপর আমি ঢাকায় চলে আসি এবং ফেসবুকে IFixFast এর ভিডিও দেখে ভালো লাগে। তারপর আমি এখানে বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে আমি মোতালেব প্লাজাতে একটি শপে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেছি।
কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া অলসভাবে ঘরে বসে কাটছিল দিনগুলো। ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো স্পষ্ট ভাবনা ছিল না, কেবল একধরনের থমকে থাকা জীবন। ঠিক তেমনই এক সাধারণ দুপুরে বড় ভাই এসে হঠাৎ একটা প্রশ্ন করলেন—"মোবাইল সার্ভিসিং শিখবি?" কথাটা শোনামাত্রই মনের ভেতর পুরোনো একটা আগ্রহ জেগে উঠল। ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক্স আর মোবাইলের যন্ত্রাংশের প্রতি আমার আলাদা একটা কৌতুহল ও ভালোবাসা ছিল। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে সেটা নিয়ে কখনো এগোনো হয়নি। তাই বড় ভাই যখন প্রস্তাবটা দিলেন, এক মুহূর্তও দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। বড় ভাইয়ের হাত ধরে ভর্তি হলাম 'আইফিক্সফাস্ট (iFixFast) ট্রেনিং ইনস্টিটিউট'-এ। সেখানেই শুরু হলো আমার জীবনের আসল মোড় পরিবর্তন। ওখানকার অভিজ্ঞ মেন্টরদের কাছ থেকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক অ্যাডভান্সড লেভেলের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কাজ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শিখতে শুরু করলাম। ক্লাস আর প্র্যাকটিক্যাল সেশনের প্রতিটি দিনই আমাকে একটু একটু করে পরিপক্ক করে তুলল। কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনের পর আজ আমি একজন দক্ষ ও সফল টেকনিশিয়ান।
কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া অলসভাবে ঘরে বসে কাটছিল দিনগুলো। ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো স্পষ্ট ভাবনা ছিল না, কেবল একধরনের থমকে থাকা জীবন। ঠিক তেমনই এক সাধারণ দুপুরে বড় ভাই এসে হঠাৎ একটা প্রশ্ন করলেন—"মোবাইল সার্ভিসিং শিখবি?" কথাটা শোনামাত্রই মনের ভেতর পুরোনো একটা আগ্রহ জেগে উঠল। ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক্স আর মোবাইলের যন্ত্রাংশের প্রতি আমার আলাদা একটা কৌতুহল ও ভালোবাসা ছিল। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে সেটা নিয়ে কখনো এগোনো হয়নি। তাই বড় ভাই যখন প্রস্তাবটা দিলেন, এক মুহূর্তও দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। বড় ভাইয়ের হাত ধরে ভর্তি হলাম 'আইফিক্সফাস্ট (iFixFast) ট্রেনিং ইনস্টিটিউট'-এ। সেখানেই শুরু হলো আমার জীবনের আসল মোড় পরিবর্তন। ওখানকার অভিজ্ঞ মেন্টরদের কাছ থেকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক অ্যাডভান্সড লেভেলের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কাজ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শিখতে শুরু করলাম। ক্লাস আর প্র্যাকটিক্যাল সেশনের প্রতিটি দিনই আমাকে একটু একটু করে পরিপক্ক করে তুলল। কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনের পর আজ আমি একজন দক্ষ ও সফল টেকনিশিয়ান। নিজের মেধা ও যোগ্যতায় বর্তমানে একটি সার্ভিসিং শপে সফলতার সাথে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। অলসভাবে বসে থাকা সেই দিনগুলো পেছনে ফেলে আজ যখন প্রতিদিন নতুন নতুন টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান করি এবং কাস্টমারদের মুখে সন্তুষ্টির হাসি দেখি, তখন সত্যি দারুণ লাগে। সঠিক সময়ে বড় ভাইয়ের সেই একটি দিকনির্দেশনা আর আইফিক্সফাস্টের মানসম্মত ট্রেনিংই আজ আমাকে এই সাফল্যের মঞ্চে দাঁড় করিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ্
নিজের একটা মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান থাকা সত্ত্বেও মনটা সবসময় খিটখিট করত। সার্ভিসিংয়ের প্রাথমিক কিছু কাজ করতে পারলেও, জটিল বা অ্যাডভান্সড কোনো সমস্যা এলেই ফোন কাস্টমারকে ফেরত দিতে হতো, নয়তো অন্য কারও দোকান থেকে করিয়ে আনতে হতো। নিজের দোকানে বসেও নিজেকে পূর্ণাঙ্গ টেকনিশিয়ান মনে হতো না, সেলস আর আয়ের সুযোগ দুটোই নষ্ট হচ্ছিল। একদিন ফেসবুকে আইফিক্সফাস্ট (iFixFast) মোবাইল সার্ভিসিং ইনস্টিটিউট-এর ট্রেনিংয়ের ভিডিও চোখে পড়ে। তাদের হাতে-কলমে শেখানোর ধরন ও অ্যাডভান্সড টেকনিকগুলো দেখেই বুঝতে পারি—আমার এই ঘাটতি পূরণ করার জায়গা এটিই। আর দেরি না করে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিই। আইফিক্সফাস্টে ট্রেনিং নেওয়ার পর আমার কাজের দুনিয়াটাই বদলে গেল। বেসিক সার্কিট ডায়াগ্রাম বোঝা থেকে শুরু করে কঠিন আইসি লেভেলের কাজ, ডেড ফোন রিভাইভ করা এবং লেটেস্ট হট ও কোল্ড মেথডের নিখুঁত ডায়াগনসিস—সবকিছুই হাতে-কলমে শিখে ফেললাম। আজ আমার সেই একই দোকান, কিন্তু চিত্রটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখন কোনো কাস্টমারকে আর খালি হাতে ফিরে যেতে হয় না। অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইফোন—যেকোনো জটিল সার্কিট বা মাদারবোর্ডের কাজ এখন আমি একাই কনফিডেন্সের সাথে সমাধান করতে পারি। নিজের দোকানে পূর্ণাঙ্গ টেকনিশিয়ান হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার এই তৃপ্তি আর সম্মান—সবকিছুর পেছনেই রয়েছে সঠিক সময়ে আইফিক্সফাস্টকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।
Alhamdulillah, after learning the ropes, I can now handle the work quite well. Even though I started with the basics, Alhamdulillah, I am now able to perform advanced-level tasks reasonably well.
আগে আমি একজন স্টুডেন্ট ছিলাম। পরে চিন্তা করলাম কিছু করতে হবে। তো ফেসবুকে আইফিক্সফাস্টের এড দেখলাম। মোবাইল সার্ভিসিং আগ্রহ হলো ঢুকলাম। ছয় মাসের ট্রেনিং শেষ করে ৩-৪ মাস মাসের ইন্টার্নশিপ করলাম।তো এখন আমি বর্তমানে মৌচাকের আইফিক্সফাস্ট ব্রাঞ্চে একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে আছি।
প্রবাসের মাটিতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করা প্রতিটি প্রবাসীরই স্বপ্ন। আজ কাতারের রওয়াবি মোবাইল শপে (Rawabi Mobile Shop) একজন সফল সেলসম্যান হিসেবে দাঁড়িয়ে যখন প্রতিদিন অসংখ্য কাস্টমার সামলাই, তখন পেছনের দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ে। তবে বুঝতে পেরেছিলাম, শুধু কথা বলে সেলস করা সম্ভব নয়; ফোনের প্রফেশনাল ও টেকনিক্যাল জ্ঞান না থাকলে কাস্টমারের ভরসা পাওয়া কঠিন। সেই চিন্তা থেকেই ভর্তি হই আইফিক্সফাস্ট (iFixFast) ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-এ। সেখানে মোবাইলের খুঁটিনাটি টেকনিক্যাল বিষয়ের পাশাপাশি কাস্টমার হ্যান্ডলিং ও গাইডেন্সের সঠিক কৌশলগুলো হাতে-কলমে শিখে নিই। এই টেকনিক্যাল জ্ঞানই আমাকে রওয়াবি মোবাইল শপে কাজের সুযোগ এনে দেয়। দোকানে অন্য সাধারণ সেলসম্যানদের চেয়ে আমার আলাদা কদর তৈরি হয়, কারণ আমি কাস্টমারদের ফোনের যেকোনো সমস্যার সঠিক প্রফেশনাল সমাধান ও গাইড দিতে পারি। আইফিক্সফাস্ট থেকে পাওয়া সেই ট্রেনিং আর নিজের পরিশ্রমের জোরেই আজ প্রবাসে আমি একজন সফল সেলসম্যান। সঠিক দক্ষতা থাকলে যে যেকোনো জায়গায় আলো ছড়ানো সম্ভব—আজকের আমি তার বড় প্রমাণ।
আজ আমি যখন নিজের প্রতিষ্ঠানে বসে একটি জটিল মাদারবোর্ডের কাজ নিখুঁতভাবে শেষ করি, তখন চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঠিক কিছুদিন আগের সেই দিনগুলো। বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যে একসময় মোবাইল রিপেয়ারিংয়ের কিছুই জানতাম না, আর আজ আমি নিজেই একজন সফল টেকনিশিয়ান এবং আইফিক্সফাস্ট (iFixFast) সার্ভিসিং সেন্টারের একজন আত্মবিশ্বাসী কর্মী। বেকারত্বের দুশ্চিন্তা যখন মাথার ওপর চেপে বসেছিল, তখন জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। হাতে কোনো বিশেষ দক্ষতা না থাকায় সিদ্ধান্ত নিই প্রফেশনাল কিছু শেখার। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আইফিক্সফাস্ট (iFixFast) মোবাইল সার্ভিসিং ইনস্টিটিউট-এর কথা। ভর্তি হয়ে যাই তাদের মোবাইল রিপেয়ারিং কোর্সে। শুরুর দিনগুলো সহজ ছিল না। প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলোতে যখন প্রথম সার্কিট ডায়াগ্রাম, হট ও কোল্ড মেথড কিংবা আইসি লেভেলের কাজগুলো সামনে আসত, মনে হতো এই বিশাল প্রযুক্তিগত জ্ঞান কি আমার আয়ত্তে আসবে? কিন্তু ইনস্টিটিউটের মেন্টরদের ধৈর্যশীল শিক্ষা এবং নিয়মিত প্র্যাকটিস আমাকে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। সাধারণ ডায়াগ্রাম রিডিং থেকে শুরু করে ডেড ফোন রিভাইভ করা—প্রতিটি স্টেপ হাতে-কলমে শিখেছি সেখানে। শুধু টেকনিক্যাল স্কিলই নয়, প্রফেশনাল এনভায়রনমেন্টে কীভাবে কাজ করতে হয়, তার পুরোটাই শিখেছি আইফিক্সফাস্ট থেকে। কোর্স শেষ করার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। নিজের দক্ষতার ওপর ভরসা রেখেই আজ আমি আইফিক্সফাস্ট সার্ভিসিং সেন্টারে সফলভাবে জব করছি। প্রতিদিন যখন কাস্টমাররা তাদের সমস্যার সমাধান নিয়ে আসেন এবং কাজ শেষে তাদের মুখে সন্তুষ্টির হাসি দেখি, তখন মনে হয় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তটিই নিয়েছিলাম। আজ যারা ভাবছেন ক্যারিয়ারে নতুন কিছু শুরু করবেন বা কোনো স্কিল ডেভেলপ করে নিজের পায়ে দাঁড়াবেন, তাদের জন্য একটাই কথা—দক্ষতাই আসল শক্তি। সঠিক গাইডলাইন পেলে যেকোনো শূন্যতা থেকেই সফলতার গল্প লেখা সম্ভব, যার প্রমাণ আজকের আমি।
আজ আমি যখন নিজের প্রতিষ্ঠানে বসে একটি জটিল মাদারবোর্ডের কাজ নিখুঁতভাবে শেষ করি, তখন চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঠিক কিছুদিন আগের সেই দিনগুলো। বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যে একসময় মোবাইল রিপেয়ারিংয়ের কিছুই জানতাম না, আর আজ আমি নিজেই একজন সফল টেকনিশিয়ান এবং আইফিক্সফাস্ট (iFixFast) সার্ভিসিং সেন্টারের একজন আত্মবিশ্বাসী কর্মী। বেকারত্বের দুশ্চিন্তা যখন মাথার ওপর চেপে বসেছিল, তখন জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। হাতে কোনো বিশেষ দক্ষতা না থাকায় সিদ্ধান্ত নিই প্রফেশনাল কিছু শেখার। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি IFixFast Training Instituteএর কথা। ভর্তি হয়ে যাই তাদের মোবাইল রিপেয়ারিং কোর্সে। শুরুর দিনগুলো সহজ ছিল না। প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলোতে যখন প্রথম সার্কিট ডায়াগ্রাম, হট ও কোল্ড মেথড কিংবা আইসি লেভেলের কাজগুলো সামনে আসত, মনে হতো এই বিশাল প্রযুক্তিগত জ্ঞান কি আমার আয়ত্তে আসবে? কিন্তু ইনস্টিটিউটের মেন্টরদের ধৈর্যশীল শিক্ষা এবং নিয়মিত প্র্যাকটিস আমাকে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। সাধারণ ডায়াগ্রাম রিডিং থেকে শুরু করে ডেড ফোন রিভাইভ করা—প্রতিটি স্টেপ হাতে-কলমে শিখেছি সেখানে। শুধু টেকনিক্যাল স্কিলই নয়, প্রফেশনাল এনভায়রনমেন্টে কীভাবে কাজ করতে হয়, তার পুরোটাই শিখেছি আইফিক্সফাস্ট থেকে। কোর্স শেষ করার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। নিজের দক্ষতার ওপর ভরসা রেখেই আজ আমি আইফিক্সফাস্ট সার্ভিসিং সেন্টারে সফলভাবে জব করছি। প্রতিদিন যখন কাস্টমাররা তাদের সমস্যার সমাধান নিয়ে আসেন এবং কাজ শেষে তাদের মুখে সন্তুষ্টির হাসি দেখি, তখন মনে হয় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তটিই নিয়েছিলাম। আজ যারা ভাবছেন ক্যারিয়ারে নতুন কিছু শুরু করবেন বা কোনো স্কিল ডেভেলপ করে নিজের পায়ে দাঁড়াবেন, তাদের জন্য একটাই কথা—দক্ষতাই আসল শক্তি। সঠিক গাইডলাইন পেলে যেকোনো শূন্যতা থেকেই সফলতার গল্প লেখা সম্ভব, যার প্রমাণ আজকের আমি।
আমার নাম মেহেদী। ছোটবেলা থেকেই মোবাইল ফোনের প্রতি আমার অনেক আগ্রহ ছিল। মোবাইল কীভাবে কাজ করে, কীভাবে নষ্ট হয় এবং কীভাবে ঠিক করা যায়—এসব বিষয় আমাকে সবসময় আকৃষ্ট করত। তাই আমার অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল মোবাইল ফোন রিপেয়ারিংয়ের কাজ শেখার। আমার এক বন্ধু মোবাইল ফোন রিপেয়ারিংয়ের কাজ করত। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছিলাম এবং আশা করেছিলাম তার কাছ থেকেই কাজটি শিখব। কিন্তু সে আমাকে কাজ শেখাতে রাজি হয়নি। এরপরও আমি আমার ইচ্ছা থেকে পিছিয়ে আসিনি। আমি ফেসবুকে খোঁজাখুঁজি করতে শুরু করি—কোথায় ভালোভাবে মোবাইল রিপেয়ারিংয়ের কাজ শেখানো হয়। খোঁজ করতে করতেই আমি IFixFast Training Center সম্পর্কে জানতে পারি। এরপর আমি সেখানে ভর্তি হই এবং মনোযোগ দিয়ে মোবাইল ফোন সার্ভিসিংয়ের কাজ শিখতে শুরু করি। ধীরে ধীরে আমি মোবাইলের বিভিন্ন সমস্যা শনাক্ত করা ও সমাধান করার দক্ষতা অর্জন করি। কাজ শেখার পর আমার ইচ্ছা হলো দেশের বাইরে গিয়ে এই দক্ষতাকে কাজে লাগাব। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার পথে আমার জীবনে একটি বড় বাধা আসে। একজন দালালকে বিদেশ যাওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলাম, কিন্তু সে আমার টাকা মেরে দেয়। সেই সময়টা আমার জন্য খুবই কঠিন ছিল। তবে আমি ভেঙে পড়িনি। আমি আবার নতুন করে চেষ্টা শুরু করি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য এগিয়ে যেতে থাকি। আল্লাহর রহমতে এবার আমি ভালোভাবে কাতারের ভিসা পাই। আজ আমি কাতারে Mobile Phone Service Centre-এ চাকরি করছি এবং মোবাইল ফোন সার্ভিসিংয়ের কাজের মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছি। যে বন্ধু একসময় আমাকে কাজ শেখাতে চায়নি, আজ আল্লাহর রহমতে আমি তার থেকেও ভালো অবস্থানে আছি। আমার জীবনের এই পথচলা আমাকে শিখিয়েছে— “জীবনে বাধা আসবেই, মানুষ প্রতারণাও করতে পারে, কিন্তু নিজের স্বপ্নের ওপর বিশ্বাস রেখে চেষ্টা চালিয়ে গেলে একদিন সফলতা আসবেই।”
ছোটবেলা থেকেই মোবাইলের সফটওয়্যার নিয়ে আমার আলাদা এক ফ্যান্টাসি ছিল। ফ্ল্যাশিং, কান্ট্রি লক আনলক করা, কাস্টম রম ইন্সটল—সফটওয়্যার সংক্রান্ত বহু জটিল কাজ নিজে থেকেই শিখেছিলাম এবং বেশ দক্ষও হয়ে উঠেছিলাম। কিন্তু দিন দিন মনের ভেতর একটা কৌতুহল কাজ করত—"স্ক্রিনের ভেতরের এই জটিল বোর্ডটা আসলে কীভাবে কাজ করে? এর হার্ডওয়্যারের ভেতর কী এমন রহস্য লুকিয়ে আছে?" সফটওয়্যারের কাজ পারলেও যতক্ষণ না হার্ডওয়্যারের জটিল সমস্যা সমাধান করতে পারছি, ততক্ষণ যেন নিজেকে অসম্পূর্ণ মনে হতো। সেই কৌতুহল মেটাতে এবং নিজেকে একজন অল-রাউন্ডার টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলতে ভর্তি হই iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্সফাস্টে আসার পরই হার্ডওয়্যারের আসল জাদুকরী জগতটা আবিষ্কার করলাম। মাইক্রোস্কোপের নিচে মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম কম্পোনেন্ট দেখা, সার্কিট ডায়াগনসিস, কোল্ড ও হট মেথডের সঠিক ব্যবহার এবং জটিল আইসি লেভেলের ট্রাবলশুটিং—সবকিছু হাতে-কলমে প্র্যাকটিক্যালি শিখতে শুরু করলাম। সফটওয়্যারের পূর্ব অভিজ্ঞতার সাথে আইফিক্সফাস্ট থেকে অর্জিত হার্ডওয়্যারের এই নিখুঁত প্রশিক্ষণ যেন আমাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল। কোর্স শেষে অর্জিত সেই টেকনিক্যাল আত্মবিশ্বাসই আমাকে সাফল্য এনে দিয়েছে—আজ আমি একটি স্বনামধন্য মোবাইল সার্ভিসিং আউটলেটে পেশাদার ‘টেকনিশিয়ান’ হিসেবে সফলতার সাথে কর্মরত
পড়াশোনা শেষ করার পর আর দশটা সাধারণ তরুণের মতো আমার ওপরেও চলে এসেছিল একটা অদৃশ্য চাপ—কখন একটা ভালো চাকরি পাব? একের পর এক সিভি ড্রপ আর অপেক্ষার প্রহর যেন শেষই হতে চাইছিল না। চাকরি পাচ্ছিলাম না, আবার ঘরে বসে অলস সময় কাটানোটাও কষ্টকর হয়ে উঠেছিল। ছোটবেলা থেকেই মোবাইল ফোন, এর ভেতরের পার্টস আর টেকনোলজির প্রতি আমার এক অদ্ভুত টান ও আগ্রহ ছিল। নষ্ট ফোন দেখলে হাত নিশপিশ করত খুলে দেখার জন্য। জীবনের সেই অনিশ্চিত মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিলাম—আমার এই ছোটবেলার ভালোবাসাকেই আমি আমার ক্যারিয়ার বানাব। চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেকে এমনভাবে তৈরি করব, যেন নিজেই নিজের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারি। সেই লক্ষ্য নিয়েই ভর্তি হই iFixFast Training Institute-এর মোবাইল সার্ভিসিং কোর্সে। কোর্সটি সফলভাবে শেষ করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আইফিক্সফাস্ট থেকে অর্জিত কারিগরি দক্ষতা আর নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। আর সেই স্বপ্নেরই চূড়ান্ত রূপ— উদ্বোধন করলাম আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপের যে তরুণটি একদিন একটা চাকরির আশায় দিন গুনছিল, আজ সে নিজেই একজন সফল দোকান মালিক ও উদ্যোক্তা। চাকরির অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নিজের একটি স্থায়ী পরিচয় তৈরি করতে পেরে যে অনুভূতি হচ্ছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমাকে শূন্য থেকে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান ও সফল ব্যবসায়ী হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে iFixFast Training Institute-এর অবদান চিরস্মরণীয়।
ছোটবেলা থেকে মোবাইলের প্রতি থাকা ভালোবাসা, পরিবারের চাপ, সেখান থেকে আইফিক্সফাস্টে ভর্তি হয়ে কাজ শেখা এবং শেষে নিজের দোকান দেওয়া—এই পুরো ইমোশনাল ও অনুপ্রেরণাদায়ক জার্নিটা নিয়ে নিচে একটি সুন্দর সফলতার গল্প লিখে দেওয়া হলো: প্যাশন থেকে নিজের দোকান: একটি স্বপ্নের পূর্ণতা ছোটবেলা থেকেই মোবাইল ফোন আর টেকনোলজির প্রতি আমার একটা আলাদা টান ও ভালোবাসা ছিল। কিন্তু একসময় পড়াশোনা শেষে বেকার বসে ছিলাম, বিশেষ কিছুই করা হচ্ছিল না। দিন দিন পরিবার থেকেও চাপ আসছিল নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য, কিছু একটা করার জন্য। জীবনের সেই কঠিন সময়ে দিশেহারা না হয়ে ভাবলাম—যে জিনিসটার প্রতি আমার ছোটবেলার ভালোলাগা, সেটাকেই কেন আমার ক্যারিয়ার বানিয়ে নিই না? সেই চিন্তা থেকেই নিজেকে টেকনিক্যালি দক্ষ করতে ভর্তি হই iFixFast Training Institute-এর মোবাইল সার্ভিসিং কোর্সে। আইফিক্সফাস্টে কাটানো দিনগুলো আমার পুরো জীবনটাই বদলে দিল। দক্ষ মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে হাত পাকিয়েছি অ্যাডভান্স লেভেলের রিপেয়ারিং, মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস আর পার্টস ট্রাবলশুটিংয়ে। যে ছেলেটা একদিন বেকার বসে ভাবত কী করবে, প্র্যাকটিক্যাল কাজ শিখতে শিখতে সেই ছেলেটার মনের ভেতর তৈরি হলো নিজের কাজের প্রতি অগাধ আত্মবিশ্বাস। প্রশিক্ষণ শেষে অর্জিত সেই অভিজ্ঞতা আর আত্মবিশ্বাসকে সম্বল করে সিদ্ধান্ত নিই বড় কিছু করার। পরিবারের চাপকে শক্তিতে রূপান্তর করে—আজ আমি শুভ উদ্বোধন করলাম আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং আউটলেটের! যে ভালোলাগা দিয়ে শুরু হয়েছিল, সঠিক জায়গায় কাজ শেখার পর আজ সেটাই আমার উপার্জনের পথ ও নিজের পরিচয়ে পরিণত হলো। বেকারত্ব কাটিয়ে আজ আমি একজন সফল দোকান মালিক ও টেকনিশিয়ান।
শেখার কোনো শেষ নেই, তবে সঠিক জায়গা থেকে সঠিক কাজটা শেখাই আসল। টেকনিক্যাল সেক্টরে নিজের একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করার লক্ষ্য নিয়েই ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্সফাস্টের মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে মাইক্রোস্কোপ আর শোল্ডারিং আয়রনের সামনে কাটানো সময়গুলো আমাকে একদম জেনুইন টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। শুধু পার্টস বদলানো নয়, সার্কিট ডায়াগনসিস থেকে শুরু করে মাদারবোর্ডের জটিল ট্রাবলশুটিং—সবকিছু প্র্যাকটিক্যালি নিজের হাতে আয়ত্ত করেছি। কোর্স শেষে অর্জিত সেই টেকনিক্যাল কনফিডেন্সই আমাকে এনে দিয়েছে সফলতা—আজ আমি একটি মোবাইল সার্ভিসিং আউটলেটে পেশাদার ‘টেকনিশিয়ান’ হিসেবে কর্মরত! একটি ভালো ট্রেনিং কিভাবে একজন মানুষের স্কিল আর ক্যারিয়ার পুরোপুরি বদলে দিতে পারে, তা আমি নিজে অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝলাম। দক্ষতার সাথে কাস্টমারের সার্ভিস দেওয়াই এখন আমার মূল লক্ষ্য। আমাকে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আইফিক্সফাস্টের সকল ইনস্ট্রাক্টরদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা
মোবাইল সার্ভিসিং সেক্টরে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করার স্বপ্ন ছিল সবসময়। কিন্তু সঠিক গাইডলাইন ছাড়া এগিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। সেই স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিতে ভর্তি হই iFixFast Training Institute-এ। সেখানে হাতে-কলমে প্র্যাকটিক্যাল কাজ, অ্যাডভান্স ট্রাবলশুটিং এবং আধুনিক ডায়াগনসিস মেথড নিখুঁতভাবে শিখতে পারি। ইনস্ট্রাক্টরদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও কাজ শেখার পর কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যায়। কোর্স শেষে অর্জিত সেই দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করেই আজ আমি নিজের দোকানের শুভ উদ্বোধন করলাম! একটি ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট থেকে সফলভাবে কাজ শিখে আজ নিজেই একজন দোকান মালিক হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আইফিক্সফাস্টের মেন্টরদের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। সবাই আমার এই নতুন পথচলার জন্য দোয়া করবেন
কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া অলসভাবে ঘরে বসে কাটছিল দিনগুলো। ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো স্পষ্ট ভাবনা ছিল না, কেবল একধরনের থমকে থাকা জীবন। ঠিক তেমনই এক সাধারণ দুপুরে বড় ভাই এসে হঠাৎ একটা প্রশ্ন করলেন—"মোবাইল সার্ভিসিং শিখবি?" কথাটা শোনামাত্রই মনের ভেতর পুরোনো একটা আগ্রহ জেগে উঠল। ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক্স আর মোবাইলের যন্ত্রাংশের প্রতি আমার আলাদা একটা কৌতুহল ও ভালোবাসা ছিল। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে সেটা নিয়ে কখনো এগোনো হয়নি। তাই বড় ভাই যখন প্রস্তাবটা দিলেন, এক মুহূর্তও দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। বড় ভাইয়ের হাত ধরে ভর্তি হলাম 'আইফিক্সফাস্ট (IFIXFast) ট্রেনিং ইনস্টিটিউট'-এ। সেখানেই শুরু হলো আমার জীবনের আসল মোড় পরিবর্তন। ওখানকার অভিজ্ঞ মেন্টরদের কাছ থেকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক অ্যাডভান্সড লেভেলের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কাজ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শিখতে শুরু করলাম। ক্লাস আর প্র্যাকটিক্যাল সেশনের প্রতিটি দিনই আমাকে একটু একটু করে পরিপক্ক করে তুলল। কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনের পর আজ আমি একজন দক্ষ ও সফল টেকনিশিয়ান। নিজের মেধা ও যোগ্যতায় বর্তমানে একটি সার্ভিসিং শপে সফলতার সাথে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। অলসভাবে বসে থাকা সেই দিনগুলো পেছনে ফেলে আজ যখন প্রতিদিন নতুন নতুন টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান করি এবং কাস্টমারদের মুখে সন্তুষ্টির হাসি দেখি, তখন সত্যি দারুণ লাগে। সঠিক সময়ে বড় ভাইয়ের সেই একটি দিকনির্দেশনা আর আইফিক্সফাস্টের মানসম্মত ট্রেনিংই আজ আমাকে এই সাফল্যের মঞ্চে দাঁড় করিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ্
বেকারত্ব আর অনিশ্চয়তার মধ্যে যখন দিন কাটছিল, তখন মাথায় এল এমন একটি কাজ শেখার যা দিয়ে কারও কাছে হাত পাততে হবে না। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম বর্তমান যুগে মোবাইল ফোনের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে, তাই এর চাহিদাও কখনো কমবে না। স্থানীয় এক বড় ভাইয়ের পরামর্শে ঢাকার মোতালেব প্লাজারের সামনে, IFIXFAST Training Center এ কাজ শিখতে গেলাম, ওখান থেকে hardware and Software এর কাজ শিখে বের হবার পর বুঝলাম জীবনের সফলতার মানে কি, এই কাজ টা শিখে নিজের ভিতর আলাদা একটা শান্তি চলে আসছে, যে মানুষ চাইলে কোনো কিছুই অসম্ভব না,আমাদের জীবন আমাদের কাছ থেকে সব সময় পরিক্ষা নিতে চাইবে,আর সেই পরিক্ষায় জিতে সফল আপনাদেরকেই হতে হবে, IFIXFast এর স্যাররা আমাদেরকে অনেক কিছু শিখিয়েছে, ধন্যবাদ IFIXFAST and ধন্যবাদ basic and advance স্যারদের,, তারা আমাদেরকে সাপোর্ট না করলে আমরা নিজেদেরকে চিনতে পারতাম না
পড়াশোনা বা সাধারণ ক্যারিয়ারের বাঁধাধরা ছক ভেঙে সবসময় চেয়েছিলাম নিজের একটি পরিচয় তৈরি করতে। ইচ্ছা ছিল এমন একটি কারিগরি দক্ষতা অর্জন করার, যা আমাকে কারও ওপর নির্ভরশীল না করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। কিন্তু শুরুর পথটা সহজ ছিল না। কোন দিকে যাব, কীভাবে একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করব—তা নিয়ে অনেক চিন্তাভাবনা করতে হয়েছিল। চারপাশের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বুঝলাম, প্রযুক্তি আর মোবাইল সার্ভিসের ক্ষেত্রে কাজের বিশাল চাহিদা রয়েছে। সেই ভাবনা থেকেই যুক্ত হই আইফিক্সফাস্ট (iFixFast)-এর সাথে। আইফিক্সফাস্টে বিশেষজ্ঞ মেন্টরদের কাছে হাতে-কলমে একদম অ্যাডভান্সড লেভেলের সার্ভিসিং শিখি। কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনের মাধ্যমে জটিল থেকে জটিলতর মোবাইল সার্কিটের কাজ নিখুঁতভাবে সমাধানের কৌশল আয়ত্ত করি এবং নিজেকে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলি। তবে স্বপ্ন তো শুধু টেকনিশিয়ান হওয়াতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, লক্ষ্য ছিল নিজের একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো। অদম্য ইচ্ছা, সঠিক পরিকল্পনা আর কাজের প্রতি সততার ফলশ্রুতিতে আজ আমি নিজে একটি সার্ভিসিং শপ মালিক
বেকারত্ব আর অনিশ্চয়তার মধ্যে যখন দিন কাটছিল, তখন মাথায় এল এমন একটি কাজ শেখার যা দিয়ে কারও কাছে হাত পাততে হবে না। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম বর্তমান যুগে মোবাইল ফোনের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে, তাই এর চাহিদাও কখনো কমবে না। স্থানীয় এক বড় ভাইয়ের পরামর্শে ঢাকার মোতালেব প্লাজারের সামনে, IFIXFAST Training Center এ কাজ শিখতে গেলাম, ওখান থেকে hardware and Software এর কাজ শিখে বের হবার পর বুঝলাম জীবনের সফলতার মানে কি, এই কাজ টা শিখে নিজের ভিতর আলাদা একটা শান্তি চলে আসছে, যে মানুষ চাইলে কোনো কিছুই অসম্ভব না,আমাদের জীবন আমাদের কাছ থেকে সব সময় পরিক্ষা নিতে চাইবে,আর সেই পরিক্ষায় জিতে সফল আপনাদেরকেই হতে হবে, IFIXFast এর স্যাররা আমাদেরকে অনেক কিছু শিখিয়েছে, ধন্যবাদ IFIXFAST and ধন্যবাদ basic and advance স্যারদের,, তারা আমাদেরকে সাপোর্ট না করলে আমরা নিজেদেরকে চিনতে পারতাম না
রাজবাড়ী থেকে ঢাকায় এসে জজ গলি, হাতিরপুলে থিতু হয়েছি। আমি মাহিন বেপারী, কাজ করি পরিবাগ রোডের মোতালেব প্লাজা শপিং কমপ্লেক্সে অবস্থিত "Apple Point"-এ, টেকনিশিয়ান হিসেবে। বেসিক থেকে অ্যাডভান্স—এই পুরো পথটা পাড়ি দিতে সময় লেগেছে প্রায় চার মাস, ২০২৫ সালের ১১ই আগস্ট থেকে ২রা ডিসেম্বর পর্যন্ত। রাজবাড়ী থেকে ঢাকার মতো একটা জায়গায় এসে দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে টিকে থাকাটা সহজ ছিল না—পরিবার থেকে দূরে, একা একটা ঘরে থেকে প্রতিদিন ক্লাস করা, প্র্যাকটিস করা। কিন্তু প্রতিটা কঠিন দিন শেষে যখন নতুন কিছু শিখতে পারতাম, সেই তৃপ্তিটা সব কষ্ট ভুলিয়ে দিতো। অ্যাডভান্স পর্যায়ে এসে জটিল সমস্যাগুলো ধরতে শেখার পর নিজের উপর বিশ্বাসটা সম্পূর্ণ বদলে যায়। কোর্স শেষে "Apple Point"-এর মতো একটা পরিচিত প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে একটা বড় স্বীকৃতির মতো মনে হয়েছিল। আজ রাজবাড়ীর একটা ছেলে ঢাকার ব্যস্ততম একটা মার্কেটে নিজের দক্ষতা দিয়ে জায়গা করে নিয়েছে—এই অনুভূতিটাই আমাকে প্রতিদিন আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়।
পৌর মার্কেটে "মান্হা টেলিকম"-এর একজন সদস্য মানিকগঞ্জ সদরের পৌর মার্কেটে ঢুকলে "মান্হা টেলিকম"-এর কাউন্টারে আমাকে পাবেন। আমি মোহাম্মদ আপন হোসেন, এই দোকানেই কাজ করি টেকনিশিয়ান হিসেবে। মানিকগঞ্জ শহরের কেন্দ্রস্থল পৌর মার্কেট সবসময় জমজমাট থাকে—দোকানপাট, মানুষের ভিড়, হাঁকডাক। এই ব্যস্ত পরিবেশে কাজ করার একটা আলাদা মজা আছে, প্রতিদিন নতুন নতুন মানুষ, নতুন নতুন সমস্যা। এই বৈচিত্র্যটাই আমাকে টানতো, তাই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নিই। বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রথম প্রথম যা শিখতাম, বাসায় গিয়ে নিজের পুরনো ফোনে সেটা প্র্যাকটিস করতাম। ভুল হতো, আবার ঠিক করতাম—এভাবেই ধীরে ধীরে হাত পাকতে থাকে। প্রশিক্ষণ শেষ করে যখন "মান্হা টেলিকম"-এ যোগ দিই, তখন সেই প্র্যাকটিসের অভিজ্ঞতাটাই সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। আজ পৌর মার্কেটের এই ব্যস্ত পরিবেশে প্রতিদিন কাজ করতে করতে বুঝি, শেখাটা কখনো থেমে থাকে না—প্রতিটা নতুন গ্রাহক, প্রতিটা নতুন সমস্যা আমাকে আরও কিছু শেখায়। এই ক্রমাগত শেখার প্রক্রিয়াটাই আমার কাজের প্রতি ভালোবাসাকে আরও গভীর করে তুলেছে।
আসসালামু আলাইকুম। আমি বর্তমানে আইফিক্সফাস্ট (iFixFast)-এর একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। আমার এই পথচলার শুরুটা ছিল ভিন্নরকম। ২০২৫ সালে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম বিদেশ না গিয়ে দেশেই নিজের জন্য নতুন কিছু করব। তবে ঠিক কী করব, তা নিয়ে প্রায় দুই-তিন দিন বেশ চিন্তাভাবনা করি। পরবর্তীতে আমার এক ছোট ভাই—যে নিজেও আইফিক্সফাস্টের একজন টেকনিশিয়ান, তার সাথে কথা বলি। তার অনুপ্রেরণায় আইফিক্সফাস্ট ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হই এবং সফলভাবে ট্রেনিং সম্পন্ন করি। এরপর কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য কিছু দিন মার্কেটেও কাজ করি। আইফিক্সফাস্ট থেকে শুরু হওয়া সেই যাত্রার ফলশ্রুতিতে আলহামদুলিল্লাহ্, আজ আমি একজন সফল টেকনিশিয়ান। প্রতিটা পদক্ষেপে এই অর্জনের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা—আলহামদুলিল্লাহ্।
আসসালামু আলাইকুম। আমার নাম মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। আমি আইফিক্স ফাস্ট ট্রেনিং সেন্টার থেকে বেসিক ট্রেড কোর্স সম্পন্ন করেছি মোবাইল সার্ভিসিং এর উপরে। আমি 31 ব্যাচের একজন স্টুডেন্ট ছিলাম। তো কোর্স করার আগে আমি চাকরির জন্য অনেক ঘুরাঘুরি করেছি। কিন্তু কোথাও কোন তেমন সুবিধা করতে পারিনি। এবং অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু অনেক জায়গায় হয়েও চাকরি হয়ে ওঠেনি। শেষ মেশ আমি যেটা করলাম , আমার এক বন্ধুর পরামর্শে আমি মোবাইল সার্ভিসিংটা শিখতে গেলাম। সবগুলোর মধ্যে আমার কাছে আই ফিক্স ফার্স্ট এর ট্রেনিং সেন্টারটা খুবই ভালো লেগেছে, এবং অন্য সকল ট্রেনিং সেন্টার থেকে এটার যে শেখানোর পদ্ধতি এবং সবকিছু মোটামুটি ভালোই ছিল। বিশেষ করে ট্রেইনার যারা আছেন তারা খুবই ফ্রেন্ডলি ছিল। পরিশেষে এটা বলা যায় যে আইফিক্স ফাস্ট হচ্ছে। বাংলাদেশের ভিতরে যতগুলো ট্রেনিং সেন্টার আছে, সবগুলোর থেকে টপ 10' টার ভিতরে 1' টা।এবং বর্তমানে আমি একটি প্রতিষ্ঠানে একজন, টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি। আই ফিক্সিড ফাস্ট কে অনেক ধোননোবাদ ।।।।
আসসালামু ওয়ালাইকুম আমি মো.রাসেল হোসেন, আমার বাসা মানিকগঞ্জ জেলায় সাটুরিয়া থানায়। আমার যাত্রা টা শুরু হয় আমার এক আত্মীয়ের মাদ্ধমে,, তিনি IFIXFAST Training Center এর একজন স্টুডেন্ট। তার কথা শুনে আমার আব্বু চিন্তা করেন আমাকে ও কোর্সে ভর্তি করাবেন। তারপর আমিও ভর্তি হই। কাজ শিখি,, এখন আমি সাটুরিয়া বাজারেই সুশান্ত টেলিকম নামে একটি সার্ভিস সপে কাজ করি। এখন আমি একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান,, এবং কিছুদিনের মদ্ধেই নিজের শপ চালু করতে যাচ্ছি আপনারা সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন ।
অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং ও কাজের পাশাপাশি নিজেকে প্রযুক্তিভিত্তিক কাজে আরও দক্ষ করার তাগিদ অনুভব করি। সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই নোয়াখালী থেকে এসে ভর্তি হই IFixFast Training Institute-এ। সেখানে মাদারবোর্ডের প্রফেশনাল সার্ভিসিং ও জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস প্র্যাক্টিক্যালি নিখুঁতভাবে আয়ত্ত করি। কোর্স শেষে আজ দেশের অন্যতম বড় শপিং মল যমুনা ফিউচার পার্ক-এর একটি নামী মোবাইল সার্ভিসিং আউটলেটে টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। প্রতিনিয়ত কাস্টমারদের জটিল থেকে জটিলতর নষ্ট ফোনগুলো সচল করে দিয়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে নিচ্ছি। আল্লাহর অশেষ রহমতে, ফ্রিল্যান্সিং থেকে শুরু করে আজ যমুনা ফিউচার পার্কের মতো ব্যস্ত মার্কেটে একজন সফল ও দক্ষ টেকনিশিয়ান হয়ে ওঠার এই যাত্রায় IFixFast Training Institute ছিল আমার মূল পথপ্রদর্শক। চেষ্টা আর সঠিক দক্ষতা থাকলে যেকোনো বড় প্ল্যাটফর্মে নিজের স্থান তৈরি করে নেওয়া সম্ভব।
প্রতিটি মানুষের ভেতরেই কোনো না কোনো সুপ্ত প্রতিভা থাকে, শুধু প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা আর একটা সুন্দর সুযোগ। যখন থেকে অনুভব করলাম জীবনকে নতুন একটি গতি দেওয়া দরকার, তখন কাজের পেছনে না ছুটে কাজকে নিজের আয়ত্তে আনার সিদ্ধান্ত নিলাম। ইলেকট্রনিক্সের জটিল জট খোলা আর প্রযুক্তি নিয়ে খাটতে আমার সবসময়ই ভালো লাগতো, তাই নিজের সেই আগ্রহকে পেশায় রূপ দিতে বেছে নিই IFixFast Training Institute-কে। সেখানে গিয়ে যেন এক নতুন দুনিয়ার দরজা খুলে গেল। মোবাইল সার্ভিসিং যে শুধু পার্টস বদলানো নয়, বরং এটি যে একটি নিখুঁত লজিক্যাল সায়েন্স—তা সেখানকার স্যারদের গাইডলাইনে বুঝতে পারলাম। অ্যাডভান্সড মাদারবোর্ড মেকানিক্স, সার্কিট ট্রাবলশুটিং আর মাইক্রো-আইসির কাজগুলো প্র্যাক্টিক্যালি আয়ত্ত করে নিলাম। প্রশিক্ষণ শেষ করে একটি প্রফেশনাল সার্ভিসিং সেন্টারে টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব নিই। প্রথম প্রথম কাস্টমারদের জটিল টেকনিক্যাল সমস্যাগুলো সমাধান করাটা একটা অ্যাডভেঞ্চারের মতো লাগতো। যেসব ফোন অন্য কোথাও ঠিক করা সম্ভব হয়নি, সেগুলো যখন নিজের বুদ্ধি আর অনুশীলনের জোরে সচল করে দিতাম, কাস্টমারদের চোখ-মুখে বিস্ময় আর স্বস্তি দেখতে পেতাম।
অন্যের ওপর নির্ভর না করে নিজের কাজের যোগ্যতায় বেঁচে থাকার সিদ্ধান্তই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। যখন বুঝলাম একটি শক্ত কারিগরি দক্ষতা থাকলে সমাজে কখনো পিছিয়ে পড়তে হয় না, ঠিক তখনই প্রযুক্তি খাতকে নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিই। আর এই যাত্রায় আমার সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে দাঁড়ায় IFixFast Training Institute। সেখান থেকে জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম কাজ এবং আধুনিক টুলসের নিখুঁত ব্যবহার প্র্যাক্টিক্যালি শিখি। ট্রেনিং চলাকালীন স্যারদের দিকনির্দেশনা ও নিজের অনুশীলনের মাধ্যমে কাজের প্রতি এক দারুণ আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর একটি নামী মোবাইল সার্ভিসিং আউটলেটে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মজীবন শুরু করি। শুরুতে শত শত গ্রাহকের জটিল থেকে জটিলতর নষ্ট মোবাইল ফোন হাতে আসতো। কিন্তু IFixFast Training Institute থেকে শেখা কৌশলগুলোকে কাজে লাগিয়ে ধাপে ধাপে প্রতিটা সমস্যার সমাধান করতে শুরু করি। আজ আল্লাহর রহমতে সেই প্রতিষ্ঠানে একজন দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য টেকনিশিয়ান হিসেবে কাস্টমার এবং শপ মালিক—সবার মন জয় করতে পেরেছি। কাস্টমারের নষ্ট ডিভাইসটি সচল করে দেওয়ার পর তাদের মুখের সন্তুষ্টিই আমার কাজের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। নিজের কোনো বড় দোকান না থাকলেও, আজ আমি টেকনিক্যাল দক্ষতার জোরে স্বাবলম্বী। কাজের সম্মান আর পেশাদারিত্বই আমাকে প্রমাণ করেছে—সঠিক গাইডলাইন ও নিজের মেধা থাকলে সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া শতভাগ সম্ভব।
আমি শরিফুল ইসলাম। আমি লেখাপড়ার পাশাপাশি কোন একটা কাজ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কি কাজ করব তা কখনো ঠিক করা হয়নি। হঠাৎ একদিন মোবাইলে IFIXFAST এর ভিডিও দেখি। তখন আমি অফিসে যোগাযোগ করি তাদের দেওয়া মোবাইল নাম্বারে। তারপর তিন মাসের একটা কোর্স করি বেসিক। এখন আমি একটা দোকানে আর কি ছোটমোটো জব করি।
ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন কোনো সঠিক দিকনির্দেশনা পাচ্ছিলাম না, ঠিক কোন পথে এগোলে নিজের একটা পরিচয় তৈরি হবে তা ভেবে পাচ্ছিলাম না—জীবনের সেই থমকে যাওয়া সময়েই আসে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি। IFixFast Training Institute-এর কথা জানার পর নতুন এক সম্ভাবনার আলো দেখতে পাই এবং সেখানে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। ইনস্টিটিউট থেকে আধুনিক মোবাইল সার্ভিসিংয়ের সূক্ষ্ম ও প্রফেশনাল কাজগুলো শেখার পর কাজের প্রতি আমার দারুণ আগ্রহ আর আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। প্রশিক্ষণ শেষেই সেই অর্জিত দক্ষতাকে পুঁজি করে সাহস করে নিজের একটি সার্ভিসিং শপ চালু করি। কাজের সততা আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ের কারণে খুব দ্রুতই কাস্টমারদের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে শুরু করি। আল্লাহর অশেষ রহমতে, সেই দিকহীন দিনগুলো পেছনে ফেলে আজ আমি একজন স্বাবলম্বী ও সফল শপ ওনার (দোকান মালিক)। IFixFast Training Institute-এর সঠিক প্রশিক্ষণ আর নিজের অদম্য চেষ্টাই আজ আমাকে জয়ের মুখ দেখিয়েছে।
পড়াশোনা শেষে যখন কোনো কাজ না করে বাড়িতে বসে অলস সময় কাটাচ্ছিলাম, তখন ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে আমার ভাই আইফিক্সফাস্ট IFixFast Training Institute-এর কথা শোনায় এবং তার অনুপ্রেরণাতেই আমাকে সেখানে ভর্তি করিয়ে দেয়। সেখান থেকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের আধুনিক ও নিখুঁত কাজগুলো শিখে আসার পর, সাহস করে নিজের একটি দোকান শুরু করি। ভাইয়ের সেই সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত আর আমার পরিশ্রম আজ আমাকে সফলতার মুখ দেখিয়েছে। আল্লাহর রহমতে আজ আমি একজন সফল দোকান মালিক, আর এই অর্জনের পুরো কৃতিত্ব আমার ভাই ও IFixFast Training Institute
আমি পড়ালেখার পাশাপাশি নিজেকে দক্ষ হিসাবে গড়ে তুলতে মোবাইল সার্ভিসিং এর কোর্সটা আইফিক্স থেকে বেসিক টু এডভান্স কোর্স কমপ্লিট করি।এই জার্নিতে আমার পিতা-মাতার অবদান সবচেয়ে বেশি। তাদের সাপোর্ট না থাকলে আমার পক্ষে ঢাকায় এসে কাজ শিখা সম্ভব হতো না।কোর্স কমপ্লিট করে আমি আইফিক্সফাস্ট ইন্টার্নশিপ কমপ্লিট করার পর কাজের ও সুযোগ পাই। আমি দীর্ঘদিন আইফিক্সে জব করছি।।আমি আশা রাখি এই সেক্টরে আমার ভবিষ্যতে অনেক সুযোগ তৈরি হবে।নিজেকে একজন দক্ষ এডভান্সড হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার লেভেলের টেকনিশিয়ান হিসেবে পরিচিত হওয়া আমার মূল লক্ষ্য।তবে আমার হাতেখড়ি আইফিক্সফাস্টের হাত ধরেই হয়েছিলো।আমি সকল শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের দেওয়া প্রতিটা নলেজ আমাকে বারে বারে কাজে দেয়।
আমাদের সমাজে অনেকেই মনে করেন—টেবিল-চেয়ারের অফিসিয়াল চাকরি ছাড়া বুঝি পেশাগত জীবনে সম্মান বা সাফল্য মেলে না। কিন্তু আমি জানতাম, আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে টেকনিক্যাল দক্ষতার চেয়ে বড় শক্তি আর কিছু হতে পারে না। অন্যের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের মেধা দিয়ে একটি শক্ত ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন থেকেই বেছে নিয়েছিলাম মোবাইল সার্ভিসিংকে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ভর্তি হই IFixFast Training Institute-এ। সেখান থেকে অত্যন্ত জটিল মাদারবোর্ড ডায়াগনোসিস, আইসি রিবলিং এবং মাইক্রো-সোল্ডারিংয়ের নিখুঁত প্র্যাক্টিক্যাল কাজ শিখলাম। স্যারদের সঠিক গাইডলাইন আমাকে একজন পেশাদার টেকনিশিয়ান হওয়ার মূল ভিত্তি গড়ে দেয়। ট্রেনিং শেষ করার পর নিজের ওপর যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে একটি সার্ভিসিং সেন্টারে টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিই। শুরুটা নতুন হলেও, কাজের মান ও নিখুঁত দক্ষতার কারণে খুব দ্রুতই নিজের একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করতে সক্ষম হই। দোকানে আসা জটিল থেকে জটিলতর নষ্ট ফোনগুলো যখন সচল করে তুলি, আর গ্রাহক যখন সন্তুষ্ট হয়ে হাসিমুখে ফিরে যান—তখন মনে হয় আমার শিক্ষা আর কষ্ট সার্থক। আল্লাহর রহমতে, টেকনিশিয়ান হিসেবে আমার দক্ষতা ও সুনাম দিন দিন বেড়েই চলেছে। কাজের নিখুঁত মান আর প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার এই তাগিদ আমাকে ধীরে ধীরে সাফল্যের চূড়ার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। IFixFast আমাকে শুধু একটি কাজ শেখায়নি, টেকনোলজির জগতে নিজেকে একজন দক্ষ কারিগর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পথ দেখিয়েছে।
আমি ইসরাফিল আহমেদ। আমি আই ফিক্স ফাস্ট থেকে ট্রেনিং নেওয়া আগে ইলেকট্রিক্যাল, সিসিটিভি ক্যামেরার কাজ করতাম। ট্রেনিং এর পর কাজের সন্ধানে বেরিয়ে অনেক জায়গা থেকে ব্যর্থ হয়ে ফিরেছি। অনেক জায়গা ঘুরাঘুরির পর একটি দোকানে সুযোগ পাই। সে দোকানে কাজ করতে গিয়ে অনেক চ্যালেঞ্জ এর সম্মুখীন হয়েছি এবং প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট করছি। সেখানে ৩ মাস কাজ করার পর নিজের একটি প্রতিষ্ঠান দেই।
আমি পড়ালেখার পাশাপাশি নিজেকে দক্ষ হিসাবে গড়ে তুলতে মোবাইল সার্ভিসিং এর কোর্সটা আইফিক্স থেকে বেসিক টু এডভান্স কোর্স কমপ্লিট করি।এই জার্নিতে আমার পিতা-মাতার অবদান সবচেয়ে বেশি। তাদের সাপোর্ট না থাকলে আমার পক্ষে ঢাকায় এসে কাজ শিখা সম্ভব হতো না।কোর্স কমপ্লিট করে আমি আইফিক্সফাস্ট ইন্টার্নশিপ কমপ্লিট করার পর কাজের ও সুযোগ পাই। আমি দীর্ঘদিন আইফিক্সে জব করছি।।আমি আশা রাখি এই সেক্টরে আমার ভবিষ্যতে অনেক সুযোগ তৈরি হবে।নিজেকে একজন দক্ষ এডভান্সড হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার লেভেলের টেকনিশিয়ান হিসেবে পরিচিত হওয়া আমার মূল লক্ষ্য।তবে আমার হাতেখড়ি আইফিক্সফাস্টের হাত ধরেই হয়েছিলো।আমি সকল শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের দেওয়া প্রতিটা নলেজ আমাকে বারে বারে কাজে দেয়।
আসসালামু আলাইকুম আমি মোহাম্মদ লিটন মাহমুদ। আমি আইফিক্সফাস্ট ট্রেইনিং সেন্টারের ৩১ তম ব্যাচের ছাত্র। আমি এখানে আসার আগে মোবাইলের কাজ অল্প-স্বল্প জানতাম। এখান থেকে ট্রেইনিং শেষ করে আমি আলহামদুলিল্লাহ সকল কাজ করতে পারি। আমি এখন সফল ব্যবসায়ী। ধন্যবাদ আইফিক্সফাস্ট ট্রেইনিং সেন্টারের ট্রেইনারদের।
আমি মোঃ রাসেল উদ্দিন সজীব আমি একজন হাফেজ মাদ্রাসায় পড়াশোনা করি বর্তমানে ফাজিল (স্নাতকোত্তর ডিগ্রি)পড়াশোনা করতেছি । চাকরি করার ইচ্ছে ছোটবেলা থেকে আমার ছিল না সবসময় ভাবতাম নিজে কিছু একটা করব তারপর আমার ভাইয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আমি এক বছর থাকি আমার এই কাজের উপর আগানো হয় তারপর আমি শহরের একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান ifix fast সার্ভিসিং এর উপর কোর্স করি তারপর সেখান থেকে নিজের দক্ষতা অর্জন করে এবং নিজেই একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সবকিছু মিলে ভালো চলতেছে এখন বর্তমানে এই মার্কেটে সিনিয়র টেকনিশিয়ানদের একজন আমি সবচেয়ে হার্ট লেভেলের কাজগুলো করে থাকি প্লাস সফটওয়্যার এর কাজও করি আমি এটাই আমার সফলতা আলহামদুলিল্লাহ এখন দিনশেষে আমার ভালো একটি এমাউন্ট থাকে
আমি ঢাকায় গিয়েছিলাম একটা চাকরির খোজে সেখান থে কে হটাৎ মনে হলো এই চাকরি করে আমার কখনোই ভবিষ্যৎ হবে না তখন আমার মাথায় এলো মোবাইল সার্ভিস এর কাজ টা কেমন হবে তখন হটাৎ করে ফেসবুকে ifixfast এর ভিডিও তখন আমি ifixfast এ যাই এবং সেখানে ট্রেনিং করি আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি একজন Mobile Technician Thank you ifixfast
যেকোনো বড় সাফল্যের শুরুটা হয় ছোট একটি সাহসী পদক্ষেপ দিয়ে। মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আমার ভালোবাসা এবং এই খাতে নিজেকে স্বাবলম্বী করার স্বপ্ন থেকেই শুরু হয়েছিল জীবনের নতুন এক অধ্যায়। সেই স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে আমি ভর্তি হই IFixFast Training Institute-এ। সেখান থেকে স্যারদের আন্তরিক গাইডলাইনে প্র্যাক্টিক্যালি শিখি মাদারবোর্ড ডায়াগনোসিস, সার্কিট ফিক্সিং ও অ্যাডভান্সড ডায়াগনস্টিকের প্রফেশনাল কাজগুলো। ইনস্টিটিউট থেকে কাজের সূক্ষ্ম মেকানিজম ও সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার পর আমার ভেতরের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যায়। প্রশিক্ষণ শেষ করে আর অপেক্ষা করিনি। অর্জিত জ্ঞান আর অদম্য সাহসের ওপর ভর করে নতুন একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান শুরু করি। শুরুর দিনগুলো সহজ ছিল না। নতুন দোকান, নতুন পরিবেশ—প্রতিদিন নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসতে হতো। কিন্তু কাজের প্রতি নিষ্ঠা, সঠিক টেকনিক্যাল জ্ঞান আর চমৎকার কাস্টমার সার্ভিসের কারণে ধীরে ধীরে মানুষের আস্থা অর্জন করতে শুরু করি। আল্লাহর অশেষ রহমতে, প্রতিদিন একটু একটু করে আমার ব্যবসা সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আগে যে কাজগুলো কঠিন মনে হতো, এখন তা হাসিমুখে সমাধান করছি। গ্রাহকদের সন্তুষ্ট মুখ আর দিন দিন দোকানের সুনাম বৃদ্ধি—এটাই এখন আমার প্রতিদিনের বড় অনুপ্রেরণা। IFixFast থেকে পাওয়া কাজের মজবুত ভিত্তি আর নিজের একটানা পরিশ্রমই আজ আমাকে এই সাফল্যের পথে নিয়ে এসেছে। আমি বিশ্বাস করি, সততা আর চেষ্টা থাকলে প্রতিটা দিনই মানুষকে আরও অনেক দূর নিয়ে যেতে পারে।
জনতা হাউজিং, মিরপুর ১-এর শাহআলী বাগ এলাকায় ৭০৭ নম্বর ঠিকানায় আমার দোকান "সোহাগ টেলিকম"। আমি আব্দুল আউয়াল, এই দোকানের মালিক। দোকান দেওয়ার সময় মনে রেখেছিলাম একটা কথা—শুধু ব্যবসা করলেই হবে না, মানুষের সাথে সম্পর্কটাও গড়ে তুলতে হবে। তাই কাজে বসার আগে ব্যাচিক প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজের দক্ষতাটা যাচাই করে নিয়েছিলাম, যাতে গ্রাহকের কোনো সমস্যায় আমি হতাশ না করি। শুরুর দিনগুলোতে টিকে থাকাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, কিন্তু ধৈর্য ধরে কাজ চালিয়ে গেছি। ধীরে ধীরে জনতা হাউজিং আর আশপাশের মানুষ আমার দোকানকে নিজেদের ভরসার জায়গা বানিয়ে নিয়েছে। আজ যখন এই পথচলার কথা ভাবি, মুখে শুধু একটাই শব্দ আসে—আলহামদুলিল্লাহ। প্রতিদিন যা কিছু অর্জন করছি, সবটাই মনে হয় একটা বড় নিয়ামত, আর এই কৃতজ্ঞতা নিয়েই সামনের দিনগুলোতেও কাজ করে যেতে চাই।
বরিশালের ওয়াজিরপুরের হারতা গ্রামের হরির মার্কেটে আমার দোকান "Allahar Dan Telecom & Servicing"। আমি মোহাম্মদ আলামিন, নামটা রাখার সময় মনে হয়েছিল, যা কিছু অর্জন করছি, সবকিছুর পেছনে একটা কৃতজ্ঞতাবোধ থাকা দরকার। ৪৬তম ব্যাচে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় বুঝেছিলাম, শুধু কৌশল শিখলেই হবে না—ধৈর্য ধরে লেগে থাকাটাই আসল চাবিকাঠি। প্রথম দিকে অনেক ভুল করেছি, কোনো সমস্যার সমাধান প্রথমবারে ধরতে পারিনি, কিন্তু প্রতিটা ভুল থেকেই কিছু না কিছু শিখেছি। প্রশিক্ষণ শেষে নিজের গ্রাম হারতাতেই দোকান দিলাম। শুরুর দিকে পুঁজি কম ছিল, অভিজ্ঞতাও কম, কিন্তু নিয়মিত অনুশীলন আর সততার সাথে কাজ করার অভ্যাসটা ছাড়িনি। ধীরে ধীরে হরির মার্কেটের মানুষ আমার কাজের উপর ভরসা করতে শুরু করলো। আজ আমি বিশ্বাস করি, মোবাইল সার্ভিসিং শুধু একটা পেশা না—এটা নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার একটা শক্তিশালী মাধ্যম। ধৈর্য, চর্চা আর সততা—এই তিনটা জিনিস সাথে থাকলে যেকোনো জায়গা থেকেই নিজের একটা পরিচয় তৈরি করা যায়।
আইফিক্স ফাস্ট থেকে কোর্স করে আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি সফল।
IFixFast-এ এসে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে স্যারদের কাছ থেকে আধুনিক মাদারবোর্ড ডায়াগনোসিস, সার্কিট ফিক্সিং ও অ্যাডভান্সড মেকানিক্সের কাজগুলো প্র্যাক্টিক্যালি শিখি। তবে আমি সব সময় বিশ্বাস করি—কোনো প্রতিষ্ঠান আপনাকে শুধু পথটা দেখিয়ে দিতে পারে, কিন্তু শতভাগ হাতে ধরে শেখানো সম্ভব নয়। আসল শেখাটা নির্ভর করে নিজের চেষ্টা, মেধা আর "আমি পারবোই" এই মানসিকতার ওপর। ট্রেনিং শেষে সুনামগঞ্জ ফিরে এসে নিজের দোকানে সার্ভিসিংয়ের সেটআপ করি। শুরুতে কত রাত জাগতে হয়েছে, মাদারবোর্ডের জটিল সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে কত ভুল হয়েছে! কিন্তু ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েই নিজেকে প্রতিদিন পরিপক্ব করেছি। আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং দিন-রাত এক করা কষ্টের বিনিময়ে সেই লড়াই আজ সার্থক। আমার দোকানটি আজ খুব সুন্দরভাবে চলছে এবং একজন সফল টেকনিশিয়ান হিসেবে সমাজে নিজের একটি শক্ত পরিচয় তৈরি করতে পেরেছি। IFixFast-এর শিক্ষকবৃন্দের দিকনির্দেশনা, নিজের অদম্য মেধা আর আল্লাহর অশেষ কৃপাতেই আমি শাহ মো. শাহান মিয়া আজ স্বাবলম্বী। জীবনের প্রতিটি ভুল আর কষ্টই আজ আমার সাফল্যের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমার ইচ্ছে ছিল দক্ষ একজন টেকনিশিয়ান হব আর সেটা আমি হতে পেরেছি আই ফিক্স ফাস্ট এর মাধ্যমে। এখন আমি একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হয়ে নিজ এলাকায় দোকান দিয়ে মানুষের সেবা করতে পারছি।
সবসময় বিশ্বাস করতাম—এমন কোনো পেশা বেছে নেওয়া উচিত, যেখানে কাজ করার প্রতিটি মুহূর্তে ভালোলাগা আর উৎসাহ কাজ করে। প্রযুক্তি ও মোবাইল ফোনের প্রতি ভালোবাসা থেকে এই সার্ভিসিং ফিল্ডটি আমার মন ছুয়ে গিয়েছিল। তবে শুধু ভালোলাগা থাকলেই প্রফেশনাল হওয়া যায় না; প্রয়োজন হয় সঠিক প্রশিক্ষণ ও নিখুঁত দক্ষতার। সেই ভালোবাসাকে বাস্তব রূপ দিয়ে আমাকে দক্ষ টেকনিশিয়ান বানিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে iFixFast Mobile Servicing Institute। আজ প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে আত্মবিশ্বাসের সাথে ক্যারিয়ার গড়েছি! প্রতিদিন যখন জটিল কোনো নষ্ট ফোন আমার টেবিলে আসে, আর আমি তা নিখুঁতভাবে সচল করে কাস্টমারের হাতে তুলে দিই—তখন যে তৃপ্তি আর আনন্দ পাই, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। নিজের পছন্দের পেশায় কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার অনুভূতিটাই আলাদা!
সাফল্য কখনো রাতারাতি আসে না; এর পেছনে থাকে অনেক রক্ত-ঘাম ঝরানো পরিশ্রম, ত্যাগ আর সঠিক একটি সিদ্ধান্ত। আল্লাহর রহমতে অনেক কষ্ট আর লড়াই পার করে আজ আমি নিজের একটা পরিচয়ে দাঁড়াতে পেরেছি। মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি একটা আলাদা টান আমার সবসময়ই ছিল। কিন্তু প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হয়ে উঠতে হলে যে নিখুঁত জ্ঞানের প্রয়োজন, তা অর্জনের জন্য আমি ভর্তি হই IFixFast Training Institute-এ। সেখানে অভিজ্ঞ স্যারদের হাত ধরে প্র্যাক্টিক্যালি শিখি অ্যাডভান্সড মাদারবোর্ড ডায়াগনোসিস, মাইক্রো-সোল্ডারিং এবং জটিল সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ফিক্সিংয়ের কাজ। তবে মূল চ্যালেঞ্জটা শুরু হয় ট্রেনিং শেষ করার পর। খালি হাতে শূন্য থেকে যাত্রা শুরু করা মোটেও সহজ ছিল না। পুঁজির অভাব, দিন-রাত পরিশ্রম আর প্রতিটা পদক্ষেপেই নানা প্রতিবন্ধকতা ছিল। কিন্তু নিজের মেধার ওপর বিশ্বাস এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে একটু একটু করে নিজের একটি সার্ভিসিংয়ের দোকান তৈরি করি। কাজের শুরুতে অনেক রাত জাগতে হয়েছে, অনেক জটিল সমস্যা নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মাথা খাটাতে হয়েছে—কোনো কষ্টকেই কষ্ট মনে করিনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং সেই কঠিন পরিশ্রমের ফল আজ আমি পাচ্ছি। নিজের সেই ছোট দোকানটি আজ খুব সুন্দরভাবে চলছে এবং একজন সফল টেকনিশিয়ান ও দোকান মালিক হিসেবে আমি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। IFixFast থেকে পাওয়া কাজের মজবুত ভিত্তি, নিজের অদম্য চেষ্টা আর আল্লাহর রহমতই আজ আমাকে এই সফলতার আলো দেখিয়েছে। যারা সত্যি মন থেকে পরিশ্রম করতে রাজি থাকে, সাফল্য তাদের কাছে আসবেই—আমার এই জীবনগল্প তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
কুমিল্লা থেকে ঢাকায় এসে থিতু হয়েছি কাঁঠালবাগান পুকুরপাড় এলাকায়। আমি আশরাফুল ইসলাম, কাজ করি হাতিরপুলের মোতালেব প্লাজা শপিং কমপ্লেক্সে অবস্থিত "Mobile Gadget"-এ, টেকনিশিয়ান হিসেবে। কুমিল্লা থেকে ঢাকার মতো একটা বড় শহরে এসে কাজ খোঁজাটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। চারপাশে এত মানুষ, এত প্রতিযোগিতা—নিজেকে আলাদা করে প্রমাণ করার একটা উপায় দরকার ছিল। সেই ভাবনা থেকেই ২০২৫ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করেছি, মোতালেব প্লাজার মতো জায়গায় কাজ করতে হলে শুধু কাজ জানলেই হবে না, গ্রাহকের সাথে দ্রুত বিশ্বাস তৈরি করার দক্ষতাও দরকার। এই বিষয়টা মাথায় রেখেই প্রতিটা ক্লাসে মনোযোগ দিয়েছি। কোর্স শেষ করে "Mobile Gadget"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর, কাঁঠালবাগান থেকে হাতিরপুল—এই ছোট্ট পথটা এখন আমার কাছে প্রতিদিনের একটা গর্বের যাত্রা। কুমিল্লার একটা ছেলে ঢাকার এত বড় একটা মার্কেটে নিজের জায়গা করে নিতে পেরেছে, এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।
যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে মোবাইল ফোন। বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়তেছে, বাড়তেছে চাহিদা। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আর সময়ের সাথে তাল মিলানোর জন্য মোবাইল ফোনও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আসসালামু আলাইকুম আমি রাহাত, IFIXFAST Training Center-এর ২৪ তম ব্যাচের একজন ছাত্র। আমার ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিকসের প্রতি আগ্রহ বেশি ছিলো, ভালো লাগা কাজ করতো। আমার এইচএসসি ফাইনাল পরীক্ষার পরে যখন দেশের বাহিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম তখন আমার দুলাভাই আমাকে মোবাইল সার্ভিসিং শেখার পরামর্শ দেন। শুরুতে এতো বেশি আগ্রহ না থাকলেও যখন আমি আইফিক্সফাস্ট ট্রেইনিং সেন্টারে যোগাযোগ করি এবং প্রথম দিন ক্লাস করে দেখতে পাই যে এখানে সবকিছু ইলেকট্রনিক বেইজড, তখন আমার বেশি আগ্রহ তৈরি হয় এবং আমি কোর্সটি পরিপূর্ণভাবে সমাপ্ত করি। বর্তমানে আমি আইফিক্সফাস্ট ট্রেইনিং সেন্টারে বেসিক, এডভান্স এবং মাস্টার এডভান্সের ট্রেইনার হিসেবে নিয়োজিত আছি। সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আমার এই সফলতার পেছনে যার অবদান সবথেকে বেশি তিনি হলেন আমার দুলাভাই। আমার দুলাভাইয়ের প্রতি আমি অনেক কৃতজ্ঞ। দোয়া করি আল্লাহ তাআলা যেনো উনাকে দুনিয়া-আখিরাতে সফলতা দান করেন।
আমি সব সময় বিশ্বাস করি—কোনো প্রতিষ্ঠান বা গুরু আপনাকে কাজের সঠিক পথ আর কৌশল দেখিয়ে দিতে পারে, কিন্তু শতভাগ হাতে ধরে শেখানো কখনোই সম্ভব নয়। আসল দক্ষতা অর্জন নির্ভর করে নিজের মেধা, প্র্যাকটিস আর শেখার অদম্য চেষ্টার ওপর। নিজের ওপর যদি এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকে যে "আমি পারবোই", তবে সফলতা আসবেই। মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি ভালোবাসাই আমাকে নিয়ে যায় IFixFast Training Institute-এ। সেখানে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের চমৎকার দিকনির্দেশনায় অ্যাডভান্সড ডায়াগনোসিস ও কাজ শেখার মজবুত ভিত্তি তৈরি হয়। তবে ইনস্টিটিউট থেকে মূল ভিত্তিটা পাওয়ার পর আসল লড়াই ছিল কাজের মাঠে নিজের মেধা খাটানো। প্রতিদিন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জটিল মাদারবোর্ড ও সার্কিট নিয়ে কাজ করতে গিয়ে মাঝে মাঝে ভুলও হয়েছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, ভুল হতেই পারে—সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েই মানুষ নিখুঁত হতে শেখে। নিজের আত্মবিশ্বাস আর IFixFast থেকে পাওয়া প্রফেশনাল গাইডলাইনকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে জটিল সমস্যাগুলোর সহজ সমাধান করতে শুরু করি। আজ সেই মেধা, চেষ্টা আর কঠোর পরিশ্রমের বদৌলতে আমি একটি সার্ভিসিং দোকানে টেকনিশিয়ান হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে কাজ করছি। আজকের এই অর্জনের পেছনে IFixFast-এর সম্মানীয় স্যারদের শিক্ষা, আমার নিজের প্রচেষ্টা এবং আপনাদের সবার ভালোবাসা ও আশীর্বাদ ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি। আশা করি আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা পাশে থাকলে সামনের দিনগুলোতে নিজেকে একজন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট হিসেবে আরও উঁচুতে নিয়ে যেতে পারবো।
আলহামদুলিল্লাহ আমি এখন পরিপূর্ণ একজন সফল টেনিশিয়ান।
"আসসালামু আলাইকুম।" আমি যখন নবম শ্রেণীতে পড়ি, তখন আমার বাবা মারা যান। এরপর দশম শ্রেণী থেকে আমি অনলাইনে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করি। এসএসসি পরীক্ষার পর কলেজে ভর্তি হয়ে ভাবলাম—লেখাপড়ার পাশাপাশি ছোট একটি ইলেকট্রনিক্স দোকান দেওয়া যাক। দোকান দেওয়ার পর মনে হলো, একই জায়গায় বসে যদি এই ব্যবসার পাশাপাশি অন্য কোনো কাজও করা যেত, তবে আমার জন্য অনেক ভালো হতো। তখনই আমার মাথায় এলো মোবাইল সার্ভিসিং শেখার চিন্তা। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ইউটিউবে 'আইফিক্সফাস্ট (IFixFast)'-এর ভিডিওগুলো আমার খুব ভালো লাগে। যেই কথা, সেই কাজ! আমি সুনামগঞ্জ থেকে সরাসরি তাদের প্রতিষ্ঠানে চলে যাই। তাদের সাথে কথা বলে আমার খুব ভালো লাগে এবং আমি তাদের মোবাইল সার্ভিসিং কোর্সে ভর্তি হই। সেখানে খুব সুন্দর ও আন্তরিক পরিবেশে তাদের কাছ থেকে হাতে-কলমে প্র্যাক্টিক্যাল কাজ শিখি। ট্রেনিং শেষ করে বাড়ি ফিরে এসে আমি নিজের দোকানে সার্ভিসিংয়ের সম্পূর্ণ সেটআপ করি। ধীরে ধীরে কাজের প্রতি আমার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আরও বাড়তে থাকে। আলহামদুলিল্লাহ, এখন আমার দোকান খুব চমৎকারভাবে চলছে! আমার এই সফলতার পেছনে অবদান রাখার জন্য 'আইফিক্সফাস্ট'-এর সকল সম্মানীয় স্যারদের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন সামনে আরও এগিয়ে যেতে পারি।
তিন দীঘি বাজারে "নুরুন নাহার মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার এন্ড ইলেকট্রোনিক্স" বগুড়ার কাহালু থানার কালাই ইউনিয়নের তিন দীঘি বাজারে আমার দোকানের নামটা একটু অন্যরকম—"নুরুন নাহার মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার এন্ড ইলেকট্রোনিক্স"। আমি নূর ইসলাম ফকির, এই নামের পেছনে আমার পরিবারের একটা গল্প জড়িয়ে আছে, যেটা আমাকে প্রতিদিন কাজের সময় মনে করিয়ে দেয় কার জন্য, কেন এই পথে এসেছি। মোবাইল সার্ভিসিং শুধু শিখলেই তো চলবে না, ভাবলাম যদি ইলেকট্রনিক্সের অন্যান্য কাজও যোগ করা যায়, তাহলে এলাকার মানুষকে একসাথে অনেক ধরনের সেবা দেওয়া সম্ভব। এই চিন্তা থেকেই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো কোর্সটা মনোযোগ দিয়ে সম্পন্ন করি। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণে শুধু মোবাইলের জটিল সমস্যা সমাধানই না, ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস নিয়েও কাজ করার দক্ষতা অর্জন করি। কাহালুর মতো এলাকায় যেখানে একসাথে একাধিক সেবা পাওয়া কঠিন, সেখানে এই বহুমুখী দক্ষতাটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে দাঁড়ায়। আজ তিন দীঘি বাজারে আমার প্রতিষ্ঠানটা শুধু মোবাইল সারানোর দোকান না, বরং এলাকাবাসীর জন্য একটা সম্পূর্ণ সমাধানকেন্দ্র। প্রতিদিন যখন কেউ মোবাইল আর ইলেকট্রনিক্স দুটো সমস্যা নিয়েই একসাথে আমার কাছে আসতে পারে, তখন বুঝি—এই বিস্তৃত দক্ষতাই আমাকে এলাকার মানুষের প্রথম পছন্দ করে তুলেছে।
বরিশাল থেকে ঢাকায় এসেছি কাজের খোঁজে, এখন থিতু হয়েছি মহাখালীতে। আমি জুয়েল রানা, মামা প্লাজার "BM Telecom"-এ কাজ করি টেকনিশিয়ান হিসেবে। বরিশাল থেকে ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরে আসার সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না। পরিচিত মানুষ কম, নতুন পরিবেশ, সবকিছু মানিয়ে নেওয়া—শুরুর দিকে বেশ চ্যালেঞ্জিং লাগতো। কিন্তু জানতাম, শুধু ইচ্ছা দিয়ে কিছু হবে না, একটা কাজের দক্ষতা অর্জন করতেই হবে। তাই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। প্রশিক্ষণের সময়টা আমার জন্য ছিল নিজেকে নতুনভাবে চেনার একটা সুযোগ। মহাখালীর মতো ব্যস্ত এলাকায় কাজ করতে হলে শুধু টেকনিক্যাল জ্ঞান না, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও দরকার—এই বোধটা প্রতিটা ক্লাসেই একটু একটু করে তৈরি হয়েছে। কোর্স শেষে মামা প্লাজার "BM Telecom"-এ কাজের সুযোগ পাওয়ার পর মনে হয়েছিল, বরিশাল থেকে ঢাকা আসার সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল না। এখন প্রতিদিন মহাখালীর ব্যস্ততার মধ্যেই নিজের একটা জায়গা করে নিয়েছি, আর এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
পড়াশোনা শেষ করার পর চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে নিজের পথ নিজেই তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি ছোটবেলা থেকেই একটা আলাদা টান ছিল, তাই এই খাতেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার পরিকল্পনা করি। আমার এই ভালোবাসাকে নিখুঁত প্রফেশনাল দক্ষতায় রূপ দিতে ভর্তি হই IFixFast Training Institute-এ। সেখান থেকে আধুনিক মাদারবোর্ড ডায়াগনোসিস, মাইক্রো-সোল্ডারিং এবং জটিল সার্কিট সার্ভিসিংয়ের কাজগুলো প্র্যাক্টিক্যালি শিখি। ইনস্টিটিউটের হাতে-কলমে শেখার পরিবেশ আমাকে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তোলে। ট্রেনিং শেষ করার পর কাজের প্রতি আমার অভিজ্ঞতা, সততা এবং নিখুঁত দক্ষতা দেখে একটি প্রতিষ্ঠিত সার্ভিসিং দোকানে পার্টনার (সহ-উদ্যোক্তা) হিসেবে যুক্ত হওয়ার চমৎকার সুযোগ আসে। আজ আমি সেই দোকানের একজন গর্বিত বিজনেস পার্টনার ও প্রধান টেকনিশিয়ান। অন্যের অধীনে চাকরির চিন্তা বাদ দিয়ে সঠিক প্রশিক্ষণ আর কঠোর পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে আজ আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। IFixFast থেকে পাওয়া টেকনিক্যাল জ্ঞান আমাকে শুধু একটি কাজই শেখায়নি, একজন সফল ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সাহস ও পরিচয় এনে দিয়েছে।
নোয়াখালী থেকে ঢাকায় এসেছিলাম একটা লক্ষ্য নিয়ে—শুধু চাকরি না, নিজের একটা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাবো। আমি মোঃ আরিফুল ইসলাম, আজ ইস্টার্ন প্লাজায় "Apple Relife" নামের দোকানটা সেই লক্ষ্যেরই ফসল। দোকানের নামটা রাখার পেছনেও একটা ভাবনা ছিল—"রিলাইফ" মানে নতুন জীবন দেওয়া। মানুষের নষ্ট হয়ে যাওয়া, অকেজো মনে হওয়া ফোনগুলোকে যখন আবার সচল করে দিতে পারি, তখন মনে হয় সত্যিই একটা যন্ত্রকে নতুন জীবন দিলাম। এই ভাবনা থেকেই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে কাজটা গভীরভাবে শিখি। ইস্টার্ন প্লাজার মতো একটা পরিচিত মার্কেটে দোকান দেওয়াটা সহজ ছিল না—এখানে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি, প্রতিটা দোকানই কোনো না কোনোভাবে অভিজ্ঞ। তাই প্রশিক্ষণের সময় নিজেকে আলাদাভাবে প্রস্তুত করেছি, যেন গ্রাহক আমার দোকানে এসে বুঝতে পারে—এখানে সত্যিকারের যত্ন নিয়ে কাজ হয়। আজ "Apple Relife" ইস্টার্ন প্লাজার একটা পরিচিত নাম। নোয়াখালী থেকে আসা একটা ছেলে যখন ঢাকার এত বড় একটা মার্কেটে নিজের প্রতিষ্ঠানের পরিচয় তৈরি করতে পারে, তখন বুঝি—সঠিক দক্ষতা আর ধৈর্য থাকলে যেকোনো জায়গাতেই নিজের জায়গা করে নেওয়া যায়।
বাগেরহাটের দোকানটা দিয়েছি কহলান্দই বাস স্টপে। আমি মোঃ শোহেল হোসেন, দুটো জায়গার মধ্যেই আমার প্রতিদিনের যাতায়াত। বাস স্টপের মতো জায়গায় দোকান দেওয়ার একটা হিসাব ছিল আমার মাথায়—মানুষ বাসের অপেক্ষায় থাকার সময়টাকেই যদি কাজে লাগানো যায়, তাহলে ব্যবসাটা টিকবে। দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় ঘোরাঘুরি করে বুঝেছিলাম, এখানে একটা নির্ভরযোগ্য মোবাইল সার্ভিসিং পয়েন্টের অভাব আছে। এই ফাঁকটা পূরণ করার লক্ষ্য নিয়েই বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিটা ছোট ছোট কৌশল মন দিয়ে শিখেছি, কারণ জানতাম বাস স্টপের গ্রাহকদের হাতে বেশি সময় থাকে না—দ্রুত আর নির্ভুল কাজই তাদের ফিরিয়ে আনবে। কোর্স শেষে কহলান্দই বাস স্টপে দোকান খুলে "Saad Repairing" নাম দিয়ে শুরু করি ব্যবসা। আজ বাস অপেক্ষার সেই সময়টাতেই মানুষ এসে তাদের ফোনের সমস্যা সমাধান করিয়ে নেয়। রায়েন্দা থেকে কহলান্দই পর্যন্ত এই যাতায়াতটা এখন আর শুধু কাজের যাওয়া-আসা না, বরং একটা প্রতিষ্ঠিত পরিচয়ের দিকে এগিয়ে চলা।
আমি পড়ালেখার পাশাপাশি নিজেকে দক্ষ হিসাবে গড়ে তুলতে মোবাইল সার্ভিসিং এর কোর্সটা আইফিক্স থেকে বেসিক টু এডভান্স কোর্স কমপ্লিট করি।এই জার্নিতে আমার পিতা-মাতার অবদান সবচেয়ে বেশি। তাদের সাপোর্ট না থাকলে আমার পক্ষে কাজ শিখা সম্ভব হতো না।কোর্স কমপ্লিট করে আমি আইফিক্সফাস্ট ইন্টার্নশিপ কমপ্লিট করার পর কাজের ও সুযোগ পাই। আমি দীর্ঘদিন আইফিক্সে জব করছি।।আমি আশা রাখি এই সেক্টরে আমার ভবিষ্যতে অনেক সুযোগ তৈরি হবে।নিজেকে একজন দক্ষ এডভান্সড হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার লেভেলের টেকনিশিয়ান হিসেবে পরিচিত হওয়া আমার মূল লক্ষ্য।তবে আমার হাতেখড়ি আইফিক্সফাস্টের হাত ধরেই হয়েছিলো।আমি সকল শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের দেওয়া প্রতিটা নলেজ আমাকে বারে বারে কাজে দেয়।
চাঁদপুরের মতলব থানার নারায়ণপুরে দোকান দেওয়ার সময় নামটা নিয়ে বেশি ভাবিনি—সোজাসুজি নিজের নামটাই রেখে দিলাম, "Sakib Gadget"। আমি মোঃ সাকিব বেপারী, মনে করি নিজের কাজের সাথে নিজের নামটা জড়িয়ে থাকলে দায়বদ্ধতাটাও অন্যরকম হয়। শুরুর দিকে অনেকেই ভাবতো, নাম শুনে হয়তো এটা কোনো বড় শোরুম, কিন্তু ভেতরে ঢুকে বুঝতো এটা একদম এলাকার মানুষের জন্যই তৈরি ছোট্ট একটা প্রতিষ্ঠান। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার আগে এই পার্থক্যটা বোঝানোর মতো ভাষা আমার কাছে ছিল না, তাই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রথমে নিজের দক্ষতাটা মজবুত করে নিলাম। প্রশিক্ষণের সময় সবচেয়ে বেশি যেটা মাথায় ঢুকেছিল, তা হলো—গ্রাহকের সমস্যাটা তাড়াহুড়ো করে না বুঝে কখনো হাত দেওয়া যাবে না। এই শিক্ষাটাই কোর্স শেষে নারায়ণপুরে নিজের দোকান খোলার পর সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে। আজ "Sakib Gadget & Gare " নামটা শুনলেই এলাকার মানুষ বুঝে যায়, কার কাছে যাচ্ছে। নিজের নামের ভরসাতেই মানুষ দোকানে আসে, আর প্রতিদিন সেই ভরসাটা রক্ষা করাই এখন আমার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
কুড়িগ্রাম সদরের সমবায় মোবাইল মার্কেটে সকালবেলা দোকান খোলার শব্দগুলো আমার খুব চেনা। আমি নিশান কর্মকার, এই মার্কেটেরই "Rofiq Telecom"-এ কাজ করি টেকনিশিয়ান হিসেবে। উত্তরবঙ্গের এই জেলা শহরে বড় কাজের সুযোগ খুব বেশি থাকে না, তাই যখন কিছু একটা করার কথা ভাবছিলাম, তখন মনে হলো এমন একটা কাজ শিখতে হবে যেটার চাহিদা এখানেও আছে, আবার ভবিষ্যতেও থাকবে। মোবাইল সার্ভিসিংটাই মনে হলো সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত পথ। তাই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। প্রশিক্ষণের সময়টায় সবচেয়ে বড় শিক্ষা ছিল—কুড়িগ্রামের মতো জায়গায় থেকেও যদি সঠিক দক্ষতা অর্জন করা যায়, তাহলে বড় শহরে না গিয়েও একটা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। এই বিশ্বাসটাই আমাকে কোর্স শেষ করতে অনুপ্রাণিত করেছে। আজ সমবায় মার্কেটের "Rofiq Telecom"-এ কাজ করতে করতে বুঝি, নিজের জেলা শহরে থেকেও একটা সম্মানজনক পেশা গড়ে তোলা যায়। প্রতিদিন এলাকার মানুষের ফোনের সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার মধ্য দিয়ে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করছি, যেটা আমার কাছে অনেক বড় একটা প্রাপ্তি।
শ্রীনগরে বড় হয়েছি, এই এলাকার অলিগলি আমার নখদর্পণে। কিন্তু ছোটবেলার সেই চেনা রাস্তাগুলো ধরে এখন যখন কাজে যাই "Ayesha Telecom"-এ, তখন মনে হয় নিজের চেনা জায়গাতেই একটা নতুন পরিচয় তৈরি করেছি। আমি আসিফ হোসেন। স্কুল-কলেজ শেষ করে চাকরির খোঁজে যখন বের হই, তখন বুঝেছিলাম শুধু সার্টিফিকেট দিয়ে হবে না, হাতে-কলমে কোনো একটা দক্ষতা থাকা দরকার। মোবাইল সার্ভিসিং জিনিসটা তখন আমার কাছে একটা সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র মনে হলো, তাই বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। প্রশিক্ষণের দিনগুলোতে সবচেয়ে বেশি যেটা শিখেছি, তা হলো ধৈর্য—একটা সমস্যা প্রথমবারে ধরা না পড়লে হতাশ না হয়ে আবার চেষ্টা করার মানসিকতা। এই শিক্ষাটাই কোর্স শেষে যখন "Ayesha Telecom"-এ কাজ শুরু করি, তখন সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে। আজ নিজের এলাকা শ্রীনগরে, নিজের পরিচিত মানুষদের মাঝেই একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। প্রতিদিন কারো না কারো ফোনের সমস্যা সমাধান করে দিয়ে যে তৃপ্তিটা পাই, সেটাই আমাকে মনে করিয়ে দেয়—নিজের শেকড়ের মধ্যে থেকেও একটা সম্মানজনক জীবিকা গড়ে তোলা যায়।
এম রহমান রোডের "Pranto Telecom Center"-এ আমার কর্মদিনটা শুরু হয় সকাল সকাল, দোকানের শাটার তোলার সাথে সাথে। আমি হাসানুল হক, মুন্সিগঞ্জের ছেলে, এই দোকানেই এখন কাজ করি টেকনিশিয়ান হিসেবে। বেসিক থেকে অ্যাডভান্স—দুটো ধাপ পুরোপুরি শেষ করার একটা কারণ ছিল আমার কাছে। শুধু সহজ সমস্যাগুলো সমাধান করে থেমে থাকতে চাইনি, চেয়েছিলাম এমন একজন টেকনিশিয়ান হতে, যার কাছে গ্রাহক জটিল সমস্যা নিয়ে এলেও নিশ্চিন্ত থাকতে পারে। এই ভাবনা থেকেই সম্পূর্ণ কোর্সটা মনোযোগ দিয়ে শেষ করি। প্রশিক্ষণের প্রতিটা ধাপে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে, আর প্রতিটা চ্যালেঞ্জ পার করার সাথে সাথে নিজের উপর বিশ্বাসটাও বেড়েছে। কোর্স শেষ করে এম রহমান রোডের "Pranto Telecom Center"-এ যোগ দেওয়ার পর প্রথম যেদিন একটা জটিল সমস্যা একাই সমাধান করতে পারলাম, সেদিনের অনুভূতিটা এখনো মনে আছে। এখন প্রতিদিন কাজ করতে করতে বুঝি, বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত যাওয়ার সেই কষ্টটা আজ কাজে লাগছে। জটিল সমস্যাও যখন হাসিমুখে সমাধান করে দিতে পারি, তখন মনে হয়—এই দক্ষতাটাই আমার সবচেয়ে বড় সম্পদ।
মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম বাজারে ঢুকলেই একটা দোকানের সাইনবোর্ড নজর কাড়ে—"Sushanto Telecom"। আমি সুশান্ত মল্লিক, এই বাজারেরই একজন পরিচিত মুখ। বাজারের মধ্যে ব্যবসা করতে গেলে প্রতিযোগিতাটা সবসময় চোখে পড়ে—আশেপাশে অনেক দোকান, অনেক অপশন থাকতে মানুষ কেন আমার কাছে আসবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই ভাবলাম, শুধু বিক্রেতা হলে হবে না, কাজটা নিজে জানতে হবে গভীরভাবে। তাই বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যন্ত পুরো প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। দীর্ঘ এই প্রশিক্ষণ সময়টায় শুধু সাধারণ সমস্যা সমাধানই না, জটিল থেকে জটিলতর কেসগুলোও হাতে-কলমে শিখেছি। মনে আছে, শুরুতে যেসব সমস্যা দেখে অন্য দোকানে পাঠিয়ে দিতে হতো, প্রশিক্ষণ শেষে সেই একই সমস্যা নিজের হাতেই সমাধান করতে পারার আনন্দটা ছিল অন্যরকম। আজ মিরকাদিম বাজারে "Sushanto Telecom" শুধু আরেকটা দোকান না, বরং এমন একটা জায়গা যেখানে জটিল সমস্যাও সমাধান হয়। এই দক্ষতাটাই আমাকে বাজারের ভিড়ের মধ্যেও একটা আলাদা পরিচয় এনে দিয়েছে।
পূর্ব বস্তা বাস স্ট্যান্ডে বাস থেকে নামলেই চোখে পড়বে ছোট্ট একটা দোকান—"Watch Haven Corner Mobile Service"। আমি মোঃ ইয়াসিন আরাফাত, মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের পূর্ব বস্তা গ্রামের ছেলে। বাস স্ট্যান্ডের পাশে দোকান দেওয়ার একটা মজার দিক আছে—প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে, কিন্তু কেউই থামার সময় পায় না, তাড়াহুড়া করে বাস ধরতে হয়। এই তাড়াহুড়ার মধ্যেও যদি মানুষের ফোনের সমস্যাটা দ্রুত আর নির্ভরযোগ্যভাবে সমাধান করে দেওয়া যায়, তাহলেই তারা বারবার ফিরে আসে—এই ভাবনা থেকেই ব্যবসাটা শুরু করার পরিকল্পনা করি। ২০২৫ সালের ৫ই মার্চ বেসিক কোর্সে ভর্তি হই, লক্ষ্য ছিল দ্রুত ও নির্ভুলভাবে কাজ করার দক্ষতা অর্জন করা—কারণ বাস স্ট্যান্ডের গ্রাহকদের হাতে সময় কম থাকে। প্রায় তিন মাস প্রশিক্ষণের পর ৬ই জুন কোর্স সম্পন্ন করি, এরপর নিজের গ্রামের এই ব্যস্ত জায়গাতেই দোকান খুলে বসি। আজ "Watch Haven Corner" বাস স্ট্যান্ডের একটা পরিচিত নাম হয়ে উঠেছে। যাত্রার মাঝে মানুষ যখন কয়েক মিনিটের বিরতিতেও আমার দোকানে ভরসা করে ফোন সারাতে দেয়, তখন বুঝি—তাড়াহুড়ার এই জায়গাতেও একটা বিশ্বস্ত ঠিকানা হয়ে ওঠা সম্ভব।
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে দাউদ নগর বাজারের ট্রাফিক পয়েন্টটা সবসময়ই ব্যস্ত থাকে—মানুষ, রিকশা, গাড়ির ভিড়। এই ব্যস্ততার মাঝেই আমার দোকান, "Rakib Enterprise e Sujon Telecom"। আমি মিজান মিয়া, সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের ছেলে। ট্রাফিক পয়েন্টের মতো একটা জায়গায় ব্যবসা দাঁড় করানোর একটা সুবিধা আছে—সারাদিন মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকে। কিন্তু শুধু ভালো লোকেশন থাকলেই তো চলবে না, দরকার আসল দক্ষতা। এই বিষয়টা মাথায় রেখেই ২০২৫ সালের ৫ই মার্চ বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের প্রায় তিন মাস আমি চেষ্টা করেছি প্রতিটা খুঁটিনাটি বিষয় নিজের মধ্যে ধারণ করতে—কারণ জানতাম, ট্রাফিক পয়েন্টের এই ব্যস্ত জায়গায় মানুষ একবার ঠকে গেলে দ্বিতীয়বার আর আসবে না। ৬ই জুন কোর্স শেষ করার পর সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই দোকানের কাজ পুরোদমে শুরু করি। আজ দাউদ নগর বাজারের এই ব্যস্ত ট্রাফিক পয়েন্টে আমার দোকানটা একটা পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে। মানুষ তাড়াহুড়ার মধ্যেও থেমে আমার কাছে আসে, কারণ জানে—এখানে কাজ ভালো হয়। ব্যস্ত এই জায়গাতেই আমি খুঁজে পেয়েছি আমার স্থিরতা, আমার পরিচয়।
আমি আই ফিক্সড ফাস্ট ট্রেনিং সেন্টার বেসিক ২৪ তম ব্যাচ এডভান্স ৯ ব্যাচ সম্পূর্ণ করেছে ট্রেনিং শেষ করে আমি একটা নিজে আমাদের গ্রামের দোকান করেছে আলহামদুলিল্লাহ আমার দোকানের সব ধরনের মোবাইল এক্সেসরি এবং ইলেকট্রিক সব মালামাল পাওয়া যায় আমি নিজেই সার্ভিসিং করে থাকি মোটামুটি দিন শেষে আমার ভালো একটা ইনকাম আমার পকেটে আসে ধন্যবাদ আইফিক্সড ফাস্ট
পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পেছনে ছুটে যখন কেবল হতাশাই পাচ্ছিলাম, তখন নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিলাম। মোবাইল প্রযুক্তির প্রতি ভালোলাগা আমার আগে থেকেই ছিল, তাই ভাবলাম এই আগ্রহকেই জীবিকায় রূপ দেব। নিজের এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ভর্তি হই IFixFast Training Institute-এ। সেখান থেকে অভিজ্ঞ মেন্টরদের কাছ থেকে অ্যাডভান্সড মাদারবোর্ড ডায়াগনোসিস ও সূক্ষ্ম আইসি সার্ভিসিংয়ের কাজগুলো প্র্যাক্টিক্যালি শিখি। ট্রেনিংয়ের সেই গভীর প্রফেশনাল জ্ঞান আমার ভেতরের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ট্রেনিং শেষেই অর্জিত দক্ষতা আর সাহসকে পুঁজি করে নিজের সার্ভিসিংয়ের দোকান শুরু করি। আজ আমি শুধুই একজন সফল টেকনিশিয়ান নই, নিজের প্রতিষ্ঠানের একজন স্বাধীন উদ্যোক্তা। চাকরির অপেক্ষা না করে IFixFast-এর সঠিক প্রশিক্ষণ আর নিজের পরিশ্রম দিয়ে আজ আমি নিজের ভাগ্য নিজেই গড়েছি।
ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক্স কাজের প্রতি আমার আলাদা একটা আগ্রহ ছিল এর থেকে একটি মোবাইলের দোকানে কাজ করার সুযোগ পাই। সেখানে থাকতে থাকতে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আমার আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে অনলাইনে বিভিন্ন সার্ভিসিংয়ের ভিডিও দেখা শুরু করি। এর মধ্যে IFixFast Training Institute-এর ভিডিও ও কাজের পদ্ধতি আমার খুব ভালো লাগে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রফেশনালভাবে শেখার জন্য সেখানে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে হাতে-কলমে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পাই। সঠিক গাইডলাইন ও প্রশিক্ষণ আমার কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়। ট্রেনিং শেষ করার পর কিছুদিন একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে কাজ করি। সেখান থেকে বাস্তব কাজের আরও অভিজ্ঞতা অর্জন করি। অবশেষে নিজের শেখা, অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে ১৪ জুলাই ২০২৬ আমার নিজের প্রতিষ্ঠান “Hello Phone”-এর যাত্রা শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ, আজ মানুষের মোবাইলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছি। সঠিক প্রশিক্ষণ, পরিশ্রম এবং আল্লাহর রহমতই আমার এই পথচলার মূল শক্তি।
ছোটবেলা থেকেই এই ছোট ছোট ডিভাইসের ভেতরের খুঁটিনাটি জানার প্রতি আমার তীব্র কৌতুহল ছিল। মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি এই ভালোবাসা থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম—এতেই তৈরি করবো আমার ভবিষ্যৎ। তবে শুধু শখ আর কাজের প্রতি ভালোলাগাই যথেষ্ট ছিল না; প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হতে হলে প্রয়োজন ছিল নিখুঁত ও আধুনিক টেকনিক্যাল ট্রেনিং। সেই সঠিক পথপ্রদর্শকের সন্ধানে আমি ভর্তি হই IFixFast Training Institute-এ। সেখানে গিয়েই বুঝতে পারি আধুনিক প্রযুক্তি ও জটিল মাদারবোর্ডের ডায়াগনোসিস কতটা সূক্ষ্ম হতে পারে। প্রশিক্ষণ শেষে সেই অর্জিত জ্ঞান ও আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে কাজের মাঠে নামি। আজ আমি একজন সফল টেকনিশিয়ান। নিজের মেধা আর IFixFast Training Institute থেকে পাওয়া প্রফেশনাল গাইডলাইনের ওপর ভর করে এখন আমি প্রতিদিন অসংখ্য গ্রাহকের ফোনের জটিল টেকনিক্যাল সমস্যার নিখুঁত সমাধান করছি। যে শখ থেকে যাত্রার শুরু হয়েছিল, সঠিক ইনস্টিটিউটের সঠিক দিকনির্দেশনায় আজ তা আমাকে এনে দিয়েছে একজন দক্ষ ও স্বাবলম্বী মোবাইল সার্ভিসিং বিশেষজ্ঞের পরিচয়।
ছোটবেলা থেকেই টেকনোলজির প্রতি আমার এক অন্যরকম টান ছিল। তবে সবকিছুর মধ্যে মোবাইল ফোন আমাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করতো। ফোনের ভেতরের ছোট ছোট যন্ত্রাংশ কীভাবে কাজ করে, সার্কিটগুলো কীভাবে একটা অন্যটার সাথে যুক্ত থাকে—এসব জানার কৌতূহল থেকেই ধীরে ধীরে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আমার গভীর ভালোলাগা তৈরি হয়। কাজের নিখুঁত জ্ঞান এবং প্র্যাক্টিক্যাল দক্ষতা অর্জন করার পর ভাবলাম, অন্যের দোকানে বা অধীনে কাজ করার চেয়ে নিজের একটা পরিচয় গড়া প্রয়োজন। নিজের প্রতি সেই আত্মবিশ্বাস আর অদম্য ইচ্ছা থেকে শেষ পর্যন্ত সাহস করে নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান দিয়ে ফেললাম।
ছোটবেলা থেকেই টেকনোলজি, বিশেষ করে মোবাইল ফোনের প্রতি আমার একটা আলাদা টান ও জানাশোনা ছিল। কারো ফোনের কোনো সমস্যা হলেই তারা আমার কাছে ছুটে আসতো, আর আমিও সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করতাম। ইউটিউবে নিয়মিত বিভিন্ন মোবাইল সার্ভিসিংয়ের টেকনিক্যাল ভিডিও দেখতে দেখতে এই পেশার প্রতি আমার ভালোবাসা ও শেখার আগ্রহ আরও বেড়ে গেল। বুঝতে পারলাম, শুধু শখের বশে জানা আর পেশাদারভাবে কাজ করার মধ্যে পার্থক্য অনেক। তাই নিজেকে সঠিকভাবে দক্ষ করে তুলতে সিদ্ধান্ত নিলাম টেকনিক্যাল ট্রেনিং নেওয়ার। সেই ভাবনা থেকেই আমি IFixFast Training Institute-এ ভর্তি হই। সেখান থেকে অত্যন্ত দক্ষ মেন্টরদের হাত ধরে আধুনিক ও অ্যাডভান্সড মোবাইল ড্রাইগনোসিস, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সার্ভিসিংয়ের খুঁটিনাটি একদম প্র্যাক্টিক্যালি শিখলাম। নিজের ভেতরের আগ্রহের সাথে সঠিক দিকনির্দেশনা যুক্ত হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই টেকনিক্যাল কাজগুলোতে পারদর্শী হয়ে উঠলাম। ট্রেনিং শেষ করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শেখা বিদ্যা আর অদম্য সাহসের ওপর ভর করে নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান শুরু করি। আজ আমি একজন সফল সার্ভিসিং এক্সপার্ট ও প্রতিষ্ঠিত দোকান মালিক। যে পড়াশোনা আমাকে একটি চাকরির নিশ্চয়তা দিতে পারেনি, সেই হতাশা মুছে দিয়েছে আমার নিজের অর্জিত দক্ষতা। পরিশ্রম, সঠিক সিদ্ধান্ত আর কাজের প্রতি সততা থাকলে যে কেউ নিজের ভাগ্য নিজে গড়তে পারে—আজকের এই সাফল্যই আমার তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
জীবনটা চলছিল সাধারণভাবেই। একদিন আমার মোবাইলটা হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায়। মোবাইল ঠিক করানোর জন্য খোঁজ করতে করতে চলে যাই iFixFast দোকানে। সেখানে গিয়ে দেখি, কী নিখুঁতভাবে ওরা মোবাইলের সমস্যা বের করে সমাধান করছে। মোবাইলটা ঠিক হয়ে গেল ঠিকই, কিন্তু আমার মনে একটা কৌতূহল থেকে গেল — এই কাজটা কীভাবে শেখা যায়? কথায় কথায় জানতে পারি, এখানে শুধু মোবাইল ঠিকই করা হয় না, এখানে iFixFast Training Center-এ মোবাইল সার্ভিসিং এর প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। কথাটা শোনার পর মনের ভেতরে যেন একটা নতুন স্বপ্ন জেগে উঠলো। ভাবলাম, এই সুযোগটা যদি কাজে লাগাতে পারি, তাহলে নিজের একটা দক্ষতা আর ভবিষ্যৎ তৈরি করতে পারবো। আর দেরি না করে ভর্তি হয়ে গেলাম iFixFast Training Center-এ। শুরুর দিকে সবকিছু নতুন লাগছিল — সার্কিট, কম্পোনেন্ট, সোল্ডারিং, সফটওয়্যার সমস্যা সমাধান — কিন্তু অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের হাতে-কলমে শেখানো আর প্র্যাকটিক্যাল সেশনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সব সহজ হয়ে গেল। প্রথম দিকে ভুল হতো, কিন্তু প্রতিটা ভুল থেকে শিখতাম, আর প্রতিটা সঠিক সমাধান আমার আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিত। প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে চার্জিং প্রবলেম, ডিসপ্লে সমস্যা, সফটওয়্যার ইস্যু — সব ধরনের কাজেই দক্ষতা অর্জন করলাম। যে কাজটা একদিন শুধু কৌতূহল নিয়ে দেখেছিলাম, সেই কাজেই আজ আমি পুরোপুরি পারদর্শী। আজ আমি একজন সফল Technician হিসেবে কাজ করছি। যে দিন নিজের মোবাইল ঠিক করাতে গিয়েছিলাম, সেদিনই হয়তো আমার জীবনের মোড় ঘুরে গিয়েছিল। iFixFast Training Center আমাকে শুধু একটা কাজ শেখায়নি, দিয়েছে একটা নতুন পরিচয়, একটা নতুন ভবিষ্যৎ।
আগে আমি একটা সাধারণ চাকরি করতাম। জীবনটা চলছিল ঠিকই, কিন্তু মনের ভেতরে একটা অতৃপ্তি ছিল — মনে হতো, নিজের একটা দক্ষতা থাকা দরকার, যা দিয়ে আরও ভালো কিছু করা যায়। একদিন বন্ধুদের কাছ থেকে মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ সম্পর্কে শুনি। তারা বলছিল, এই কাজ শিখলে ভালো আয় করা যায়, নিজের একটা পরিচয় তৈরি হয়। কথাটা মাথায় গেঁথে গেল। সেদিন থেকেই মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম, এই কাজ শিখবই। তবে শুধু ইচ্ছা থাকলেই তো হয় না, দরকার ছিল সঠিক গাইডলাইন আর হাতে-কলমে শেখার সুযোগ। তাই ভর্তি হলাম iFixFast Training Center-এ। সেখানকার প্রশিক্ষণ আমার জন্য এক বড় পরিবর্তন বয়ে আনলো। অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের হাতে-কলমে শেখানো, প্র্যাকটিক্যাল সেশন, বিভিন্ন সমস্যার সঠিক সমাধান পদ্ধতি — সব মিলিয়ে যে বিষয়গুলো আগে কঠিন মনে হতো, সেগুলো এখন সহজ ও গোছালো হয়ে গেল। প্রথম দিকে ভুল হতো, কিন্তু প্রতিটা ভুল থেকে শিখতাম আর ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে। প্রশিক্ষণ শেষে দক্ষতা আরও পোক্ত হলো — চার্জিং প্রবলেম, ডিসপ্লে সমস্যা, সফটওয়্যার ইস্যু, সবকিছু এখন সহজ মনে হতো। প্রতিটা সফল রিপেয়ার আমার আত্মবিশ্বাস আরেকটু বাড়িয়ে দিত। এভাবে নিজের ইচ্ছাশক্তি আর iFixFast Training Center-এর সঠিক প্রশিক্ষণের মিশেলে আজ আমি একজন দক্ষ ও পেশাদার Technician হিসেবে কাজ করছি। যে কাজ একদিন বন্ধুর মুখে শুনে শুরু করেছিলাম নিছক কৌতূহল থেকে, আজ সেটাই আমার পেশা, আমার পরিচয়।
ছোটবেলা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং এর প্রতি আমার একটা অন্যরকম টান ছিল। যখনই কোনো মোবাইল খারাপ হতো, নিজে খুলে দেখার চেষ্টা করতাম, কীভাবে ঠিক হয় তা জানার আগ্রহ থেকে ইউটিউবে মোবাইল রিপেয়ারিং এর ভিডিও দেখতাম ঘণ্টার পর ঘণ্টা। মনে মনে ভাবতাম, একদিন নিজে এই কাজ শিখে নিজের একটা দোকান দেব। কিন্তু শুধু ভিডিও দেখে শেখাটা সহজ ছিল না। তাত্ত্বিক জ্ঞান আর হাতে-কলমে কাজ শেখার মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, সঠিক জায়গা থেকে প্রশিক্ষণ নেব। খোঁজখবর করে ভর্তি হলাম iFixFast Training Center-এ। প্রশিক্ষণ শেষে কাজ শিখে আমি আর দেরি করিনি। নিজের সঞ্চয় আর পরিবারের সাহায্যে ছোট্ট একটা দোকান দিলাম। শুরুর দিকে কাস্টমার কম ছিল, চ্যালেঞ্জও কম ছিল না। কিন্তু iFixFast-এ শেখা দক্ষতা আর সততার সাথে কাজ করে ধীরে ধীরে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করলাম। আজ আমার নিজের একটা মোবাইল সার্ভিসিং দোকান আছে। যে স্বপ্ন একদিন শুধু ভিডিও দেখে দেখতাম, আজ সেটাই বাস্তব। এই যাত্রায় সবচেয়ে বড় শিক্ষা — সঠিক প্রশিক্ষণ আর অধ্যবসায় থাকলে যেকোনো স্বপ্নই পূরণ করা সম্ভব।
আমি আগে থেকে মোবাইল সার্ভিসিং এর সাথে জড়িত ছিলাম। পরবর্তীতে আমার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য IFixFast এর কোর্সে ভর্তি হই।বর্তমানে আমি নিজের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছি।
আমি মো:ওমর চট্টগ্রাম থেকে,এইচ এস সি কমপ্লিট করার পর পড়ালেখার পাশাপাশি নিজেকে দক্ষ হিসাবে গড়ে তুলতে মোবাইল সার্ভিসিং এর কোর্সটা আইফিক্স থেকে বেসিক টু এডভান্স কোর্স কমপ্লিট করি।এই জার্নিতে আমার পিতা-মাতার অবদান সবচেয়ে বেশি। তাদের সাপোর্ট না থাকলে আমার পক্ষে ঢাকায় এসে কাজ শিখা সম্ভব হতো না।কোর্স কমপ্লিট করে আমি আইফিক্সফাস্ট ইন্টার্নশিপ কমপ্লিট করার পর কাজের ও সুযোগ পাই। আমি দীর্ঘদিন আইফিক্সে জব করেছি।বর্তমানে আমি ঢাকার অন্যতম একটি মোবাইল মার্কেটে কর্মরত আছি।আমি আশা রাখি এই সেক্টরে আমার ভবিষ্যতে অনেক সুযোগ তৈরি হবে।নিজেকে একজন দক্ষ এডভান্সড হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার লেভেলের টেকনিশিয়ান হিসেবে পরিচিত হওয়া আমার মূল লক্ষ্য।তবে আমার হাতেখড়ি আইফিক্সফাস্টের হাত ধরেই হয়েছিলো।আমি সকল শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের দেওয়া প্রতিটা নলেজ আমাকে বারে বারে কাজে দেয়।
আমার নাম মোঃ সিয়াম হোসেন। আমি সাভার, আশুলিয়ার নসিমপুর দাদা বাজার এলাকার বাসিন্দা। জীবনের শুরুতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হয়েছে। এক সময় বেকার থাকলেও নিজের পরিশ্রম ও ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করি। মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে দক্ষতা অর্জনের জন্য আমি IFIXFAST Training Center থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি। প্রশিক্ষণ শেষে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মোবাইল সার্ভিসিং ও রিপেয়ারিং বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করি এবং এই পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি। বর্তমানে আমার নিজস্ব একটি মোবাইল সার্ভিসিং ও রিপেয়ারিং দোকান রয়েছে। সেখানে আমি মোবাইলের সফটওয়্যার সমস্যা, হার্ডওয়্যার সমস্যা, ডিসপ্লে পরিবর্তন, চার্জিং সমস্যা, ব্যাটারি সংক্রান্ত সমস্যা এবং অন্যান্য মোবাইল রিপেয়ারিং সেবা প্রদান করে থাকি। গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত সেবা দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য। সততা, দায়িত্বশীলতা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টিকে গুরুত্ব দিয়ে আমি আমার ব্যবসা পরিচালনা করি। ভবিষ্যতে একজন সফল ও দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে আরও এগিয়ে যাওয়া এবং আমার ব্যবসাকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াই আমার লক্ষ্য।
শুরুর দিনগুলো সহজ ছিল না। পকেটে সামান্য কিছু পুঁজি আর মনে বড় স্বপ্নের সাথে একরাশ অনিশ্চয়তা ছিল। প্রথাগত পড়াশোনা শেষ করে যখন চাকরির পেছনে ছুটছিলাম, তখন কোনো সুনির্দিষ্ট পথ পাচ্ছিলাম না। হঠাৎ করেই মাথায় আসে কারিগরি কোনো কাজ শেখার কথা। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত মোবাইল সার্ভিসিং শেখা। এবং তখন আমি Ifix fast training center - এর এড দেখি এবং সেখানে ভর্তি হই । সেখানে অভিজ্ঞ ট্রেইনার দের প্রশিক্ষণে মনোযোগ দিয়ে কাজ শিখি । আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি নিজেকে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছি । এবং আমার পরিবারের মানুষদের মুখেও হাসি ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি।
আমি ফেসুবকে ভিডিও দেখে IFixFast এর মোবাইল সার্ভিসিং এর Basic কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম। তারপর কোর্স শেষ করার পর আমি নিজের একটি প্রতিষ্ঠান দার করাই। বর্তমানে আমি আমার প্রতিষ্ঠানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করি।
আমি ছাত্র থাকা অবস্থায় নিজের পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য একটি ফুড কোর্টের দোকান দেই। সেখানে কাবাব থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের খাবার বিক্রি করতাম। এরই মাঝে আমি মোবাইলে IFixFast এর ফোন সার্ভিসিং এর ভিডিও দেখে এই পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার পরিকল্পনা করলাম। এরপর IFixFast থেকে মোবাইল সার্ভিসিং এর কোর্সটি সম্পর্ণ করেছি। পরবর্তীতে এখানে আমি দীর্ঘ ৬ মাস শিক্ষানবিশ হিসেবে ছিলাম।বর্তমানে আমি IFixFast এ ট্রেইনার হিসেবে কর্মরত রয়েছি।
কোনো কাজ যদি মনের ভেতরের আগ্রহ বা ভালোলাগা থেকে শুরু করা যায়, তবে সেই কাজে সফলতা পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। ঠিক তেমনই, মোবাইল সার্ভিসিংয়ের আধুনিক টেকনোলজি ও সার্কিটের কাজগুলোর প্রতি আমার আগে থেকেই এক ধরনের গভীর আকর্ষণ ও ভালোলাগা ছিল। সেই ভালোলাগাকে শুধুমাত্র শখ হিসেবে না রেখে, প্রফেশনাল ক্যারিয়ার ও ব্যবসায় রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আর আমার এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে আমাকে একজন স্বাবলম্বী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছে iFixFast Mobile Servicing Institute।
স্বপ্নের পেছনে এক অদম্য যাত্রা জীবন সব সময় সোজা পথে চলে না। আমার গল্পটাও সহজ ছিল না। একটা সময় ছিল যখন মোবাইল সার্ভিসিং সেক্টরে নিজেকে দক্ষ ও প্রতিষ্ঠিত করার একটা তীব্র ইচ্ছা আমার মনের ভেতরে বাসা বাঁধে। কিন্তু এই ইচ্ছা আর স্বপ্নের পেছনের পথটা ছিল প্রচুর ত্যাগ, মেহনত আর অধ্যবসায়ে ভরা। এই কাজটা নিখুঁতভাবে শেখার জন্য আমাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। নিজের সব জমানো সঞ্চয়, এমনকী সাধ্যের বাইরে গিয়েও অনেক টাকা খরচ করেছি এই অ্যাডভান্স ট্রেনিং ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি কেনার জন্য। বাসা থেকে দূরে থেকে ট্রেনিং নেওয়ার সময় থাকার সুবিধা খুব একটা সহজ ছিল না, ছিল না কোনো বিলাসিতা। তবুও কাজের প্রতি ব্যাকুলতা আর শিখার আগ্রহের কাছে কোনো কষ্টই বাধা হতে পারেনি। চোখের সামনে ছিল শুধু একটা লক্ষ্য—আমাকে এই প্রযুক্তির জগতে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতেই হবে। আইসি (IC), মাদারবোর্ড, আর সূক্ষ্ম সার্কিটের কাজ করতে করতে দিন-রাত এক করে দিয়েছিলাম। শত বাধা আর প্রতিকূলতার পরও হাল ছাড়িনি। কাজের প্রতি এই একনিষ্ঠতা আর ত্যাগের ফল অবশেষে মিলল। প্রথমে IFixFast Training Center থেকে বেসিক ও অ্যাডভান্স মোবাইল রিপেয়ারিং ট্রেনিং সফলভাবে সম্পন্ন করি। অ্যাডভান্স লেভেলের কাজ যেমন—eMMC UFS repair, iPhone FaceID এবং board swap-এর মতো জটিল কাজগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আয়ত্ত করতে সক্ষম হই। এরপরের সবচেয়ে বড় অর্জন আসে সরকারি স্বীকৃত জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (NSDA) এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে Mobile Phone Servicing, Level-1 ন্যাশনাল স্কিল সার্টিফিকেট অর্জনের মাধ্যমে। আজ যখন হাতের এই সার্টিফিকেট দুটো আর নিজের অর্জিত দক্ষতার দিকে তাকাই, তখন মনে এক অপরিসীম আনন্দ আর তৃপ্তি কাজ করে। পেছনের ত্যাগের দিনগুলো আজ আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। আজ আমি গর্ব করে বলতে পারি—সঠিক লক্ষ্য, চেষ্টা আর সততা থাকলে কোনো বাঁধাই মানুষকে আটকে রাখতে পারে না!
আমি মোবাইল সার্ভিসিং পেশার উপরে ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছিলাম। তারপর আমি IFixFast থেকে মোবাইল সার্ভিসিং রিলেটেড কোর্স সম্পূর্ণ করি। বর্তমানে আমি টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত রয়েছি।
আমি আগে থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি বন্ধুর মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকানে মাঝে মধ্যে বসতাম। সেখান থেকে আমার এই পেশার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। তারপর আমি IFixFast থেকে মোবাইল সাভির্সিং এর Basic কোর্সটি সম্পূর্ণ করি। বর্তমানে আমি টেকনিশিয়ান হিসেবে এই পেশায় কর্মরত রয়েছি।
কাজ ছোট নয়, দক্ষতাই আসল পরিচয় এই বিশ্বাস নিয়েই আমি প্রতিদিন নিজের কাজকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করি।
আমার আগে থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন ছিল। পরবর্তীতে আমি IFixFastএ মোবাইল সার্ভিসিং এর Basic to Advance কোর্সে ভর্তি হই। কোর্সটি সম্পূর্ন করার পর আমাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি।
আমি মধ্যবিত্ত ঘরের একজন সন্তান। আমার পুরো কোর্সটিই নিজের ইনকামের টাকায় কমপ্লিট করতে হয়েছে। অনেক স্ট্রাগল করে নিজের কোর্সের ফি এবং আমার নিজের সংসার ও ফ্যামিলির সমস্ত কিছুর খরচ বহন করা লেগেছে। আমি অনেক কষ্ট করে কোর্স কমপ্লিট করেছি। আমার জীবনের একটি ইচ্ছা ছিল—আমি একদিন অনেক বড় কিছু হব, নিজের যে স্বপ্নটা আছে তা পূরণ করব এবং একজন ভালো টেকনিশিয়ান হব। এর পাশাপাশি যখন আমি iFixFast ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেইনার হওয়ার সুযোগ পেলাম, তখন থেকে নিজেকে আরও বেশি দক্ষ করতে এবং সফলতার পেছনে ছুটতে অনেক চেষ্টা করছি। তো সবকিছুর পরে আজ আমি iFixFast-এর একজন দক্ষ ট্রেইনার।
আসসালামু আলাইকুম, আমার নাম নাইদ আলম সেজান। আমার বাড়ি বামনী কোম্পানীগঞ্জ নোয়াখালী। আমি এসএসসি পরিক্ষা দেওয়ার পর ভাবলাম কিছু হাতের কাজ শিখা দরকার, তারপর হটাৎ আমি একদিন ফেসবুকে ifixfast এর বিজ্ঞাপন দেখি এবং সিদ্ধান্ত নিলাম মোবাইল সার্ভিসিং শিখবো। তারপর আমি ifixfast এর ৩ মাসের কোর্সে করলাম। এবং কোর্স শেষে আলহামদুলিল্লাহ আমার নিজ এলাকায় দোকান দিলাম
আমার নাম মোঃ জুনায়েদ হাসান আমি বর্তমানে EEE ডিপার্টমেন্টে পড়াশোনা করছি আমি এইচএসসি কমপ্লিট করার পর IFixFast থেকে মোবাইল ফোন সার্ভিসিং শিখেছি বর্তমানে আমার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে আমি একজন টেকনিশিয়ান
ক্যারিয়ার নিয়ে যখন চিন্তাভাবনা করছিলাম, তখন পরিবার থেকেই একটি চমৎকার পরামর্শ আসে—"মোবাইল সার্ভিসিং শেখো, কারণ এই কাজটা অত্যন্ত সহজ, পরিচ্ছন্ন (Clean Work) এবং তুলনামূলকভাবে শারীরিক পরিশ্রমও কম। তবে এর চাহিদা প্রচুর এবং আয় করার সম্ভাবনাও দারুণ!" পরিবারের এই বাস্তবিক চিন্তাভাবনা আমার খুব মন ছুঁয়ে যায়। পরিবারের অনুপ্রেরণায় আমিও সিদ্ধান্ত নিই মোবাইল প্রযুক্তি ফিল্ডেই নিজের ভাগ্য গড়ব। আর সেই লক্ষ্যে প্রফেশনাল ট্রেনিং নিতে ভর্তি হয়ে যাই iFixFast Mobile Servicing Institute-এ। আজ আমি একজন সফল প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান! কোর্স শেষে আইফিক্সফাস্ট থেকে অর্জিত দক্ষতা আর পরিবারের দোয়া সাথে নিয়ে সরাসরি কর্মজীবনে প্রবেশ করি। আজ আমি একজন সফল প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান! অত্যন্ত দক্ষতার সাথে জটিল হ্যান্ডসেটগুলো ফিক্স করছি। মাস শেষে ভালো অংকের উপার্জন আর কাজের এই চমৎকার পরিবেশ দেখে পরিবারের সবাই আজ অত্যন্ত খুশি ও তৃপ্ত।
আমার সাকসেসের পেছনে আমার আব্বু আমার গল্পটা হয়তো খুব বড় কোনো সাফল্যের গল্প নয়, কিন্তু আমার কাছে এটা অনেক বড় একটি অর্জন। আমার আব্বু বিদেশে থাকেন। একদিন তিনি iFixFast-এর একটি ভিডিও দেখে আমাকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলেন। তখন আমি মোবাইল সার্ভিসিং সম্পর্কে তেমন কিছুই জানতাম না। শুধু আব্বুর কথা ও বিশ্বাসের ওপর ভরসা করে কোনো কিছু না ভেবেই কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। টানা তিন মাস নিয়মিত ক্লাস করেছি। শুরুতে অনেক কিছুই বুঝতাম না, অনেক কিছু কঠিন মনে হতো। কিন্তু একটা জিনিস সবসময় মনে ছিল—আমার আব্বু আমার ওপর বিশ্বাস করেছেন। সেই বিশ্বাস আমাকে থামতে দেয়নি। তিন মাসের প্রশিক্ষণ শেষ করার পর ধীরে ধীরে বাস্তব কাজের মাধ্যমে শেখার চেষ্টা করতে থাকি। ভুল করেছি, অনেক কিছু শিখেছি, আবার নতুন করে চেষ্টা করেছি। আর আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার নিজের জেলাতেই একটি দোকানে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ করছি। আজ আমি যতটুকু শিখেছি, যতটুকু এগিয়েছি—এর পেছনে আমার নিজের পরিশ্রম অবশ্যই আছে। কিন্তু সেই পথটা আমাকে দেখিয়েছেন আমার আব্বু। আমার জীবনের এই যাত্রার শুরুটা হয়েছিল আব্বুর একটি পরামর্শ থেকে, আর আজ সেই পরামর্শই আমার পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আব্বু বিদেশে থেকে হয়তো আমার পাশে প্রতিদিন থাকতে পারেননি, কিন্তু তাঁর বিশ্বাস, উৎসাহ আর সিদ্ধান্ত আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। আমার সাকসেসের পেছনে আমার আব্বুর অবদান সত্যিই অতুলনীয়। আব্বু, আপনার সেই একটি সিদ্ধান্তের জন্য আমি আজীবন কৃতজ্ঞ। ইনশাআল্লাহ, একদিন আপনার সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে পারব। — আমার গল্পের আসল নায়ক: আমার আব্বু
সবসময় ইচ্ছে ছিল নিজের একটা স্বাধীন পরিচয় থাকবে। অন্যের অধীনে কাজ না করে নিজের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে নিজেই কিছু করব—এই স্বপ্নটাই আমাকে নতুন কিছু ভাবাতে শুরু করে। আজকের ডিজিটাল যুগে মোবাইল ফোনের ওপর মানুষের নির্ভরতা প্রচুর। তাই ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার ও ব্যবসার সুযোগ হিসেব করে মোবাইল সার্ভিসিং সেক্টরকেই আমার জীবনের মোড় ঘোরানোর পথ হিসেবে বেছে নিই। আর আমার এই ব্যবসায়ী হওয়ার স্বপ্নকে শতভাগ সফল করেছে iFixFast Mobile Servicing Institute। আইফিক্সফাস্ট থেকে কোর্সটি সম্পন্ন করে আর এক মুহূর্তও দেরি করিনি। সেখানে অর্জিত দক্ষতা, কাজের ফিনিশিং এবং আত্মবিশ্বাসকে সম্বল করে চালু করি আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপ! আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি নিজের প্রতিষ্ঠানের একজন সফল শপ ওনার ও দক্ষ টেকনিশিয়ান!
আমার স্বপ্ন ছিল আমি ইঞ্জিনিয়ারিং হব কিন্তু আমি কোন কাজে ছোট মনে করিনি হঠাৎ করে আইফিক্স ফাস্ট এর অ্যাড দেখে মনে হলো মোবাইল সার্ভিসিং কাজটা শিখি তারপরে ভালোভাবে শিখে মনে করলাম এটাই পারফেক্ট একটি কাজ তাই এই কাজটাই বেছে নিলাম এরকম ট্রেনিং সেন্টার মনে হয় আর নাই আই সিক্স ফার্স্ট টি বেস্ট
সবসময় বিশ্বাস করতাম—এমন কোনো পেশা বেছে নেওয়া উচিত, যেখানে কাজ করার প্রতিটি মুহূর্তে ভালোলাগা আর উৎসাহ কাজ করে। প্রযুক্তি ও মোবাইল ফোনের প্রতি ভালোবাসা থেকে এই সার্ভিসিং ফিল্ডটি আমার মন ছুয়ে গিয়েছিল। তবে শুধু ভালোলাগা থাকলেই প্রফেশনাল হওয়া যায় না; প্রয়োজন হয় সঠিক প্রশিক্ষণ ও নিখুঁত দক্ষতার। সেই ভালোবাসাকে বাস্তব রূপ দিয়ে আমাকে দক্ষ টেকনিশিয়ান বানিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে iFixFast Mobile Servicing Institute। আজ প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে আত্মবিশ্বাসের সাথে ক্যারিয়ার গড়েছি! প্রতিদিন যখন জটিল কোনো নষ্ট ফোন আমার টেবিলে আসে, আর আমি তা নিখুঁতভাবে সচল করে কাস্টমারের হাতে তুলে দিই—তখন যে তৃপ্তি আর আনন্দ পাই, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। নিজের পছন্দের পেশায় কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার অনুভূতিটাই আলাদা!
ছোটবেলা থেকেই যেকোনো ইলেকট্রনিক্স জিনিস দেখলে আমার আলাদা একটা আকর্ষণ কাজ করত। কোনো একটা সার্কিট বা যন্ত্র ভাঙা পেলে খুলে দেখা, ভেতরে কী আছে তা বোঝার চেষ্টা করা—এসবের প্রতি কৌতূহল ছিল সবসময়। বড় হওয়ার পর বুঝতে পারলাম, আমার এই শখ আর আগ্রহটাকেই প্রফেশনাল ক্যারিয়ারে রূপ দেওয়া সম্ভব। স্মার্টফোনের এই যুগে সার্ভিসিং ফিল্ডকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। তবে ছোটবেলার কৌতূহল আর প্রফেশনাল সার্ভিসিংয়ের মধ্যে অনেক তফাৎ! আর সেই গ্যাপটা পূরণ করতেই আমি যুক্ত হই iFixFast Mobile Servicing Institute-এর সাথে। আজ একটি স্বনামধন্য সার্ভিস আউটলেটে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। ছোটবেলায় যে ইলেকট্রনিক্স পার্টসগুলো নিয়ে কৌতুহল হতো, আজ সেগুলোর জটিল জটিল সমস্যা অনায়াসে ফিক্স করে কাস্টমারদের হাসিমুখ দেখতে পাই। চাকরির দুশ্চিন্তা না করে নিজের পছন্দের ফিল্ডেই আজ আমি সম্পূর্ণ স্বাবলম্বী।
একসময় অনলাইনে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের ভিডিওগুলো দেখতাম। ভিডিওতে যখনই দেখতাম নিখুঁতভাবে মাদারবোর্ডের কাজ করা হচ্ছে, ভেতর থেকে একটা তীব্র আগ্রহ জন্মাতো—"আমিও কি পারব?" তবে ভিডিও দেখে কনসেপ্ট পরিষ্কার করা গেলেও, একজন প্রফেশনাল হওয়া যে সম্ভব নয়, সেটা দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলাম। সেই অদম্য আগ্রহকে প্রফেশনাল রূপ দিতে আমি বেছে নিই iFixFast Mobile Servicing Institute। আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি নিজের দোকানের মালিক। অনলাইনে ভিডিওতে যা দেখতাম, আজ তা নিজের হাতে নিখুঁতভাবে করছি। প্রতিদিন শত শত কাস্টমার আমার দোকানে আসেন এবং তাদের শখের ফোনগুলোর জটিল সমস্যা সমাধান করে তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারি। নিজের উপার্জনে সাবলম্বী হওয়ার তৃপ্তি এবং নিজের শপ পরিচালনার স্বাধীনতা—সব মিলিয়ে আমি আজ দারুণ সুখী।
জীবনের প্রতিটি সফলতার পেছনে থাকে শেখার, ভুল করার আর আবার উঠে দাঁড়ানোর একটি গল্প। আমার মোবাইল সার্ভিসিং শেখার যাত্রাটাও শুরু হয়েছিল iFixFast থেকে। এখানে শুধু মোবাইল মেরামত শেখানো হয়নি—শিখেছি ধৈর্য, দায়িত্ববোধ, সমস্যার কারণ খুঁজে বের করা এবং একটি কাজকে নিখুঁতভাবে করার মানসিকতা। প্রথমদিকে ছোট ছোট কাজও কঠিন মনে হতো। কখনো ভুল হয়েছে, কখনো কোনো সমস্যার সমাধান করতে অনেক সময় লেগেছে। কিন্তু প্রতিটি ভুল আমাকে নতুন কিছু শিখিয়েছে। ধীরে ধীরে হাতে এসেছে দক্ষতা, আর মনে তৈরি হয়েছে আত্মবিশ্বাস। আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি—iFixFast আমার জন্য শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, আমার মোবাইল সার্ভিসিং ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শেখার জায়গা। যারা আমাকে শিখিয়েছেন, গাইড করেছেন এবং প্রতিটি ধাপে উৎসাহ দিয়েছেন—সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
আমি সবসময় বিশ্বাস করতাম, হাতে যদি আন্তর্জাতিক মানের কোনো প্রফেশনাল স্কিল থাকে, তবে ক্যারিয়ার নিয়ে কখনো হতাশ হতে হয় না। বর্তমানে স্মার্টফোন যেহেতু মানুষের জীবনের সবচেয়ে জরুরি বস্তু, তাই এই সেক্টরে নিজের জায়গা করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আর আমার এই ভিন্নধর্মী যাত্রাকে সফলতার শিখরে পৌঁছে দিয়েছে iFixFast Mobile Servicing Institute। আজ আমি একটি স্বনামধন্য মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারে দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। যেসব কঠিন ফোনগুলো অন্যান্য জায়গা থেকে ফেরত আসে, সেগুলো যখন আমি আমার টেবিলে নিখুঁতভাবে সচল করি, তখন সহকর্মী ও কাস্টমার সবার চোখেই এক অদ্ভুত প্রশংসার দৃষ্টি দেখতে পাই। টেকনিশিয়ান হিসেবে এই সম্মান আর স্বাবলম্বী হওয়ার আনন্দটাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি!
পড়াশোনা বা সাধারণ চাকরির পেছনে সময় নষ্ট না করে আমি চেয়েছিলাম এমন একটি প্রফেশনাল স্কিল অর্জন করতে, যার মাধ্যমে স্বাধীনভাবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা যায়। বর্তমান টেকনোলজি নির্ভর যুগে মোবাইল সার্ভিসিং ছিল আমার প্রথম পছন্দ। আর আমার এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে আমাকে একজন স্বাবলম্বী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছে iFixFast Mobile Servicing Institute। আইফিক্সফাস্ট থেকে অর্জিত অদম্য দক্ষতা, প্র্যাকটিক্যাল নলেজ এবং আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে খুব অল্প সময়েই চালু করি আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপ! আজ আমি নিজের শপেই একজন সফল শপ ওনার ও প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে সেবা দিয়ে যাচ্ছি
হাতে একটি আধুনিক টেকনিক্যাল স্কিল থাকলে যে ক্যারিয়ার নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করতে হয় না—এই সত্যটা উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম অনেক আগেই। সেই কারণে নিজের ক্যারিয়ারকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে বেছে নিই মোবাইল সার্ভিসিং সেক্টর। আর আমার এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে সেরা ভূমিকা রেখেছে iFixFast Mobile Servicing Institute। আজ আমি নিজের প্রতিষ্ঠানেই একজন সফল শপ ওনার ও প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। প্রতিদিন নানা ব্র্যান্ডের জটিল ও ক্রিটিক্যাল হ্যান্ডসেট অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রিপেয়ার করছি। কাস্টমারদের নষ্ট ফোনগুলো যখন সচল করে তাদের হাতে তুলে দিই, তখন তাদের সন্তুষ্টি আর প্রশংসা দেখে মনটা ভরে যায়। নিজের দোকানে স্বাধীনভাবে কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার আনন্দই আলাদা!
বর্তমান সময়ে শুধু একটি সার্টিফিকেটের পেছনে না ছুটে, এমন একটি টেকনিক্যাল স্কিল অর্জন করা জরুরি—যার চাহিদা কখনোই শেষ হবে না। সেই ভাবনা থেকেই ডিজিটাল যুগের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ক্ষেত্র মোবাইল সার্ভিসিং সেক্টরে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নিই। আর আমার এই যাত্রাকে সহজ ও প্রফেশনাল রূপ দিয়েছে iFixFast Mobile Servicing Institute।কোর্স সফলভাবে শেষ করে আইফিক্সফাস্ট থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে সরাসরি প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করি।
পড়াশোনা বা অন্য হাজারটা চিন্তার মাঝে সবসময় ইচ্ছা ছিল—এমন কিছু শিখব যা কখনো পুরোনো হবে না, যার চাহিদা প্রতিদিন বাড়বে। সেই চিন্তা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নিই। আর আমার এই জার্নিকে সফল করতে সঠিক পথ দেখিয়েছিল iFixFast Mobile Servicing Institute। পড়াশোনা বা অন্য হাজারটা চিন্তার মাঝে সবসময় ইচ্ছা ছিল—এমন কিছু শিখব যা কখনো পুরোনো হবে না, যার চাহিদা প্রতিদিন বাড়বে। সেই চিন্তা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নিই। আর আমার এই জার্নিকে সফল করতে সঠিক পথ দেখিয়েছিল iFixFast Mobile Servicing Institute। আজ আমি একটি স্বনামধন্য মোবাইল সার্ভিসিং আউটলেটে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। প্রতিদিন নানা ব্র্যান্ডের জটিল জটিল সমস্যাযুক্ত ফোন নিখুঁতভাবে ফিক্স করছি। কাস্টমাররা যখন আমার কাজের ফিনিশিং দেখে খুশি মনে ধন্যবাদ দেন, তখন একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে সত্যি গর্ববোধ হয়। আইফিক্সফাস্টের এই স্কিলই আজ আমাকে নিজের উপার্জনে সাবলম্বী হওয়ার শক্তি দিয়েছে!
আমি কোর্সে ভর্তি হওয়ার আগে বেকার ছিলাম। আমার কেরিয়ার নিয়ে চিন্তিত ছিলাম।এরই মধ্যে আমি একদিন বাসায় বসে ফেসবুক স্ক্রল করতেছিলাম হঠাৎ করে আমার সামনে এর একটি ভিডিও চোখে পড়ল। ভিডিওটি দেখে তখন আমার ভালো লাগলো তারপর আমি এর পেজটি ভিজিট করলাম অনেকগুলো ভিডিও দেখলাম। এবং এই কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য আগ্রহী হলাম । এরপর আমি তাদের অফিসে যোগাযোগ করে কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম। তারপর থেকে আমাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে আমি টেকনিশিয়ান হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি।
আমাকে দিয়ে কি সত্যিই ভালো কিছু করা সম্ভব?" আমিও একসময় এমন দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম। তবে একটা কথা পরিষ্কার বুঝেছিলাম, মুখের কথায় নয়, কাজের দক্ষতা দিয়েই নিজের পথ নিজেকে তৈরি করে নিতে হয়। যেহেতু বর্তমান যুগে স্মার্টফোন ছাড়া আমাদের একদিনও চলে না, তাই এই টেকনিক্যাল ফিল্ডে নিজেকে দক্ষ করার সিদ্ধান্ত নিই। আর আমার এই জার্নির সবচেয়ে বড় ভরসার নাম ছিল iFixFast Mobile Servicing Institute। আইফিক্সফাস্টের অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের সিদ্ধান্ত নিই এবং চালু করি আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপ! আজ আমি নিজের শপেই একজন প্রফেশনাল মোবাইল সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। প্রতিদিন নানা ব্র্যান্ডের জটিল জটিল সমস্যাযুক্ত ফোন নিখুঁতভাবে সার্ভিসিং করছি। যখন কাস্টমাররা আমার দোকানের সার্ভিসের ফিনিশিং দেখে খুশি মনে ধন্যবাদ দেন, তখন টেকনিশিয়ান হিসেবে সত্যি গর্ববোধ হয়। নিজের অর্জিত স্কিল আর নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে সাবলম্বী হওয়ার তৃপ্তিটাই আলাদা!
জীবনের সবচেয়ে সেরা সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক সময়ে সঠিক একটি স্কিল শেখা। আর তার চেয়েও বড় ভাগ্য হলো, যে প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শিখেছি, আজ সেই প্রতিষ্ঠানের একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি| মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি একটা তীব্র আগ্রহ ছিল, কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাব অনুভব করছিলাম। ঠিক তখনই ভর্তি হই iFixFast Mobile Servicing Institute-এ। সেখানকার প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব, আধুনিক সরঞ্জাম আর মেন্টরদের নিখুঁত শেখানোর পদ্ধতি আমাকে খুব অল্প সময়েই দক্ষ করে তোলে। মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস থেকে শুরু করে ডেড ফোন রিকভারি—কঠিন কঠিন কাজগুলো খুব সহজভাবে আয়ত্তে চলে আসে।
মোবাইল ফোন যেহেতু সবার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাই সিদ্ধান্ত নিলাম এই সেক্টরেই নিজেকে সেরা করে গড়ে তুলব। আর সেই লক্ষ্যে আমার জীবনের সেরা টার্নিং পয়েন্ট ছিল iFixFast Mobile Servicing Institute-এ ভর্তি হওয়া। আইফিক্সফাস্ট থেকে শেখা প্র্যাকটিক্যাল নলেজ আর টেকনিক্যাল গাইডলাইনকে কাজে লাগিয়ে দেরি না করে সরাসরি প্রফেশনাল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করি। শুরুর দিন থেকেই সততা আর আইফিক্সফাস্টে শেখা নিখুঁত ফিনিশিং দিয়ে সার্ভিস দেওয়া শুরু করি। আজ আলহামদুলিল্লাহ, প্রতিদিন শত শত জটিল ফোনের ট্রাবলশুটিং ও প্রবলেম ফিক্স অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করছি এবং কাস্টমারদের ভালোবাসা ও ভরসা পাচ্ছি। নিজের অর্জিত স্কিল দিয়ে আজ আমি একজন স্বাবলম্বী ও সফল টেকনিশিয়ান!
স্বপ্ন শুধু বিদেশে যাওয়ার নয়, নিজের যোগ্যতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। ছোটবেলা থেকেই আমার একটি স্বপ্ন ছিল—দেশের বাইরে গিয়ে কোনো সাধারণ কাজের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে, নিজের একটি বিশেষ দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। সেই স্বপ্ন পূরণের পথেই আমি মোবাইল ফোন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার রিপেয়ারিং-এর ওপর প্রশিক্ষণ নিচ্ছি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, বিদেশে গিয়ে শুধু একটি চাকরি করাই লক্ষ্য নয়—নিজের দক্ষতা, পরিশ্রম ও যোগ্যতার মাধ্যমে নিজের একটি পরিচয় তৈরি করাই আসল সফলতা। বর্তমানে আমি এখনও বাংলাদেশেই আছি। প্রতিদিন চেষ্টা করছি নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে, নতুন কিছু শিখতে এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে। ইনশাআল্লাহ, একদিন এই শেখা দক্ষতাই হবে আমার শক্তি। একদিন দেশের বাইরে গিয়ে নিজের যোগ্যতায় ভালো কিছু করার চেষ্টা করব। পথটা হয়তো সহজ হবে না, কিন্তু স্বপ্নটা বড়। পরিশ্রম থাকবে, ধৈর্য থাকবে, শেখার ইচ্ছা থাকবে— আর সবচেয়ে বড় কথা, আল্লাহর ওপর বিশ্বাস থাকবে। স্বপ্নটা শুধু বিদেশে যাওয়া নয়— বিদেশের মাটিতে নিজের দক্ষতা দিয়ে নিজের একটি পরিচয় তৈরি করা। ইনশাআল্লাহ, একদিন সফলতার গল্পটা আমিও লিখব।
মিরপুরে বাসা, কিন্তু প্রতিদিন কাজে যাই উত্তরার রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সে—"IFixFast Mobile Service"-এ। আমি নিলয় চন্দ্র বৈমিক, কুমিল্লার ছেলে, ঢাকায় এসে নিজের একটা জায়গা তৈরি করার চেষ্টায় আছি। মিরপুর থেকে উত্তরা পর্যন্ত দৈনিক যাতায়াতটা মোটেও সহজ না, কিন্তু IFixFast Training Center-এ যখন ২০২৫ সালের ৪ঠা মার্চ বেসিক কোর্সে ভর্তি হই, তখন এই কষ্টটা মেনে নিতে অসুবিধা হয়নি। কারণ জানতাম, এই সময়টা বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতে তার ফল পাবো। প্রশিক্ষণের প্রতিটা দিন নতুন কিছু শেখার ছিল—কখনো একটা মাদারবোর্ডের সমস্যা ধরতে শিখেছি, কখনো শিখেছি গ্রাহকের সাথে কীভাবে কথা বলতে হয়। কোর্স শেষ করার পর সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় ছিল, যেখানে প্রশিক্ষণ নিয়েছি সেই একই প্রতিষ্ঠান "IFixFast Mobile Service"-এই টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজের সুযোগ পাই। এখন প্রতিদিন মিরপুর থেকে উত্তরা যাওয়া-আসার পথটা আর ক্লান্তিকর মনে হয় না, বরং মনে হয় প্রতিদিন একটা নতুন সুযোগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। শেখা প্রতিষ্ঠানেই কাজ করার এই অভিজ্ঞতাটা আমাকে প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দেয়—নিজের এলাকা থেকে দূরে এসেও একটা সম্মানজনক পরিচয় গড়ে তোলা যায়।
একটা সময় ছিল যখন ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কী করব, কোন দিকে যাব—কিছুই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অনেকেই পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পেছনে ছোটেন, কিন্তু আমার মাথায় শুরু থেকেই একটা চিন্তা ছিল—আমি অন্যের অধীনে চাকরি করব না, নিজের স্বাধীন কিছু একটা দাঁড় করাব! নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এই ভাবনা থেকেই সিদ্ধান্ত নিই এমন একটি প্র্যাকটিক্যাল স্কিল শেখার, যার চাহিদা কখনো কমবে না। সেই চিন্তা থেকেই ভর্তি হই iFixFast Mobile Servicing Institute-এ।কোর্স শেষ করার পর আইফিক্সফাস্ট থেকে যে আত্মবিশ্বাস আর পারফেক্ট স্কিল পেয়েছিলাম, তা দিয়েই সোজা নিজের পথে হাঁটা শুরু করি। চাকরির আবেদন না করে, নিজের অর্জিত দক্ষতাকে পুঁজি করে চালু করি আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপ!
জীবনের সবচেয়ে সেরা সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক সময়ে সঠিক একটি স্কিল শেখা। আর তার চেয়েও বড় ভাগ্য হলো, যে প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শিখেছি, আজ সেই প্রতিষ্ঠানের একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি| মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি একটা তীব্র আগ্রহ ছিল, কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাব অনুভব করছিলাম। ঠিক তখনই ভর্তি হই iFixFast Mobile Servicing Institute-এ। সেখানকার প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব, আধুনিক সরঞ্জাম আর মেন্টরদের নিখুঁত শেখানোর পদ্ধতি আমাকে খুব অল্প সময়েই দক্ষ করে তোলে। মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস থেকে শুরু করে ডেড ফোন রিকভারি—কঠিন কঠিন কাজগুলো খুব সহজভাবে আয়ত্তে চলে আসে।
ছোটবেলায় ভাইয়ের দোকানে আসা-যাওয়া করার সুবাদে সবসময় দেখতাম নষ্ট ফোনগুলো কীভাবে খোলা হয়, কীভাবে ছোট ছোট যন্ত্রাংশ ফিক্স করা হয়। মাঝে মাঝে ভাইয়ের পাশে বসে কাজগুলো দেখতাম, আর সেখান থেকেই আস্তে আস্তে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি এক গভীর আগ্রহ জন্মে। আগ্রহকে এক শক্ত দক্ষতায় রূপ দিতে ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Mobile Servicing Institute-এ। কোর্স শেষ করে অর্জিত দক্ষতা আর ভাইয়ের দোকান থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রেখে সিদ্ধান্ত নিই নিজের কিছু করার। আর সেই সাহসেই আজ তৈরি হয়েছে আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপ! আজ যখন আমার নিজের দোকানে কাস্টমাররা ভরসা করে তাদের শখের ফোনগুলো দিয়ে যান এবং আমি তা নিখুঁতভাবে সার্ভিসিং করে তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারি—তখন পেছনের সব কষ্ট সার্থক মনে হয়।
আমতলা মানিকদীর "Mobile Fix Point" দোকানে ঢুকলে কাউন্টারের পেছনে আমাকে পাবেন। আমি সোহেল রানা দেদার, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ছেলে, এই দোকানেই এখন কাজ করি। ছোটবেলা থেকে হাতের কাজে একটা আলাদা টান ছিল আমার—কিছু ভাঙলে সেটা কীভাবে ঠিক করা যায়, এই চিন্তাটাই মাথায় ঘুরতো সবসময়। বড় হয়ে যখন কাজের খোঁজে বের হলাম, বুঝলাম শুধু ইচ্ছা থাকলেই হয় না, সার্টিফাইড দক্ষতাও দরকার। তাই ২০২৫ সালের ৪ঠা মার্চ বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যাই। সাড়ে চার মাসের এই সময়টায় প্রতিটা ক্লাসে কিছু না কিছু নতুন শিখেছি—কখনো সহজ কোনো সমস্যার সমাধান, কখনো জটিল কোনো কৌশল। ১৩ই জুলাই কোর্স শেষ করার পরপরই সুযোগ পেয়ে যাই মানিকদী আমতলার "Mobile Fix Point"-এ কাজ করার। প্রথম দিন যখন দোকানে ঢুকলাম, একটু নার্ভাস লাগছিল—পারবো তো ঠিকমতো কাজ করতে? কিন্তু এখন প্রতিদিন যখন কারো হাতের ফোনটা মেরামত করে দিই, আর তারা খুশি মনে বিদায় নেন, তখন বুঝি—এই কাজটাই আমার জন্য সঠিক জায়গা। নিজের এলাকায় থেকে, নিজের হাতের কাজে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করাটাই এখন আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
জীবনের সবচেয়ে সেরা সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক সময়ে সঠিক একটি স্কিল শেখা। আর তার চেয়েও বড় ভাগ্য হলো, যে প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শিখেছি, আজ সেই প্রতিষ্ঠানের একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি| মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি একটা তীব্র আগ্রহ ছিল, কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাব অনুভব করছিলাম। ঠিক তখনই ভর্তি হই iFixFast Mobile Servicing Institute-এ। সেখানকার প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব, আধুনিক সরঞ্জাম আর মেন্টরদের নিখুঁত শেখানোর পদ্ধতি আমাকে খুব অল্প সময়েই দক্ষ করে তোলে। মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস থেকে শুরু করে ডেড ফোন রিকভারি—কঠিন কঠিন কাজগুলো খুব সহজভাবে আয়ত্তে চলে আসে।
আমি Hsc পরিক্ষা শেষ করে একটা Handskill কাজ শেখার চিন্তা করি তারপরে Mobile servicing এর কাজ বেচে নেই । এর পরে ঢাকায় এসে এক বড় ভাই এর পরামর্শে IFIXFAST Training Center এ ভর্তি হই।এখানে কাজ শিখে আমি আমার গ্রামে একটা দোকান Job নি । এখন আলহামদুলিল্লাহ আমি নিজে কাজ করে ভালোই টাকা ইনকাম করি ।
একটা সময় ছিল যখন ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কী করব, কোন দিকে যাব—কিছুই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অনেকেই পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পেছনে ছোটেন, কিন্তু আমার মাথায় শুরু থেকেই একটা চিন্তা ছিল—আমি অন্যের অধীনে চাকরি করব না, নিজের স্বাধীন কিছু একটা দাঁড় করাব! নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এই ভাবনা থেকেই সিদ্ধান্ত নিই এমন একটি প্র্যাকটিক্যাল স্কিল শেখার, যার চাহিদা কখনো কমবে না। সেই চিন্তা থেকেই ভর্তি হই iFixFast Mobile Servicing Institute-এ।কোর্স শেষ করার পর আইফিক্সফাস্ট থেকে যে আত্মবিশ্বাস আর পারফেক্ট স্কিল পেয়েছিলাম, তা দিয়েই সোজা নিজের পথে হাঁটা শুরু করি। চাকরির আবেদন না করে, নিজের অর্জিত দক্ষতাকে পুঁজি করে চালু করি আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপ!
জীবনের সবচেয়ে সেরা সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক সময়ে সঠিক একটি স্কিল শেখা। আর তার চেয়েও বড় ভাগ্য হলো, যে প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শিখেছি, আজ সেই প্রতিষ্ঠানের একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি| মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি একটা তীব্র আগ্রহ ছিল, কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাব অনুভব করছিলাম। ঠিক তখনই ভর্তি হই iFixFast Mobile Servicing Institute-এ। সেখানকার প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব, আধুনিক সরঞ্জাম আর মেন্টরদের নিখুঁত শেখানোর পদ্ধতি আমাকে খুব অল্প সময়েই দক্ষ করে তোলে। মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস থেকে শুরু করে ডেড ফোন রিকভারি—কঠিন কঠিন কাজগুলো খুব সহজভাবে আয়ত্তে চলে আসে।
শরীয়তপুরের সিধল কুড়ায় "SAID TELECOM" খুলে বসার আগে আমার একটা অন্যরকম দ্বিধা কাজ করতো—নিজের এলাকায় এতদিন যাদের চিনি, তাদের সামনেই কি ব্যবসাটা দাঁড় করাতে পারবো? আমি এমডি আবু সাঈদ, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই আজকের এই জায়গায় এসে পৌঁছেছি। ২০২৫ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি বেসিক কোর্সে ভর্তি হওয়ার সময় মাথায় একটাই লক্ষ্য ছিল—শুধু কাজ শেখা না, বরং এমনভাবে শেখা যেন নিজের এলাকার মানুষ আমার উপর ভরসা করতে পারে। তিন মাসের এই সময়টায় প্রতিটা ক্লাসে যেন নিজের সাথেই একটা প্রতিযোগিতা করেছি—আজ কতটা ভালো বুঝলাম, কতটা নিজের হাতে করে দেখাতে পারলাম। ১০ই মে কোর্স শেষ হওয়ার পরপরই সিধল কুড়ায় নিজের দোকান খুলে বসলাম। শুরুর সেই দ্বিধাটা এখনো মনে আছে, কিন্তু প্রথম যেদিন এলাকার একজন পরিচিত মানুষ তার ফোন ঠিক করাতে এসে সন্তুষ্ট হয়ে বললেন, "বাহ, সাঈদ তো ভালোই শিখেছো!"—সেদিন বুঝলাম, আমি সঠিক পথেই আছি। আজ SAID TELECOM এলাকায় একটা পরিচিত নাম। আর আমি প্রতিদিন প্রমাণ করছি, নিজের চেনা মানুষদের মাঝেও নতুন একটা পরিচয় গড়ে তোলা যায়—শুধু দরকার সঠিক দক্ষতা আর একটু সাহস।
আমার পথচলার গল্প HSC শেষ করে যখন বেকার ঘুরছিলাম, কাজ খুঁজছিলাম। অনেক জায়গায় চেষ্টা করেও ভালো কোনো চাকরি পাচ্ছিলাম না। কিন্তু আমার একটা কাজ খুব দরকার ছিল। ঠিক সেই সময় Facebook-এ হঠাৎ মোবাইল সার্ভিসিং নিয়ে একটা ভিডিও চোখে পড়ল। ভিডিওটা দেখার পর মনে হলো, আমিও যদি মোবাইল সার্ভিসিং শিখি, তাহলে হয়তো নিজের একটা পথ তৈরি করতে পারব। তারপর আর দেরি না করে iFixFast-এ ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং শেখা শুরু করলাম। শুরুটা সহজ ছিল না, অনেক কিছু নতুন করে শিখতে হয়েছে। কিন্তু চেষ্টা আর পরিশ্রম করতে করতে আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি অনেক ভালো আছি এবং নিজের কাজ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারছি। আলহামদুলিল্লাহ, একটা Facebook ভিডিও থেকেই আমার জীবনের নতুন একটা পথের শুরু হয়েছিল।
আমার পথচলার গল্প HSC শেষ করে যখন বেকার ঘুরছিলাম, কাজ খুঁজছিলাম। অনেক জায়গায় চেষ্টা করেও ভালো কোনো চাকরি পাচ্ছিলাম না। কিন্তু আমার একটা কাজ খুব দরকার ছিল। ঠিক সেই সময় Facebook-এ হঠাৎ মোবাইল সার্ভিসিং নিয়ে একটা ভিডিও চোখে পড়ল। ভিডিওটা দেখার পর মনে হলো, আমিও যদি মোবাইল সার্ভিসিং শিখি, তাহলে হয়তো নিজের একটা পথ তৈরি করতে পারব। তারপর আর দেরি না করে iFixFast-এ ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং শেখা শুরু করলাম। শুরুটা সহজ ছিল না, অনেক কিছু নতুন করে শিখতে হয়েছে। কিন্তু চেষ্টা আর পরিশ্রম করতে করতে আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি অনেক ভালো আছি এবং নিজের কাজ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারছি। আলহামদুলিল্লাহ, একটা Facebook ভিডিও থেকেই আমার জীবনের নতুন একটা পথের শুরু হয়েছিল। ❤️
আমার পথচলার গল্প HSC শেষ করে যখন বেকার ঘুরছিলাম, কাজ খুঁজছিলাম। অনেক জায়গায় চেষ্টা করেও ভালো কোনো চাকরি পাচ্ছিলাম না। কিন্তু আমার একটা কাজ খুব দরকার ছিল। ঠিক সেই সময় Facebook-এ হঠাৎ মোবাইল সার্ভিসিং নিয়ে একটা ভিডিও চোখে পড়ল। ভিডিওটা দেখার পর মনে হলো, আমিও যদি মোবাইল সার্ভিসিং শিখি, তাহলে হয়তো নিজের একটা পথ তৈরি করতে পারব। তারপর আর দেরি না করে iFixFast-এ ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং শেখা শুরু করলাম। শুরুটা সহজ ছিল না, অনেক কিছু নতুন করে শিখতে হয়েছে। কিন্তু চেষ্টা আর পরিশ্রম করতে করতে আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি অনেক ভালো আছি এবং নিজের কাজ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারছি। আলহামদুলিল্লাহ, একটা Facebook ভিডিও থেকেই আমার জীবনের নতুন একটা পথের শুরু হয়েছিল। ❤️
আমার জীবন সংগ্রামের গল্প আমি আমার ফ্যামিলির দায়িত্ব নিয়েছি সেই শৈশবে আমি ২০১৬ সাল থেকে একটি মার্কেটিং জুতার শরুমে জব করতাম। কিন্তু আমি যেই স্যালারি পেতাম সেটা দিয়ে পরিবারের সব খরচ চালানো আমার জন্য অনেক কষ্টসাধ্য ছিল। তাই আমি সব সময় ডিপ্রেশনে থাকতাম। লাইফে কি করবো কিভাবে ফ্যামেলি চালাবো এসব নিয়ে। তারপর অনলাইনে অনেক ঘাটাঘাটি করলাম কিভাবে অল্প সময়ের মধ্যে নিজেকে সাক্সেস করা জায়। সেখানে অনেক ধরনের কাজের ভিডিও আসলো। তার মধ্যে মোবাইল সার্ভিসিং পেশাটা আমার পছন্দ হলো। কিন্তু ইলেকট্রনিক কাজের প্রতি আমার কখনো কোনো আগ্রহ ছিলো না। তারপরে ও আমি মোবাইল সার্ভিসিং নিয়ে অনেক কিছু জানাতে থাকি। তারপর একটা সময় ডিসিশন নিয়ে ফেলি যে আমি মোবাইল সার্ভিসিং শিখবো। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিলো সাপোর্ট। আমাকে পেছন থেকে সাপোর্ট করার মতো কেউই ছিলো না। তারপরেও আমি থেমে যাইনি আমি আমার এক প্রভাসি ফ্রেন্ড সমতুল্য বড় ভাইয়ের কাছ থেকে প্রায় একলক্ষ্য চল্লিশ হাজার টাকা ধার নেই। তারপর একদিন Ifixfast ট্রেনিং সেন্টারের করপোরেট অফিসে এসে কথা বলি এবং তাদের ১৭ তম ব্যাচে ভর্তি হই। তারপর দীর্ঘ ৮ মাস Ifixfast ট্রেনিং সেন্টার থেকে ট্রেনিং শেষ করে। নিজের জিবনের নতুন পথচলা শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ আজ আমি অনেকটা সাক্সেস। আপনাদের দোয়ায় প্রতি মাসে ৪০- ৫০ হাজার টাকা ইনকাম করি। এবং পরিবার নিয়ে অনেক ভালো আছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আসসালামু আলাইকুম।
আমি তৌফিক ওমর জেলা মুন্সীগঞ্জ থানা গজারিয়া। আমি অনেক দিন দরে বেকার ছিলাম হঠাৎ আমি ফেইসবুকে আইফিক্সড এর এড দেখে মোবাইল সার্ভিসিং শিখার আগ্রহ বাড়লো। আমি আইফিক্সড ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে গেলাম। আর এখন এ পেশায় দক্ষ হয়ে এ পেশায় যুক্ত আছি।
আমার পথচলার গল্প HSC শেষ করে যখন বেকার ঘুরছিলাম, কাজ খুঁজছিলাম। অনেক জায়গায় চেষ্টা করেও ভালো কোনো চাকরি পাচ্ছিলাম না। কিন্তু আমার একটা কাজ খুব দরকার ছিল। ঠিক সেই সময় Facebook-এ হঠাৎ মোবাইল সার্ভিসিং নিয়ে একটা ভিডিও চোখে পড়ল। ভিডিওটা দেখার পর মনে হলো, আমিও যদি মোবাইল সার্ভিসিং শিখি, তাহলে হয়তো নিজের একটা পথ তৈরি করতে পারব। তারপর আর দেরি না করে iFixFast-এ ভর্তি হয়ে মোবাইল সার্ভিসিং শেখা শুরু করলাম। শুরুটা সহজ ছিল না, অনেক কিছু নতুন করে শিখতে হয়েছে। কিন্তু চেষ্টা আর পরিশ্রম করতে করতে আজ আলহামদুলিল্লাহ, আমি অনেক ভালো আছি এবং নিজের কাজ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারছি। আলহামদুলিল্লাহ, একটা Facebook ভিডিও থেকেই আমার জীবনের নতুন একটা পথের শুরু হয়েছিল। ❤️
আমি বেকার ছিলাম। আমার বাসা থেকে বলছিলো কোনো একটা কাজ শেখার জন্য। তখন আমি মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ শেখার প্লান করি। তারপর আমি ফেসবুকে ভিডিও দেখি IFixFast এ কোর্স করানো হয়। আমি এখান থেকে কোর্স শেষ করি। বর্তমানে আমি টেকনিশিয়ান হিসেবে জব করতেছি।
ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক্স আর মোবাইল ফোনের ভেতরের দুনিয়াটার প্রতি আমার অদ্ভুত এক আকর্ষণ ছিল। ফোন খুলতে কেমন লাগে, ভেতরটা কীভাবে কাজ করে—এসব জানার আগ্রহটা বড় হওয়ার সাথে সাথে আরও গাঢ় হয়। স্বপ্ন ছিল একদিন নিজেকে একজন বড় টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলব। আর আমার সেই ছোটবেলার স্বপ্নকে বাস্তবের রূপ দিয়েছে IFixFast Training Institute! প্যাশন থাকলেও প্রফেশনাল কাজের কৌশলগুলো আমার জানা ছিল না। আইফিক্সফাস্টে ভর্তি হওয়ার পর তাদের অ্যাডভান্সড ল্যাব এবং মেন্টরদের সঠিক দিকনির্দেশনায় নিখুঁতভাবে মাদারবোর্ড ট্রাবলশুটিং, আইসি রিপ্লেসমেন্ট এবং সার্কিট ডায়াগনসিস শিখতে পারি। ছোটবেলার সেই আগ্রহটা সেখানে এসে একটি পাওয়ারফুল প্রফেশনাল স্কিলে পরিণত হয়। নিজের অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাস যখন শতভাগ পাকা হলো, তখন সিদ্ধান্ত নিই ছোটবেলার স্বপ্নটাকে আরও বড় রূপ দেওয়ার। সেই সাহসেই চালু করি আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিং শপ!
আইফিক্সফাস্টের আধুনিক ল্যাব এবং মেন্টরদের শেখানোর কৌশল ছিল অসাধারণ। মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট রিডিং, ফল্ট ফাইন্ডিং এবং নিখুঁতভাবে মাইক্রো-সোোল্ডারিংয়ের কাজগুলো খুব সাবলীলভাবে শিখিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে শুধু কাজই শেখানো হয়নি, একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাস্টমারের কাছে কীভাবে ট্রাস্ট তৈরি করতে হয়—সেটির ওপরও আলাদা গাইডলাইন পাই। কোর্স সম্পন্ন করার পরপরই আমার প্র্যাকটিক্যাল পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে একটি স্বনামধন্য মোবাইল সার্ভিসিং টিমে মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিই। আজ প্রতিদিন অ্যাপল, স্যামসাং কিংবা অন্যান্য যেকোনো ব্র্যান্ডের জটিল সমস্যার ফোন খুব কনফিডেন্সের সাথে রিপেয়ার করি। কাস্টমাররা যখন হাসিমুখে সার্ভিস নিয়ে ধন্যবাদ জানান, তখন কাজের আসল তৃপ্তিটা পাই। মাস শেষে ভালো একটি হ্যান্ডসাম স্যালারি নিয়ে স্বাবলম্বী জীবন যাপন করছি।
আইফিক্সফাস্টে যোগ দেওয়ার পর বুঝলাম—কাজ শেখা আর প্রফেশনালি কাজ করার মধ্যে কতটা পার্থক্য! সেখানকার হ্যান্ডস-অন প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস, আধুনিক ল্যাব টেস্ট এবং অভিজ্ঞ ইন্সট্রাক্টরদের টিপস অ্যান্ড ট্রিকস আমাকে একজন সাধারণ লার্নার থেকে কনফিডেন্ট টেকনিশিয়ানে পরিণত করে। ফোন কিসের জন্য ডেড হলো, মাদারবোর্ডে সমস্যা নাকি আইসিতে—এসব খুব সহজেই ট্রেস করা শিখে যাই কোর্স শেষ করে প্র্যাকটিক্যাল স্কিল টেস্টে উত্তীর্ণ হয়ে একটি নামীদামী মোবাইল সার্ভিসিং আউটলেটে সিনিয়র সার্ভিস টেকনিশিয়ান হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করি। আজ আমি সততা আর দক্ষতার সাথে প্রতিদিন শত শত ক্লায়েন্টের ফোন ফিক্স করছি। ভালো স্যালারি, কাজের সুন্দর পরিবেশ আর সবচেয়ে বড় কথা—সবাই যখন কাজের প্রশংসা করে, তখন গর্বে বুকটা ভরে যায়!
আমি হৃদয় সিংহ, নড়াইলের ছেলে। বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পর মনে একটাই স্বপ্ন বাসা বেঁধেছিল—বিদেশে যাবো, নিজের জন্য একটা ভালো ভবিষ্যৎ গড়বো। কিন্তু শুধু স্বপ্ন দেখলেই তো হয় না, বাস্তবে সেটার জন্য প্রস্তুতিও লাগে। তখন মনে হলো, দেশের বাইরে যখন যাবোই, তাহলে হাতে একটা টেকনিক্যাল কাজ শিখে নেওয়া দরকার—যেটা ওখানে গিয়ে সত্যিকারের কাজে লাগবে। এই চিন্তা থেকেই একদিন মোবাইলে ঘাঁটাঘাঁটি করতে করতে চোখে পড়লো IFixFast-এর একটা ভিডিও। মোবাইল সার্ভিসিং জিনিসটা তখন আমার কাছে পুরোপুরি নতুন, তবুও কেন জানি মনে হলো—এটাই হতে পারে আমার সেই টেকনিক্যাল স্কিল। দেরি না করে যোগাযোগ করলাম, আর ২০২৪ সালের ১০ই জুন ভর্তি হয়ে গেলাম বেসিক কোর্সে। শুরুর দিনগুলো ছিল একদম নতুন এক জগতে পা রাখার মতো অনুভূতি। মোবাইলের যন্ত্রাংশ, সমস্যা নির্ণয়, মেরামতের কৌশল—সবকিছু শিখতে শিখতে কখন যে বেসিক পেরিয়ে অ্যাডভান্স পর্যায়ে পৌঁছে গেলাম, নিজেই টের পাইনি। প্রতিটা দিন শেষে মনে হতো, গতকালের চেয়ে আজ একটু বেশি দক্ষ হয়ে উঠেছি। ২৮শে ডিসেম্বর যখন কোর্স সম্পূর্ণ করলাম, ভেবেছিলাম হয়তো এখানেই এই অধ্যায়ের শেষ। কিন্তু জীবন আমার জন্য অন্য কিছু সাজিয়ে রেখেছিল। কোর্স শেষ হতেই IFixFast কর্তৃপক্ষ প্রস্তাব দিলেন ট্রেইনার পদে যোগ দেওয়ার জন্য। এই মুহূর্তটা আমার জীবনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তগুলোর একটা ছিল—যে জায়গায় আমি একদিন ছাত্র হয়ে পা রেখেছিলাম, সেই একই জায়গায় আজ আমি দাঁড়িয়ে আছি একজন শিক্ষক হয়ে। বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে যে যাত্রা শুরু করেছিলাম, সেটা আমাকে একেবারে ভিন্ন এক পথে নিয়ে এসেছে—যেখানে আমি নিজে শিখেছি, আর এখন প্রতিদিন অন্যদের শেখাচ্ছি। ক্লাসে নতুন শিক্ষার্থীদের চোখে যখন সেই একই উৎসাহ দেখি, যা একদিন আমার চোখেও ছিল, তখন মনে হয়—জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তিগুলো অনেক সময় লুকিয়ে থাকে সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গায়।
আমি কৌশিক তরফদার জেলা, বাগেরহাট উপজেলা, চিতলমারী মোবাইল সার্ভিসিং আসলে আমার কোন ইচ্ছা ছিল না । চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পরে। কি করব একটা দ্বিধায় ভুগছিলাম। পরবর্তী সময় ভাবলাম আমার এডুকেশন ব্যাকগ্রাউন্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরবর্তী সময় চিন্তা করলাম এই সেক্টরের আমার জন্য বেস্ট ।তাই আর এদিক-ওদিক না তাকিয়ে আই ফিক্স ফাস্ট এ বেসিক কোর্সে ভর্তি হলাম এবং সুনামের সঙ্গে সার্টিফিকেট নিয়ে বের হলাম এবং কর্মজীবনে প্রবেশ করলাম । এখন আমি কমিশনে হাফিজ টেলিকমে আমি এডভান্স লেভেলের IC কাজ করছি ধন্যবাদ আই ফিক্স ফাস্ট ধন্যবাদ আমাদের ট্রেইনার যাদের নাম না বললেই হবে না হৃদয় স্যার, বাপ্পি স্যার, মাহাদী স্যার, টিপু স্যার তাদের কথা সারা জীবন মনে থাকবে ধন্যবাদ।
মোহাম্মদপুরে থাকি, কিন্তু প্রতিদিন কাজে যাই হাতিরপুলের মোতালেব প্লাজায়—"Apple Point"-এ। আমি মোঃ ইয়ামিন, নোয়াখালীর ছেলে। ঢাকায় এসে প্রথম প্রথম সবকিছু নতুন লাগতো, পরিচিত মানুষ কম, কিন্তু নিজের একটা লক্ষ্য ছিল—কিছু একটা শিখে দাঁড়াতে হবে। ২০২৪ সালের ৬ই জুন যখন বেসিক কোর্সে ভর্তি হই, তখন মোবাইল ডিভাইস নিয়ে তেমন কোনো ধারণাই ছিল না আমার। প্রথম কয়েক ক্লাসে টুলস চেনা, যন্ত্রাংশ চেনা—এসব শিখতে শিখতেই সময় চলে যেতো। কিন্তু ধীরে ধীরে হাত পাকতে থাকে, আত্মবিশ্বাসও বাড়তে থাকে। প্রায় তিন মাস প্রশিক্ষণ নিয়ে ২রা অক্টোবর কোর্স শেষ করি। এরপর সুযোগ পাই মোতালেব প্লাজার "Apple Point"-এ টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার। নোয়াখালী থেকে ঢাকায় এসে একটা পরিচিত জায়গায় নিজের কাজের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারাটা আমার কাছে অনেক বড় একটা অর্জন। এখন প্রতিদিন কাজ শেষে যখন বাসায় ফিরি, নিজেকে বলি—দূরের শহরে এসে হলেও একটা সম্মানজনক পরিচয় গড়ে তুলতে পেরেছি, এটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় সন্তুষ্টি।
চৌদ্দগ্রামের ছোট্ট বাজারে "Mobile Repair Service"-এর সাইনবোর্ডটা হয়তো খুব বড় না, কিন্তু এই দোকানের ভেতরে বসে আমি প্রতিদিন যে কাজ করি, তাতে আমার একটা আলাদা তৃপ্তি আছে। আমি আবুল হাসনাত, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ছেলে। স্কুলজীবন থেকেই মোবাইল ফোন খুলে ভেতরটা দেখার একটা কৌতূহল ছিল আমার—কীভাবে এত ছোট একটা যন্ত্রের ভেতরে এত কিছু কাজ করে। সেই কৌতূহল থেকেই ২০২৪ সালের ৫ই এপ্রিল বেসিক কোর্সে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। প্রথমদিকে থিওরি বুঝতে একটু কষ্ট হলেও, হাতে-কলমে কাজ শুরু করার পর সবকিছু সহজ হয়ে আসতে থাকে। ২৫শে জুলাই কোর্স শেষ করার পর নিজের এলাকাতেই একটা দোকানে টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিই। এখন প্রতিদিন বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ফোন আসে আমার হাতে—কখনো সহজ, কখনো জটিল। প্রতিটা সমাধান করার সময় মনে হয়, আমার সেই ছোটবেলার কৌতূহলটাই আজ আমার পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চৌদ্দগ্রামের মানুষ এখন আমাকে চেনে একজন নির্ভরযোগ্য টেকনিশিয়ান হিসেবে। এই পরিচয়টাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে "Khokon Telecom" বললে এখন এলাকার মানুষ চোখ বন্ধ করে ঠিকানা বলে দিতে পারে। আমি খোকন মিয়া, এই দোকানটা আমার হাতে গড়া। ব্যবসা শুরুর আগে অনেক রাত জেগে ভেবেছি—শুধু মোবাইল বিক্রি করলেই হবে, নাকি সার্ভিসিংটাও শিখে নিলে ব্যবসাটা আরও শক্ত হবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই ২০২৪ সালের ৫ই এপ্রিল বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রথম কয়েক সপ্তাহ হাতেকলমে কাজ করতে গিয়ে বুঝলাম, এতদিন যা ভাবতাম আর বাস্তবতা—দুটো একদম আলাদা জিনিস। প্রায় সাড়ে তিন মাস পরিশ্রম করে ২৫শে জুলাই কোর্স শেষ করি। এরপর যখন নিজের দোকানে ফিরে আসি, তখন আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল নিজেকে—এখন শুধু বিক্রেতা না, প্রয়োজনে নিজেই একটা সমস্যার সমাধান করে দিতে পারি। আজ মধুপুরের মানুষ যখন ফোন নিয়ে সমস্যায় পড়ে, প্রথমেই মনে করে আমার দোকানের কথা। এই বিশ্বাসটাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন। ব্যবসাটা এখন শুধু একটা দোকান না, এটা এলাকার মানুষের ভরসার একটা জায়গা হয়ে উঠেছে।
সঠিক দিকনির্দেশনার খোঁজে থাকা অবস্থায় একদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় i Fix Fast-এর একটি ভিডিও চোখে পড়ে। তাদের কাজ শেখানোর চমৎকার মাধ্যম ও টেকনিক্যাল দক্ষতা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করি। এরপর i Fix Fast-এ ভর্তি হয়ে নিখুঁতভাবে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কোর্স শুরু করি। সেখানে কঠোর অনুশীলন ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের সহযোগিতায় আধুনিক সব টেকনিক্যাল বিষয় আয়ত্ত করি। কোর্স সম্পন্ন করার পর আমার ভেতরের আত্মবিশ্বাস ও কাজের দক্ষতা অনেক গুণ বেড়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ, কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে আজ আমি একজন সফল টেকনিশিয়ান।
নরসিংদী সদরের ইনডেক্স প্লাজায় "Mobile Do" নামের দোকানটায় ঢুকলে আমাকে পাবেন কাউন্টারের পেছনে, হাতে স্ক্রু ড্রাইভার। আমি হারুনর রশিদ রবিন। মানুষ যখন প্যানিক করে বলে "ভাই, ফোনটা একদম বন্ধ হয়ে গেছে, জরুরি দরকার", তখন সেই সমস্যাটা সমাধান করাই আমার কাজ। ২০২৪ সালের ১০ই নভেম্বর যখন বেসিক কোর্সে ভর্তি হই, তখন নিজের মধ্যেই একটা সংশয় ছিল—পারবো তো ঠিকমতো শিখতে? প্রতিটা সপ্তাহে নতুন নতুন সমস্যা, নতুন নতুন সমাধান শিখতে শিখতে সেই সংশয়টা কেটে যেতে থাকে। ২০২৫ সালের ১০ই মার্চ কোর্স শেষ করার দিনটা আজও মনে আছে—মনে হয়েছিল, এবার আমি প্রস্তুত। প্রশিক্ষণ শেষ করেই ইনডেক্স প্লাজার "Mobile Do"-তে টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিই। এখন প্রতিদিন নানারকম মানুষ আসে, নানারকম সমস্যা নিয়ে—কারো স্ক্রিন ভাঙা, কারো চার্জিং পোর্ট নষ্ট, কারো ডেটা হারিয়ে যাওয়ার আতঙ্ক। প্রতিটা কাজ শেষে যখন গ্রাহক স্বস্তির হাসি দিয়ে দোকান থেকে বের হন, তখন বুঝি—এই কাজটাই আমার জন্য। চাকরি করলেও আমি এখানে প্রতিদিন কিছু না কিছু নতুন শিখি। আর এই শেখাটাই আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
আমার নাম আতাউর রহমান। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার বাসিন্দা। আমি একজন পরিশ্রমী ও লক্ষ্যভিত্তিক মানুষ, যিনি নিজের দক্ষতা দিয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চান। আমি “Iflxfast” নামের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে মোবাইল ফোন সার্ভিসিং-এর উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছি। আমি ১৭ নম্বর ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী ছিলাম। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমি মোবাইল ফোনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সমস্যার সমাধান করতে শিখেছি, যা আমার পেশাগত জীবনের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। বর্তমানে আমি “ইয়াশা টেলিকম” নামে একটি মোবাইল ফোন সার্ভিসিং দোকানে কাজ করছি। এখানে আমি গ্রাহকদের বিভিন্ন মোবাইল সমস্যার সমাধান করে থাকি এবং প্রতিদিন নতুন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করছি। আমার কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা আমাকে আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে নিচ্ছে। আমার ভবিষ্যৎ স্বপ্ন হলো নিজের একটি মোবাইল ফোন সার্ভিসিং শপ প্রতিষ্ঠা করা। আমি বিশ্বাস করি, পরিশ্রম, ধৈর্য এবং সঠিক দক্ষতা থাকলে এই লক্ষ্য একদিন অবশ্যই অর্জন করতে পারবো। এই হলো আমার পরিচিতি—একজন স্বপ্নবান ও পরিশ্রমী তরুণের এগিয়ে যাওয়ার গল্প।
আমি IFixFast থেকে কোর্স সম্পুর্ন করি । তারপর এখানে টেকনিশিয়ান পদে চাকরিতে যোগদান করি। বর্তমানে আমি IFixFast এর উত্তরা আউটলেটে কর্মরত রয়েছি।
"কলেজ জীবন শেষ করার পর চারপাশের পরিস্থিতিটা হঠাৎ করেই বদলে গিয়েছিল। বন্ধুদের কেউ উচ্চশিক্ষার জন্য ছুটছে, কেউ চাকরির পেছনে। আর আমার কপালে তখন জুটেছিল এক অদৃশ্য তকমা—‘বেকার’। প্রতিদিনের অনিশ্চয়তা, পরিবারের নীরব প্রত্যাশা আর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা—সব মিলিয়ে সময়টা ছিল ভীষণ কঠিন। শুধু একটা সাধারণ চাকরির অপেক্ষায় বসে না থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম নিজের হাতকে কর্মক্ষম করার, নিজে কিছু একটা শেখার। স্মার্টফোনের এই যুগে চারপাশের মোবাইল সার্ভিসিংয়ের চাহিদা দেখে ভাবলাম, ""যদি কারিগরি দক্ষতা অর্জন করতে পারি, তবে কখনোই বেকার থাকতে হবে না।"" সেই চিন্তা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া।"
জীবনের সবচেয়ে সেরা সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক সময়ে সঠিক একটি স্কিল শেখা। আর তার চেয়েও বড় ভাগ্য হলো, যে প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শিখেছি, আজ সেই প্রতিষ্ঠানের একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি| মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি একটা তীব্র আগ্রহ ছিল, কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাব অনুভব করছিলাম। ঠিক তখনই ভর্তি হই iFixFast Training Institute-এ। সেখানকার প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব, আধুনিক সরঞ্জাম আর মেন্টরদের নিখুঁত শেখানোর পদ্ধতি আমাকে খুব অল্প সময়েই দক্ষ করে তোলে। মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস থেকে শুরু করে ডেড ফোন রিকভারি—কঠিন কঠিন কাজগুলো খুব সহজভাবে আয়ত্তে চলে আসে। কোর্স চলাকালীন আমার কাজের প্রতি নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং ফিনিশিং দেখে আইফিক্সফাস্ট কর্তৃপক্ষ আমার ওপর আস্থা রাখেন। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর তারা আমাকে iFixFast-এই প্রফেশনাল মোবাইল সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজের সুযোগ করে দেন
জীবনের সবচেয়ে সেরা সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক সময়ে সঠিক একটি স্কিল শেখা। আর তার চেয়েও বড় ভাগ্য হলো, যে প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শিখেছি, আজ সেই প্রতিষ্ঠানের একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি| মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রতি একটা তীব্র আগ্রহ ছিল, কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাব অনুভব করছিলাম। ঠিক তখনই ভর্তি হই iFixFast Mobile Servicing Institute-এ। সেখানকার প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব, আধুনিক সরঞ্জাম আর মেন্টরদের নিখুঁত শেখানোর পদ্ধতি আমাকে খুব অল্প সময়েই দক্ষ করে তোলে। মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস থেকে শুরু করে ডেড ফোন রিকভারি—কঠিন কঠিন কাজগুলো খুব সহজভাবে আয়ত্তে চলে আসে। কোর্স চলাকালীন আমার কাজের প্রতি নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং ফিনিশিং দেখে আইফিক্সফাস্ট কর্তৃপক্ষ আমার ওপর আস্থা রাখেন। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর তারা আমাকে iFixFast-এই প্রফেশনাল মোবাইল সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজের সুযোগ করে দেন!
চাকরির পেছনে ছুটতে ছুটতে যখন হতাশ, তখন বুঝতে পারলাম শুধু গতানুগতিক পড়াশোনা দিয়ে নয়, বর্তমান যুগে সম্মানের সাথে টিকে থাকতে হলে একটি বাস্তবমুখী স্কিল বা কারিগরি দক্ষতা প্রয়োজন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সিদ্ধান্ত নিলাম মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মতো একটি ডিমান্ডিং পেশা বেছে নেওয়ার। আর এই যাত্রায় আমার সবচেয়ে বড় ভরসার জায়গা ছিল iFixFast Mobile Servicing Institute। সেখানে ভর্তি হওয়াটা ছিল আমার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। কোর্স শেষ করার পরপরই আমাকে আর কাজের জন্য বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। iFixFast থেকে পাওয়া নিখুঁত দক্ষতা আর আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে আমি সরাসরি একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে মোবাইল সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান হিসেবে জয়েন করি। আজ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে প্রতিদিন অসংখ্য ফোনের জটিল সব প্রবলেম ফিক্স করছি, ভালো স্যালারি পাচ্ছি এবং প্রফেশনালি শতভাগ স্বাধীন!
চাকরির পেছনে না ছুটে সবসময় চেয়েছিলাম নিজের কোনো ব্যবসা দাঁড় করাতে। কিন্তু দরকার ছিল সঠিক দক্ষতা আর নির্ভরযোগ্য দিকনির্দেশনা। সেই পথটাই আমাকে সহজ করে দিয়েছে iFixFast Mobile Servicing Institute। কোর্স শেষেই নিজের সার্ভিসিং শপ চালু করি। আইফিক্সফাস্টে শেখা নিখুঁত কাজ এবং প্রফেশনাল অ্যাটিটিউডের কারণে খুব অল্প সময়েই কাস্টমারদের ভালোবাসা ও ভরসা জিততে পেরেছি।
মোবাইল সার্ভিসিং সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা থেকেই ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Mobile Servicing Institute-এ। আইফিক্সফাস্টে শুধু থিওরি নয়, হাতে-কলমে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের খুঁটিনাটি শেখানো হয়। অ্যাডভান্স লেভেলের মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস থেকে শুরু করে ডেড ফোন রিকভারি—সবকিছুই অত্যন্ত সহজভাবে শিখিয়েছেন মেন্টররা। কোর্স শেষে প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞান আর আত্মবিশ্বাসকে সম্বল করে সিদ্ধান্ত নিই নিজস্ব একটা সার্ভিসিং শপ চালু করার। আইফিক্সফাস্ট থেকে পাওয়া সঠিক গাইডলাইনের কারণে শপ চালানো এবং কাস্টমার হ্যান্ডেল করা আমার জন্য অনেক সহজ হয়ে যায়। আজ আমার শপে প্রতিদিন অসংখ্য কাস্টমার বিশ্বস্ততার সাথে ফোন সার্ভিস করাতে আসেন। নিজের উপার্জনে সাবলম্বী হয়ে আজ আমি নিজের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানে বসেই কাজ করছি।
ifixfast ভর্তি হওয়ার পর অভিজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টরদের তত্ত্বাবধানে বেসিক থেকে শুরু করে আধুনিক অ্যাডভান্স লেভেলের মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস, ফুল সার্কিট ও হাফ সার্কিট ট্রাবলশুটিং এবং কাজের সঠিক কৌশল খুব সহজে শিখতে পারি। শুধু কাজের দক্ষতাই নয়, একজন কাস্টমারকে কীভাবে সার্ভিস দিতে হয় এবং কাজের মান ধরে রাখতে হয়—সেই দিকনির্দেশনাও পাই এখান থেকে। কোর্স সম্পন্ন করার পর নিজের ভেতর যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল, তা থেকেই সাহস করে একটি মোবাইল সার্ভিসিং শপ চালু করি। শুরুর দিকে কিছুটা ভয় থাকলেও কাজের সঠিক টেকনিক ও নিখুঁত ফিনিশিংয়ের কারণে খুব দ্রুতই কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হই। আজ আল্লাহর রহমতে আমার নিজস্ব একটি রানিং শপ আছে। প্রতিদিন সফলভাবে একের পর এক ক্রুটিযুক্ত ফোন সার্ভিসিং করছি এবং নিজের সার্ভিসিং সেন্টার থেকে ভালো একটি উপার্জন করে সম্পূর্ণ স্বাবলম্বী।
আমার বড় ভাই আমাকে একটা সঠিক পথ খুঁজে দিয়েছেন। নিজের উদ্যোগে আমাকে ভর্তি করে দেন iFixFast (আইফিক্সফাস্ট) মোবাইল সার্ভিসিং ইনস্টিটিউটে। iFixFast-এর চমৎকার গাইডলাইন, প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং আর আমার নিজের নিরলস চেষ্টার ফল আজ আমি হাতে-নাতে পাচ্ছি। আজ আমি একজন স্বাবলম্বী ও সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান! যে হাত দুটো একসময় বেকার বসে থাকত, আজ সেই হাত দিয়েই প্রতিদিন জটিল সব স্মার্টফোনের সমস্যা সমাধান করছি। নিজের উপার্জনে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি, সমাজে নিজের একটি পরিচয় তৈরি করতে পেরেছি
স্বপ্ন শুধু বিদেশে যাওয়ার নয়, নিজের যোগ্যতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। ছোটবেলা থেকেই আমার একটি স্বপ্ন ছিল—দেশের বাইরে গিয়ে কোনো সাধারণ কাজের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে, নিজের একটি বিশেষ দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। সেই স্বপ্ন পূরণের পথেই আমি মোবাইল ফোন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার রিপেয়ারিং-এর ওপর প্রশিক্ষণ নিচ্ছি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, বিদেশে গিয়ে শুধু একটি চাকরি করাই লক্ষ্য নয়—নিজের দক্ষতা, পরিশ্রম ও যোগ্যতার মাধ্যমে নিজের একটি পরিচয় তৈরি করাই আসল সফলতা। বর্তমানে আমি এখনও বাংলাদেশেই আছি। প্রতিদিন চেষ্টা করছি নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে, নতুন কিছু শিখতে এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে। ইনশাআল্লাহ, একদিন এই শেখা দক্ষতাই হবে আমার শক্তি। একদিন দেশের বাইরে গিয়ে নিজের যোগ্যতায় ভালো কিছু করার চেষ্টা করব। পথটা হয়তো সহজ হবে না, কিন্তু স্বপ্নটা বড়। পরিশ্রম থাকবে, ধৈর্য থাকবে, শেখার ইচ্ছা থাকবে— আর সবচেয়ে বড় কথা, আল্লাহর ওপর বিশ্বাস থাকবে। স্বপ্নটা শুধু বিদেশে যাওয়া নয়— বিদেশের মাটিতে নিজের দক্ষতা দিয়ে নিজের একটি পরিচয় তৈরি করা। ইনশাআল্লাহ, একদিন সফলতার গল্পটা আমিও লিখব।
অনেক অপমান, অনেক ব্যর্থতা, অনেক রাত জেগে আজ এই পর্যন্ত এসেছি। মোবাইল সার্ভিসিং শুধু পেশা নয়, এটা আমার পরিশ্রমের গল্প।
জীবনের গতিপথ বদলে যাওয়ার জন্য কখনো কখনো একটি সঠিক পরামর্শই যথেষ্ট। ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন চিন্তায় দিন কাটছিল, তখন বন্ধুর মুখে একদিন শুনলাম iFixFast Training Institute-এর কথা, যেখানে অত্যন্ত যত্নের সাথে মোবাইল সার্ভিসিং শেখানো হয় একদম হাতে-কলমে। বন্ধুর সেই কথাটিই আমার মনে আশার আলো জ্বালিয়ে দিয়েছিল। ভর্তি তো হয়ে গেলাম, কিন্তু প্রথম দিকে মনে ভীষণ ভয় কাজ করত। স্মার্টফোনের অতি সূক্ষ্ম আর ছোট ছোট পার্টস নিয়ে কাজ করা একেবারেই সহজ ছিল না। মনে হতো—আমি কি সত্যিই এসব জটিল কাজ নিখুঁতভাবে শিখতে পারব? তবে সেই ভয় বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। আইফিক্স ফাস্টের দক্ষ ট্রেইনারদের আন্তরিক সহযোগিতা ও বন্ধুসুলভ গাইডলাইনে ধীরে ধীরে আমার ভেতরের ভয় কাটতে শুরু করল। ল্যাবে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে করতে অত্যন্ত সহজে শিখে ফেললাম ডিসপ্লে পরিবর্তন, ব্যাটারি রিপ্লেসমেন্ট, চার্জিং পোর্টের জটিল সমস্যা সমাধান এবং মাদারবোর্ডের সার্কিট লেভেলের কাজ। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর অর্জিত সেই হাতকলমে শেখা বিদ্যাকে পুঁজি করে সরাসরি যুক্ত হলাম একটি প্রতিষ্ঠানে। আজ আমি সেখানে অত্যন্ত সুনামের সাথে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান (Technician) হিসেবে কাজ করছি। যে কাজের ছোট ছোট পার্টস দেখে একদিন ভয় পেতাম, আজ সেই কাজগুলোই আমার হাতের ছোঁয়ায় অনায়াসে সমাধান হয়ে যায়। টেবিলে আসা নষ্ট ফোনগুলো সচল করে কাস্টমারদের মুখে হাসি ফোটাতে পারা এবং নিজের অর্জিত যোগ্যতায় স্বাবলম্বী হতে পারার আনন্দই আলাদা
আমি আগে একটা মার্কেটিং জব করতাম বেতন পেতাম ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার ভিতরে পরিশ্রম ও অনেক পরে চিন্তা করে দেখলাম এটাতে আমার ভবিষ্যৎ অন্ধকার তাই সিদ্ধান্ত নিলাম কি করা যায় পরবর্তী মাথায় আসে মোবাইলে কাজ শিখব পরে বেশ কয়েক জায়গা যোগাযোগ করার পরে কয়েকজনের পরামর্শ আইফিক্স পাস্ট ভর্তি হওয়ার জন্য পরে দেরি না করে আমি ভর্তি হলাম আইফিক্সফাস্ট ওইখান থেকে তিন মাসের কোস শেষ করে এখন আমি আইফিক্সফাস্ট কোম্পানিতে জব করতেছি আলহামদুলিল্লাহ আগের থেকে অনেক ভালো আছি।
আমি শপন আহমেদ, ঢাকার কেরানীগঞ্জের খোলামোড়া জিয়ানগর এলাকায় আমার দোকান "Infinity mobile repair shop"। দোকানের নামটা রাখার পেছনে একটা কারণ আছে—আমি বিশ্বাস করি, শেখার কোনো শেষ নেই, সুযোগেরও কোনো সীমানা নেই। ২০২৪ সালের ৪ঠা জুন যখন বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের প্রশিক্ষণে ভর্তি হই, তখন আমার লক্ষ্য ছিল শুধু কাজ শেখা না, বরং এমন একটা ভিত্তি তৈরি করা যেখান থেকে ভবিষ্যতে যেকোনো দিকে এগোনো যায়। প্রায় সাত মাস ধরে চললো এই যাত্রা, ২০২৫ সালের ৫ই জানুয়ারি এসে শেষ হলো কোর্সটা। প্রশিক্ষণ চলাকালীনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কারো অধীনে চাকরি না করে নিজেই কিছু একটা দাঁড় করাবো। তাই কোর্স শেষ হতে না হতেই কেরানীগঞ্জের নিজের এলাকায় খুলে বসলাম "Infinity"। শুরুর দিনগুলোয় গ্রাহক কম ছিল, পুঁজিও ছিল সীমিত, কিন্তু কাজের প্রতি সততা আর প্রশিক্ষণে শেখা দক্ষতা দিয়ে আস্তে আস্তে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করলাম। আজ আমি নিজের দোকানের মালিক, নিজের সিদ্ধান্তে নিজের পথ চলি। "Infinity" নামটা যেমন সীমাহীনতার প্রতীক, ঠিক তেমনি আমার এই যাত্রাও এখনো থামেনি—সামনে আরও এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি প্রতিদিন।
ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কখনো কখনো খুব কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে যখন মাথায় "কাজের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই" এই দুশ্চিন্তাটা ঘুরপাক খায়, তখন সঠিক পথ খুঁজে পাওয়া আরও কঠিন মনে হয়। ঠিক কী করা উচিত, কীভাবে ক্যারিয়ার শুরু করা উচিত—তা নিয়ে প্রবল দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্য দিয়েই যাচ্ছিল দিনগুলো। তবে বসে না থেকে নিজের একটি শক্ত পরিচয় তৈরির উদ্দেশ্যে শেষ পর্যন্ত পা রাখলাম iFixFast Training Institute-এ। অভিজ্ঞতার শূন্যতা পূরণ করে নিজেকে যোগ্য করে তোলার লক্ষ্য নিয়েই IFixFast Training Institute যুক্ত হওয়া। সেখানে এসে শেখার ধরণটাই পুরোপুরি বদলে গেল। ইন্সট্রাক্টরদের সুনির্দিষ্ট গাইডলাইনে একে একে আয়ত্ত করতে লাগলাম মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জটিল সব টেকনিক্যাল বিষয়। প্রতিদিন ল্যাবে প্র্যাকটিক্যালি কাজ করার ফলে ডিভাইসগুলোর প্রতিটি সূক্ষ্ম পার্টস, সেগুলোর কার্যপ্রণালী, বর্তমান বাজারদর এবং গুণগত মান সম্পর্কে অত্যন্ত মজবুত ও বাস্তব এক ধারণা তৈরি হয়ে গেল। এই টেকনিক্যাল জ্ঞান আমাকে শুধু একজন দক্ষ টেকনিশিয়ানই বানায়নি, বরং সাধারণ যেকোনো বিক্রয়কর্মী বা পণ্যের তথ্য প্রকাশকদের চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। কোর্স সম্পন্ন করার পর সেই গভীর অভিজ্ঞতা ও কারিগরি বিদ্যাকে সম্বল করে পা রাখলাম কর্মক্ষেত্রে। আজ স্মার্টফোনের মান যাচাই, পার্টসের সঠিক মূল্যায়ন কিংবা জটিল সমস্যা শনাক্তকরণ—সবখানেই আমার এই বাস্তব অভিজ্ঞতা দারুণভাবে কাজে আসছে। অভিজ্ঞতা ছিল না ঠিকই, কিন্তু সঠিক সময়ে iFixFast-এ শেখার যে সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলাম, সেটিই আজকের এই প্রফেশনাল সফলতা ও আত্মবিশ্বাসের মূল চাবিকাঠি
তখন ২০২৩ সাল। এইচএসসি পাশ করি। পড়ালেখায় তেমন একটা মনোযোগী ছিলাম না, পড়ালেখা ভালো লাগত না। তখন আমার মা-বাবা এবং পরিবারের সবাই খুব চিন্তায় ছিল—আমার ভবিষ্যৎ কী হবে? আমি ভবিষ্যতে কিছু করতে পারব কি না—এটা নিয়ে তাঁরা দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলেন। তখন ভাবলাম, কী করব? কিছুই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তখন আমার বড় ভাই আমাকে পরামর্শ দিলেন, “মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শিখতে পারিস।” তখন আমি মা-বাবাকে জানালাম, আমি মোবাইল সার্ভিসিং শিখতে চাই। আমার প্রতি তাঁদের একদমই কনফিডেন্স ছিল না যে আমি পারব। কিন্তু আমার বড় ভাইয়ের আমার প্রতি বিশ্বাস ছিল। তখন আমার বড় ভাই তাঁদের বুঝিয়ে বললেন, “ও পারবে।” এরপর আমি খোঁজখবর নিতে শুরু করলাম, কোথা থেকে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শিখতে পারি। অতঃপর ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে একটি অ্যাড সামনে এলো—iFix Fast-এর। তারপর তাঁদের পেজে টেক্সট দিলাম। তাঁদের সঙ্গে কন্টাক্ট করে ২৮/১০/২০২৪ তারিখে ঢাকায় চলে গেলাম। আমি এর আগে কখনো বাড়ির বাইরে থাকিনি। তাই পরিবারের সবার মনে হয়েছিল, আমি এতদিন ঢাকায় থেকে থাকতে পারব কি না। এমনকি আমার মামা আমার বড় ভাইকে বলেছিলেন, “ও এক সপ্তাহের বেশি থাকতে পারবে না।” তখন আমার বড় ভাই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন, “ও পারবে।” আমিও মনে সাহস রাখলাম এবং মন স্থির করলাম—আমাকে পারতেই হবে। তারপর টানা সাত মাস ঢাকায় থেকে আমার কাজ সম্পূর্ণ করি। সেখানে তিন মাসের কোর্স করলাম। এরপর আরও চার মাস এক্সট্রা থেকে প্রোপারলি কাজ শেখার জন্য সময় দিলাম। আমার লক্ষ্য ছিল, আমার মা-বাবার আমার প্রতি যে ভুল ধারণা ছিল, সেটা ভেঙে দেওয়া। আমার কাজের প্রতি মনোযোগ, আগ্রহ ও পরিশ্রম দেখে একসময় আমার মামারও ভুল ধারণা ভেঙে গেল। তিনি বুঝতে পারলেন, আমি সত্যিই কিছু করতে চাই এবং আমার কাজের প্রতি আমি যথেষ্ট সিরিয়াস। এরপর তিনিও আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছেন এবং উৎসাহ দিয়েছেন। তখন আমার বড় ভাই আমাকে অনেক বেশি সাপোর্ট দিয়েছেন। তিনি আমার নিজের প্রতি কনফিডেন্স বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রথমে আমার বাবারও আমার প্রতি কনফিডেন্স ছিল না যে আমি কিছু করতে পারব। কিন্তু ঢাকায় যাওয়ার পর তিনিই আমাকে সাহস জুগিয়েছেন। বলেছেন, “মানুষ চাইলে সবকিছু করতে পারে। ইনশাআল্লাহ, তুমিও পারবে, বাবা।” তারপর আমি নিজেকে বুঝালাম—আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। অতঃপর আমি তিন মাসে কাজ শিখি এবং আরও চার মাস এক্সট্রা থেকে কাজের দক্ষতা অর্জন করি। পরবর্তীতে বাড়ি ফিরে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে চাইলাম। তখন আমার বাবা আমাকে একটি প্রতিষ্ঠান দিয়ে দেন। এই প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানোর সম্পূর্ণ ক্রেডিট আমার বাবা, মা এবং বড় ভাইয়ের। বাবা আমাকে আর্থিকভাবে সাপোর্ট দিয়েছেন, আর আমার বড় ভাই ও মা আমাকে মানসিকভাবে সাপোর্ট দিয়েছেন। আমার মামাও পরবর্তীতে আমাকে অনেক উৎসাহ ও সাপোর্ট করেছেন। অবশেষে ১/১১/২০২৫ তারিখে আমি আমার প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধন করি। এখন আলহামদুলিল্লাহ, আমি সৎ পথে ভালো উপার্জন করতে পারি। আল্লাহর অশেষ কৃপায় এবং আমার বড় ভাইয়ের পরামর্শে জীবনে ভালো কিছু করতে পেরেছি। আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া, আমাকে এতটুকু দেওয়ার জন্য। আর আমার বাবা, মা, বড় ভাই এবং মামাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তাঁরা যদি আমাকে সাপোর্ট না দিতেন, তাহলে হয়তো আমি আজ এই জায়গায় আসতে পারতাম না। বাবা, মা, ভাইয়া এবং মামা—আপনাদের প্রতি অসংখ্য কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। ❤️ আপনারা পাশে ছিলেন বলেই আজ আমি বলতে পারি—“আমি পেরেছি।” আলহামদুলিল্লাহ। ❤️
আমি তওহিদ মিয়া, টাঙ্গাইলের নগরপুরের ছেলে। এখন নগরপুর বাজারের "Hafiza Telecom"-এ কাজ করি একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে। মানুষ মনে করে আমি শুধু ফোন সারানোর একজন কর্মচারী, কিন্তু আসল ঘটনাটা তারা জানে না। ২০২৫ সালের জুন মাসে যখন বেসিক থেকে অ্যাডভান্স পর্যায়ের প্রশিক্ষণে ভর্তি হই, তখনই মনে মনে ঠিক করে নিয়েছিলাম—এই ছয় মাস আমার জন্য শুধু একটা কোর্স না, এটা আমার আসল লক্ষ্যের দিকে প্রথম পদক্ষেপ। ডিসেম্বরে যখন প্রশিক্ষণ শেষ করলাম, তখন বুঝলাম, এবার আসল পরীক্ষা শুরু। প্রতিদিন Hafiza Telecom-এ কাজ করার সময় আমি শুধু একটা ফোন সারাই না—লক্ষ্য করি দোকানটা কীভাবে চলে, গ্রাহকরা কী চায়, কোন জিনিসটা তাদের সন্তুষ্ট করে। এই পর্যবেক্ষণগুলোই আমার আসল শিক্ষা, যেটা কোনো বইয়ে লেখা নেই। মানুষ ভাবে আমি এখানে চাকরি করছি, কিন্তু আমি জানি—আমি আসলে নিজের ব্যবসার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। একদিন নগরপুরেই নিজের নামে একটা বড় মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার দাঁড় করাবো, এটাই আমার লক্ষ্য। আজকের প্রতিটা দিন, প্রতিটা কাজ, আমাকে সেই দিনটার একটু কাছে নিয়ে যাচ্ছে।
নোয়াখালীর একজন সাধারণ ছেলে। ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাতির প্রতি আমার প্রবল আগ্রহ ছিল। পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যেও আমি স্বপ্ন দেখা বন্ধ করিনি। আমি iFixFast থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে মোবাইল মেরামতের কাজ শিখি। নোয়াখালীর নাঈম টেলিকমে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করি।
আমি একজন প্রবাসী। আমি অনেকদিন থেকে দেশের বাহিরে ছিলাম। আমি দেশে আসার পরে ঘুরাঘুরি করে কিছুদিন কাটালাম। তারপর ভাবলাম এভাবে আর কতদিন চলা যাবে, কিছু তো একটা করে জিবিকা নির্বাহ করতে হবে। তখন আমি ফেসবুকে IFixFast এর কিছু ভিডিও দেখি এবং পরবর্তীতে আমি সেখানে ভর্তি হয়ে কোর্স সম্পুর্ন করি। বর্তমানে আমি নিজে একটি দোকান দিয়েছি এবং সেখানেই আমি কর্মরত আছি।
চারপাশে পর্যবেক্ষণ করে দেখলাম, চাকরি পাওয়ার অনিশ্চয়তার চেয়ে কোনো একটা কারিগরি কাজ শিখলে কখনও না খেয়ে থাকতে হয় না। মানুষের হাতের স্মার্টফোনগুলোর দিকে তাকিয়ে অনুধাবন করলাম—এই ডিভাইসটিই হতে পারে আমার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দেওয়ার হাতিয়ার। ভাবনামতোই শুরু করলাম মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শেখা। ঘরে বসে না থেকে ল্যাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় দিয়ে মোবাইল ফোনের ইন্টারনাল সার্কিট, পাওয়ার সেকশন, আইসি রিবলিং এবং লেটেস্ট স্মার্টফোনের ফাল্ট ফাইন্ডিং নিখুঁতভাবে শিখে নিলাম। সেই অর্জিত দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসকে সম্বল করে শেষ পর্যন্ত নিজের একটি মোবাইল সার্ভিসিং ও ইলেকট্রনিক্স শপ চালু করি। আজ বেকারত্বের সেই অন্ধকার দিনগুলো পেছনে ফেলে আমি নিজের প্রতিষ্ঠানের মালিক। কাস্টমারদের বিশ্বস্ত ও নিখুঁত সেবা দিয়ে প্রতিদিন নিজের টাকায় স্বাবলম্বী হয়ে বাঁচছি।
দোকানের নাম শুনে অনেকে প্রথমে ভুরু কুঁচকাতো — "RS Phone Care"? এত ছোট্ট একটা গ্রামে আবার ফোন সারানোর দোকান? এই প্রশ্নটা আমি বহুবার শুনেছি। আমি রাজা সান্ত্রা, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ গ্রামে বড় হয়েছি। শহরে গিয়ে কাজ শেখাটাই তখন স্বাভাবিক মনে হতো সবার কাছে। কিন্তু আমি অন্যরকম কিছু ভেবেছিলাম — দক্ষতাটা অর্জন করবো ঠিকই, তবে ফিরে আসবো নিজের মাটিতেই। এই লক্ষ্য নিয়েই ১৯তম ব্যাচে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণ শেষে গ্রামে ফিরে দোকান খোলার সিদ্ধান্তটা অনেকের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়েছিল। "গ্রামে ব্যবসা টিকবে কী করে?" — এই প্রশ্ন আমাকেও তাড়া করেছে শুরুর দিনগুলোতে। কিন্তু সময়ের সাথে হিসাবটা পাল্টে গেছে। আজ হাসাদহ ও আশপাশের গ্রামের মানুষ শহরমুখী না হয়ে সরাসরি চলে আসেন আমার দোকানে। "RS Phone Care" এখন শুধু আমার একটা দোকান নয় — এটা আমার প্রমাণ যে সঠিক দক্ষতা থাকলে গ্রামে থেকেও তৈরি করা যায় শহরের মতো নির্ভরযোগ্য একটা সেবাকেন্দ্র।
হাত-পা গুটিয়ে অলস বসে থাকা যে মানুষের মনকে কতটা বিষিয়ে তোলে, তা আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। হাতে কোনো কাজ ছিল না, রোজগারের সুনির্দিষ্ট উপায় ছিল না—দিনগুলো যেন এক জায়গায় থমকে গিয়েছিল। পরিবার আর সমাজের সামনে নিজেকে বড্ড অপ্রয়োজনীয় ও অসহায় মনে হতো। কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছিলাম, শুধু আফসোস করে বা ঘরে বসে থেকে বেকারত্ব দূর হবে না। একটা স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন আধুনিক যুগের উপযোগী কার্যকর টেকনিক্যাল স্কিল। স্মার্টফোনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা চিন্তা করে অলসতা ঝেড়ে ফেলে ভর্তি হলাম iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে এসে জীবনের নতুন এক লড়াই শুরু হলো। নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দিলাম কাজ শেখার পেছনে। মেন্টরদের সুনির্দিষ্ট গাইডলাইনে মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম আইসি (IC) থেকে শুরু করে ফোনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের জটিল সব মেকানিজম ধরে ধরে প্র্যাকটিক্যালি রপ্ত করলাম। দিনের পর দিন কঠিন অনুশীলনের পর যখন একটি পুরো মরা ফোনকে নিজ হাতে সচল করতে সক্ষম হলাম, তখন প্রথম বুঝতে পারলাম—আমার হাতেই তৈরি হয়ে গেছে আমার ভবিষ্যৎ! কঠিন অনুশীলনে তৈরি হওয়া সেই অদম্য আত্মবিশ্বাস থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। অর্জিত বিদ্যা আর অদম্য সাহসকে পুঁজি করে অবশেষে চালু করলাম আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং ও গ্যাজেট শপ। অলস বসে থাকা সেই অন্ধকার দিনগুলো আজ শুধুই অতীত। এখন প্রতিদিন নিজের দোকানে বসে শত শত কাস্টমারের জটিল সার্ভিসিং সমস্যার সমাধান করছি, নিজের উপার্জনে নিজের মতো করে মাথা উঁচু করে বাঁচছি। হতাশা ভুলে iFixFast-এ ভর্তি হওয়ার সেই একটি সিদ্ধান্তই আজ আমাকে বেকারত্ব থেকে মুক্ত করে নিজের প্রতিষ্ঠানের এক সফল ও স্বাবলম্বী মালিক বানিয়ে দিয়েছে
ভোলা সদরে ছোট একটা দোকান, নাম "Sujon Telecom"—এটাই এখন আমার পরিচয়। আমি সুজন কর্মকার, ভোলার মানুষ। ১৯তম ব্যাচে প্রশিক্ষণে যুক্ত হওয়ার আগে মোবাইল সার্ভিসিং নিয়ে তেমন কোনো ধারণাই ছিল না আমার। ২০২৫ সালের ৪ঠা জানুয়ারি প্রশিক্ষণ শুরু করি, আর প্রায় তিন মাস পর ৩১শে মার্চ কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করি। এই সময়টায় হাতে-কলমে শিখেছি মোবাইল ফোনের সমস্যা নির্ণয় থেকে শুরু করে মেরামতের খুঁটিনাটি সব কৌশল। প্রশিক্ষণ শেষ করেই ভোলা সদরে নিজের দোকান খুলে বসি। শুরুতে সবকিছু নতুন লাগতো, কিন্তু আজ আমি একজন সক্রিয় উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছি। প্রতিদিন গ্রাহকদের সেবা দিতে দিতে বুঝি—এই তিন মাসের প্রশিক্ষণটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।
অজানা মোড় থেকে সম্মানের জীবিকা: দিকনির্দেশনা খুঁজে পাওয়ার গল্প জীবন যখন কোনো এক অজানা মোড়ে এসে আটকে গিয়েছিল, তখন বুঝতে পারছিলাম না ভবিষ্যৎ আমাকে কোন দিকে নিয়ে যাবে। একটি ভালো ক্যারিয়ার গড়ার অদম্য তাগিদ প্রতিদিন ভেতর থেকে আসছিল, কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে কোনো স্পষ্ট পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। দিনগুলো কাটছিল এক চরম অনিশ্চয়তা আর দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে। সেই দিশেহারা মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিই বাস্তবমুখী কারিগরি বিদ্যা শেখার এবং পা রাখি iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে যুক্ত হওয়ার পর আমার জীবনের মোড় পুরোপুরি ঘুরে গেল। সেখানে অভিজ্ঞ মেন্টরদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও প্রফেশনাল পরিবেশে ধীরে ধীরে পরিষ্কার হতে শুরু করল আমার ভবিষ্যতের রূপরেখা। আধুনিক ল্যাবে স্মার্টফোনের জটিল মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস, পার্টস রিপ্লেসমেন্ট এবং আইসি (IC) লেভেলের অতি সূক্ষ্ম কাজগুলো প্র্যাকটিক্যালি শেখার মাধ্যমে আমার ভেতরে এক নতুন আত্মবিশ্বাসের জন্ম হলো। iFixFast Training Institute থেকে ট্রেনিং শেষ করার পর আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অর্জিত অভিজ্ঞতা ও কারিগরি দক্ষতাকে মূলধন করে সরাসরি যুক্ত হলাম কর্মক্ষেত্রে। আজ আমি একজন দক্ষ ও সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান। প্রতিদিন টেবিলে আসা শত শত মানুষের নষ্ট ফোন সার্ভিসিং করে তাদের মূল্যবান ডিভাইসটি আবার সচল করে দিচ্ছি, ফুটিয়ে তুলছি কাস্টমারদের মুখে তৃপ্তির হাসি। আর এই কাজের মাধ্যমেই আজ সমাজের বুকে সম্মানের সাথে নিজের স্বাধীন জীবিকা নির্বাহ করছি। দিকনির্দেশনাহীন সেই দিনগুলো পেরিয়ে iFixFast-এর হাত ধরে নিজেকে গড়ে তোলার সিদ্ধান্তটিই আজ আমাকে সফলতার এই সুন্দর ও সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে
গাজীপুরের কালীগঞ্জে মূলগাঁও আর.এফ.এল রোডের পাশ দিয়ে হাঁটলে এখন সবাই চেনে আমার দোকানটা—"Afzal Telecom"। কিন্তু কয়েক বছর আগেও এই পরিচয়টা আমার ছিল না। ২০তম ব্যাচে প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার আগে মোবাইল মেরামত সম্পর্কে আমার ধারণা ছিল খুবই সীমিত। প্রশিক্ষণের প্রতিটা ক্লাসে নতুন কিছু শিখতাম, আর শেখার সাথে সাথে বাড়তো আত্মবিশ্বাস। কোর্স শেষ করার পর দেরি না করে নিজের এলাকাতেই দোকান দিয়ে বসলাম। প্রথম কয়েকমাস গ্রাহক কম আসতো, কিন্তু কাজের মান আর সৎ ব্যবহার আস্তে আস্তে মানুষকে টেনে আনতে শুরু করলো। এখন প্রতিদিন নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে এলাকার মানুষের সেবা দিচ্ছি, একজন সক্রিয় উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করেছি। এই পথচলা আমাকে শিখিয়েছে—ধৈর্য আর দক্ষতা থাকলে নিজের এলাকা থেকেই বড় কিছু গড়া সম্ভব
আমি কোর্সে ভর্তি হওয়ার আগে ছোট একটা জব করতাম। আমার কেরিয়ার নিয়ে চিন্তিত ছিলাম।এরই মধ্যে আমি একদিন বাসায় বসে ফেসবুক স্ক্রল করতেছিলাম হঠাৎ করে আমার সামনে এর একটি ভিডিও চোখে পড়ল। ভিডিওটি দেখে তখন আমার ভালো লাগলো তারপর আমি এর পেজটি ভিজিট করলাম অনেকগুলো ভিডিও দেখলাম। ঢাকাতে আমার বড় ভাই থাকে, তাকে বললাম আমি মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ শিখতে চাই এবং বড় ভাই এই কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করলো । এরপর আমি তাদের অফিসে যোগাযোগ করে কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম।বেসিক টু এডভান্স। তারপর থেকে আমাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে আমি টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজে একটি প্রতিষ্ঠান দিয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি।
আমি হাসান মাহমুদ, নোয়াখালী জেলার মানুষ। ব্যবসার প্রতি আগ্রহ থেকেই একদিন সিদ্ধান্ত নিলাম নিজের কিছু একটা দাঁড় করাবো। সেই লক্ষ্যে ১৯তম ব্যাচে বেসিক কোর্সে ভর্তি হয়ে মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ ব্যবসার খুঁটিনাটি ও দক্ষতা অর্জন করি। প্রশিক্ষণ শেষে গাজীপুরের বাংলাবাজারে অবস্থিত ধনু মোল্লা সুপার মার্কেটে গড়ে তুললাম নিজের প্রতিষ্ঠান—"Media Electronics"। শুরুটা ছোট পরিসরে হলেও সততা আর মানসম্পন্ন পণ্যের কারণে ধীরে ধীরে এলাকার ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জন করতে থাকি। আজ আমার "Media Electronics" শুধু একটা দোকান নয়, বরং গাজীপুর বাংলাবাজার এলাকার একটি বড় ও বিশ্বস্ত পাইকারি মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ হোলসেলার প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন অনেক খুচরা বিক্রেতা আমার কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করেন, আর এই বিশ্বাসের সম্পর্কই আমার ব্যবসাকে এতদূর নিয়ে এসেছে। আমি মনে করি, সঠিক প্রশিক্ষণ আর সততার সাথে লেগে থাকলে যেকোনো ছোট উদ্যোগও একদিন বড় প্রতিষ্ঠানে রূপ নিতে পারে।
আমি একটা প্রাইভেট সেক্টরে জব করতাম। ওখানে কাজের চাপ ছিল মারাত্মক লেভেলের।কোন স্বাধীনতা ছিলনা। তাই একটা স্বাধীন পেশার আশায় আমি চাকরি ছেড়ে ঢাকায় এসে মোবাইল রিপেয়ার কোর্স করেছি। বর্তমানে আমি আমার গ্রামের বাজারে মোবাইল রিপেয়ারের পাশাপাশি একটি ফটোস্টুডিওর দোকান চালাই।আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর রহমতে এখন আমি ভাল আছি।
বেকারত্বের গ্লানি আর ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা একসময় আমাকে ভেতরে ভেতরে একদম দিশেহারা করে দিয়েছিল। কিন্তু হাত গুটিয়ে বসে না থেকে ভেবে দেখলাম—চাকরির পেছনে ছুটে সময় নষ্ট না করে নিজের এমন একটা টেকনিক্যাল দক্ষতা তৈরি করা দরকার, যা আমাকে আজীবন একটি শক্ত ভিত্তি দেবে। সেই বাস্তবমুখী চিন্তা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নিই এবং ভর্তি হয়ে যাই iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টের প্রফেশনাল পরিবেশে শুরু হলো আমার নিজেকে নতুন করে গড়ার লড়াই। দিনরাত পরিশ্রম করে এবং ট্রেইনারদের সুনির্দিষ্ট গাইডলাইনে সার্কিট বোর্ড ডায়াগনসিস, মাইক্রো-সোল্ডারিং, আইসি (IC) লেভেলের কাজ এবং স্মার্টফোনের জটিল সমস্যা সমাধানের মেকানিজমগুলো প্র্যাকটিক্যালি শিখে ফেললাম। প্রতিদিন ল্যাবে কঠিন অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতা যখন পুরোপুরি হাতের মুঠোয় এলো, তখন নিজের ভেতর এক অদম্য সাহসের জন্ম হলো। iFixFast থেকে অর্জিত সেই আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি দক্ষতা আর অদম্য সাহসকে পুঁজি করে চালু করলাম আমার নিজের মোবাইল সার্ভিসিং ও মোবাইল শপ। আজ আর সেই বেকারত্বের দুশ্চিন্তা আমাকে ছোঁ মেরে নিয়ে যায় না। প্রতিদিন নিজের দোকানে বসে শত শত কাস্টমারকে বিশ্বস্ত সেবা দিচ্ছি, তাদের নষ্ট ডিভাইস সচল করে মুখে হাসি ফোটাচ্ছি এবং নিজের উপার্জনে পরম সম্মানের সাথে জীবন কাটাচ্ছি
আমি তৌহিদুল ইসলাম, ফেনী জেলার মানুষ, বর্তমানে থাকি ঢাকার তেজতুরী বাজার, ওয়েস্ট তেজতুরী এলাকায়। মোবাইল সার্ভিসিং শেখার ইচ্ছা থেকে ২০২৪ সালের ২রা আগস্ট বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। কয়েক মাসের প্রশিক্ষণে হাতে-কলমে শিখলাম মোবাইল মেরামতের খুঁটিনাটি কৌশল, আর ৫ই ডিসেম্বর সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করি। প্রশিক্ষণ শেষে মোতালেব প্লাজায় অবস্থিত "Unique Solution"-এ টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজের সুযোগ পাই। আজ প্রতিদিন এই কাজের মধ্য দিয়ে নিজের দক্ষতা আরও ঝালাই করছি আর নিজের একটা পরিচয় গড়ে তুলছি।
1 ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক জিনিসের প্রতি আমার এক অদ্ভুত টান ও গভীর আগ্রহ ছিল। 2 যন্ত্রপাতি কীভাবে কাজ করে তা জানার কৌতূহল থেকেই পরে মোবাইল টেকনিশিয়ান হওয়ার ইচ্ছা জাগে। 3 সঠিক দিকনির্দেশনার খোঁজে থাকা অবস্থায় একদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় i Fix Fast-এর একটি ভিডিও চোখে পড়ে। 4 তাদের কাজ শেখানোর চমৎকার মাধ্যম ও টেকনিক্যাল দক্ষতা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করি। 5 এরপর i Fix Fast-এ ভর্তি হয়ে নিখুঁতভাবে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কোর্স শুরু করি। 6 সেখানে কঠোর অনুশীলন ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের সহযোগিতায় আধুনিক সব টেকনিক্যাল বিষয় আয়ত্ত করি। 7 কোর্স সম্পন্ন করার পর আমার ভেতরের আত্মবিশ্বাস ও কাজের দক্ষতা অনেক গুণ বেড়ে যায়। 8 আলহামদুলিল্লাহ, কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে আজ আমি একজন সফল টেকনিশিয়ান। 9 বর্তমানে কুমিল্লাতে আমার নিজস্ব মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান রয়েছে। 10 শৈশবের সেই ছোট্ট কৌতূহল ও সঠিক সিদ্ধান্তই আজ আমাকে স্বাবলম্বী একজন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে।
আজ আমি অত্যন্ত গর্বের সাথে বলতে পারি—আমি একজন সফল মোবাইল ফোন টেকনিশিয়ান। তবে আমার এই অর্জন শুধু একটি সাধারণ কোর্স শেষ করার গল্প নয়; এটি ছিল চরম অনিশ্চয়তা কাটিয়ে কঠোর পরিশ্রম, একটি সঠিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন এবং নিজের প্রতি অদম্য আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে নিজের ভাগ্য নিজে গড়ে নেওয়ার গল্প। একসময় ভবিষ্যতের সঠিক দিকনির্দেশনা খুঁজে পেতে struggle করতে হতো। কিন্তু আমি বিশ্বাস করতাম, অন্যের তৈরি করে দেওয়া পথে না হেঁটে নিজের হাতে এমন একটি দক্ষতা তৈরি করা দরকার, যা আমাকে আজীবন স্বাবলম্বী রাখবে। নিজের সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতেই পা রেখেছিলাম iFixFast Training Institute-এ। ifixfast এসে আমার শেখার পুরো অভিজ্ঞতাটাই বদলে যায়। অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে আধুনিক প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে সার্কিট ট্রেসিং, মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস এবং আইসি (IC) লেভেলের অতি সূক্ষ্ম ও জটিল মেকানিজমগুলো প্র্যাকটিক্যালি রপ্ত করতে লাগলাম। দিনরাত কঠোর অনুশীলন এবং একের পর এক টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জ পার করে ধীরে ধীরে গড়ে তুললাম কাজের নিখুঁত দক্ষতা। প্রশিক্ষণ শেষে অর্জিত সেই টেকনিক্যাল স্কিল আর আত্মবিশ্বাসকে সম্বল করে পা বাড়ালাম কর্মক্ষেত্রে। আজ আমার সেই iFixFast-এর স্বপ্ন পুরোপুরি বাস্তবে রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন টেবিলে আসা গ্রাহকদের জটিল থেকে জটিলতর নষ্ট মোবাইল ফোনগুলো নিজের হাতের ছোঁয়ায় সচল করে তুলছি। কাস্টমারদের বিশ্বস্ত সেবা দিতে পেরে যেমন অসীম তৃপ্তি পাই, তেমনি অর্জিত স্বাধীন জীবিকায় সম্মানের সাথে জীবন যাপন করছি
আমার বাবা একজন প্রবাসী বাবা ফেসবুকে ifix fast training Center এর একটি ads দেখতে পায় ওই ads আমাকে এবং আমার ভাইকে পাঠায় আমি তখন এলাকায় একটা দোকানে চাকরি করি বিকাশ, নগদ এর লেনদেন করি এবং পাশাপাশি ফটো প্রিন্টা এর কাজ করি এবং মাঝে মধ্যে চার্জিং পোট চেঞ্জ করে থাকি যখন আমার বাবা আমাকে বলে ঢাকায় মোবাইল সার্ভিসিং এর কোর্সটা করতে। আমি রাজি ছিলাম না পরে কিছু দিন পরে আমার বড় ভাইকে বলে কথা বলে আমাকে মোবাইল সার্ভিসিং কোর্সে ভর্তি করিয়ে দিতে আমি প্রথমে রাজি ছিলাম না পরে চিন্তা করে দেখলাম এই টুকটাক কাজ করে কিছুই হবে না জীবনে বড় কিছু করতে হবে। তখন আমার ভাইকে বলি আমি কাজ শিখতে রাজি আমার ভাই আমাকে ভর্তি করিয়ে দেয়। শুরু হয় আমার মোবাইল সার্ভিসিং এর যাত্রা এই দুই মাস ২০ দিন আমি এতটাই পরিশ্রম করি যে পরিশ্রম এর ফল আমি আজও পাই। আমি ধীরে ধীরে নিজেকে তৈরি করি একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান । কোর্স শেষ করে আমার উপজেলার ভিতর একটা দোকানে চাকরিতে যোগ দি এবং স্যারদের থেকে শেখা কৌশল অবলম্বন করে মোবাইলের যাবতীয় সমস্যা বের করে সমাধান করে দি। এবং ধীরে ধীরে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলি। আজ আমি একজন সফল টেকনিশিয়ান এবং একজন মোবাইল টেকনিশিয়ান শিক্ষক। ইনশাল্লাহ আমার হাত ধরে গড়ে উঠবে আরো অনেক টেকনিশিয়ান। আমার এই যাত্রায় আমাকে ইনস্পিরেশন করেছে আমার বাবা।
আমি গাজীপুরে গার্মেন্টস এ সহাকারী মার্চেন্ডাইজার হিসেবে চাকরি করতাম। তারপর হঠাৎ একদিন ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যায় দুই মাসের বেতন না দিয়ে। তারপর যত জায়গায় ইন্টারভিউ দিয়েছি সবাই টেক্সটাইল ব্যাকগ্রাউন্ড লোক চায় আমি ছিলাম জেনারেল ছাত্র। সব থেকে বড় সমস্যা ছিল রেফারেন্স, কিন্তু আমার রেফারেন্স করার মতো কেউ ছিলো না। তাই পরবর্তীতে চিন্তাভাবনা করি নিজে কিছু শিখার যেনো কাজের জন্য কার ওপর নির্ভর না হতে হয়। এজন্যই হাতের কাজ শিখা। ইনশাআল্লাহ এখন আল্লাহর রহমতে বেশ ভালো আছি।
আমি পড়াশোনা করি । আমার ভাবনায় ছিল পড়াশোনার পাশাপাশি টেকনিক্যাল কিছু কাজ শিখে রাখা উচিত। তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমি মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ শিখব। তখন আমি ফেসবুকে ভিডিও দেখে এখানে কোর্সে ইনরোল করি। পরবর্তীতে আমি কোর্সটা সম্পূর্ণ করি। বর্তমানে এ টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত রয়েছি।
আমি শুরুতে ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। তারপর IFixFast এর ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিও দেখি ।এরপর আমি কোর্সে ভর্তি হই। বর্তমানে আমি BIONIC MOBILE CARE এ টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি।
অন্যের অধীনে কাজ করার চেয়ে সবসময় চেয়েছিলাম নিজে কিছু করতে, নিজের একটা স্বাধীন পরিচয় তৈরি করতে। কিন্তু শুধু ইচ্ছাই তো শেষ কথা নয়, নিজের পায়ে দাঁড়াতে প্রয়োজন ছিল শক্তিশালী কোনো টেকনিক্যাল স্কিল। চাকরির চাকা ঘোরানোর চিন্তা বাদ দিয়ে নিজের উদ্যোক্তা হওয়ার সেই সংকল্প থেকেই পা রেখেছিলাম iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে এসে আমার অভিজ্ঞতার পরিধি কেবল ফোন মেরামতের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। প্রফেশনাল ট্রেইনারদের কাছে স্মার্টফোনের অতি সূক্ষ্ম সার্কিট ডায়াগনসিস ও আইসি (IC) লেভেলের কাজের পাশাপাশি অর্জন করলাম শপ ম্যানেজমেন্ট ও কাস্টমার ডিলিংয়ের বাস্তব জ্ঞান। কীভাবে একজন গ্রাহকের সাথে কথা বলতে হয়, ব্যবসার হিসাব-নিকাশ বজায় রাখতে হয় এবং সার্ভিসিং সেন্টার দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে হয়—তাও আয়ত্ত করে নিলাম। প্রশিক্ষণ শেষেই আর কোনো দ্বিধা না রেখে, অর্জিত টেকনিক্যাল বিদ্যা ও বিজনেস গাইডলাইনকে মূলধন করে চালু করলাম আমার নিজের সার্ভিসিং সেন্টার। আজ চাকরি খোঁজার বদলে নিজেই নিজের বস! প্রতিদিন দোকানে বসে গ্রাহকদের নিখুঁত ও বিশ্বস্ত সেবা দিচ্ছি, তাদের নষ্ট ডিভাইসগুলো সচল করে মুখে ফুটিয়ে তুলছি তৃপ্তির হাসি। অন্যের অধীনে কাজ না করে নিজের মেধা ও যোগ্যতায় অর্জিত এই স্বাধীন জীবিকা আমাকে দিয়েছে অসীম আত্মতৃপ্তি ও পরম সম্মান
আমি পড়ালেখার পাশাপাশি এইখানে কোর্স করি। বর্তমানে আমি অত্র প্রতিষ্ঠানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি।
আমি যখন কোর্স এ ভর্তি হই তখন আমার কিছু জানা ছিলো না, কোর্স শেষ করার পর অনেক কিছু শিখেছি, ট্রেনাররা অনেক ভালোই কাজ শিখাইছে, তার পর আমার নিজের এলাকায় একটা দোকান এ অ্যাডভান্স কাজ শিখেছি, আলহামদুলিল্লাহ, এখন একটা জব করতেছি, অনেক ভালো আছি, সর্বশেষ একটা কথা আল্লাহর সহায় আর আই ফিক্স ফার্স্ট এর জন্যই আজ আমি এতো দূরে আসতে পেরেছি।
আমি সাহারিয়া হোসেন শুভ, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের রামকৃষ্ণদি বাজার এলাকার বাসিন্দা। মোবাইল মেরামতের কাজের প্রতি টান থেকেই ১৯তম ব্যাচে তিন মাসের বেসিক কোর্সে ভর্তি হই। প্রশিক্ষণে হাতে-কলমে শিখলাম যন্ত্রাংশ চেনা আর মেরামতের কৌশল। কোর্স শেষে নিজের এলাকাতেই গড়ে তুললাম নিজের দোকান—"SSS Mobile Fix"। আজ আমি এই দোকানের মালিক হিসেবে প্রতিদিন এলাকার মানুষকে সেবা দিচ্ছি। মাত্র তিন মাসের প্রশিক্ষণ আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছে।
আমি মূলত ২০০৬ সাল থেকেই ইলেকট্রনিক্স জগতের সাথে যুক্ত ছিলাম। দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও একসময় এসে অনুধাবন করলাম—যুগ বদলে গেছে, চারপাশের প্রযুক্তি এখন অনেক বেশি আধুনিক। এখন সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন। বুঝতে পারলাম, বাজারে টিকে থাকতে হলে এবং নিজের আয়-উপার্জন বাড়াতে হলে সময়ের সাথে নিজেকে আপগ্রেড করার কোনো বিকল্প নেই। পুরনো অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা করে বসে না থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম মোবাইল সার্ভিসিংয়ের আধুনিক কাজগুলো শেখার। নতুন করে কাজ শেখার এই সিদ্ধান্তই আমার ক্যারিয়ারে নতুন প্রাণ এনে দিয়েছে। আগের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটিয়ে আজ আমি একজন সফল টেকনিশিয়ান।
শুরুতে মোবাইল রিপেয়ারিং সম্পর্কে আমার তেমন কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা পরিষ্কার ধারণা ছিল না। নষ্ট একটা ফোনের পেছনের জটিল দুনিয়াটা কীভাবে কাজ করে, তা ছিল আমার কাছে একদমই অজানা। তবে ভেতরে ছিল শেখার তীব্র আগ্রহ আর নিজের শক্তিতে একটি নির্ভরযোগ্য ক্যারিয়ার গড়ার অদম্য স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েই ভর্তি হয়েছিলাম iFixFast Training Institute-এ। iFixFast Training Institute প্রফেশনাল পরিবেশে শুরু হলো আমার শেখার মূল অধ্যায়। অভিজ্ঞ ও দক্ষ ট্রেইনারদের আন্তরিক তত্ত্বাবধানে একদম শূন্য থেকে ধাপে ধাপে আয়ত্ত করতে লাগলাম স্মার্টফোনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের জটিল সব মেকানিজম। সার্কিট বোর্ড ট্রেসিং, মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস থেকে শুরু করে নিখুঁত পার্টস রিপ্লেসমেন্টের কাজগুলো নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে খুব সহজেই আমার হাতের মুঠোয় চলে এলো। যে অজানা বিষয়গুলো নিয়ে শুরুতে দ্বিধা ছিল, প্র্যাকটিক্যালি প্র্যাকটিস করার পর তা পূর্ণাঙ্গ আত্মবিশ্বাসে রূপ নিল। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর আজ আমি একজন সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজের মজবুত ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছি। এখন প্রতিদিন টেবিলে আসা নতুন নতুন কারিগরি সমস্যা চমৎকার দক্ষতার সাথে সমাধান করছি এবং গ্রাহকদের বিশ্বস্ত সেবা দিচ্ছি। প্রযুক্তি আর নিজেদের প্রয়োজনীয় ডিভাইস সচল করে মানুষের মুখে যে সন্তুষ্টির হাসি ফুটাই, তার বিনিময়ে প্রতিদিন অর্জন করছি অসীম সম্মান এবং ভালো একটি আয়
প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগে মানুষের হাতের সবচেয়ে কাছের ও গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী হলো তাদের স্মার্টফোন। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার দিনগুলো থেকেই ইলেকট্রনিক্সের ভেতরের দুনিয়াটা আমাকে দারুণভাবে আকর্ষণ করত। বিভিন্ন সার্কিট, উপাদান এবং এগুলোর কার্যপ্রণালী নিয়ে জানার এক তীব্র কৌতূহল ছিল সবসময়। সেই মেধা আর প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানকে বাস্তবে কাজে লাগানোর চিন্তা থেকেই সিদ্ধান্ত নিই মোবাইল সার্ভিসিংয়ের আধুনিক জগতে পা রাখার। তবে শুরুটা কিন্তু খুব একটা সহজ ছিল না। মাইক্রো-লেভেলের সূক্ষ্ম আইসি (IC) রিপেয়ারিং, নিখুঁত সার্কিট ট্রেসিং এবং প্রতিদিন বদলে যাওয়া প্রযুক্তির সাথে টেক্কা দিয়ে নিজেকে আপডেট রাখাটা ছিল এক বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু হার না মানার মানসিকতা, ইলেকট্রিক্যালের মজবুত মৌলিক ভিত্তি আর কঠোর অনুশীলনের জোরে অল্প সময়ের মধ্যেই মোবাইল রিপেয়ারিংয়ের জটিল থেকে জটিলতর অ্যাডভান্স লেভেল আয়ত্ত করে ফেলি। নিজের এই অর্জিত প্রফেশনাল দক্ষতাকে আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে এবং হাজারো তরুণকে স্বাবলম্বী করার স্বপ্ন নিয়ে যুক্ত হই দেশের অন্যতম সেরা টেকনিক্যাল প্ল্যাটফর্মে। আজ অত্যন্ত গর্বের সাথে বলতে পারি, আমি IFixFast Training Institute-এর একজন সফল ইন্সট্রাক্টর! যেখানে একদিন শিক্ষার্থী হিসেবে শেখার অদম্য কৌতূহল ছিল, আজ সেখানে শত শত শিক্ষার্থীকে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব পালন করছি। প্রতিদিন ল্যাবে তরুণদের হাতে-কলমে সার্কিট ডায়াগনসিস ও আধুনিক টেকনোলজির সূক্ষ্ম কাজগুলো শেখানোর মাঝে যে তৃপ্তি পাই, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ইলেকট্রনিক্সের প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা, ডিপ্লোমার অর্জিত জ্ঞান এবং অদম্য পরিশ্রমে আজ আমি নিজেকে একজন সফল ট্রেইনার ও মেন্টর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি
একসময় ক্যারিয়ার নিয়ে দুঃচিন্তার কোনো শেষ ছিল না। ভবিষ্যৎ কী হবে, কোনো ভালো চাকরির সুযোগ আসবে কি না—ভেবে দিনরাত কোনো দিশা পাচ্ছিলাম না। চারপাশের অনিশ্চয়তা আমাকে ভেতরে ভেতরে একদম দিশেহারা করে দিয়েছিল। ঠিক তখনই এক বন্ধুর পরামর্শে মোবাইল সার্ভিসিং শেখার সিদ্ধান্ত নিই এবং পা রাখি iFixFast Training Institute-এ। আইফিক্স ফাস্টে যুক্ত হওয়াটাই ছিল আমার জীবনের আসল টার্নিং পয়েন্ট। এখানে এসে অভিজ্ঞ মেন্টরদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে আধুনিক প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে সার্কিট ট্রেসিং, মাদারবোর্ড ডায়াগনসিস এবং সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যারের জটিল সব কাজ সরাসরি হাতে-কলমে শিখতে শুরু করি। প্রতিদিন বাস্তব ডিভাইস নিয়ে অনুশীলনের ফলে আমার ভেতরের ভয় ও দ্বিধা দূর হয়ে এক নতুন আত্মবিশ্বাসের জন্ম নেয়। বুঝতে পারি, একটি সঠিক কারিগরি শিক্ষাই পারে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে। সেই অদম্য পরিশ্রম আর মেন্টরদের সঠিক নির্দেশনায় কোর্স সম্পন্ন করার পর আজ আমি একজন সফল মোবাইল টেকনিশিয়ান। এখন আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা আমাকে তাড়া করে না। প্রতিদিন টেবিলে আসা নতুন নতুন ডিভাইসের জটিল সার্ভিসিং সমস্যা সমাধান করে কাস্টমারদের বিশ্বস্ত সেবা দিচ্ছি। অন্যের ওপর নির্ভরশীল না থেকে সম্পূর্ণ নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আজ সমাজে পরম সম্মানের সাথে নিজের স্বাধীন জীবিকা নির্বাহ করছি
প্রতিদিন এতটা পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় আসা-যাওয়া করাটা কখনো কখনো ক্লান্তিকর লাগতো, কিন্তু মনের ভেতর একটা জেদ ছিল—কিছু একটা শিখে নিজের পায়ে দাঁড়াবোই। মোবাইল সার্ভিসিং-এর প্রতি আগ্রহ থেকেই বেসিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণে ভর্তি হই। শুরুতে সহজ ছিল না, নতুন যন্ত্রপাতি আর কৌশল রপ্ত করতে সময় লেগেছে অনেক। কিন্তু ধৈর্য ধরে লেগে থাকার ফল আজ চোখের সামনে—হাতিরপুলের মোতালেব প্লাজায় IFixFast Mobile Service Center-এ টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। কেরানীগঞ্জ থেকে প্রতিদিনের এই যাত্রা এখন আর শুধু কষ্টের নয়, বরং একটা গর্বের অনুভূতি নিয়ে আসে, কারণ জানি—এই পথের শেষে আমার নিজের অর্জিত একটা পরিচয় অপেক্ষা করছে।
আল-মিজান, বর্তমান ঠিকানা হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫। মোবাইল সার্ভিসিং খাতে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে IFixFast Training Center-এ বেসিক পর্যায়ের কারিগরি প্রশিক্ষণে ভর্তি হন। জুলাই মাসে কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর তিনি ইস্টার্ন প্লাজা শপিং কমপ্লেক্সে অবস্থিত IFixFast Mobile Service Center-এ টেকনিশিয়ান পদে কর্মরত আছেন। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে বর্তমানে তিনি নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের মোবাইল ডিভাইস মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সেবা প্রদান করছেন। মাত্র কয়েক মাসের প্রশিক্ষণ কীভাবে একজনকে দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে পারে, তাঁর কর্মজীবন তারই একটি বাস্তব দৃষ্টান্ত।
আমি বেকার ছিলাম উপার্জন করার জন্য এই কোর্সে জয়েন করি । বর্তমানে আমি একটি দোকান দিয়েছি। সেখানে আমি মোবাইল রিপেয়ারিং এর কাজ করে থাকি।
আমি ফয়সাল হোসেন, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে অবস্থিত "জাহিদ টেলিকম"-এর প্রতিষ্ঠাতা ও স্বত্বাধিকারী। উদ্যোক্তা জীবনের শুরুতে ব্যবসা পরিচালনার আধুনিক কৌশল ও দক্ষতার ঘাটতি অনুভব করতাম। ২০২৪ সালে আমি একটি বেসিক টূ অ্যাডভান্স লেভেল এর প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করি। প্রায় সাত মাসের এই প্রশিক্ষণে গ্রাহক ব্যবস্থাপনা, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনার দক্ষতা অর্জন করি। ২৫শে ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে সফলভাবে প্রশিক্ষণটি সম্পন্ন করি। এই অর্জিত জ্ঞান প্রয়োগ করে আমার প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর ও টেকসইভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছি। বর্তমানে লক্ষ্মীপুর বাজারে একটি সক্রিয় সেবা ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা হিসেবে সুনামের সাথে সেবা প্রদান করে যাচ্ছি। এই অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, সঠিক প্রশিক্ষণ একজন উদ্যোক্তার সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আমার ছোট বেলা থেকে মোবাইল সার্ভিসিং এর উপরে অনেক আগ্রহ ছিল । এরপর আমি ছোট বেলার স্বপ্নটাকে বাস্তবে রুপান্তরিত করার বয়সে পা রাখি। তখন আমি থেকে মোবাইল রিপায়ারিং এর উপরে কোর্স করেছি। এখন আমি টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেছি।
আমি আগে বেকার ছিলাম। যখন আমার পরিবার অর্থনৈতিক ভাবে সমস্যায় পরে তখন তারা একটি রিস্ক নিয়ে আমাকে IFixFast এখানে ফোন সার্ভিসিং এর বেসিক কোর্সে ভর্তি করে দেয়। এখন আমি মোটামোটি ভালো ইনকাম করি এবং আমার পরিবারকে পুরোপুরি ভাবে সাপোর্ট করি।
এইচএসসি পরীক্ষার পর সবার মনেই প্রশ্ন থাকে—"এখন কী করব?" আমার পরিবার থেকেও একই কথা এলো, "বসে না থেকে কিছু তো একটা করতে হবে।" বেশ চিন্তা-ভাবনা করে আমার প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নিলাম মোবাইল সার্ভিসিং। শুরুটা ছিল ফেনীর একটি লোকাল দোকানে। সেখানে কিছুদিন কাজ শেখার পর বুঝতে পারলাম—আমার মধ্যে এই কাজের প্রতি সত্যি আগ্রহ আছে এবং আমি এতে ভালো কিছু করতে পারব। কিন্তু নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে অ্যাডভান্স লেভেলের ট্রেনিং দরকার ছিল। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম ঢাকা গিয়ে ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রফেশনাল কোর্স করব। ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে একদিন iFixFast-এর একটি বিজ্ঞাপন চোখে পড়ল। অনেক দিন যাচাই-বাছাই করে মনে হলো, প্র্যাকটিক্যালি হাতে-কলমে শেখার জন্য এটিই আমার জন্য সেরা প্ল্যাটফর্ম। ঢাকার অচেনা শহরে এসে শেখার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ ছিল না। মনের মধ্যে অজানা ভয় ছিল। এক বন্ধুকে রাজি করালাম, সেও সাথে শিখবে। কিন্তু ঠিক যখন আমরা ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছি, তখনই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি (২৪-এর জুলাই আন্দোলন) উত্তাল হয়ে ওঠে। কয়েকবার তারিখ পিছিয়ে শেষ পর্যন্ত ৩১ তারিখে আমরা কোর্সে যুক্ত হতে পারি। সব বাধা পেরিয়ে অবশেষে আমার কাঙ্ক্ষিত শেখার যাত্রা শুরু হলো। কোর্স শেষ করার পর জীবনে নতুন এক মোড় এলো। সৌদি আরব যাওয়ার জন্য আমার দালাল একটি ভিসার ব্যবস্থা করে দেয়। ভেবেছিলাম বিদেশে গিয়ে হয়তো কাজ করব। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—দালালের খপ্পরে পড়ে আমার প্রচুর টাকা-পয়সা মার গেল। নিজের আপন মানুষের মাধ্যমেই প্রতারিত হয়ে মানসিকভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়েছিলাম। তবে আমার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল—আমার হাতের স্কিল! টাকা হারালেও কাজের দক্ষতা তো কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। ভেঙে না পড়ে সিদ্ধান্ত নিলাম নিজের শহরেই কিছু একটা করব। শুরু করলাম নিজের দোকান "Mobile Times"। iFixFast-এ শেখা প্রফেশনালিজম, সার্ভিস দেওয়ার ধরণ এবং তাদের গাইডলাইনগুলো হুবহু নিজের ব্যবসায় প্রয়োগ করতে লাগলাম। কঠোর পরিশ্রম আর সততার ফল পেতে বেশি দিন সময় লাগেনি। আস্তে আস্তে কাস্টমারের আস্থা অর্জন করলাম, ব্যবসা বাড়তে লাগল। আর আজ সৃষ্টিকর্তা রহমতে সেই একই মার্কেটে আমি আমার দ্বিতীয় দোকানটি নিয়েছি
আমার ভাইয়া বিদেশে থাকে। উনি আমাকে বিদেশে নিয়ে যেতে চাইছিলো। কিন্তু তখন আমার কোনো টেকনিক্যাল স্কিল ছিল না। তখন আমার ভাই আমাকে যেকোনো একটা টেকনিক্যাল স্কিল শিখতে বলে। তারপর আমি ঠিক করি যে মোবাইল রিপায়ারিং এর কাজ শিখব।এরপর আমি IFixFast থেকে মোবাইল রিপায়ারিং এর উপরে কোর্স করি। পরবর্তীতে আমি কয়েক মাস IFixFast এ জব করেছি। এখন আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতেছি।
আমি আগে বেকার ছিলাম এখানে কাজ শেখার পড়ে থেকে আমি এখন কর্মের মাঝে আছি।
আমি লেখাপড়া শেষ করে বেকার ছিলাম। তারপর IFixFast এ Moblile Servicing Basic to Advance কোর্সে ভর্তি হই এবং কোর্সটা সম্পুর্ন করি। বর্তমানে আমি একটি প্রতিষ্ঠানে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত আছি।
আমি ছাত্র থাকা অবস্থায় আমাদের পুকুরে মাস চাষ করতাম এবং জমিতে ধান ফলাইতাম। একদিন আমার বাবা আমাকে বলল এগুলো করে এইভাবে আর কতদিন চলবি। তারপর তিনি আমাকে মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ শিখার পরামর্শ দিলো। এরই মাঝে একদিন আমি ফেসবুকে ভিডিও দেখতেছিলাম ঠিক তখনই আমার সামনে IFixFast এর মোবাইল সার্ভিসিং এর একটি ভিডিও আমার চোখে পড়ল। তারপর আমি বিস্তারিত জেনে শুনে এখানে ভর্তি হওয়ার জন্য বাবাকে জানালাম। তখন উনি আমাকে এখানে কোর্সে ভর্তি করিয়ে দিলো। কোর্স শেষ করার পর আমি গ্রামের বাড়িতে চলে আসি এবং নিজে একটি মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকান দেই। আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি অনেক ভালো চলতেছি।
আমার লক্ষ্য ছিল দেশের বাইরে গিয়ে কোনো সাধারণ কাজ না করে, একটি বিশেষ স্কিল বা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের যোগ্যতায় ক্যারিয়ার গড়ার। এই লক্ষ্যেই আমি মোবাইল ফোন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার মেরামতের ওপর এই ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলাম, যাতে সেই দক্ষতা নিয়ে বিদেশ এ নিজের ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠা করতে পারি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ভিসা জটিলতা ও নানা কাগজপত্রের সমস্যার কারণে আমার সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। ঠিক সেই অনিশ্চয়তার সময়ে, এই ট্রেনিং সেন্টার থেকেই আমাকে একটি সুযোগ দেওয়া হয়। আমার কাজের নিখুঁত দক্ষতা এবং যোগাযোগের ক্ষমতা দেখে তারা আমাকে এখানেই প্রশিক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি সেই প্রস্তাবটি গ্রহন করি এবং আজ গর্বের সাথে বলছি, বিদেশ এ গিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার যে স্বপ্ন আমার ছিল, তা আমি এই ট্রেনিং সেন্টারেই একজন সফল ট্রেইনার বা প্রশিক্ষক হিসেবে পূরণ করতে পেরেছি।
আমি অনার্সে পড়তেছি দর্শন বিষয় নিয়ে। যখন আমি অনার্সে ভর্তি হই এর কিছুদিন পরে আমি ভাবতেছিলাম আমি শুধু একাডেমিক পড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকব না। একাডেমিক পড়ার পাশাপাশি আমার কিছু হাতের কাজ শিখা উচিত। এরপর আমি ফেসবুকে এই কোর্সের ভিডিও দেখি এবং যখন দেখলাম এখানে ছেলে-মেয়ে উভয়ে কোর্সটা করতে পারবে তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে এই কোর্সে আমি ভর্তি হবো। কারন এখানে যেহেতু মেয়েরা তুলনামুলক ভাবে কম সেক্ষেত্রে আমার একটা ভালো ক্যারিয়ার দাড় করাতে পারব এখান থেকে সেজন্য আমি এখানে ভর্তি হই। এরপর আমি কোর্সটি সম্পুর্নভাবে শেষ করি । তারপর IFixFast থেকে তারা আমার মেধা এবং কাজের অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করে অত্র প্রতিষ্ঠানে জবের জন্য অফার করে। পরবর্তীতে আমি এখানে যোগদান করি। বর্তমানে এখানে আমি সিনিয়র ট্রেইনার হিসেবে আছি।
আমার ক্যারিয়ারের শুরুটা হয়েছিল মোবাইল সার্ভিসিং শেখার মাধ্যমে। তখন লক্ষ্য ছিল একজন দক্ষ মোবাইল টেকনিশিয়ান হওয়া। প্রশিক্ষণের সময় শুধু মোবাইলের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নয়, গ্রাহকের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয়, কীভাবে সমস্যার সমাধান দিতে হয় এবং কীভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে হয়—এসবও শিখেছিলাম। প্রশিক্ষণ শেষ করার পর বুঝতে পারলাম, আমার মানুষের সঙ্গে কথা বলা এবং তাদের সঠিকভাবে গাইড করার দক্ষতা অনেক ভালো। তাই আমি সেলসম্যান হিসেবে কাজ শুরু করি। মোবাইল সার্ভিসিংয়ের জ্ঞান থাকায় গ্রাহকদের চাহিদা সহজেই বুঝতে পারতাম এবং তাদের জন্য সঠিক পণ্য ও সমাধান দিতে পারতাম।
আমি কোর্সে ভর্তি হওয়ার আগে বেকার ছিলাম। আমার কেরিয়ার নিয়ে চিন্তিত ছিলাম।এরই মধ্যে আমি একদিন বাসায় বসে ফেসবুক স্ক্রল করতেছিলাম হঠাৎ করে আমার সামনে এর একটি ভিডিও চোখে পড়ল। ভিডিওটি দেখে তখন আমার ভালো লাগলো তারপর আমি এর পেজটি ভিজিট করলাম অনেকগুলো ভিডিও দেখলাম। এবং এই কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য আগ্রহী হলাম । এরপর আমি তাদের অফিসে যোগাযোগ করে কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম। তারপর থেকে আমাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে আমি টেকনিশিয়ান হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি।