
Al Amin
Owner
Success Story
একসময় ভবিষ্যতের কথা ভেবে খুব অনিশ্চয়তায় দিন কাটছিল। লেখাপড়া শেষ করে যখন জীবনের মোড় ঘোরানোর পথ খুঁজছিলাম, ঠিক তখনই ভাবলাম মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ শিখলে কেমন হয়? সেই একটি চিন্তাই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল। বিনা দ্বিধায় সোজা চলে গেলাম IFixFast Mobile Training Institute-এ। প্রথম দিন থেকেই কাজ শেখার প্রতি অন্যরকম একটা টান তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সার্কিটের জটিল ডায়াগনোসিস, মাল্টিমিটার দিয়ে নিখুঁত পয়েন্ট খোঁজা, কিংবা কোল্ড ও হট সার্ভিসিংয়ের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কাজগুলো যখন একে একে আয়ত্ত করছিলাম, তখন মনে হতো প্রতিটা দিন আমাকে নতুন করে গড়ে তুলছে। ট্রেনারদের ধৈর্য আর নিখুঁত গাইডলাইন আমাকে দিনে দিনে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ানে রূপান্তর করল। ইনস্টিটিউট থেকে বের হয়ে কাজের অভিজ্ঞতা বাড়াতে কিছুদিন টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করলাম। যত জটিল সমস্যা সমাধান করতাম, ততই মনের ভেতরের আত্মবিশ্বাসটা বাড়ছিল। সারাদিন কাজ শেষে রাতে ঘরে ফেরার সময় একটা স্বপ্নই চোখে ভাসতো—একদিন নিজের একটা দোকান থাকবে! অবশেষে পরিশ্রম, ধৈর্য আর সঠিক দিকনির্দেশনা মিলেমিশে এক হলো। আজ আমি নিজের মোবাইল সার্ভিসিং দোকানের শুভ সূচনা করলাম! একসময় যে কাজটা শেখার জন্য খাতা-কলম আর টুলস নিয়ে অন্যের কাছে যেতাম, আজ সেখানে আমি নিজেই একজন স্বাধীন দোকানের মালিক ও উদ্যোক্তা। দোকানের শাটারটা যখন আজ সকালে নিজ হাতে তুলছিলাম, মনের মধ্যে এক অপূর্ব অনুভূতি হচ্ছিল। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন। আর অশেষ ধন্যবাদ IFixFast Training Institute-কে, যা আমার স্বপ্নের ভিত তৈরি করে দিয়েছিল। শূন্য থেকে শুরু করে আজ নিজের সার্ভিসিং সেন্টারের চেয়ারে বসার এই অনুভূতি সত্যিই ভাষায় প্রকাশের নয়। পরিশ্রম আর সঠিক পথ থাকলে স্বপ্ন যে সত্যি হয়, আজ তার বড় প্রমাণ আমি নিজেই। আমার এই নতুন পথচলার জন্য সবাই দোয়া করবেন