
Md Yasin Mia
Technician
Success Story
ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছিল, জীবনটা যেন এক জায়গায় থমকে গিয়েছিল। কোনো নির্দিষ্ট পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না, আর বেকারত্বের বোঝা দিনে দিনে মনটাকে ভারী করে তুলছিল। ঠিক সেই কঠিন সময়ে মনে হলো, কেবল বসে থেকে ভাবলে তো আর জীবন বদলাবে না—নিজের হাতে কোনো কারিগরি দক্ষতা গড়া ছাড়া এখন আর অন্য কোনো উপায় নেই। তখনই মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কথা মাথায় আসে। চারপাশের সবাইকে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে দেখে উপলব্ধি করলাম, এই কাজের চাহিদা দিন দিন কেবল বাড়তেই থাকবে। কিন্তু একদম শূন্য থেকে কীভাবে শুরু করব, তা বুঝতে পারছিলাম না। সঠিক দিকনির্দেশনার খোঁজে চলে এলাম IFixFast Training Institute-এ। প্রতিষ্ঠানের আধুনিক ল্যাব এবং শিক্ষকদের আন্তরিক পরামর্শ দেখে মনে নতুন আশা জাগল। তাই ভর্তি হয়ে গেলাম নতুন এক জীবন গড়ার স্বপ্নে। ট্রেনিংয়ের প্রতিটি দিন আমার জন্য ছিল নতুন নতুন বিষয় শেখার এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। ট্রেনারদের নিখুঁত দিকনির্দেশনায় একে একে মাদারবোর্ডের জটিল সার্কিট রিডিং, মাল্টিমিটার দিয়ে ফল্ট ডায়াগনোসিস এবং সূক্ষ্ম হার্ডওয়্যার ট্রাবলশুটিংয়ের কাজগুলো যত্ন সহকারে আয়ত্ত করলাম। প্রতিদিন ল্যাবে একটানা অনুশীলন করতে করতে নিজের ভেতরের ভয় কেটে গিয়ে জন্ম নিল অপার আত্মবিশ্বাস। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর পরিশ্রমের মিষ্টি ফল পেতে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। শেখা কাজের নিখুঁত মানের ওপর নির্ভর করে খুব দ্রুতই একটি সার্ভিসিং সেন্টারে পেশাদার টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিলাম। যে আমি একসময় বেকারত্বের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে ছিলাম, আজ আমি সেই প্রতিষ্ঠানে একজন নির্ভরযোগ্য টেকনিশিয়ান। প্রতিদিন নিখুঁত হাতে মানুষের নষ্ট মোবাইল সচল করে তাদের মুখে যে স্বস্তির হাসি দেখি, তা আমাকে এক গভীর তৃপ্তি দেয়। বেকারত্বের গ্লানি মুছে আজ আমি নিজের যোগ্যতায় সফল! মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ শুকরিয়া, যিনি আমার চেষ্টা ও কষ্টকে বৃথা যেতে দেননি। আর আন্তরিক ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমাকে সঠিক পথ দেখিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। ইচ্ছাশক্তি থাকলে আর সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে যেকোনো বেকার জীবন থেকেই ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব—আজ আমি তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন