
Mahmud Sayem
Technician
Success Story
ভবিষ্যতে বিদেশে গিয়ে নিজের একটা স্থায়ী ক্যারিয়ার গড়ার বড় স্বপ্ন ছিল আমার। তবে বিদেশে কেবল সাধারণ শ্রমিক হিসেবে না গিয়ে, নিজের হাতে ভালো কোনো টেকনিক্যাল বা কারিগরি দক্ষতা নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। কারণ প্র্যাকটিক্যাল কাজ জানা থাকলে যেকোনো দেশেই ভালো কাজ ও সম্মানের সাথে ভালো আয় করা সম্ভব। সেই উদ্দেশ্য ও ভাবনা থেকেই মোবাইল সার্ভিসিংয়ের বিশ্বব্যাপী ব্যাপক চাহিদা দেখে ভর্তি হয়ে গেলাম IFixFast Training Institute-এ। ইনস্টিটিউটের ল্যাবে কাটানো দিনগুলো ছিল আমার দক্ষতা গড়ে তোলার প্রকৃত জায়গা। ট্রেনারদের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনায় মোবাইল মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত ফল্ট ট্রেসিং এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের মতো আন্তর্জাতিক মানের কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে একদম হাতে-কলমে আয়ত্ত করে নিলাম। কোর্স সম্পন্ন করার পর বিদেশে যাওয়ার প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নিজের দক্ষতাকে আরও নিখুঁত ও মজবুত করতে দেশেই প্র্যাকটিক্যাল কাজের অভিজ্ঞতার দিকে জোর দিলাম। অর্জিত কারিগরি দক্ষতার জোরে খুব দ্রুতই একটি বড় মোবাইল সার্ভিসিং শপে প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করার পথ সুগম হয়ে গেল। আজ আমি সেই প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত সুনাম ও সাফল্যের সাথে টেকনিশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। নিজ হাতে প্রতিদিন জটিল সব নষ্ট ফোন ডায়াগনোসিস ও মেরামত করে নিজেকে আরও পরিপক্ব করে তুলছি। হাতে-কলমে কাজ শেখার কারণে আমার বিদেশের প্রসেসিং ও টেকনিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে গেছে। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমার লক্ষ্যকে সহজ করে দিয়েছেন। আর বিশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে নিখুঁতভাবে কাজ শিখিয়ে এক সফল প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলেছে। বিদেশে যাওয়া বা নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্য যেকোনো কারিগরি দক্ষতা অর্জন করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ—আজ আমি তার বড় প্রমাণ। আমার এই টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও বিদেশের ভবিষ্যৎ পথচলার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন